<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুঃ + অবস্থা</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়মের মাধ্যমে এটা মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর স্বরধ্বনি (যেমন: অ, আ) থাকলে বিসর্গ লুপ্ত হয়ে তার জায়গায় 'র' বা 'র-ফলা' আসে।</li>
<li>এখানে 'দুঃ' এর বিসর্গ (ঃ) এবং পরের শব্দের 'অ' মিলে একসঙ্গে 'র'-এর মতো উচ্চারিত হয়ে শব্দটি হয়ে গেছে <strong>দূরবস্থা</strong>।</li>
<li>তাই সন্ধি ভাঙলে আমরা পাই <strong>দুঃ + অবস্থা</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দূরন্ত</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ ($\text{ঃ}$) এর পর 'র' থাকলে বিসর্গ উঠে গিয়ে পূর্বের স্বরবর্ণ দীর্ঘ হয়ে যায়। যেমন— $দুর + অন্ত = দূরন্ত$। এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলেই এমন শব্দ খুব দ্রুত চিনে ফেলা সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: দুদিকে অপ যার - দীপ</strong>।</p>
<p>সাধারণ নিয়মের বাইরে বা কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম না মেনে প্রাকৃতিকভাবে যে সমাসগুলো গঠিত হয়, সেগুলোকে <strong>নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি</strong> সমাস বলে। এখানে 'দুদিকে অপ যার' — এই ব্যাসবাক্যটি কোনো সাধারণ নিয়মে না চলে নিপাতনে সিদ্ধ হয়ে <strong>'দীপ'</strong> শব্দটিতে রূপ নেয়। তাই এটি এই নিয়মের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>(Option B: দিব্ + লোক)</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ সূত্র হলো— পদের শেষে যদি 'ব্' বা 'ৎ' থাকে এবং তার পরে যদি 'ল' থাকে, তবে 'ব্' বা 'ৎ' স্থানে 'ল' হয়। কিন্তু এর মূল সন্ধিযুক্ত রূপটি ভাঙলে দিব্-এর সাথে লোক যুক্ত হয়ে 'দ্যুলোক' গঠিত হয়। খুব সহজে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>শব্দটি উচ্চারণ করার সময় <strong>দিব্ + লোক</strong> মিলেই 'দ্যুলোক' ধ্বনির সৃষ্টি হয়।</li>
<li>এটি একটি নিপাতনে সিদ্ধ ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ, যা সরাসরি মুখস্থ রাখতে হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটি সরল বাক্যের সাহায্যে বাক্য গঠন</strong>। কারণ খুব সহজভাবে বলতে গেলে, যখন দুটি স্বাধীন সরল বাক্য কোনো যোজক (যেমন: এবং, কিন্তু, অথচ) দিয়ে যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য তৈরি করে, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে।</p>
<ul>
<li>একটি সরল বাক্য + যোজক + আরেকটি সরল বাক্য = যৌগিক বাক্য।</li>
<li>তাই যৌগিক বাক্য চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর ভেতরের সরল বাক্যগুলোকে আলাদা করে চিনে নেওয়া।</li>
</ul>
১০২৯৬
ভাব-প্রসারণকালে কয়টি বিষয়ের দিকে বিশদভাবে খেয়াল রাখতে হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটি</strong>। ভাব-প্রসারণ করার সময় মূলভাব নির্ভুলভাবে ফুটিয়ে তুলতে প্রধানত তিনটি বিষয়ের দিকে বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হয়:</p>
<ul>
<li>প্রথমে মূলভাব বা অন্তর্নিহিত অর্থ ভালোভাবে অনুধাবন করা।</li>
<li>দ্বিতীয়ত, মূলভাবের সাথে সামঞ্জস্য রেখে সহজ ও সাবলীল ভাষায় তা বিস্তারিত ব্যাখ্যা করা।</li>
<li>তৃতীয়ত, অপ্রাসঙ্গিক কথা বর্জন করে পরিমিত ও আকর্ষণীয় ভাষায় লেখা শেষ করা।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফুলকুমারী</strong>।</p>
