<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উৎ + স্থাপন</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত্ বা দ্-এর পরে যদি 'স্' থাকে, তবে ত্ বা দ্ জায়গায় 'ৎ' এবং 'স্' এর জায়গায় 'ছ্' হতে পারে। এই নিয়মেই 'উৎ' এর সাথে 'স্থাপন' যুক্ত হয়ে 'উত্থাপন' শব্দটি তৈরি হয়েছে। খুব সহজেই মনে রাখার জন্য মনে রাখবেন, মূল উপসর্গ বা অংশটি হলো 'উৎ'!</p>
৮০৪২
কোন দুটি স্বরের মিলিত ধ্বনিতে 'ঐ' ধ্বনির সৃষ্টি হয়-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: হাসন রাজা</strong>।</p>
<p>মরমী সাধক ও দার্শনিক গানে হাসন রাজার অবদান অসামান্য। তাঁর গানে মূলত পরম সত্তা বা সৃষ্টিকর্তার প্রতি প্রেম এবং আত্মোপলব্ধির বাণী খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে, যার কারণে তাঁকে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান <strong>'মরমী কবি'</strong> হিসেবে স্মরণ করা হয়।</p>
৮০৪৪
'অনুধাবন' সমস্তপদটির 'অনু' পূর্বপদটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পশ্চাৎ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো— 'অনু' উপসর্গটি নানা অর্থে ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে 'অনুসরণ' বা পিছু নেওয়া অর্থে 'অনু' পূর্বপদটি <strong>পশ্চাৎ</strong> বা পরে বোঝাতে বসেছে। 'মনকে ধাবন করা' বা কোনো কিছুর পেছনে বা পরে চলা অর্থে এখানে 'অনুধাবন' শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই এর সঠিক অর্থ হলো পশ্চাৎ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরী পাটনী</strong>। কারণ, ঈশ্বরী পাটনী মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্যের (বিশেষ করে অন্নদামঙ্গল কাব্যের) একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত চরিত্র, যা কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকারের সৃষ্টি।</p>
<p>অন্যদিকে, বড়ু চণ্ডীদাস রচিত <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্যের প্রধান ও কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>রাধা</strong></li>
<li><strong>কৃষ্ণ</strong></li>
<li><strong>বড়াই</strong> (যিনি রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের ঘটিত বিষয়ে সাহায্যকারী বা দূতীর ভূমিকা পালন করেন)</li>
</ul>
<p>তাই শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের সাথে ঈশ্বরী পাটনী চরিত্রের কোনো সম্পর্ক নেই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্ষয়কুমার দত্ত</strong>। উনি উনিশ শতকের বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও চিন্তাবিদ ছিলেন। সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান, প্রকৃতি ও নৈতিক শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি এই জনপ্রিয় পাঠ্যপুস্তকটি রচনা করেছিলেন। তাঁর সহজ ও সাবলীল লেখার মাধ্যমেই বইটি সেই সময়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে দারুণ জনপ্রিয়তা লাভ করেছিল।</p>
৮০৪৭
'শব্দমঞ্জুরী' (বাঙ্গালা অভিধান) -এর সম্পাদক কে ছিলেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রসারে এবং পঠন-পাঠনকে সহজ করতে বিদ্যাসাগর মহাশয় বহু গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনা করেছেন। তার বিখ্যাত অবদানের মধ্যে 'শব্দমঞ্জুরী' একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাংলা অভিধান, যা তিনি নিজে সম্পাদনা করেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে বিদ্রূপাত্মক ও মননশীল প্রবন্ধ রচনার জন্য তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা 'সবুজপত্র'-এ এই ছদ্মনামে তাঁর লেখা প্রকাশ পেত।</p>
