<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেগম রোকেয়া</strong>। ‘সুলতানার স্বপ্ন’ বা ‘Sultana's Dream’ হলো বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা একটি বিখ্যাত নারীবাদী সায়েন্স ফিকশন বা বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি ১৯০৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>গল্পটিতে তিনি এমন এক কাল্পনিক সমাজের কথা তুলে ধরেছেন যেখানে নারীরা সমাজ পরিচালনা করেন এবং পুরুষরা অন্দরমহলে থাকেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়ার এই সৃষ্টিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেগম রোকেয়া</strong>। কারণ তাকেই বাংলা সাহিত্যে মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত বা কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়া ছিলেন তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে নারী শিক্ষার প্রসারে সবচেয়ে বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।</li>
<li>তার বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'সুলতানাস ড্রিম'</strong> এবং <strong>'অবরোধবাসিনী'</strong> নারী জাগরণের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।</li>
<li>তিনি শুধু লেখাই নয়, বরং নিজের হাতে স্কুল প্রতিষ্ঠা করে মুসলিম নারীদের পর্দার আড়াল থেকে আলোর পথে নিয়ে এসেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই নারী জাগরণের কথা এলেই সবার আগে বেগম রোকেয়ার নামটাই আমাদের মাথায় আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেগম রোকেয়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং সমাজ সংস্কারক। তিনি তাঁর লেখনীর মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের নারীদের বন্দিদশা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'অবরোধবাসিনী'</strong> মূলত সেই সময়ের নারীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কঠোর পর্দা প্রথা ও অবমাননাকর পরিস্থিতির একটি বাস্তব চিত্র।</p>
<ul>
<li><strong>মূল বিষয়:</strong> তৎকালীন সমাজের নারীদের অবরুদ্ধ জীবনের করুণ কাহিনী।</li>
<li><strong>কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ:</strong> এটি কেবল একটি বই নয়, বরং নারী স্বাধীনতার লড়াইয়ে একটি শক্তিশালী দলিল।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কালজয়ী একটি সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> (Sultana's Dream) মূলত একটি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান বা সায়েন্স ফিকশন।</li>
<li>এটি ১৯০৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বেগম রোকেয়া এই বইটিতে এমন এক সমাজের চিত্র এঁকেছেন যেখানে নারীরাই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক, যা তৎকালীন সময়ে ছিল এক বৈপ্লবিক চিন্তা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই নামটি একদম মুখস্থ করে রাখা ভালো, কারণ এটি তাঁর সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ রচনা।</p>
<p>বেগম রোকেয়ার শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধগ্রন্থ হলো <strong>অবরোধবাসিনী</strong>। এই বইটি মূলত তৎকালীন সমাজের নারীদের ওপর চলা অমানবিক প্রথা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ।</p>
<ul>
<li><strong>অবরোধবাসিনী</strong> গ্রন্থে রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন বাস্তব জীবনের নানা ঘটনার মাধ্যমে পর্দানশীন নারীদের অবর্ণনীয় কষ্টের চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
<li>এটি কোনো কাল্পনিক গল্প নয়, বরং সমাজের বাস্তব চিত্র নিয়ে লেখা একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী প্রবন্ধ সংকলন।</li>
<li>নারীর মুক্তি ও অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে এই বইটি বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>বেগম রোকেয়ার বিখ্যাত রচনা হলো <strong>পদ্মরাগ</strong>। এটি মূলত একটি নারীবাদী উপন্যাস, যেখানে তিনি তৎকালীন সমাজের নারীদের শিক্ষা, অধিকার এবং স্বাবলম্বী হওয়ার চিত্র তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মরাগ</strong> বেগম রোকেয়ার লেখা একমাত্র উপন্যাস।</li>
<li>এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই উপন্যাসে তিনি নারীর ক্ষমতায়ন এবং সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন।</li>
</ul>
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো <strong>অবরোধবাসিনী</strong>। এই বইটি মূলত তৎকালীন সমাজের পর্দানশীন নারীদের অবর্ণনীয় কষ্ট এবং কুসংস্কারের বিরুদ্ধে এক বলিষ্ঠ প্রতিবাদ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়া ছিলেন নারী জাগরণের অগ্রদূত।</li>
<li>তার লেখায় সবসময়ই নারীদের মুক্তি এবং সামাজিক শৃঙ্খল ভাঙার বার্তা থাকত।</li>