<p>উপমিত কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো— যেখানে সাধারণ গুণবিশিষ্ট দুটি পদের মধ্যে তুলনা বোঝায় এবং সাধারণ গুণবাচক পদটি উহ্য থাকে। <strong>ফুলকুমারী</strong> কথাটির ব্যাসবাক্য হলো 'ফুল কুমারীর ন্যায়'। এখানে কুমারীর সাথে ফুলের তুলনা করা হয়েছে, তাই এটি উপমিত কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ আছে যেগুলো সাধারণ নিয়মের বাইরে গিয়ে বিশেষ নিয়মে প্রত্যয় সাধিত হয়ে থাকে। 'মতি' শব্দটি এর একটি চমৎকার উদাহরণ, যা সাধারণ ব্যাকরণিক সূত্রের বাইরে বিশেষ নিয়মে গঠিত হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে 'মতি' বেছে নিতে হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মতে</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'মত' শব্দের সাথে অতিরিক্ত 'এ' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ নিয়মে এই শব্দটি সাধিত হয়েছে, যা সাধারণ প্রত্যয়ের নিয়মের বাইরে গঠিত হয়। এমন কিছু ব্যতিক্রমী শব্দ মনে রাখলে পরীক্ষার উত্তর করা একদম সহজ হয়ে যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুই ভাবে</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণে বিসর্গ সন্ধি মূলত প্রধানত দুই ভাগে সাধিত হয়—একটি হলো বিসর্গ ও স্বরধ্বনির মিলন এবং অন্যটি হলো বিসর্গ ও ব্যঞ্জনধ্বনির মিলন। এই দুটি নিয়মের বাইরে বিসর্গ সন্ধির আর কোনো মৌলিক ভাগ নেই।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন ভাগে</strong>। খুব সহজেই বিষয়টি মনে রাখতে পারেন এভাবে যে, অর্থ বা ভাব অনুযায়ী বাংলা শব্দভাণ্ডারকে মূলত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়:</p>
<ul>
<li><strong>যৌগিক শব্দ:</strong> যে শব্দগুলোর উৎপত্তিগত অর্থের সাথে প্রচলিত অর্থের মিল রয়েছে (যেমন: গায়ক)।</li>
<li><strong>রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ:</strong> যে শব্দগুলো প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে মূল অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে (যেমন: প্রবীণ)।</li>
<li><strong>যোগরূঢ় শব্দ:</strong> সমাসবদ্ধ যে শব্দগুলো সমস্তমান পদের অনুগামী না হয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে (যেমন: পঙ্কজ)।</li>
</ul>
<p>এই তিন ভাগে ভাগ করেই মূলত বাংলা শব্দের অর্থগত রূপ সহজে চেনা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মুখে মধু অন্তরে বিষ</strong>।</p>
<p>বাগধারাটি খুব সুন্দরভাবে একজন কপট বা চতুর মানুষকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়, যে সামনে খুব মিষ্টি কথা বলে বা ভালো ব্যবহার করে, কিন্তু মনে মনে ক্ষতি করার ফন্দি আঁটে। ঠিক যেমন মিছরির ছুরি দেখতে মিষ্টি বা লোভনীয় হলেও তা দিয়ে তো ক্ষতিই করা হয়!</p>
১০৩০৩
অর্থগতভাবে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: তিন</strong>। খুব সহজে মনে রাখার জন্য মাথায় রেখো, অর্থগত বা উৎস ও ব্যবহার ভেদে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে মূলত ৩টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>যৌগিক শব্দ:</strong> যে শব্দগুলোর উৎপত্তি এবং প্রচলিত অর্থ একই রকম (যেমন: গায়ক, বুনন)।</li>
<li><strong>রূঢ়ি বা রূঢ় শব্দ:</strong> যে শব্দগুলো প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও মূল অর্থের বাইরে অন্য কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে (যেমন: হস্তী, গবেষণা)।</li>
<li><strong>যোগরূঢ় শব্দ:</strong> সমাসবদ্ধ যে শব্দগুলো সমসমান পদের অনুগামী না হয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে (যেমন: পঙ্কজ)।</li>
</ul>
<p>এভাবে এই তিন ভাগে ভাগ করেই বাংলা শব্দের অর্থগত রূপগুলো সহজে চেনা যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option D: দুঃ+নীতি=দূর্নীতি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর 'ন' থাকলে বিসর্গটি 'রেফ' (র্) এ রূপান্তরিত হয়। তাই 'দুঃ' এর সাথে 'নীতি' যুক্ত হয়ে খুব সহজেই 'দূর্নীতি' শব্দটি গঠিত হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।