৮০৪৯
‘অলীক কুনাট্য রঙ্গে, মজে লোক রাঢ়ে ও বঙ্গে’--- কার উক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>।</p>
<p>উনি ছিলেন উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ও সাংবাদিক। তৎকালীন সমাজের নানা অসংগতি, নাটকের নামে প্রহসন এবং বাংলার মানুষের নাট্যমোদপ্রমোদ নিয়ে রসাত্মক ও ব্যঙ্গাত্মক অর্থে তিনি এই বিখ্যাত উক্তিটি করেছিলেন। বিষয়টি সহজে মনে রাখতে কবির নামটির সাথে এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি ভালোভাবে মিলিয়ে নিতে পারো।</p>
৮০৫০
‘যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী। সে সব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।’ এ পংক্তি দু’টি কোন কবিতা হতে উদ্ধৃত করা হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আব্দুল হাকিম</strong>। মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি আব্দুল হাকিমের বিখ্যাত <strong>'বঙ্গবাণী'</strong> কবিতায় মাতৃভাষার প্রতি গভীর প্রীতি ও দেশপ্রেমের অপূর্ব প্রকাশ ঘটেছে। কবি অত্যন্ত জোরালো ভাষায় বলেছেন, যারা এ দেশে জন্মগ্রহণ করেও স্বভাষা বা মাতৃভাষাকে অবহেলা ও ঘৃণা করে, তাদের জন্মপরিচয় নিয়ে কবির মনে সন্দেহ জাগে।</p>
৮০৫১
নিচের কোন প্রত্যয়যুক্ত কৃদন্ত পদে সাধারণত দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: অ</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কিছু কৃদন্ত পদে বিশেষ ভাব বা তীব্রতা বোঝাতে প্রকৃতির ওপর প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ধ্বনির দ্বিত্ব বা পুনরাবৃত্তি ঘটে। 'অ' প্রত্যয়যুক্ত অনেক কৃদন্ত পদেই এই দ্বিত্ব প্রয়োগের চমৎকার নিদর্শন দেখা যায়, যা শব্দটিকে আরও বেশি আকর্ষণীয় ও অর্থবহ করে তোলে।</p>
৮০৫২
কোন প্রত্যয় যুক্ত কৃদন্ত পদে সাধারণত দ্বিত্ব প্রয়োগ হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার নিয়ম হলো, বাংলা ব্যাকরণে ধাতুর সাথে যখন <strong>অ</strong> প্রত্যয় যুক্ত করে কৃদন্ত পদ গঠন করা হয়, তখন অনেক সময় শব্দের মূল বা আদি স্বরের দ্বিত্ব (দুইবার উচ্চারণ বা পরিবর্তন) ঘটে। যেমন—ছিঁড় ধাতু থেকে 'ছেঁড়া', ঘুর্ ধাতু থেকে 'ঘোরা' ইত্যাদি। তাই দ্বিত্ব প্রয়োগের ক্ষেত্রে <strong>অ</strong> প্রত্যয়ের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>ইহাদের মত রূপবতী মরণী আমার অন্ত:পুরে নাই</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যে বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, তাকে <strong>সরল বাক্য</strong> বলে।</li>
<li>দত্ত বাক্যটিতে কোনো প্রকার অপ্রধান খণ্ডবাক্য বা সংযোজক অব্যয় (যেমন: যে, যদি, যদিও, যেহেতু) নেই।</li>
<li>এটি স্বাধীনভাবে একটি মাত্র সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করায় এটি একটি নিখুঁত সরল বাক্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সে অনেক কথা</strong>। কারণ ইংরেজি প্রবাদ বা idioms-এর অনুবাদ সবসময় আক্ষরিক বা শব্দে-শব্দে না করে ভাবের ওপর ভিত্তি করে করতে হয়। 'It is a long story' বাক্যটির প্রচলিত এবং সবচেয়ে সুন্দর বাংলা ভাবানুবাদ হলো 'সে অনেক কথা', যা দিয়ে বোঝানো হয় যে ঘটনার বিস্তারিত অনেক দীর্ঘ।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।