<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৌভাগ্যের বিষয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, <strong>”একাদশে বৃহস্পতি”</strong> একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রবাদ বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ হলো ভাগ্যের অনুকূল অবস্থান। যখন কারো খুব ভালো সময় যায় বা হঠাৎ করে অনেক বড় কোনো সৌভাগ্যের দেখা মেলে, তখন এই কথাটা ব্যবহার করা হয়। তাই এটি সরাসরি সৌভাগ্যের বিষয়কে নির্দেশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দের প্রাচুর্য</strong>।</p>
<p>‘চাঁদের হাট’ একটি খুবই পরিচিত বাংলা বাগধারা। চাঁদে যেমন অনেক আলো বা একসাথে বহু চাঁদের মিলন ঘটে, ঠিক তেমনি কোনো জায়গায় অনেক গুণী মানুষের সমাগম ঘটলে বা প্রচুর আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠলে তাকে বোঝাতে এই চমৎকার বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। সহজ কথায়, এটি দিয়ে মূলত আনন্দ ও মিলনের আধিক্য বা প্রাচুর্যকেই প্রকাশ করা হয়।</p>
৮২২৪
অজপুকুর, অজপাড়াগাঁ, এ শব্দগুলোতে নিচের কোন উপসর্গটির প্রয়োগ রয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অজ উপসর্গ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় কিছু খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে, যার মধ্যে 'অজ' একটি পরিচিত উপসর্গ।</li>
<li>'অজপুকুর' (ছোট পুকুর বা অকেজো পুকুর) এবং 'অজপাড়াগাঁ' (অখ্যাত বা বুনো পাড়াগাঁ) শব্দগুলোতে মূল শব্দের আগে <strong>অজ</strong> উপসর্গটি যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ প্রকাশ করেছে।</li>
<li>তাই এখানে সরাসরি <strong>অজ উপসর্গ</strong>-এর প্রয়োগ হয়েছে।</li>
</ul>
৮২২৫
অজপুকুর, অজপাড়াগাঁ- এ শব্দগুলোতে নিচের কোন উপসর্গটির প্রয়োগ আছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অ-ধ্বনি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা বর্ণমালার ব্যঞ্জনবর্ণগুলো একা একা উচ্চারিত হতে পারে না। প্রতিটি ব্যঞ্জনবর্ণের ভেতরেই একটি করে 'অ' লুকিয়ে থাকে। যেমন— 'ক' মানে হলো $ক + অ$। তাই শুধু 'ক' কে পুরোপুরি উচ্চারণ করতে চাইলে বা অক্ষর হিসেবে স্পষ্ট করতে এর সাথে অতিরিক্ত <strong>অ-ধ্বনি</strong> যোগ করতে হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যযুগের</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, মধ্যযুগের অন্যতম জনপ্রিয় ও বিশেষ ধারার সাহিত্যিক নিদর্শন হলো এই মঙ্গলকাব্য। শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বা গীতগোবিন্দ বা অন্যান্য কাব্যধারার মতো মঙ্গলকাব্যগুলোও মূলত সে সময়েই রচিত হয়েছিল, যেখানে দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচার করা হতো।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যযুগের</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো— বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগকে মূলত মুসলিম শাসন আমল বলা হয়, যে সময়ে পারস্যের সাহিত্যরীতির প্রভাবে বাঙালি কবিরা রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান বা প্রেমের গল্পগুলো কাব্য আকারে রচনা শুরু করেছিলেন। যেমন— আলাওলের 'পদ্মাবতী' বা মীর মুহাম্মদ সফীর 'ইউসুফ জুলেখা' ইত্যাদি। তাই এই ধরণের কাব্যগুলো সম্পূর্ণভাবেই মধ্যযুগের সৃষ্টি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চৈতন্য যুগে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাব এবং তাঁর প্রচার করা বৈষ্ণব ধর্মের প্রভাবেই মূলত বাংলায় কৃষ্ণভক্তি গণমানুষের মধ্যে এক নতুন রূপ ও ব্যাপক প্রসার লাভ করেছিল। তাই কৃষ্ণভক্তি তত্ত্বের পূর্ণ বিকাশ ও রূপ লাভ হয়েছিল এই যুগেই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যযুগ</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিভিন্ন ভাষা থেকে ধর্মীয় ও পৌরাণিক গ্রন্থ বাংলায় অনূদিত হতে শুরু করে। এ সময়ই মূলত রামায়ণ, মহাভারত এবং ভাগবতের মতো বড় বড় গ্রন্থগুলো বাংলায় অনুবাদের মাধ্যমে বাংলা অনুবাদ কাব্যের সোনালী সূচনা ঘটেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চৈতন্য পরবর্তী যুগ</strong>। কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের এই সময়ে বৈষ্ণব পদাবলী চর্চা এবং সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় এক অভূতপূর্ব বিকাশ ঘটেছিল। সাহিত্য সাধনা ও ভাব-সমৃদ্ধির দিক থেকে এই স্বর্ণালী সময়ের কারণে একে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>স্বর্ণযুগ</strong> বা সুবর্ণ যুগ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্য যুগ</strong>।</p>
<p>মর্সিয়া সাহিত্য মূলত বাংলা সাহিত্যের মধ্য যুগের একটি জনপ্রিয় ও শোকগাথামূলক ধারা। কারবালার ঐতিহাসিক ট্রাজেডি এবং হযরত ইমাম হোসেন (রা.)-এর শাহাদাতকে কেন্দ্র করে এই ধারার সাহিত্য রচিত হয়েছিল। মধ্য যুগে মুসলিম কবিদের সাধনায় এই শোকাবহ ইতিহাস বাংলা কাব্যে বিশেষ স্থান করে নেয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্য যুগ</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়—প্রাচীন যুগ, মধ্য যুগ এবং আধুনিক যুগ। এর মধ্যে সপ্তদশ শতাব্দীর প্রখ্যাত কবি আলাওল ছিলেন মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও রোমান্টিক ধারার কবি, যিনি রাজকবি হিসেবেও বেশ পরিচিত ছিলেন। তাই তার সাহিত্যকর্ম সবসময় মধ্যযুগের সঙ্গেই গভীরভাবে যুক্ত।</p>
৮২৩৪
রবীন্দ্র-পরবর্তী আধুনিক কবিদের সম্পৃক্ত কোন পত্রিকাটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রগতি</strong>।</p>
<p>বিশুদ্ধ আধুনিকতা এবং প্রগতিশীল মনন নিয়ে বিশ শতকের ত্রিশের দশকে ঢাকায় এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়েছিল। বুদ্ধদেব বসু ও অজিত দত্তের সম্পাদনায় প্রকাশিত 'প্রগতি' পত্রিকাটির মাধ্যমেই মূলত রবীন্দ্র-পরবর্তী আধুনিক বাংলা কবিতার নতুন ধারা বেগবান হয়েছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ধ + এক</strong>। কারণ সন্ধি নিয়মানুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পরে ই-কার বা ঈ-কার থাকলে উভয়ে মিলে 'এ' কার হয় এবং তা আগের ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে রয়েছে <strong>অর্ধ</strong> (যার শেষে অ আছে)।</li>
<li>তার সাথে যুক্ত হয়েছে <strong>এক</strong> (যার শুরুতে এ আছে)।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী 'অ' এবং 'এ' মিলে একাকার হয়ে 'অর্ধেক' গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।