<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাংলা</strong>। কারণ ‘অজ’ হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়—তৎসম বা সংস্কৃত, খাঁটি বাংলা এবং বিদেশি উপসর্গ। এর মধ্যে <strong>‘অজ’</strong> (যেমন: অজপাড়াগাঁ, অজমূর্খ) হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা বিশেষ শব্দের পূর্বে বসে অর্থের উৎকর্ষ বা ভিন্নতা আনে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আরবি</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে 'লা' একটি আরবি উপসর্গ। এটি সাধারণত না-সূচক বা অভাব অর্থে শব্দের শুরুতে বসে নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: <strong>'লাজওয়াব'</strong>, <strong>'লাওয়ারিশ'</strong> বা <strong>'লাপাত্তা'</strong>। পরীক্ষার হলে খুব সহজে মনে রাখার জন্য মনে রাখবে, ইসলাম ধর্ম ও আরবি সংস্কৃতির সাথে সম্পর্কিত অনেক শব্দ বা উপসর্গ আমাদের ভাষায় ব্যবহৃত হয়, যার মধ্যে 'লা' অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ আরবি উপসর্গ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফরাসি</strong>।</p>
<p>শব্দটি উৎপত্তি ও ভাষার বিচারে ফরাসি শব্দ হিসেবে পরিচিত। সাধারণ জ্ঞান ও ভাষাভিত্তিক প্রশ্নের ক্ষেত্রে এই তথ্যটি সরাসরি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই সঠিক উত্তর দাগানো সম্ভব।</p>
৮০৮৯
চণ্ডীচরণ মুনশীর 'তোতা ইতিহাস' (১৮০৫) কোন ভাষা থেকে অনূদিত?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। চণ্ডীচরণ মুনশীর 'তোতা ইতিহাস' গ্রন্থটি ১৮০৫ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নির্দেশে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত ফারসি ভাষার জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ 'তুতিনামা' অবলম্বনে বাংলায় অনূদিত হয়েছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ই, জ, ঞ, য়</strong>। বাংলা বর্ণমালায় উচ্চারণের স্থান অনুযায়ী বর্ণগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যে বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় জিহ্বার সামনের অংশ তালুতে স্পর্শ করে, সেগুলোকে তালব্য বর্ণ বলা হয়।</p>
<ul>
<li>স্বরবর্ণের মধ্যে <strong>ই</strong> এবং দীর্ঘ-ই হলো তালব্য বর্ণ।</li>
<li>ব্যঞ্জনবর্ণের চ-বর্গীয় বর্ণগুলো (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) এবং এর সাথে <strong>য়</strong> ধ্বনিটিও তালব্য বর্ণের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>সহজে মনে রাখার জন্য মনে রাখবেন, তালু থেকে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোই হলো তালব্য বর্ণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐ + ঔ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা শর্টকাট কৌশল হলো—বাংলা বর্ণমালায় মোট ১১টি স্বরবর্ণের মধ্যে ৯টি মৌলিক স্বরবর্ণ এবং বাকি ২টি হলো যৌগিক স্বরবর্ণ।</p>
<ul>
<li>'ঐ' বর্ণটি গঠিত হয় <strong>অ + ই</strong> (বা আ + ই) এর উচ্চারণ মিলে।</li>
<li>'ঔ' বর্ণটি গঠিত হয় <strong>অ + উ</strong> এর উচ্চারণ মিলে।</li>
</ul>
<p>এই কারণে এই দুটি বর্ণকে একত্রে <strong>যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ</strong> বা দ্বিস্বর বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আহ্মেদ ছফা</strong>। <strong>'যদ্যপি আমার গুরু'</strong> প্রখ্যাত লেখক ও বুদ্ধিজীবী আহ্মেদ ছফার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও স্মরণীয় স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ। এই বইটিতে তিনি তার শিক্ষক এবং বাংলার বিশিষ্ট দার্শনিক ও সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক আবদুর রাজ্জাকের সাথে কাটানো বিভিন্ন মুহূর্ত, তাঁর শিক্ষা ও সান্নিধ্যের নানা গভীর অভিজ্ঞতা অত্যন্ত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন।</p>
