<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুৎ+চার</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ত্ বা দ্-এর পরে যদি চ বা ছ থাকে, তবে ত্ বা দ্-এর জায়গায় চ্ হয়। এই সহজ সূত্র ধরেই 'দুৎ' এবং 'চার' মিলে তৈরি হয়েছে 'দুচ্চার'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: দুঃ+চরিত্র</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ ($\text{ঃ}$) এর পরে যদি চ কিংবা ছ থাকে, তবে সেই বিসর্গের পরিবর্তে তালব্য-শ ($\text{শ}$) হয়।</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়মে: <strong>দুঃ + চরিত্র = দুশ্চরিত্র</strong></li>
<li>এখানে বিসর্গ ($\text{ঃ}$) এবং 'চরিত্র'-এর 'চ' মিলে বিশ্লিষ্ট হয়ে 'শ্চ' রূপ ধারণ করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি চ, ছ বা ট, ঠ থাকে, তবে বিসর্গটি মূর্ধন্য-ষ (ষ) এ পরিণত হয়। যেমন:</p>
<ul>
<li><strong>দুঃ + ঘটনা = দুর্ঘটনা</strong> (এখানে বিসর্গের জায়গায় 'ষ' যুক্ত হয়ে 'ঘটনা' শব্দের সাথে মিলে গেছে)।</li>
</ul>
<p>অন্য অপশনগুলোর বানান ভুল বা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>दुঃ+যোগ</strong>। নিয়মটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি য, র, ল, ব বা কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি ও-কার (ো) বা অনেক ক্ষেত্রে র-এ রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>সে হিসেবে <strong>दुঃ + যোগ</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>দুর্যোগ</strong>।</li>
</ul>
১০৩১০
‘দুর্দশা’ একট সন্ধিবদ্ধ শব্দ। এর সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাওয়া যায়-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দুঃ+দশা</strong>।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজ একটি নিয়ম দিয়ে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গের পর যদি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ (যেমন: দ) কিংবা অন্তস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব, হ) থাকে, তবে বিসর্গটি সাধারণত 'ও-কার' বা 'র' (রেফ) এ রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>দুঃ</strong> এর সাথে <strong>দশা</strong> যুক্ত হওয়ার সময় বিসর্গটি রেফ (র্) এ পরিণত হয়ে <strong>দুর্দশা</strong> গঠন করেছে।</li>
<li>তাই সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদটি হবে: <strong>দুঃ + দশা</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দীর্ঘায়ু ব্যক্তি</strong>।</p>
<p>কাক সাধারণত অনেক বছর বেঁচে থাকে বলে লোকসমাজে প্রচলিত আছে। আর 'ভূষণ্ডি' হলো পুরাণ মতে অমর এক কাকের নাম, যে রামায়ণ ও মহাভারতের বিভিন্ন যুগের সাক্ষী। এই দুইয়ে মিলে <strong>'ভূষণ্ডির কাক'</strong> ধারাভাষ্যটি খুব দীর্ঘজীবী বা অনেক দিন ধরে বেঁচে থাকা মানুষকে বোঝাতে অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দীর্ঘসূত্রতা</strong>।</p>
<p>‘আঠারো মাসে বছর’ একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। সাধারণ নিয়মে ১২ মাসে এক বছর হলেও, কোনো কাজ শেষ করতে অতিরিক্ত সময় নেওয়া বা কোনো কিছু অত্যন্ত ধীরগতিতে করার অভ্যাসকে এই বাগধারা দিয়ে বোঝানো হয়। অর্থাৎ, কাজের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত দেরি করা বা সময়ক্ষেপণ করাই হলো <strong>দীর্ঘসূত্রতা</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরিপাটী</strong>।</p>
<p>'কেতা দুরস্ত' একটি খুব পরিচিত বাংলা বাগধারা। এর সহজ অর্থ হলো কোনো কিছু খুব সুন্দর, পরিপাটি বা মার্জিতভাবে সাজানো। যখন কোনো ব্যক্তি বা পরিবেশ অত্যন্ত শৃঙ্খলিত ও সুন্দর দেখায়, তখন তাকে 'কেতা দুরস্ত' বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষীণজীবী</strong>।</p>
<p>পুঁটিমাছ খুব ছোট এবং এর জীবন অনেক দুর্বল ও ক্ষণস্থায়ী হয়। এই বাস্তব ধারণা থেকেই অত্যন্ত কম আয়ু বা দীর্ঘস্থায়ী নয় এমন জীবন বোঝাতে <strong>‘পুঁটিমাছের প্রাণ’</strong> বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। যার জীবন বা অস্তিত্ব যেকোনো মুহূর্তে শেষ হয়ে যেতে পারে, তাকেই খুব সহজে মনে রাখার জন্য এই নামে ডাকা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দেদীপ্যমান</strong>। কথাটার মানে হলো যা খুব সুন্দরভাবে বা বারবার দীপ্তি পাচ্ছে বা জ্বলছে। এক কথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কিছু নিয়মিত বা বিশেষভাবে উজ্জ্বল হওয়ার ভাব বোঝাতে এই বিশেষ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অংশুমালী</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা ব্যাপার মাথায় রাখলেই এটা মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'অংশু' শব্দের অর্থ হলো কিরণ বা আলো।</li>
<li>যিনি কিরণ ধারণ করেন বা যার কিরণ বা রশ্মি মালা বা মালার মতো বিস্তৃত, তাকেই এককথায় <strong>অংশুমালী</strong> বলা হয়।</li>
<li>আর এই অংশুমালী হলো প্রকৃতির সবচেয়ে পরিচিত আলোর উৎস অর্থাৎ আমাদের অতি পরিচিত <strong>সূর্য</strong>-এর একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একমাত্র বংশধর</strong>।</p>
<p>‘শিবরাত্রির সলতে’ একটি খুব পরিচিত বাংলা প্রবাদ বা বাগধারা। শিবপূজার রাতে যেমন একটিমাত্র সলতে দিয়ে সারা রাত প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখতে হয় এবং সেটাই একমাত্র ভরসা থাকে, ঠিক তেমনি কোনো বংশে বা পরিবারে যখন কেবল একটিমাত্র সন্তান বেঁচে থাকে এবং সেই বংশের প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখার বা নাম রক্ষা করার একমাত্র আশা ভরসা হয়ে দাঁড়ায়, তাকেই বোঝাতে ‘শিবরাত্রির সলতে’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিপ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li><strong>দ্বিপ</strong> শব্দের অর্থ হলো যা দুবার পান করে (দ্বি + প), অর্থাৎ হাতি। কারণ হাতি তার শুঁড় ও মুখ দিয়ে পানি পান করে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>দ্বীপ</strong> (ব-ফলা যুক্ত) মানে হলো যা চারপাশ থেকে পানি দ্বারা বেষ্টিত, আর <strong>দীপ</strong> মানে প্রদীপ বা আলো।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিপ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ টেকনিক আছে:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণে <strong>'দ্বিপ'</strong> শব্দের অর্থ হলো যার দুটি পা বা করী (হাতি) আছে।</li>
<li>যেহেতু ঐরাবত হলো দেবরাজ ইন্দ্রের হাতি, তাই হাতি অর্থে 'দ্বিপ' (প-হসন্ত যুক্ত) শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যদিকে 'দ্বীপ' (ব-ফলা) মানে জলবেষ্টিত ভূখণ্ড এবং 'দীপ' মানে প্রদীপ বা আলো, যা একেবারেই আলাদা।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।