<ul>
<li>যেসব যৌগিক শব্দ সমাসবদ্ধ হয়ে সম্পূর্ণ নতুন বা আলাদা কোনো অর্থ প্রকাশ করে, সেগুলোকে যোগরূঢ় শব্দ বলে।</li>
<li>এখানে 'জলদ' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো 'জল দেয় যা'। এর সাধারণ অর্থ জল বা পানি দানকারী যেকোনো কিছু হলেও, এটি রূঢ় বা নির্দিষ্ট অর্থে কেবল <strong>'মেঘ'</strong>-কে বোঝায়।</li>
<li>তাই এটি একটি নিখুঁত যোগরূঢ় শব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>বেদ এর ব্যাখ্যা প্রদান করেছিলেন বলে</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ—কৃষ্ণ দ্বৈপায়ন প্রাচীন ভারতের মহাগ্রন্থ বেদকে বিভিন্ন শাখায় বিভক্ত করে এর সহজ ব্যাখ্যা ও বিস্তার করেছিলেন। মানুষের বোঝার সুবিধার্থে বেদের এই বিশেষ ব্যাখ্যা ও সম্পাদনা করার কারণেই তাকে পরবর্তীতে <strong>বেদব্যাস</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নাথ ধর্ম</strong>।</p>
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে ও সমাজজীবনে শিব উপাসক বা যোগী সম্প্রদায় মূলত নাথ সাহিত্যের সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। মীননাথ, গোরক্ষনাথ প্রমুখ সিদ্ধাচার্যদের হাত ধরে এই ধর্মের প্রচার ও প্রসার ঘটেছিল, যা তৎকালীন বাংলার ধর্মীয় সংস্কৃতিতে এক অনন্য ধারা তৈরি করেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতীচ্য</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, 'প্রাচ্য' শব্দের অর্থ হলো পূর্ব দিক বা পূর্বদেশীয় সংস্কৃতি। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো দিক হলো পশ্চিম বা পশ্চিমদেশীয় সংস্কৃতি, যাকে বাংলা ব্যাকরণে <strong>'প্রতীচ্য'</strong> বলা হয়। তাই প্রাচ্য-এর বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে প্রতীচ্য-ই সঠিক.</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম + ধি</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়ম দিয়ে এটা মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণের নিয়ম অনুযায়ী, 'ম্' বা 'ম'-এর পরে যদি অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) বা শ, ষ, স, হ থাকে, তবে 'ম্' স্থানে অনুস্বার (ং) হয়।</li>
<li>উল্টোভাবে চিন্তা করলে, অনুস্বার (ং)-যুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় অনুস্বারটি উঠে গিয়ে নিচে একটি হসন্তযুক্ত 'ম' (ম্) যুক্ত হয়।</li>
<li>তাই 'সন্ধি' শব্দটির সঠিক বিচ্ছেদ হবে <strong>সম + ধি</strong>।</li>
</ul>
১০৮০৬
'শহরের সদৃশ = উপশহর' এখানে কোন অর্থে 'উপ' ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সদৃশ</strong>। কারণ, মূল বা বড় শহরের মতো দেখতে বা তার অনুকরণে গড়ে ওঠা ছোট শহরকে বোঝাতে 'উপ' উপসর্গটি 'সদৃশ' বা কাছাকাছি অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। যেমন— শহরের সদৃশ হলো উপশহর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিলনান্ত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'বিয়োগান্ত' শব্দটির মূল অর্থ হলো যার শেষ বা পরিণতি হয় বিচ্ছেদ বা দুঃখ দিয়ে। অন্যদিকে, এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এমন শব্দ হলো <strong>মিলনান্ত</strong>, যার অর্থ মিলন বা আনন্দের মধ্য দিয়ে যার সমাপ্তি ঘটে। তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে এটি একদম নিখুঁত!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৎ + আনন্দ</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটা মনে রাখার একটা দারুণ নিয়ম আছে—</p>
<ul>
<li>এটি ব্যঞ্জনসন্ধির একটি চমৎকার নিয়ম। ব্যঞ্জনবর্ণের পরে স্বরবর্ণ বা ব্যঞ্জনবর্ণ থাকলে যে পরিবর্তন হয়, এখানে সেটাই ঘটেছে।</li>
<li>সন্ধি করার সময় 'ত্' বা 'দ্'-এর পরে স্বরবর্ণ থাকলে 'ত্/দ্' স্থানে 'দ্' হয়ে যায়।</li>
