<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ</strong>।</p>
<p>বসুন্ধরা থেকে প্রাপ্ত পুঁথির নামপত্র ও ভেতরের তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকরা নিশ্চিত হয়েছেন যে, বড়ু চণ্ডীদাস রচিত এই বিখ্যাত কাব্যটির আদি ও মূল নাম ছিল <strong>শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ</strong>। পরবর্তীতে বসন্তরঞ্জন রায় খিদূনিধি যখন বাঁকুড়ার কাঁকুড়িয়া গ্রাম থেকে পুঁথিটি আবিষ্কার ও সম্পাদনা করেন, তখন এর নামকরণ করা হয় 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উগ্র</strong>।</p>
<p>'সৌম্য' শব্দের অর্থ হলো শান্ত, স্নিগ্ধ বা বিনয়ী। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'উগ্র' শব্দটি, যার অর্থ প্রচণ্ড, তীব্র বা কুদ্ধ। পরীক্ষার খাতায় এমন বিপরীত শব্দ দ্রুত মনে রাখতে মূল শব্দের অর্থটা ভালোভাবে মাথায় রাখলেই কাজ সহজ হয়ে যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: পরিষ্কার</strong>।</p>
<p>সন্ধির সাধারণ নিয়ম বা সূত্র মেনে যখন কোনো শব্দ গঠিত হয় না, বরং বিশেষ নিয়মে বা প্রাকৃত নিয়মে সাধিত হয়, তখন তাকে বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধি বলে। যেমন—</p>
<ul>
<li>পরি + কার = পরিষ্কার</li>
<li>পর + কার = পুরস্কার</li>
<li>তৎ + কাল = তৎকাল</li>
<li>কৃষ্ + তি = কৃষ্টি</li>
</ul>
<p>এর মধ্যে <strong>পরিষ্কার</strong> শব্দটি কেবল বিশেষ নিয়মেই গঠিত হয়েছে, তাই এটি সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষুদ্র থেকে বড়</strong>।</p>
<p>বাগধারাটির মূল ভাব হলো ছোট বা সামান্য কিছু ধীরে ধীরে জমা করে বড় কিছু তৈরি করা। 'রাই' অর্থ ছোট সরিষা দানা আর 'বেল' হলো বড় ফল। অর্থাৎ, অতি সামান্য বা ক্ষুদ্র জিনিস জমা করতে করতে যখন তা অনেক বড় আকারে রূপ নেয়, তখন তাকে 'রাই কুড়িয়ে বেল' বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ + তি</strong>।</p>
<p>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে 'ষ্' এর পর 'ত' বা 'থ' থাকলে 'ত' স্থানে 'টি' বা 'তি' এবং 'ষ' স্থানে 'ষ্' হয়। সেই নিয়মে <strong>কৃষ + তি</strong> মিলে খুব সহজেই তৈরি হয় 'কৃষ্টি'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুতি</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার টেকনিক হলো:</p>
<ul>
<li>'সুরভি' শব্দের অর্থ হলো সুবাস বা ভালো গন্ধ।</li>
<li>এর বিপরীত শব্দ হিসেবে দুর্গন্ধ বা পচা গন্ধ বোঝাতে <strong>'পুতি'</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুন্দর</strong>।</p>
<p>‘বিশ্রী’ শব্দটির অর্থ হলো যা দেখতে বা শুনতে খারাপ বা কদাকার। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে ‘সুন্দর’ শব্দটি, যার অর্থ চমৎকার বা আকর্ষণীয়। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে ‘সুন্দর’ নির্বাচন করা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কীর্তি</strong>। খুব সহজ কথায়, কোনো ভালো কাজ বা অসামান্য অর্জনের ফলে মানুষের যে সুনাম বা চারদিকে যে নাম ছড়িয়ে পড়ে, তাকেই 'কীর্তি' বলা হয় যার অর্থ হলো যশ বা খ্যাতি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃপ + অন</strong>।</p>
<p>সংস্কৃত নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শেষে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত করার সময় তার আগের অংশের সাথে সহজেই তা মিলে যায়। এখানে 'কৃপ' মূল শব্দের সাথে 'অন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে খুব সহজেই <strong>কৃপণ</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে। ব্যাকরণের এই সহজ নিয়মটি মনে রাখলেই এমন সন্ধিবিচ্ছেদগুলো খুব দ্রুত সমাধান করা সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্থ অর্থের কুপ্রভাব</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার টেকনিক:</p>
<ul>
<li>বাঙালি সমাজে তামা বা পিত্তলকে অনেক সময় কম দামি ধাতু হিসেবে দেখা হয়, তবে এই বাগধারার ক্ষেত্রে তামা বা টাকা-পয়সার অতিরিক্ত মোহ মানুষের চরিত্রকে নষ্ট করে দেয়।</li>
<li>তাই 'তামার বিষ' বললেই আমরা বুঝি অতিরিক্ত অর্থের লোভ বা <strong>অর্থের কুপ্রভাব</strong>, যা মানুষের নৈতিকতা ধ্বংস করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অকর্মণ্য</strong>।</p>
<p>‘ধর্মের ষাঁড়’ একটি জনপ্রিয় বাংলা প্রবাদপ্রতিম বাগধারা। এর আসল অর্থ হলো এমন কোনো ব্যক্তি বা বস্তু, যাকে কোনো কাজে লাগনো যায় না এবং যে সবসময় অলস ও অযত্নে দিন কাটায়। অর্থাৎ, সমাজের বোঝা বা কোনো কাজের নয়—এমন অর্থ বোঝাতেই ‘ধর্মের ষাঁড়’ বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃপণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো— যার হাত সহজে পকেট থেকে বের হতে চায় না বা টাকা খরচ করতে বাধে, তাকেই মূলত ‘হাত-ভারি’ বলা হয়। অর্থাৎ, যে মানুষটি টাকা পয়সা খরচের বেলায় অত্যন্ত অনুদার বা কিপটে স্বভাবের, তার জন্যই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃপণ</strong>।</p>
<p>'হাত-ভারি' একটি জনপ্রিয় বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ হাতের ওজন বেশি হওয়া মনে হলেও, প্রাকৃতিকভাবে এটি এমন একজন মানুষকে বোঝায় যিনি সহজে কাউকে টাকা-পয়সা বা কিছু দিতে চান না অর্থাৎ যিনি খুব হিসাব করে চলেন এবং সহজে খরচ করতে চান না। সহজ কথায়, সহজে দান-ধ্যান বা খরচ না করার স্বভাবকেই 'হাত-ভারি' বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত শব্দ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'তৎসম' শব্দটির মানে হলো 'তার সমান' (অর্থাৎ সংস্কৃতের সমান)। যে সমস্ত শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রকম পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসে ব্যবহার হচ্ছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলে। যেমন—চন্দ্র, সূর্য, নদী ইত্যাদি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধাতু</strong>। খুব সহজ কথায়, কোনো শব্দের বা ক্রিয়ার মূল অংশকে বলা হয় ধাতু। যেমন— 'পড়্' একটি ধাতু, যার সাথে 'না' যুক্ত হয়ে 'পড়না' বা 'ই' যুক্ত হয়ে 'পড়ি' ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। অর্থাৎ, ক্রিয়াপদের মূল বা উৎস হলো এই ধাতু।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।