১৯৯০ সালে জাতীয় সংসদ কর্তৃক ‘প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক আইন’ গৃহীত হয় এবং ঐ বছর ১৩ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের মাধ্যমে বাংলাদেশ গেজেটের এক অতিরিক্ত সংখ্যায় বিজ্ঞাপিত হয়। ১৯৯২ সালে ১ জানুয়ারি থেকে সারা দেশের ৬৮টি থানায় বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন করা হয়।
‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমী (নেপ)" ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এখানে ২ বৎসর মেয়াদি ইন্টারমিডিয়েট ইন এডুকেশন (আই এড) কোর্স পরিচালিত হয়। ময়মনসিংহ ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, রংপুর ও যশোরে অনুরূপ আরো পাঁচটি জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) স্থাপিত হয়। মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
নজরুল ইনস্টিটিউট জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতি রক্ষার্থে ১৯৮৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার ধানমন্ডিস্থ কবিভবনে সরকার প্রতিষ্ঠিত একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান। ইনস্টিটিউটের তত্ত্বাবধানে নজরুলের জীবন ও সাহিত্যকর্ম সংক্রান্ত অনেক দুর্লভ উপাদান সংগৃহীত হয়েছে। নজরুল ইনস্টিটিউট সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে
জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা। এটি সাভারে অবস্থিত। স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেনের নকশাকে অবলম্বন করেই বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়, যা “সম্মিলিত প্রয়াস” নামেও পরিচিত।
একলাখী সমাধিসৌধ বাংলায় অদ্যাবধি বিদ্যমান এ ধরনের স্থাপত্য কীর্তিগুলির আদি নিদর্শন। এটি লোক পরম্পরায় রাজা গণেশের ছেলে জালালউদ্দীন মুহম্মদ শাহ এর সমাধিসৌধ রূপে পরিচিত। সৌধটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হযরত পান্ডুয়ায় অবস্থিত। এ সমাধিসৌধ নির্মাণের অনুপ্রেরণা এসেছে বিহার শরীফে অবস্থিত ইবরাহিম বাইয়ুর সমাধির (১৩৫৩ খ্রি.) মাধ্যমে এবং দিল্লির কুওয়াতুল ইসলাম মসজিদের পেছনে অবস্থিত সুলতান ইলতুৎমিশের সমাধি (১২৩৬ খ্রি.) থেকে।
৩৭
সুউচ্চ কুতুব মিনারটির নির্মাণ কাজ কার শাসনামলে শেষ হয়?
১১৯২ সালে কুতুবউদ্দিন আইবেক সুউচ্চ কুতুব মিনারের নিৰ্মাণ কাজ আরম্ভ করেছিলেন। ইলতোতমিসের রাজত্বকালে (১২১১ - ৩৮) মিনারের কাজ শেষ হয়। আলাউদ্দিন খিলজীর রাজত্বকালে (১২৯৬ - ১৩১৬) এটার প্রাঙ্গণ এবং নির্মাণ নিৰ্মাণকাৰ্য সম্পাদন হয়।
হুয়াংহো নদী চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। এর অপর নাম পীত নদী। হুয়াংহো নদীকে চৈনিক সভ্যতার সুতিকাগার বলা হয়। হাজার হাজার বছর ধরে হুয়াংহো ও ইয়াংজি নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা অনেক আঞ্চলিক সংস্কৃতি চীনের সভ্যতাকে বিভিন্নভাবে সমৃদ্ধ করেছে। কয়েক হাজার বছরের ধারাবাহিক ইতিহাসে চৈনিক সভ্যতা পৃথিবীর আদিম সভ্যতাগুলোর মধ্যে অন্যতম
পাবলো পিকাসো হলেন একজন স্প্যানিশ চিত্রশিল্পী যিনি অনেকের মতে ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পী। এছাড়া তিনি ছিলেন একাধারে একজন ভাস্কর, প্রিন্টমেকার, মৃৎশিল্পী, মঞ্চ নকশাকারী, কবি এবং নাট্যকার। তিনি বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত এবং অত্যন্ত প্রভাবশালী শিল্পী। তিনি কিউবিজম আর্ট আন্দোলনের সহ - প্রতিষ্ঠাতা – যা ইউরোপে চিত্র এবং ভাস্কর্যশিল্পে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে। তিনি প্রায় ১৯০০ টি ছবি এঁকেছেন।
১৯৮৫ সালে ঢাকায় দ্বিতীয় সাফ গেমসের মাসকট নির্ধারণ করা হয়েছিল হরিণ শাবক। দেশের প্রখ্যাত ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান তিন ধরনের উপাদানে তিনটি মাসকট তৈরি করেন। এগুলোর নাম দেওয়া হয় 'মিশুক'। কাগজ ও অন্যান্য জিনিস দিয়ে তৈরি মাসকটটি সাফ গেমসের উদ্বোধনের দিন আকাশে উড়িয়ে দেওয়া হয়। ফলে এর সংরক্ষণ সম্ভব হয়নি। এই শিল্পী দ্বিতীয় মাসকটটি বানান ধাতব উপাদান ও সিমেন্ট দিয়ে, সাফ গেমস চলাকালে সেটি স্থাপন করা হয় শাহবাগ মোড়ে। পরে সেই মাসকটটি ভাস্কর্যে পরিণত করে শিশু পার্কের সামনে স্থাপন করা হয়।
৪১
জয়নুল আবেদিনের দুর্ভিক্ষ -১৯৪৩ সালের বিষয়ের সবগুলো ছবি কোন কালিতে আঁকা?