<li><strong>অবরোধবাসিনী</strong> নামটি শুনলেই বোঝা যায়, এটি নারীদের অবরুদ্ধ জীবন নিয়ে লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</li>
</ul>
৯৮
সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮০৯ সালে</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারী শিক্ষার প্রসারে এই স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়া ১৯০৯ সালে ভাগলপুরে মাত্র ৫ জন ছাত্রী নিয়ে এই স্কুলটি চালু করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১১ সালে তিনি স্কুলটি কলকাতায় স্থানান্তর করেন।</li>
<li>নারী জাগরণের ইতিহাসে এই স্কুলটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>বেগম রোকেয়ার শেষ রচনা হলো <strong>নারীর অধিকার</strong>। এটি তার মৃত্যুর অল্প কিছুদিন আগে প্রকাশিত হয়েছিল। এই লেখাটিতে তিনি তৎকালীন সমাজে নারীদের বঞ্চনা এবং তাদের প্রাপ্য অধিকার নিয়ে অত্যন্ত জোরালো ও সাহসী বক্তব্য তুলে ধরেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>রচনার নাম:</strong> নারীর অধিকার।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি তার সাহিত্যিক জীবনের শেষ দিককার কাজ, যেখানে তিনি তার দীর্ঘদিনের নারী জাগরণের চিন্তাধারাকে চূড়ান্ত রূপ দিয়েছিলেন।</li>
<li><strong>মূল বিষয়:</strong> নারীর সমঅধিকার এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তা।</li>
</ul>
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা কালজয়ী দুটি গ্রন্থ হলো <strong>পদ্মরাগ</strong> ও <strong>অবরোধবাসিনী</strong>। এই দুটি বইয়ের পেছনের মূল কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মরাগ:</strong> এটি রোকেয়া সাখাওয়াতের লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যেখানে তিনি নারী শিক্ষার গুরুত্ব এবং সমাজের কুসংস্কার নিয়ে দারুণভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li><strong>অবরোধবাসিনী:</strong> এই গ্রন্থে তিনি তৎকালীন সমাজের নারীদের পর্দার আড়ালে বন্দী থাকার ভয়াবহতা ও করুণ চিত্র অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ভাষায় ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়ার এই দুটি সৃষ্টি বাংলা সাহিত্যে আজও অনন্য। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>পদ্মরাগ ও অবরোধবাসিনী</strong>।</p>
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্মসাল মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৮০ সালের দিকে জন্মগ্রহণ করেন, তবে সঠিক সালটি হলো <strong>১৮৮২</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য এই তথ্যটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়ার জন্ম: <strong>৯ ডিসেম্বর, ১৮৮২</strong>।</li>
<li>জন্মস্থান: রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।</li>
</ul>
<p>তিনি ছিলেন নারী জাগরণের অগ্রদূত, তাই তাঁর জন্মসালটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। সালটি মনে রাখার জন্য ১৮৮২ সংখ্যাটি বারবার মনে মনে আওড়ালে খুব সহজেই আয়ত্তে চলে আসবে।</p>
<p>বেগম রোকেয়ার পিতার নাম হলো <strong>জহির উদ্দীন আবু আলী হায়দার সাবের</strong>। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের পারিবারিক পরিচয় বেশ দীর্ঘ। তার বাবার পুরো নাম <strong>জহির উদ্দীন আবু আলী হায়দার সাবের</strong>।</li>
<li>তিনি ছিলেন রংপুরের পায়রাবন্দের একজন সম্ভ্রান্ত জমিদার।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার বাবার নামের এই অংশটুকু মনে রাখলেই পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে যায়।</p>
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম সালটি মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৮০ সালে রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়ার জন্মসাল: <strong>১৮৮০</strong> খ্রিস্টাব্দ।</li>
<li>তিনি নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে পরিচিত, তাই তার জন্মসালটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় সালগুলো মনে রাখার জন্য ছোট একটি নোট তৈরি করে নিতে পারেন, যেখানে রোকেয়ার জন্মসাল <strong>১৮৮০</strong> এবং মৃত্যুসাল ১৯৩২—এই দুটি সংখ্যা পাশাপাশি লিখে রাখলে আর ভুল হবে না।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের সাহিত্যকর্মগুলোর মধ্যে <strong>'পদ্মরাগ'</strong> একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস। এটি মূলত ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসটি নারীদের শিক্ষা ও আত্মনির্ভরশীলতার ওপর ভিত্তি করে লেখা, যা তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কাজ যেমন 'সুলতানার স্বপ্ন' বা 'মতিচূর'-এর মতোই নারীবাদী চেতনার এক অনন্য নিদর্শন।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> সামাজিক উপন্যাস।</li>
<li><strong>মূল উপজীব্য:</strong> নারী জাগরণ ও সমাজ সংস্কার।</li>
</ul>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।