<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস</strong>।</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে একই প도의 পারস্পরিক বা বোঝাপড়া বোঝায়, তখন তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস বলে।</li>
<li>যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, তেমনি হাসে হাসে যে সমাস বা পারস্পরিক হাসি = <strong>হাসাহাসি</strong>।</li>
<li>শর্টকাট মনে রাখার উপায়: শব্দের মাঝে যদি <strong>আ</strong> কার কিংবা দ্বিরুক্তি বা পারস্পরিক বোঝানোর ভাব থাকে (যেমন—লাঠালাঠি, কোলাকুলি, চুলোচুলি), চোখ বন্ধ করে তা ব্যতিহার বহুব্রীহি দাগিয়ে দেওয়া যায়।</li>
</ul>
১০৭৫৭
যে সমাসে সমস্যমান পদগুলোর অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয়পদকে বুঝায়, তাকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুব্রীহি সমাস</strong>। খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা মনে রাখতে পারো— যে সমাসে ব্যাসবাক্যের কোনো পদের অর্থ না বুঝিয়ে একদম নতুন বা ভিন্ন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়, চোখ বন্ধ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস দাগিয়ে দেবে।</p>
<ul>
<li>যেমন: 'বিনা জিউয় যার' = বিনাঞ্জি (নতুন অর্থ প্রকাশ করছে)।</li>
<li>যেখানে সমস্যমান পদগুলোর অর্থ গৌণ হয়ে বাইরে থেকে অন্য কোনো পদ প্রধান হয়ে ওঠে, সেটাই বহুব্রীহি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! চলো এক নজরে নিয়মটা দেখে নিই:</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসে কোনো কিছুর পারষ্পরিক বা একই জাতীয় কার্য বোঝায় (যেমন: হাতাহাতি, গালাগালি, কোলাকুলি), তাকেই <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি</strong> বলে।</li>
<li>'কোলাকুলি' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো— <strong>কোলে কোলে যে মিলন</strong>, যা পারষ্পরিক বোঝাপড়া বা কাজ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্বিগু</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>যে সমাসে পূর্বপদটি <strong>সংখ্যাবাচক</strong> হয় এবং সমস্তপদের মাধ্যমে একটি <strong>সমাহার বা সমষ্টি</strong> বোঝায়, তাকেই দ্বিগু সমাস বলে।</li>
<li>'পঞ্চনদ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: পঞ্চ নদের সমাহার। </li>
<li>এখানে 'পঞ্চ' (পাঁচ) একটি সংখ্যাবাচক শব্দ এবং এর মাধ্যমে পাঁচটি নদের সমষ্টি বা সমাহার বোঝানো হয়েছে। তাই এটি নির্দ্বিধায় দ্বিগু সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অলুক বহুব্রীহি</strong>। কারণ খুব সহজ একটা টেকনিক মাথায় রাখলেই এটা পেরে যাওয়া যায়—</p>
<ul>
<li>যে বহুব্রীহি সমাসে সমস্ত পদে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না, তাকেই <strong>অলুক বহুব্রীহি</strong> বলে।</li>
<li>'গায়ে হলুদ' কথাটির ব্যাসবাক্য হলো— <strong>গায়ে হলুদ দেওয়া হয় যে অনুষ্ঠানে</strong>।</li>
<li>এখানে 'গায়ে' শব্দের সাথে থাকা 'এ' বিভক্তিটি সমাসের পরও অপরিবর্তিত থাকে। যেহেতু বিভক্তি লোপ পায়নি এবং এটি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানকে বুঝিয়েছে (অন্য পদ বোঝানো হয়েছে), তাই এটি নিশ্চিতভাবেই অলুক বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহুপদী দ্বন্দ</strong>। কারণ, যখন দুইয়ের অধিক পদ মিলে কোনো সমাস গঠিত হয় এবং প্রত্যেকটি পদের অর্থই সমানভাবে প্রধান থাকে, তখন তাকে বহুপদী দ্বন্দ সমাস বলে।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে 'তেল', 'নুন' এবং 'লাকড়ি'—এই তিনটি পদ মিলে একটি সমস্তপদ গঠিত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু পদের সংখ্যা দুইয়ের বেশি এবং মাঝখানে 'ও' বা সংযোজক অব্যয় লুকিয়ে থাকে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি বহুপদী দ্বন্দ সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>ব্যাস বাক্যে যদি একই শব্দের পারস্পরিক বা মুখোমুখি ক্রিয়া বোঝায়, তবে সেটি সবসময় ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।</li>
