<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবুতর</strong>। 'কপোত' মূলত কবুতরের একটি সুন্দর ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ। বাংলা সাহিত্যে, বিশেষ করে বিভিন্ন কবিতায় পায়রা বা কবুতর বোঝাতে এই শব্দটি খুবcommonly ব্যবহার করা হয়। তাই খুব সহজে মনে রাখার জন্য মাথায় রাখবে যে, কপোত মানেই হলো কবুতর!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ময়ূর</strong>।</p>
<p>'কলাপী' হলো ময়ূরের একটি সুন্দর ও কাব্যিক সমার্থক শব্দ। ময়ূরের পেখম বা সুন্দর পুচ্ছ রয়েছে, আর সংস্কৃতে 'কলাপ' শব্দের অর্থ হলো পেখম বা গুচ্ছ। এই পেখম বা কলাপ ধারণ করে বলেই ময়ূরকে 'কলাপী' বলা হয়। বাংলা সাহিত্যে ময়ূর বোঝাতে এই শব্দটি বেশ জনপ্রিয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সিংহের ডাক</strong>। 'নাদ' শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো গভীর ও জোরালো কোনো আওয়াজ বা সিংহীর মতো সিংহের গর্জন। বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের বিচারে 'নাদ' বলতে বিশেষভাবে <strong>সিংহের ডাক</strong>-কেই বোঝানো হয়ে থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ময়মনসিংহ গীতিকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখা যায় এভাবে—</p>
<ul>
<li>'দেওয়ানা মদিনা' হলো বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমর সৃষ্টি।</li>
<li>ড. দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত বিখ্যাত লোকগীতি সংকলন <strong>ময়মনসিংহ গীতিকা</strong>-র অন্যতম সেরা ও জনপ্রিয় পালা এটি।</li>
<li>মদিনা ও আলী গর্ওয়ালের প্রেমের করুণ কাহিনী নিয়ে এই পালাটি রচিত হয়েছে।</li>
</ul>
১০৫৬৫
নাথগীতিকাগুলো স্যার জর্জ গ্রিয়ার্সন কি নামে প্রকাশ করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মাণিকচন্দ্র রাজার গান</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারো—স্যার জর্জ গ্রিয়ার্সন এই বিখ্যাত নাথগীতিকাটি সংগ্রহ করে <strong>'মাণিকচন্দ্র রাজার গান'</strong> (Songs of Manik Chandra) নামে প্রকাশ করেছিলেন। এটি বাংলা লোকসাহিত্য ও নাথ সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোকিল</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'অন্যপুষ্ট' শব্দটির অর্থ হলো যার অন্য দ্বারা পুষ্টি বা লালন-পালন হয়। কোকিল পাখি নিজের বাসা নিজে তৈরি করে না এবং নিজের ডিম নিজে তা দেয় না। এরা চতুরতার সাথে কাকের বাসায় ডিম পেড়ে আসে। পরে কাকই না বুঝে কোকিলের ছানাদের নিজেদের সন্তানের মতো খাইয়ে-দ খাইয়ে বড় করে তোলে। অন্যের দ্বারা পুষ্ট হয় বলেই কোকিলকে এককথায় <strong>‘অন্যপুষ্ট’</strong> বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্কশ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'কোমল' শব্দের অর্থ হলো নরম বা মিষ্টি। এর উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয় <strong>কর্কশ</strong> শব্দটি, যার অর্থ রুক্ষ বা বেসুরো।</p>
১০৫৬৮
কঙ্গোকে বিদেশী শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়েচিরস্মরণীয় নাম-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্যাট্টিস লুমুম্বা</strong>।</p>
<p>কঙ্গোকে বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করতে এবং দেশটির স্বাধীনতা অর্জনে প্যাট্টিস লুমুম্বা অত্যন্ত সাহসী ও নেতৃত্বমূলক ভূমিকা পালন করেছিলেন। তিনি ছিলেন কঙ্গোর প্রথম স্বাধীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী। সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন সংগ্রাম ও আত্মত্যাগ তাঁকে আফ্রিকার মুক্তিসংগ্রামে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাখা</strong>।</p>
