eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪১৪ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১২১

মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রূপার কৌটা
ব্যাখ্যা:
<p>মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক হলো <strong>রূপার কৌটা</strong>। জন গলসওয়ার্দির বিখ্যাত নাটক 'দ্য সিলভার বক্স' (The Silver Box)-এর বাংলা অনুবাদই হলো 'রূপার কৌটা'।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>মুনীর চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে মৌলিক নাটকের পাশাপাশি বিশ্বসাহিত্যের বেশ কিছু কালজয়ী নাটক অনুবাদ করেছেন।</li>
<li>'রূপার কৌটা' তাঁর অনূদিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ, যা মূলত সামাজিক ও আইনি বৈষম্যের ওপর ভিত্তি করে লেখা।</li>
</ul>
১২২

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক কোন্ পটভূমিতে লিখিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পানি পথের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পানি পথের যুদ্ধ</strong>। মুনীর চৌধুরীর লেখা এই বিখ্যাত নাটকটি মূলত ১৭৬১ সালে সংঘটিত ঐতিহাসিক <strong>তৃতীয় পানি পথের যুদ্ধের</strong> পটভূমিতে রচিত।</p>

<ul>
<li>নাটকটিতে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং এর ফলে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়কে খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় থাকা এই যুদ্ধের করুণ পরিণতিই নাটকের মূল উপজীব্য।</li>
<li>সহজ কথায়, পানি পথের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটেই লেখক এই কালজয়ী নাটকটি সাজিয়েছেন।</li>
</ul>
১২৩

মুনীর চৌধুরী রচিত ‘কবর’ একটি-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নাটক
ব্যাখ্যা:
<p>মুনীর চৌধুরী রচিত <strong>‘কবর’</strong> হলো একটি বিখ্যাত <strong>নাটক</strong>। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা এই নাটকটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত একটি <strong>অঙ্ক বা একাঙ্কিকা নাটক</strong>।</li>
<li>নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো তৎকালীন শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন এবং ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।</li>
<li>মুনীর চৌধুরী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় মাত্র কয়েক দিনে এই কালজয়ী নাটকটি লিখেছিলেন।</li>
</ul>
১২৪

‘কবর’ নাটক কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুনীর চৌধুরী</strong>। বাংলা নাটকের ইতিহাসে ‘কবর’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:</strong> ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মুনীর চৌধুরী ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় এই কালজয়ী নাটকটি রচনা করেন।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> ভাষা আন্দোলনের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এবং কারাগারে বসে লেখা নাটক বললেই আমাদের মাথায় সবার আগে মুনীর চৌধুরীর নামটাই আসে।</li>
</ul>

<p>তাই ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটকের কথা মনে রাখতে গেলেই মুনীর চৌধুরীর এই বিখ্যাত সৃষ্টি ‘কবর’-এর কথা মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</p>
১২৫

সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার প্রধান বিষয় কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অনাচার ও বৈষম্যের প্রতিবাদ
ব্যাখ্যা:
<p>সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতার মূল সুর হলো সমাজের অবহেলিত ও শোষিত মানুষের কথা বলা। তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে সমাজের গভীরে থাকা অসংগতিগুলোকে তুলে ধরেছেন।</p>

<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনাচার ও বৈষম্যের প্রতিবাদ</strong>, কারণ:</p>

<ul>
<li>সুকান্ত ছিলেন মূলত গণমানুষের কবি। তিনি সমাজের ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান এবং শোষক শ্রেণির নিষ্ঠুরতাকে কখনোই মেনে নেননি।</li>
<li>তার কবিতায় বারবার উঠে এসেছে ক্ষুধার্ত মানুষের আর্তনাদ এবং সেই সাথে শোষণের বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃণা ও প্রতিরোধের ভাষা।</li>
<li>তিনি বিশ্বাস করতেন, সমাজ থেকে অনাচার দূর করতে হলে বৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তার প্রতিটি ছত্রে শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে।</p>
১২৬

