<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত কর্মধারয়</strong>। খুব সহজেই চেনার একটা দারুণ উপায় আছে!</p>
<ul>
<li>যেখানে সাধারণ বস্তু (বেড়া) ও তুলনাবাচক বিশেষ্য পদের (জাল) সরাসরি তুলনা বোঝায় এবং মাঝের তুলনাবাচক শব্দ ('ন্যায়') শেষে চলে যায়, তাকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে ব্যাসবাক্য হলো 'বেড়া জালের ন্যায়', যেখানে বেড়া হলো উপমেয় এবং জাল হলো উপমান।</li>
<li>সাধারণ গুণের উল্লেখ না থেকে কেবল তুলনা বোঝানোর কারণেই এটি সরাসরি উপমিত কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমান কর্মধারয়</strong>।</p>
<ul>
<li>উপমান মানে হলো তুলনাবাচক সাধারণ বস্তু। যার সাথে তুলনা করা হয়, তাকে উপমান বলে।</li>
<li>বাক্যটিকে ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায়—<strong>'কাজলের মতো কালো'</strong>।</li>
<li>এখানে কালো হলো সাধারণ গুণ এবং কাজল হলো উপমান (যার সাথে তুলনা করা হয়েছে)। </li>
<li>সাধারণ গুণবাচক পদের সাথে উপমান পদের যে সমাস হয়, তাকে খুব সহজেই <strong>উপমান কর্মধারয়</strong> সমাস বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong> সমাস। খুব সহজেই এটি চেনার দারুণ একটি কৌশল আছে:</p>
<ul>
<li>সবসময় ব্যাসবাক্যটির দিকে তাকাতে হবে। 'বুদ্ধিজীবী'-এর ব্যাসবাক্য হলো— <strong>বুদ্ধি দেন যিনি</strong>।</li>
<li>এখানে 'বুদ্ধি' হলো একটি বিশেষ্য পদ (উপপদ) এবং এর সাথে 'জীবী' কৃদন্ত পদের মিলন ঘটেছে।</li>
<li>কৃৎ-প্রত্যয়যুক্ত পদের আগে কোনো বিশেষ্য পদ বা উপপদ বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকেই সহজ কথায় <strong>উপপদ তৎপুরুষ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী কর্মধারয়</strong>। কারণ, এই সমাসের ব্যাসবাক্য করলে দাঁড়ায় <strong>‘প্রাণ যাওয়ার ভয়’</strong>। এখানে মাঝের <strong>‘যাওয়ার’</strong> পদটি সমস্ত পদে এসে লোপ পেয়েছে। কর্মধারয় সমাসে যদি ব্যাসবাক্যের মাঝের কোনো পদ অর্থ প্রকাশ করার জন্য এসে লুপ্ত হয়ে যায়, তবে তাকে খুব সহজেই মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>উপমান</strong> সমাসে সাধারণ ধর্ম বা মিলের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে (যেমন: চঞ্চল যে পুরুষ = পুরুষ-চঞ্চল বা তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র)।</li>
<li>পক্ষান্তরে, <strong>উপমিত</strong> সমাসে তুলনা করা হলেও মাঝখানে সাধারণ ধর্মের কোনো উল্লেখ থাকে না। এখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে তুলনা করেই সমাসটি গঠিত হয় (যেমন: মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ)।</li>
</ul>
১০৬১১
‘চাঁদের ন্যায় মুখ’ = ‘চাঁদমুখ’ কোন প্রকার কর্মধারয় সমাস?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমান</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো— উপমান কর্মধারয় সমাসে সাধারণ গুণবাচক পদের সাথে উপমেয় পদের তুলনা করা হয় এবং উপমান ও উপমেয় দুটি পদই দৃশ্যমান হয়।</p>
<ul>
<li>যাকে তুলনা করা হচ্ছে (মুখ) এবং যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে (চাঁদ)—দুটি বস্তুই আমাদের চেনা ও দৃশ্যমান।</li>
<li>সাধারণ গুণ (সুন্দর বা ন্যায়) এখানে মাঝখানে লুকিয়ে থাকে।</li>
<li>তাই ‘চাঁদের ন্যায় মুখ’—এই ব্যাসবাক্যটিতে উপমান পদের সাথে তুলনা করায় এটি <strong>উপমান কর্মধারয় সমাস</strong> হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যপদলোপী</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার শর্টকাট:</p>
<ul>
<li>ব্যাসবাক্য করার সময় যদি মাঝের পদ বা অংশটি হারিয়ে যায় বা লোপ পায়, তবে তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>‘সোনামুখী’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো <strong>‘সোনা বাঁধানো মুখ যে নারীর’</strong>।</li>
<li>এখানে মাঝের <strong>‘বাঁধানো’</strong> এবং <strong>‘যে নারীর’</strong> অংশটি সমস্তপদে এসে লুপ্ত হয়ে গেছে, তাই এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যধিকরণ</strong> বহুব্রীহি সমাস। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>'ছাপোষা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>'ছা পোষা যার'</strong>।</li>
