<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আঠারটি</strong>। কারণ মহাগ্রন্থ মহাভারত মোট <strong>১৮টি</strong> পর্বে বিভক্ত। এই বিশাল মহাকাব্যের প্রতিটি পর্বে ভিন্ন ভিন্ন ঘটনা, চরিত্র ও কাহিনীর বর্ণনা রয়েছে, যা প্রাচীন ভারতের ইতিহাস ও সংস্কৃতির এক অনন্য দলিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শূন্য অথবা ফাঁকি</strong>।</p>
<p>বাংলা প্রবচন ও বাগধারায় "অষ্টরম্ভা" শব্দটির একটি বিশেষ অর্থ রয়েছে। এর মাধ্যমে কোনো কাজের বা প্রতিশ্রুতির সম্পূর্ণ ব্যর্থতা, অসারতা বা শেষ পর্যন্ত ফলাফল হিসেবে কিছুই না পাওয়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়। অর্থাৎ, অনেক আয়োজন বা আশ্বাসের পরেও যখন বাস্তবে ফলাফল হয় শূন্য, তখন তাকে খুব সুন্দরভাবে "অষ্টরম্ভা" বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আটজন অপ্সরী</strong>।</p>
<p>‘অষ্টরম্ভা’ একটি পরিচিত বাংলা বাগধারা। পৌরাণিক বা আক্ষরিক অর্থে 'অষ্ট' মানে আট এবং 'রম্ভা' বলতে স্বর্গের অপ্সরী বা সুন্দরীদের বোঝানো হয়। আর এই আটজন অপ্সরী থেকেই মূলত শব্দটি এসেছে, যার মাধ্যমে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অদৃষ্টের পরিহাস</strong>।</p>
<p>'বিধির বিড়ম্বনা' একটি অত্যন্ত পরিচিত বাগধারা, যার অর্থ হলো ভাগ্যের নিষ্ঠুর বা নির্মম পরিহাস। অর্থাৎ, ভাগ্য আমাদের সাথে অনেক সময় যে অপ্রত্যাশিত ও কষ্টের খেলা খেলে, তাকেই খুব সুন্দরভাবে এই বাগধারার মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে এই ধরনের প্রশ্ন এলে সরাসরি 'অদৃষ্টের পরিহাস' উত্তরটি বেছে নিতে হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পারিভাষিক শব্দ</strong>। কারণ ‘তৎসম’ শব্দটি বিদেশি কোনো ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় আসেনি, বরং এটি বাংলা ব্যাকরণে একটি বিশেষ পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর মূল অর্থ হলো "তার সমান" অর্থাৎ সংস্কৃত ভাষার সমান। ব্যাকরণের পরিভাষায় যে শব্দগুলো সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং আজও অপরিবর্তিত রয়েছে, সেগুলোকে বোঝাতেই এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>দোভাষী পুঁথি মানে কেবল দুটি ভাষা নয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বা পুথি সাহিত্যে আরবি, ফার্সি, হিন্দি ও দেশীয় বাংলা শব্দের সংমিশ্রণে এক বিশেষ ধরনের মিশ্র ভাষা ব্যবহার করা হতো।</li>
<li>এই মিশ্র ভাষার রচিত সাহিত্যকেই মূলত দোভাষী পুঁথি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদেশি</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়ম দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো—বাংলা ভাষায় মূর্ধণ্য ‘ণ’-এর ব্যবহার কেবল <strong>তৎসম বা সংস্কৃত</strong> শব্দের বানানেই সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ, বাংলা তদ্ভব, দেশি, এবং <strong>বিদেশি</strong> (যেমন: আরবি, ফার্সি, ইংরেজি) শব্দে কখনোই মূর্ধণ্য ‘ণ’ ব্যবহৃত হয় না; এসব শব্দে সবসময় দন্ত্য ‘ন’ বসে। তাই বিদেশি শব্দ দেখলেই চোখ বন্ধ করে দন্ত্য ‘ন’ ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আজ্ঞা + অধীন</strong>। নিয়মটা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>আজ্ঞা</strong> (শেষের 'আ' কার) এবং <strong>অধীন</strong> (শুরুতে 'অ')।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর অ-কার বা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আকার (<strong>া</strong>) হয় এবং তা আগের বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, আজ্ঞ<strong>া</strong> + অ<strong>ধীন</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>আজ্ঞাধীন</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুগন্ধি</strong>। বহুব্রীহি সমাস চেনার সহজ উপায় হলো—যে সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।</p>
<p>যেমন, <strong>'সুগন্ধি'</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'সু গন্ধ যার'। এটি দিয়ে এমন কিছুকে বোঝায় যার খুব সুন্দর ঘ্রাণ বা সুবাস আছে। অর্থাৎ, পদগুলোর সরাসরি অর্থ না বুঝিয়ে একটি বিশেষ গুণ বা বস্তুকে বোঝানো হয়েছে, যা বহুব্রীহি সমাসের পরিষ্কার নিয়ম।</p>
৮২৬১
"স্মৃতিঝলমল সুনীল মাটির কাছে আমার অনেক ঋণ আছে"- গানটি কার রচনা?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শামসুর রাহমান</strong>।</p>
<p>খুব সুন্দর ও জনপ্রিয় এই কবিতা বা গানটির রচিয়তা হলেন আমাদের প্রখ্যাত কবি শামসুর রাহমান। তাঁর লেখনীতে বাংলার প্রকৃতি ও মাটির প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ পেয়েছে, যার একটি চমৎকার উদাহরণ হলো এই পঙ্ক্তিটি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আচরণ</strong>। চর্যা পদ মূলত বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন, যার মূল অর্থ হলো কোনটি আচরণীয় আর কোনটি বর্জনীয়। সহজ কথায়, মানুষের জীবনযাপন ও চলাফেরা বা আচার-আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়েই চর্যাপদগুলো রচিত হয়েছে। তাই এর আক্ষরিক ও গ্রহণযোগ্য অর্থ হলো 'আচরণ'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষা</strong>। মনের ভাব বা নিজের মনের কথা অন্যের কাছে সবচেয়ে সহজে ও স্পষ্টভাবে প্রকাশ করার প্রধান এবং সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম হলো ভাষা। আমরা কথা বলে, লিখে বা পঠিত রূপের মাধ্যমে যে যোগাযোগের কাজটি করি, তার মূল ভিত্তিই হলো ভাষা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: পানি</strong>।</p>
<p>'অম্বু' একটি সংস্কৃত শব্দ, যার বাংলা সমার্থক শব্দ হলো পানি, জল বা উদক। সাধারণ সাধারণ জ্ঞান ও বাংলা ব্যাকরণের সমার্থক শব্দ শেখার সময় এই শব্দটির সাথে আমরা প্রায়ই পরিচিত হই। তাই খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন যে, অম্বু মানেই হলো পানি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আগুন</strong>। 'পাবক' শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং এর অর্থ হলো অনল বা শিখা, যা আগুনকেই নির্দেশ করে। বাংলা ব্যাকরণে আগুন বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দগুলোর মধ্যে 'পাবক' অন্যতম।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।