<p>'বীজন' শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে যার আক্ষরিক অর্থ হলো বাতাস করা বা ঝাপটা দেওয়া, যা সাধারণত <strong>পাখা</strong> দিয়ে বাতাস করার সাথে তুলনীয়। শব্দটির সাথে বীজ বপন বা জনহীনতার কোনো সম্পর্ক নেই, তাই বিভ্রান্ত না হয়ে সরাসরি পাখা অর্থটি মনে রাখতে হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: কারাগার</strong>।</p>
<p>সন্ধি বিচ্ছেদ করলে দেখা যায়, <strong>কারাগার</strong> শব্দটির সঠিক সন্ধি হলো— <strong>হিমালয়</strong> বা অন্যান্য স্বরসন্ধির নিয়মের মতো এখানেও স্বরধ্বনির সাথে স্বরধ্বনির মিলন ঘটেছে। যেমন:</p>
<ul>
<li>কালা + আগার = কারাগার (অ + আ = আ)</li>
</ul>
<p>যেহেতু এখানে দুটি স্বরবর্ণ মিলে একাকার হয়ে গেছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই স্বরসন্ধির একটি দারুণ উদাহরণ। বাকি অপশনগুলো ব্যঞ্জনসন্ধি বা বিসর্গসন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মনঃ+যোগ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ উপায় হলো— এটি বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম।</p>
<ul>
<li>সন্ধি করার সময় বিসর্গ (ঃ) এর আগে যদি 'অ' বা 'আ' থাকে এবং পরে যদি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ বা অন্তঃস্থ বর্ণ (য, র, ল, ব, হ) থাকে, তবে বিসর্গটি ও-কার (ো) এ পরিণত হয়।</li>
<li>উল্টোভাবে চিন্তা করলে, 'মনো-' এই ও-কারযুক্ত অংশটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>মনঃ</strong> এবং পরের অংশটি হলো <strong>যোগ</strong>।</li>
</ul>
<p>এভাবেই খুব সহজে বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে 'মনোযোগ' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ করা যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মনঃ+তাপ</strong>। কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের ($\circ$) পরে যদি 'ত' বা 'থ' থাকে, তবে বিসর্গটি দন্ত্য 'স' (স) হয়ে যায়। ঠিক একইভাবে, সন্ধি ভাঙলে আমরা পাই <strong>মনঃ + তাপ</strong>, যা মিলে তৈরি হয় 'মনস্তাপ'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option C: মনঃ + তাপ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী:</p>
<ul>
<li>পদের শেষে থাকা বিসর্গী (ঃ) এর পর যদি 'ত' থাকে, তবে সেই বিসর্গ উঠে গিয়ে দন্ত্য-স (স) হয়।</li>
<li>উল্টোভাবে বল্লে, বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গের আগের 'ও' কার বা বিসর্গ অক্ষুণ্ণ রেখে পরের ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়। </li>
<li>সে হিসেবে <strong>মনঃ + তাপ</strong> মিলে খুব সহজেই তৈরি হয় <strong>মনস্তাপ</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: মনঃ + তাপ</strong>। কারণ বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের ($\circ$) আগে 'অ' বা 'আ' থাকলে এবং বিসর্গের পরে যদি ক, খ, প, ফ থাকে, তবে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে অথবা বিসর্গের জায়গায় দন্ত্য-স ($স$) হয়।</p>
<ul>
<li>শব্দটি হলো: <strong>মনস্তাপ</strong></li>
<li>সন্ধি বিচ্ছেদ করলে পাই: <strong>মনঃ + তাপ</strong></li>
<li>এখানে বিসর্গ ($\circ$) এর প্রভাবে পরবর্তী 'ত' এর সাথে মিলে এটি সাধিত হয়েছে, যা খুব সহজেই বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে চলে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: সম্ + চায় = সঞ্চয়</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির একটি খুব পরিচিত নিয়ম হলো— ম্ ($m$)-এর পরে যদি চ-বর্গীয় বর্ণ (চ, ছ, জ, ঝ, ঞ) থাকে, তবে ম্-এর জায়গায় অনুস্বার ($\dot{}$) বা সংশ্লিষ্ট বর্ণের পঞ্চমাংশ হয়।</p>
<ul>
<li>এখানে 'সম্' শব্দের শেষের 'ম্' এবং 'চায়' শব্দের প্রথম বর্ণ 'চ' মিলে সন্ধি হয়েছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী 'ম্' পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার ($\dot{}$) রূপ ধারণ করেছে, ফলে 'সম্ + চায়' মিলে সহজে হয়ে গেছে <strong>সঞ্চয়</strong>।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।