<li>উল্টো নিয়মে, 'সদানন্দ' শব্দটিকে ভাঙলে প্রথমে পাই <strong>সৎ</strong> এবং তার সাথে যুক্ত হয় <strong>আনন্দ</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই নিয়ম মেনে সঠিক রূপটি দাঁড়ায়: সৎ + আনন্দ = সদানন্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ উপায় হলো—তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর নামের মধ্যে একটা গভীর দার্শনিক চিন্তা ও মরুভূমির বিষাদের ছোঁয়া আছে।</p>
<ul>
<li><strong>'মরীচিকা'</strong> (১৯২৩) ছিল তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>এই ধারবাহিকতায় পরবর্তীতে তিনি প্রকাশ করেন <strong>'মরুশিখা'</strong> (১৯২৭) এবং <strong>'মরুমায়া'</strong> (১৯৩০)।</li>
</ul>
<p>তাই দেখলেই বোঝা যায়, জীবনদর্শন ও বৈরাগ্যসূচক এই বিখ্যাত ত্রয়ী কাব্যগ্রন্থগুলোর রচয়িতা হলেন কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত।</p>
১০৮১০
‘কুহু ও কেকা’, ‘বেনু ও বীণা’ প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্ટકট বা কৌশল হলো—আমাদের 'ছন্দপতন' বা ছন্দের জাদুকর বলা হয় কবি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে। তাঁর বিখ্যাত কিছু কাব্যগ্রন্থের মধ্যে <strong>‘কুহু ও কেকা’</strong> এবং <strong>‘বেনু ও বীণা’</strong> বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাই এই নামগুলো দেখলেই চোখ বন্ধ করে সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। কারণ, এই প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার ছদ্মনাম হিসেবে <strong>'গাজী মিয়া'</strong> ব্যবহার করতেন। তাঁর বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক রচনা 'গাজী মিঞার বস্তানী' গ্রন্থটিতে তিনি এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করেছিলেন, যা তৎকালীন সমাজের এক নিখুঁত চিত্র তুলে ধরে।</p>
১০৮১২
‘নিঃশেষে নিশাচর নিশাচর, গ্রামে মহাবিশ্বে, ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃশেষে।’- কবিতাংশটুকু কোন কবির লেখা।
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত কাব্য বা কবিতায় এমন জোরালো শব্দচয়ন ও ছন্দের দোলা দেখতে পাওয়া যায়, যা খুব সহজেই তাঁর লেখার অনন্য শৈলীকে চিনে নিতে সাহায্য করে।</p>
১০৮১৩
‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি, তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’ কার লেখা ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাস</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি মনে রাখা যায় কারণ রূপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাসের ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থের এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং পরিচিত একটি পঙ্ক্তি। বাংলার প্রকৃতির প্রতি তাঁর যে গভীর ভালোবাসা ও মুগ্ধতা, তা এই লাইনটিতে দারুণভাবে প্রকাশ পেয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার রায়</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, শিশুদের উপযোগী এমন মজার ছড়া ও প্রশ্নভরা মজার কবিতা বাংলা সাহিত্যে মূলত সুকুমার রায়-ই লিখে গেছেন। তাঁর বিখ্যাত <strong>'আবোল তাবোল'</strong> বা এই জাতীয় শিশুতোষ রচনাগুলোর স্টাইল দেখলেই চেনা যায় এটি তাঁরই কলমের সৃষ্টি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অতুল প্রসাদ সেন</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, আমাদের মাতৃভাষা বাংলার প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করে লেখা কালজয়ী এই গানটির গীতিকার হলেন বিখ্যাত সুরকার ও গীতিকার <strong>অতুল প্রসাদ সেন</strong>। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির টানে লেখা এই গানটি আমাদের জাতীয় চেতনার এক অনন্য নিদর্শন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।