৮০৯৪
'পাহাড় সমান ঢেউয়ের বুকে নৌকা আমার ভাসে, মেঘ-মুকুলের পাহাড় থেকে ঝড়ের ঝাপটা আসে।' -এই কবিতাংশটুকু কোন কবির রচনা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আহসান হাবিব</strong>।</p>
<p>খুব সুন্দর ও জনপ্রিয় এই পঙ্ক্তিটি প্রখ্যাত কবি আহসান হাবিবের রচিত। তাঁর কবিতায় সাধারণ মানুষের জীবনচিত্র, নদীমাতৃক বাংলার প্রকৃতি এবং মানুষের সংগ্রামের সুর অত্যন্ত জাদুকরী ছন্দে ফুটে ওঠে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আহমদ শরীফ</strong>। বিখ্যাত গবেষক ও প্রাবন্ধিক ড. আহমদ শরীফ তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য দিয়ে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির ইতিহাস নিয়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন, যার মধ্যে <strong>‘বাঙালি ও বাঙলা সাহিত্য’</strong> গ্রন্থটি অন্যতম। বইটি পড়লে বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় এবং আমাদের সাহিত্যধারার ক্রমবিকাশ খুব সহজেই পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
৮০৯৬
'পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বদরুদ্দীন ওমর</strong>।</p>
<p>বাঙালি জাতির আত্মপরিচয় ও স্বাধিকার অর্জনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন। এই ঐতিহাসিক আন্দোলনের পেছনের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, উত্থান-পতন এবং নানা ঘটনার প্রামাণিক ও বিশ্লেষণাত্মক দলিল হলো 'পূর্ব বাংলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি' বইটি, যা রচনা করেছেন দেশের প্রখ্যাত মার্ক্সবাদী চিন্তাবিদ ও গবেষক বদরুদ্দীন ওমর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আসরফি</strong>। কারণ শব্দটির উৎপত্তিস্থল বা উৎস অন্য ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>'আসরফি' শব্দটি ফার্সি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে, যা মূলত একটি মুদ্রা বা স্বর্ণমুদ্রা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, ইনসান, ইবাদত এবং মর্জি—এগুলো সরাসরি আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ।</li>
<li>তাই শব্দের উৎস ও রূপ বিচারে 'আসরফি' শব্দটি আরবি নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি</strong>।</p>
<p>'নিরানব্বইয়ের ধাক্কা' একটি খুব পরিচিত প্রবাদতুল্য বাগধারা। এর পেছনের সহজ লজিকটি হলো—মানুষ যখন কোনোভাবেই একশ টাকা বা পূর্ণাঙ্গ অঙ্কে পৌঁছাতে চায়, তখন তার মনে এক ধরনের তীব্র টান বা কৃপণতা কাজ করে। সাধারণত ৯৯ সংখ্যাটিতে পৌঁছানোর পর আরও একটু পাওয়ার জন্য বা একশ পূর্ণ করার জন্য মানুষ যেভাবে মরিয়া হয়ে টাকা জমাতে শুরু করে, সেখান থেকেই এই বাগধারাটির উৎপত্তি হয়েছে। অর্থাৎ, এর মাধ্যমে মূলত মানুষের মনে থাকা অতিরিক্ত টাকা জমানোর বা <strong>সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি</strong>-কেই খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আকাঙক্ষা গুণ</strong>। কারণ, বাক্যের অর্থ পুরোপুরি পরিষ্কার করার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা বা আগ্রহ জন্মায়, তাকেই আকাঙ্ক্ষা বলে। ‘মা শুনে তিরস্কার করলেন’ বলার পর কার কথা বলা হচ্ছে বা কে তিরস্কার করলেন— তা শোনার একটা অসম্পূর্ণতা বা জিজ্ঞাসা থেকে যায়। মনের ভাব পুরোপুরি প্রকাশ পেতে হলে বাক্যটিতে আরও পদের প্রয়োজন ছিল, তাই এখানে <strong>আকাঙ্ক্ষা গুণের</strong> অভাব রয়েছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।