কবি সুকান্ত কোন সালে মৃত্যুবরণ করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1947
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৪৭</strong> সাল। কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র ২১ বছর বয়সে অকালে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর জীবনকাল ছিল ১৯২৬ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত।</p>

<ul>
<li>জন্ম: ১৫ আগস্ট, ১৯২৬</li>
<li>মৃত্যু: ১৩ মে, <strong>১৯৪৭</strong></li>
</ul>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায় হলো, ভারত ভাগের ঠিক কয়েক মাস আগেই বাংলা সাহিত্যের এই ক্ষণজন্মা কবির মৃত্যু হয়। তাই ১৯৪৭ সালটি তাঁর প্রয়াণকাল হিসেবে মনে রাখা খুব সহজ।</p>
১২৭

১৯৪৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে কোন কবি মারা যান?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন ক্ষণজন্মা কবি, যিনি মাত্র <strong>২১ বছর</strong> বয়সে দুরারোগ্য যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।</li>
<li>তার জন্ম ১৯২৬ সালে এবং মৃত্যু <strong>১৯৪৭ সালের ১৩ মে</strong>।</li>
<li>খুব অল্প সময়ের জীবনে তিনি তার লেখনীর মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে যে গভীর ছাপ রেখে গেছেন, তা আজও অতুলনীয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের ঠিক আগেই বাংলা সাহিত্য একজন প্রতিভাবান তরুণ কবিকে হারিয়েছিল, যার নাম সুকান্ত ভট্টাচার্য।</p>
১২৮

কোন গ্রন্থটি সুকান্ত ভট্টাচার্য কর্তৃক রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হরতাল
ব্যাখ্যা:
<p>সুকান্ত ভট্টাচার্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>হরতাল</strong>। তিনি মূলত তার লেখনীতে সাধারণ মানুষের দুঃখ-দুর্দশা এবং শোষণের বিরুদ্ধে আপসহীন কণ্ঠস্বর তুলে ধরেছেন।</p>

<ul>
<li>সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় 'কিশোর কবি'।</li>
<li>তার লেখা <strong>হরতাল</strong> কবিতাটি শোষিত মানুষের প্রতিবাদের এক অনন্য দলিল।</li>
<li>অল্প বয়সে মারা গেলেও তার কাব্যপ্রতিভা বাংলা সাহিত্যে এক বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>হরতাল</strong>।</p>
১২৯

‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি নিম্নের কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong>। সুকান্ত ভট্টাচার্যের বিখ্যাত ‘আঠারো বছর বয়স’ কবিতাটি মূলত মাত্রাবৃত্ত ছন্দের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>

<p>সহজে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কবিতায় প্রতিটি চরণের মাত্রা বিন্যাস এমনভাবে করা হয়েছে যা মাত্রাবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্যকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
<li>মাত্রাবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি মাত্রার গণনা খুব সুনির্দিষ্ট থাকে, যা এই কবিতার গতি ও লয়ের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
<li>কবিতাটি পড়ার সময় যে ছন্দময় দোলা বা তাল অনুভব করা যায়, তা মূলত মাত্রাবৃত্ত ছন্দেরই বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
১৩০

'রানার' কবিতাটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় 'কিশোর কবি'। তাঁর লেখা <strong>'রানার'</strong> কবিতাটি মূলত একজন ডাকপিওনের জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে তুলে ধরে। এই কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'ছাড়পত্র'</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</p>

<ul>
<li>কবিতাটির মূল উপজীব্য: রানারের ক্লান্তিহীন পথচলা ও দায়িত্ববোধ।</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: 'রানার' বললেই সুকান্ত ভট্টাচার্যের সংগ্রামী চেতনার কথা মাথায় আনলে বিষয়টি সহজে মনে থাকবে।</li>
</ul>
১৩১