১৯৪৩ সালে বাংলার দুর্ভিক্ষপীড়িত মানুষের সকরুণ চিত্র এঁকে বিশ্ববাসীর বিবেককে নাড়িয়ে দেওয়া এক বিদ্রোহী শিল্পী জয়নুল আবেদিন। সে সময় তিনি মূলত দুটি চরিত্রকে উপজীব্য করে সৃষ্টি করেছেন কালজয়ী চিত্রকর্ম ‘দুর্ভিক্ষ - চিত্রমালা’। বিষয়বস্তু ছিল মা ও শিশু। জয়নুল আবেদিনের দুর্ভিক্ষ - ১৯৪৩ সালের বিষয়ের সবগুলো ছবি শুধু কালো কালিতে আঁকা।
৪২
প্রকৃতির সব জিনিসই তিনটি আকৃতি বা আদলের মধ্যে ধরে রাখা যায়। আকৃতি তিনটি হলো-
প্রকৃতির সব জিনিসই তিনটি আকৃতি বা আদলের মধ্যে ধরে রাখা যায়। এ তিনটি আকৃতি হলো গোল আকৃতি, চার কোণা আকৃতি ও তিন কোণা আকৃতি। যে জিনিস আঁকবে বা যার ছবি আঁকবে তার আদল ও রূপ এই তিনটি আকৃতির কোনটির সাথে মিলে যায় তা ঠিক করে ধীরে ধীরে ড্রইং শুদ্ধ করে নিতে হবে ।
৪৩
সুঁই-এর চারদিকে সুতা পেঁচিয়ে যে ফোঁড় তুলতে হয় তাকে কি ফোঁড় বলে?
সুঁই প্রাচীন একটি বাংলা শব্দ, অর্থ হল রেশম বা সিল্ক এবং সেই বিশেষ ধরনের নারীশীল উন্নয়নে ব্যবহৃত হতো।সুতা পেঁচা দিয়ে সুঁইর চারদিকে একটি ফোঁটা তৈরি করা হয় যা বাংলায় "সুঁই ফোঁটা" বা "সুঁইর ফোঁটা" নামে পরিচিত। যে ফোঁটাটি তুলতে হয় তাকে বাংলায় "ফোঁড়" বলা হয়।সুঁই ফোঁটা প্রধানতঃ রেশমের একটি উন্নয়ন পণ্য হিসাবে ব্যবহৃত হতো, যা আজকে কমপক্ষেই ব্যবহৃত হয় না। তবে এখনও কিছু স্থানে বা বিশেষ অনুষ্ঠানে এই ফোঁটা তৈরি করা হয়।
৪৪
ছবি আঁকার বিষয়ে আলোছায়াকে মোটামুটি কতস্তরে ভাগ করে নিতে হয়?
ছবি আঁকার বিষয়ে আলোছায়াকে মোটামুটি ৩ টি স্তরে ভাগ করা যায়।১. প্রথম স্তর: ছবি আঁকার বেসিক কনসেপ্ট, যেমন বিভিন্ন আকৃতি এবং রঙ সম্পর্কিত জ্ঞান, প্রকাশের উপকরণ ব্যবহার সহ আঁকা শিখানো।২. দ্বিতীয় স্তর: এই স্তরে প্রথম স্তরের উপর নির্ভর করে বিস্তারিত ছবি আঁকার প্রক্রিয়া এবং ভিন্ন ভিন্ন টুল ব্যবহার শিখানো হয়।৩. তৃতীয় স্তর: এখানে ছবি আঁকার সাথে সাথে প্রফেশনালি ছবি সম্পাদনা করার জন্য ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর প্রোগ্রাম ব্যবহার শিখানো হয়।তবে এটি আসলে ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি ভিন্নতা পর্যবেক্ষণে বিভিন্ন হতে পারে। একজন ছাত্রের জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা উন্নয়নে বা একজন পেশাদারী ছবি সম্পাদনা করার জন্য কিছু অংশ বেশি প্রয়োজন হতে পারে।
লাল ও নীলে বেগুনী হয় । বেগুনীর সঙ্গে হলুদ মিশালে গাড়ো বাদামী রঙ হয় । নীল ও হলুদ রঙ এক সঙ্গে মিশালে সবুজ রঙ হয়। লালের সাথে অল্প পরিমাণ কালো রঙ মিলে হবে খয়েরি। সাদা ও কালো রঙ দিয়ে তৈরি হয় ধূসর রঙ।
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
চারু ও কারুকলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।