<p>বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সঠিক সংখ্যা হলো <strong>৭টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণ ১১টি থাকলেও, উচ্চারণের সময় আমরা মূলত ৭টি মৌলিক স্বরধ্বনি ব্যবহার করি।</li>
<li>এই ৭টি ধ্বনি হলো: <strong>অ, আ, ই, উ, এ, ও, এবং অ্যা</strong>।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানীদের মতে, এই ধ্বনিগুলোই হলো বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি, যা অন্য কোনো স্বরধ্বনির মিশ্রণ ছাড়াই উচ্চারিত হয়।</li>
</ul>
৭৬৮২
‘আনারস’ ও ‘চাবি’ শব্দ দু’টি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ ভাষা হতে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক নিত্যপ্রয়োজনীয় শব্দ পর্তুগিজদের কাছ থেকে এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা দীর্ঘ সময় বাংলায় বাণিজ্য করেছে, তাই তাদের ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় মিশে গেছে।</li>
<li><strong>আনারস</strong>, <strong>চাবি</strong>, আলমারি, বালতি, সাবান এবং পাউরুটি—এই শব্দগুলো মূলত পর্তুগিজ ভাষা থেকেই সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই এই কয়েকটি শব্দ একটি ছোট তালিকার মতো মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে</strong>। প্রবচনটির অর্থ হলো এমন কোনো কাজ করা, যেখানে নিজের কোনো ক্ষতি না করে উদ্দেশ্য হাসিল করা যায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সাপ মারা:</strong> এটি হলো মূল লক্ষ্য বা কাজ সম্পন্ন করা।</li>
<li><strong>লাঠি না ভাঙ্গা:</strong> এটি হলো নিজের সম্পদ বা স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখা।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যখন কোনো পরিস্থিতিতে আমরা এমন কৌশল অবলম্বন করি যাতে কাজও হয় আবার নিজের কোনো ক্ষতিও হয় না, তখনই এই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়। এটিই 'উভয়কুল রক্ষা' করার সবচেয়ে চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>‘রত্নাকর’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>রত্ন + আকর</strong>। এটি মূলত স্বরসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে অ-কার (রত্ন + অ) এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে আ-কার (আকর) রয়েছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ + আ মিলে দীর্ঘ আ-কার (া) হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, রত্ন + আকর = রত্নাকর।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রত্ন (রত্ন) এবং আকর (খনি) মিলে তৈরি হয়েছে রত্নাকর, যার অর্থ হলো রত্নের খনি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুনীর চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত কালজয়ী নাটক 'কবর'-এর রচয়িতা হলেন মুনীর চৌধুরী। এই নাটকটি তিনি লিখেছিলেন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায়।</p>
<ul>
<li><strong>নাটকের নাম:</strong> কবর</li>
<li><strong>নাট্যকার:</strong> মুনীর চৌধুরী</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাটক, যা ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি একদম ঠোঁটস্থ করে রাখা জরুরি!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পাকা পাকা আম</strong>। কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণ পদকে পরপর দুবার ব্যবহার করলে তা অনেক সময় বহুবচন বা আধিক্য বোঝায়।</li>
<li>এখানে 'পাকা পাকা আম' বলতে একটি আম নয়, বরং অনেকগুলো আমকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে দ্বিরুক্ত শব্দগুলো মূলত আবেগ, অবস্থা বা বিশেষ কোনো বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে, কিন্তু বহুবচন বোঝাচ্ছে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন একই শব্দ পরপর বসে অনেকগুলো বস্তুর উপস্থিতি নিশ্চিত করে, তখনই তা বহুবচন হয়। তাই এখানে <strong>পাকা পাকা আম</strong> সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট</strong>। প্রবচনটির অর্থ হলো, যখন কোনো কাজ করার জন্য অনেক বেশি মানুষ বা কর্তা জড়ো হয়, তখন কাজের চেয়ে বিশৃঙ্খলা বেশি হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অধিক সন্ন্যাসী:</strong> অর্থাৎ অনেক বেশি মানুষ বা সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী।</li>
<li><strong>গাজন নষ্ট:</strong> অর্থাৎ মূল কাজটি বা পরিকল্পনাটি ভেস্তে যাওয়া।</li>
</ul>