<li>যেমন: লাঠিতে লাঠিতে যে যুদ্ধ = লাঠালাঠি (এখানে লাঠির সাথে লাঠির লড়াই বা পারস্পরিক ক্রিয়া বোঝাচ্ছে)।</li>
<li>অন্যান্য চেনার উপায়: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, চুলে চুলে যে লড়াই = চুলোচুলি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যধিকরণ</strong>। সমাসের নিয়ম অনুযায়ী, বহুব্রীহি সমাসের উভয় পদ যদি বিশেষ্য পদ হয় এবং তাদের মধ্যে যদি বিভক্তি লোপ না পেয়ে ভিন্ন ভিন্ন বিভক্তি যুক্ত থাকে, তবে তাকে ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।</p>
<ul>
<li>এখানে পূর্বপদ 'আশী' (দাঁত) এবং পরপদ 'বিষ' (বিষ)—উভয়েই বিশেষ্য পদ।</li>
<li>ব্যাসবাক্যটি হলো: আশীতে বিষ যার।</li>
<li>এখানে প্রথম পদে 'তে' সপ্তম বিভক্তি যুক্ত আছে, যা সমাসের পরও অপরিবর্তিত থাকে। এই বিশেষ কাঠামোর কারণেই এটি ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যতিহার</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো—যখন কোনো বাক্যে দুটি একজাতীয় পদের মধ্যে পারস্পরিক বা একে অপরকে বোঝায়, তখন তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি বলে। যেমন: হাতে হাতে যে যুদ্ধ = হাতাহাতি, চুলে চুলে যে বাঁধন = চুলোচুলি। এই পারস্পরিক ক্রিয়া বা ভাব দেখলেই চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: নিপাতনে সিদ্ধ</strong>। কারণ বহুব্রীহি সমাসের সাধারণ নিয়ম বা ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট বাঁধাধরা সূত্র মেনে এটি গঠিত হয়নি।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট:</p>
<ul>
<li>যেসব সমাস ব্যাকরণের নিয়মিত নিয়ম বা সূত্র মানে না, সেগুলোকে সরাসরি <strong>নিপাতনে সিদ্ধ</strong> ধরে নিতে হয়।</li>
<li>'অন্তরীপ' শব্দটি এই নিয়মের বাইরে গঠিত একটি বিশেষ শব্দ, তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরধ্বনি + ব্যঞ্জনধ্বনি</strong>। কারণ 'মুখচ্ছবি' শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায় <strong>মুখ + ছবি</strong>।</p>
<ul>
<li>প্রথম শব্দ 'মুখ' এর শেষে 'অ' ধ্বনি রয়েছে, যা একটি <strong>স্বরধ্বনি</strong>।</li>
<li>দ্বিতীয় শব্দ 'ছবি' এর শুরুতে 'ছ' রয়েছে, যা একটি <strong>ব্যঞ্জনধ্বনি</strong>।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী স্বরধ্বনির পরে 'ছ' থাকলে ছ-এর জায়গায় 'চ্ছ' হয়। তাই এটি স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনের নিয়মেই সাধিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জনচ্যুতি</strong>। খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে বিষয়টি মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>পাশাপাশি দুটি সমবর্ণ বা একই জাতীয় ব্যঞ্জনধ্বনি থাকলে, তার একটি লোপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকে <strong>ব্যঞ্জনচ্যুতি</strong> (বা রুদ্ধকলোপ) বলে।</li>
<li>এখানে 'বড় দাদা' শব্দটিতে দুটি 'দ' রয়েছে। উচ্চারণ সহজ করার জন্য মাঝখানের একটি 'দ' বাদ দিয়ে হয়ে গেছে 'বড়দা'।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জন সন্ধির</strong>। কারণ শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় উৎ + ছাস। নিয়ম অনুযায়ী ‘ত’ বা ‘দ’-এর পরে ‘ছ’ থাকলে ‘ত’ বা ‘দ’-এর জায়গায় ‘চ’ এবং ‘ছ’-এর জায়গায় ‘চ্ছ’ হয়। এই নিয়মের কারণেই ‘উত’ ও ‘ছাস’ মিলে ‘উচ্ছাস’ তৈরি হয়েছে, যা ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জনদ্বিত্ব</strong>। কারণটা খুবই সহজ!</p>
<ul>
<li>কখনও কখনও জোর দেওয়ার জন্য বা উচ্চারণের সুবিধার জন্য শব্দের ভেতরের একটি ব্যঞ্জনবর্ণ দুইবার উচ্চারিত হয়।</li>
<li>যেমন— 'বড়' শব্দটি বদলে গিয়ে হয়ে গেছে 'বড্ড'। এখানে 'ড়' ধ্বনিটি দ্বিগুণ বা দুইবার ('ড্ড') উচ্চারিত হয়েছে।</li>
<li>আর এই যে একটি ব্যঞ্জনবর্ণের দুইবার ব্যবহার বা পরিবর্তন, একেই ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>ব্যঞ্জনদ্বিত্ব</strong> (বা ছদ্ম-সমীভবন)।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।