<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: তুমুলকাণ্ড</strong>।</p>
<p>‘খণ্ড প্রলয়’ একটি জনপ্রিয় বাগধারা বা প্রবাদ, যার আক্ষরিক অর্থ ছোটখাটো কোনো বিপর্যয় মনে হলেও, প্রায়োগিক ক্ষেত্রে এটি দিয়ে মূলত কোনো স্থানে হঠাৎ করে লেগে যাওয়া ভীষণ গণ্ডগোল বা <strong>তুমুলকাণ্ড</strong>-কে বোঝানো হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহা + ওষধি</strong>। খুব সহজেই সন্ধিটি মনে রাখার শর্টকাট নিয়ম হলো—</p>
<ul>
<li>শব্দের শুরুতে যদি আ-কার যুক্ত শব্দ বা 'মহা' থাকে এবং পরে 'ও' বা 'ঔ' থাকে, তবে নিয়ম অনুযায়ী সন্ধির সময় দুটি মিলে 'ঔ-কার' ($\text{ௌ}$) হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন: মহা + ওষধি = মহৌষধি। এখানে আ-কার ($\text{আ}$) ও ও-কার ($\text{ও}$) মিলে ঔ-কার ($\text{ৌ}$) তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহৎ + ইমন</strong>। খুব সহজে বিষয়টি মনে রাখার একটা দারুণ কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে থাকা <strong>'মহৎ'</strong> প্রাতিপদিক বা মূল বিশেষণ রূপ নির্দেশ করে।</li>
<li>এর সাথে ভাববাচক তদ্ধিত প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হয় <strong>'ইমন'</strong>।</li>
<li>সন্ধি বা প্রত্যয় সাধনের নিয়মে মহৎ ও ইমন মিলে গঠিত হয় চমৎকার শব্দটি—<strong>মহিমা</strong>।</li>
</ul>
১০৫৩৫
'অ-কার কিংবা আ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ও-কার হয়।' এই নিয়মের উদাহরণ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহা + উৎসব = মহোৎসব</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারо:</p>
<ul>
<li>'মহা' শব্দটির শেষে আছে <strong>আ-কার</strong> ($\text{মহা} \rightarrow \text{হ} + \text{আ}$)</li>
<li>পরের শব্দ 'উৎসব'-এর শুরুতে আছে <strong>উ-কার</strong></li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী এই <strong>আ</strong> এবং <strong>উ</strong> মিলে তৈরি করেছে <strong>ও-কার</strong> ($\text{মহ**ো**ৎসব}$), যা গুণসন্ধির একটি দারুণ উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দারিদ্র্য</strong>।</p>
<p>কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত <strong>‘দারিদ্র্য’</strong> কবিতাতেই মূলত কবির আত্মোপলব্ধি ও দারিদ্র্যের গৌরব প্রকাশ পেয়েছে। বিদ্রোহী কবি নজরুল তাঁর এই কবিতায় দারিদ্র্যকে অভিশাপ না ভেবে বরং তাকে সহ্য করার ক্ষমতা ও ত্যাগের মহিমাকে খ্রীষ্টের কণ্টক মুকুট পরার সঙ্গে তুলনা করে এক অনন্য উচ্চতা দিয়েছেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহৎ + ইমন</strong>। খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষণের সাথে প্রত্যয় যোগ করে ভাববাচক বিশেষ্য পদ গঠন করা হয়।</li>
<li>এখানে 'মহৎ' হলো একটি বিশেষণ পদ।</li>
<li>এর সাথে ভাববাচক অর্থে <strong>ইমন</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে মূল শব্দ 'মহিমান্নত' বা তার মূল রূপ <strong>‘মহিমা’</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পুত্র, চামার, টোপর, জ্যোছনা</strong>। কারণ এই শব্দগুচ্ছে তিনটি ভিন্ন উৎসের শব্দ চমৎকারভাবে সাজানো আছে:</p>
<ul>
<li><strong>পুত্র</strong> এবং <strong>জ্যোছনা</strong> (বর্তমানে জোছনা) হলো তৎসম বা সংস্কৃত শব্দ।</li>
<li><strong>চামার</strong> শব্দটি প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে এসেছে, যা একটি তদ্ভব শব্দ।</li>
<li><strong>টোপর</strong> শব্দটি আমাদের নিজস্ব বা দেশী শব্দ।</li>
</ul>
<p>একমাত্র এই অপশনেই তৎসম, তদ্ভব ও দেশী শব্দের সঠিক মেলবন্ধন পাওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অসমতল</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'বন্ধু' শব্দের একটি বিশেষ ও ভিন্ন অর্থ হলো যা সমান নয় বা উঁচু-নিচু, আর এর সমার্থক হিসেবেই 'অসমতল' শব্দটি ব্যবহার করা হয়। বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো যে, 'সমতল' মানে যা সমান, আর তার বিপরীত বা অন্য রূপটিই হলো অসমতল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চৌকা ছিদ্রের বেড়া</strong>।</p>
<p>সহজ ভাষায় বলতে গেলে, 'জাফরি' শব্দটি দিয়ে এমন এক ধরণের বেড়া বা নকশাকে বোঝানো হয় যার ঘরগুলো চারকোনা বা চৌকা আকারের জালের মতো কাটা থাকে। এটি সাধারণত কাঠ বা বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয় এবং এর ছিদ্রগুলো দেখতে চারকোনা বা চৌকা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মশা+অরি</strong>। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখতে পারো এভাবে—</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'অরি' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে কোনো কিছু তাড়ানোর বা নিবারণ করার অর্থে শব্দ গঠন করে।</li>
<li>যেমন, মশাকে তাড়ানোর বা নিবারণ করার বস্তু বোঝাতেই <strong>মশা</strong> শব্দের সাথে <strong>অরি</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মশারি' শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিভাবক</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো, 'অছি' শব্দটির আভিধানিক অর্থ বা সমার্থক শব্দ হলো অভিভাবক, যিনি কোনো সম্পত্তি বা ব্যক্তির দেখাশোনা বা তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকেন। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে অভিভাবককেই বেছে নেওয়া হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: দেওয়ান মদিনা</strong>।</p>
<p>মনসুর বয়াতি ময়মনসিংহ গীতিকার একজন অন্যতম বিখ্যাত পালাকার। তাঁর অমর সৃষ্টি হলো এই <strong>'দেওয়ান মদিনা'</strong> পালাটি, যা আবহমান বাংলার লোকসাহিত্যে এক অনন্য স্থান দখল করে আছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিঃস্ব</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'কপর্দহীন' শব্দটির অর্থ হলো যার কাছে একটি কপর্দক বা পয়সাও নেই। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি সম্পূর্ণ অর্থহীন বা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছে, তাকেই এককথায় <strong>নিঃস্ব</strong> বলা হয়।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।