<li>এখানে পূর্বপদ 'ছা' (ছানা বা সন্তান) হলো বিশেষ্য পদ এবং পরপদ 'পোষা' হলো বিশেষণ পদ।</li>
<li>বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ যদি ভিন্ন ভিন্ন পদ (বিশেষ্য ও বিশেষণ) হয়, তবে তাকে <strong>ব্যধিকরণ বহুব্রীহি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরপদ</strong>। কর্মধারয় সমাস চেনার উপায় খুব সহজ—এই সমাসে সাধারণত প্রথম পদের (পূর্বপদ) চেয়ে পরের পদের (পরপদ) অর্থই বেশি প্রধান বা জোরালোভাবে প্রকাশ পায়।</p>
<ul>
<li>পূর্বপদটি এখানে বিশেষন বা উপমান/উপমিত হিসেবে কাজ করে।</li>
<li>আর পরপদটি বিশেষ্য পদ হয়ে মূল বিষয়বস্তু নির্ধারণ করে।</li>
<li>যেমন—'নীল পদ্ম' (নীল যে পদ্ম), এখানে 'পদ্ম' (পরপদ) হলো মূল বিষয়। তাই এটি পরপদ প্রধান সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আদি সরাগম</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>শব্দ উচ্চারণের সুবিধার জন্য অনেক সময় মূল শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত একটি স্বরধ্বনি বা স্বরবর্ণ চলে আসে।</li>
<li>এখানে 'স্কুল' শব্দটির শুরুতে একটি অতিরিক্ত <strong>'ই'</strong> যোগ হয়ে উচ্চারণ সহজ করার জন্য <strong>'ইস্কুল'</strong> হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এই স্বরাগম বা স্বরের আগমন ঘটেছে একদম শুরুতে, তাই একে বলা হয় আদি সরাগম।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্যারীচাঁদ মিত্র</strong>। কারণ, বাংলা উপন্যাসের জনক বা এই ধারার প্রথম পুরুষ বলা হয় তাঁকেই।</p>
<p>তাঁর লেখা <strong>'আলালের ঘরের দুলাল'</strong> (১৮৫৮ সালে প্রকাশিত) হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। এর মাধ্যমেই বাংলা উপন্যাসের সফল যাত্রা শুরু হয়েছিল। তাই প্রথম পুরুষ হিসেবে তাঁর নামই সবার আগে আসে।</p>
১০৬১৭
‘হে বঙ্গ ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন, তা সবে (অবোধ আমি) অবহেলা করি পরধন লোভে মত্ত, করিনু গমন পরদেশ।’ কোন কবির রচিত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত ও জনপ্রিয় লাইনটি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত বিখ্যাত <strong>'বঙ্গভাষা'</strong> সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবি প্রবাসে থাকার সময় বুঝতে পেরেছিলেন নিজের মাতৃভাষার ভাণ্ডারে কত রত্ন বা সম্পদ লুকিয়ে আছে, যা ফেলে তিনি বিদেশি ভাষার মোহ বা পরধনের লোভে ঘুরে বেড়িয়েছেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মধু দ্বারা মাখা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'মধুমাখা' একটি তৎপুরুষ সমাস (বিশেষ করে তৃতীয়া তৎপুরুষ)। এখানে ব্যাসবাক্য করার সময় পদের অর্থ ঠিক রাখতে ব্যাসবাক্যে 'দ্বারা' অনুসর্গটি ব্যবহার করা হয়েছে, যার অর্থ হলো মধু দিয়ে বা দ্বারা ভালোভাবে মাখানো। তাই নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ব্যাসবাক্যটি হবে <strong>মধু দ্বারা মাখা</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাঁশী</strong>। কারণ 'বাঁশী' একটি মৌলিক শব্দ, একে আর ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ আলাদা অংশ পাওয়া যায় না।</p>
<p>পক্ষান্তরে, গায়ক ($গৈ + অক$), গোলাপী ($গোলাপ + ঈ$) এবং মধুর ($মধু + র$) শব্দগুলো প্রত্যয়যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে, তাই এগুলো সবই যৌগিক শব্দের উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজপুত</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই সমাস ও প্রত্যয়ের নিয়ম মিলিয়ে এটি বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>রাজপুত</strong> শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'রাজার পুত্র'।</li>
<li>সাধারণ অর্থে এটি 'রাজার পুত্র' বোঝালেও, এটি বিশেষ একটি অর্থে—একটি নির্দিষ্ট জাতিকে (যাঁরা রাজবংশীয় বা ক্ষত্রিয় নামে পরিচিত) বোঝায়।</li>
<li>যেসব যৌগিক বা সাধিত শব্দ তাদের সাধারণ বা ব্যুৎপত্তিগত অর্থের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে <strong>যোগরূঢ় শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।