‘কাশবনের কন্যা’ গ্রন্থটির লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন আবুল কালাম
ব্যাখ্যা:
<p>‘কাশবনের কন্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুদ্দিন আবুল কালাম</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস, যা মূলত গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির পটভূমিতে লেখা।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো গ্রামীণ জনপদ ও মানুষের সহজ-সরল জীবনযাত্রা।</li>
<li>শামসুদ্দিন আবুল কালাম তাঁর লেখনীতে আঞ্চলিক ভাষার চমৎকার ব্যবহার করেছেন, যা এই বইটিকে অনন্য করে তুলেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির নাম মিলিয়ে মনে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
১৩২

‘কাঞ্চনমালা’ গ্রন্থটি কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন আবুল কালাম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শামসুদ্দিন আবুল কালাম</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শামসুদ্দিন আবুল কালাম মূলত গ্রামীণ জীবন ও লোকজ সংস্কৃতির ওপর ভিত্তি করে সাহিত্য রচনা করেছেন। তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস হলো <strong>'কাঞ্চনমালা'</strong>। এই বইটি মনে রাখার জন্য আপনি নিচের কৌশলটি ব্যবহার করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>শামসুদ্দিন আবুল কালাম</strong> মানেই গ্রামীণ পটভূমির গল্প।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর তালিকায় <strong>'কাঞ্চনমালা'</strong> নামটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে 'কাঞ্চনমালা' নামটি তাঁর নামের সাথে মিলিয়ে একবার পড়ে নিলেই হবে।</li>
</ul>
১৩৩

‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ উপন্যাসটি লিখেছেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবু ইসহাক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবু ইসহাক</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>

<ul>
<li>এই বিখ্যাত উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>আবু ইসহাক</strong>।</li>
<li>গ্রামীণ সমাজব্যবস্থা, কুসংস্কার এবং দারিদ্র্যের নিদারুণ চিত্র ফুটিয়ে তোলার জন্য এটি বাংলা সাহিত্যে অনন্য একটি সৃষ্টি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’র নাম আসবে, তখনই মনে রাখবেন এর লেখক আবু ইসহাক। এটি মনে রাখার জন্য কোনো জটিল কৌশলের প্রয়োজন নেই, শুধু লেখকের নামের সাথে বইটির নাম একবার মিলিয়ে নিলেই হলো!</p>
১৩৪

‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ কোন প্রকারের গ্রন্থ

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সামাজিক উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সামাজিক উপন্যাস</strong>। আবু ইসহাক রচিত ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস। কেন এটি সামাজিক উপন্যাস, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>

<ul>
<li>এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের দারিদ্র্য, কুসংস্কার এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ের মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>গল্পের মূল চরিত্র 'জয়গুন' একজন সংগ্রামী নারী, যার জীবনের টানাপোড়েন ও সমাজের কঠোর বাস্তবতাই এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি।</li>
<li>এটি কোনো কাল্পনিক রূপকথা নয়, বরং তৎকালীন সমাজের বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে বলেই একে সামাজিক উপন্যাস বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সমাজের বাস্তব সমস্যা ও মানুষের জীবনের প্রতিফলন যেখানে প্রধান হয়ে ওঠে, সেটিই সামাজিক উপন্যাস। আর এই মানদণ্ডেই ‘সূর্য দীঘল বাড়ি’ একটি সার্থক সামাজিক উপন্যাস।</p>
১৩৫

‘জোঁক' গল্পের রচয়িতা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবু ইসহাক
ব্যাখ্যা:
<p>‘জোঁক’ গল্পের রচয়িতা হলেন <strong>আবু ইসহাক</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শক্তিশালী ছোটগল্প।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আবু ইসহাক মূলত তার বাস্তবধর্মী লেখনীর জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘জোঁক’ গল্পটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, যা পাঠ্যবই এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।</li>
<li>নামটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল ব্যবহার করতে পারেন: <strong>‘আবু ইসহাক’</strong> এবং <strong>‘জোঁক’</strong>—উভয় শব্দেই ‘আ’ এবং ‘ক’ এর একটি ছন্দময় মিল আছে, যা মনে রাখা সহজ।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...