<p>বাস্তব জীবনে আমরা প্রায়ই দেখি, কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজে যখন অতিরিক্ত মানুষের মতামত বা হস্তক্ষেপ থাকে, তখন কাজের মান ভালো হওয়ার বদলে বরং জট পাকিয়ে যায়। এই পরিস্থিতি বোঝাতেই প্রবচনটি ব্যবহার করা হয়।</p>
৭৬৮৯
কোন বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাথা খাটিয়ে কাজ করবে</strong>। কারণ, এখানে ‘মাথা’ শব্দটি সরাসরি শরীরের অঙ্গ হিসেবে নয়, বরং মানুষের <strong>বুদ্ধি বা চিন্তাশক্তিকে</strong> বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন আমরা বলি ‘মাথা খাটাও’, তখন এর অর্থ দাঁড়ায় নিজের <strong>বুদ্ধি প্রয়োগ করা</strong>।</li>
<li>অন্যান্য ক্ষেত্রে ‘মাথা’ শব্দটি নেতা, লজ্জা বা শারীরিক ব্যথার মতো ভিন্ন ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, কিন্তু বুদ্ধির সাথে সরাসরি সম্পর্ক কেবল এই বাক্যটিতেই পাওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নিমরাজি</strong>। বিষয়টি বেশ সহজ, কারণ শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর রহস্য ধরা পড়ে।</p>
<ul>
<li><strong>নিমরাজি</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে ফারসি উপসর্গ <strong>'নিম'</strong> এবং বাংলা শব্দ <strong>'রাজি'</strong> যোগে।</li>
<li>এখানে <strong>'নিম'</strong> একটি বিদেশি (ফারসি) উপসর্গ, যার অর্থ হলো 'অর্ধেক' বা 'আধা'।</li>
<li>যেহেতু শব্দটির শুরুতে একটি বিদেশি উপসর্গ যুক্ত হয়েছে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি একটি বিদেশি শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বিদেশি উপসর্গ থাকলেই সেটি বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত হয়। তাই এখানে <strong>নিমরাজি</strong>-ই সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শবদাহ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ ঘটানো যাবে না।</p>
<ul>
<li><strong>শব</strong> শব্দটি তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।</li>
<li><strong>দাহ</strong> শব্দটিও তৎসম।</li>
<li>যেহেতু দুটি শব্দই সংস্কৃত থেকে এসেছে, তাই এদের মিলনে কোনো গুরুচন্ডালী দোষ তৈরি হয় না।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোতে তৎসম শব্দের সাথে দেশি বা তদ্ভব শব্দের মিশ্রণ থাকায় সেগুলো গুরুচন্ডালী দোষে দুষ্ট। তাই শুদ্ধ ও মার্জিত প্রয়োগ হিসেবে <strong>শবদাহ</strong>-ই একমাত্র সঠিক পছন্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল</strong>। বাক্যটি শুদ্ধ হওয়ার পেছনে সহজ কিছু ব্যাকরণগত কারণ রয়েছে:</p>
<ul>
<li><strong>দুর্বলতা:</strong> এখানে 'দুর্বল' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।</li>
<li><strong>বশত:</strong> 'বশত' প্রত্যয়টি সবসময় শব্দের শেষে যুক্ত হয় এবং এর সাথে বাড়তি কোনো বিসর্গ (ঃ) দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাই 'দুর্বলতাবশত' বানানটিই শুদ্ধ।</li>
<li><strong>অনাথা:</strong> 'অনাথ' শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ হলো 'অনাথা'। 'অনাথিনী' শব্দটি অপ্রচলিত এবং ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দগুলোর সঠিক গঠন এবং বানানের নিয়ম মেনে চলায় এই বাক্যটিই সবচেয়ে নির্ভুল।</p>
৭৬৯৩
Choose the indirect speech of -Rahim said ''I must post the letter".
<p>সরাসরি উক্তি বা Direct Speech-এ যদি <strong>must</strong> থাকে, তবে পরোক্ষ উক্তি বা Indirect Speech-এ তা সাধারণত <strong>had to</strong>-তে পরিবর্তিত হয়। এটি ন্যারেশন পরিবর্তনের একটি সাধারণ নিয়ম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রিপোর্টিং ভার্বটি পাস্ট টেন্সে (said) থাকায় ইনডাইরেক্ট স্পিচে টেন্সের পরিবর্তন ঘটবে।</li>
<li>এখানে <strong>must</strong>-এর পরিবর্তে <strong>had to</strong> ব্যবহার করা হয়েছে কারণ এটি বাধ্যবাধকতা বা আবশ্যিকতা বোঝাতে পাস্ট টেন্সের রূপ হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>ইনভার্টেড কমা তুলে দিয়ে লিঙ্কার হিসেবে <strong>that</strong> বসানো হয়েছে এবং ফার্স্ট পারসন <strong>I</strong> পরিবর্তিত হয়ে <strong>he</strong> হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক রূপটি হলো: <strong>Rahim said that he had to post the letter.</strong></p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। কারণ ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে ১৯০৭ সালে প্রাচীন বাংলা ভাষার এই নির্দেশিকা আবিষ্কার করেন। চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার সবচেয়ে প্রাচীন পদ সংকলন বা সাহিত্যিক নিদর্শন, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।