<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রেখা</strong>। বিষয়টি কল্পনা করা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি সমতল একে অপরকে ছেদ করে, তখন তাদের মিলনস্থল বরাবর একটি সোজা পথ তৈরি হয়।</li>
<li>জ্যামিতিক নিয়ম অনুযায়ী, দুটি তলের সাধারণ অংশ বা ছেদবিন্দুগুলো মিলে একটি সরলরেখা গঠন করে।</li>
<li>যেমন, একটি খোলা বইয়ের দুটি পাতা যেখানে যুক্ত থাকে, সেই সংযোগস্থলটি একটি রেখার মতো কাজ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দুটি তলের সাধারণ ছেদক সবসময় একটি <strong>রেখা</strong> হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>43°</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে নিচে ধাপে ধাপে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>আমরা জানি, দুটি কোণের সমষ্টি <strong>180°</strong> হলে তারা একে অপরের সম্পূরক কোণ। তাই 51° কোণের সম্পূরক কোণটি বের করতে হলে 180° থেকে 51° বিয়োগ করতে হবে।</li>
<li>সম্পূরক কোণটি হলো: $$180^\circ - 51^\circ = 129^\circ$$</li>
<li>এখন, এই কোণের এক-তৃতীয়াংশ বের করার জন্য 129° কে 3 দিয়ে ভাগ করলেই উত্তর পেয়ে যাব।</li>
<li>হিসাবটি হলো: $$\frac{129^\circ}{3} = 43^\circ$$</li>
</ul>
<p>এভাবেই খুব সহজে আমরা বুঝতে পারি যে, 51° কোণের সম্পূরক কোণের এক-তৃতীয়াংশ হলো <strong>43°</strong>।</p>
<p>রম্বসের কর্ণদ্বয়ের অন্তর্ভুক্ত কোণ হলো <strong>90°</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>রম্বসের কর্ণদ্বয় একে অপরকে সমকোণে বা <strong>90°</strong> কোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে।</li>
<li>এর মানে হলো, রম্বসের কর্ণ দুটি যেখানে ছেদ করে, সেখানে চারটি সমকোণ তৈরি হয়।</li>
<li>জ্যামিতিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পর লম্বভাবে অবস্থান করে, তাই এদের মধ্যবর্তী কোণ সবসময় <strong>90°</strong> হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে লম্বভাবে ছেদ করে বলেই এদের অন্তর্ভুক্ত কোণ <strong>90°</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১১০°</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সম্পূরক কোণের মূল শর্ত হলো দুটি কোণের যোগফল সবসময় <strong>১৮০°</strong> হতে হবে।</p>
<ul>
<li>আমাদের কাছে দেওয়া আছে একটি কোণ = $৭০^\circ$</li>
<li>সম্পূরক কোণ বের করার নিয়ম হলো: $১৮০^\circ - ৭০^\circ = ১১০^\circ$</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, $৭০^\circ$ এবং $১১০^\circ$ যোগ করলে আমরা সহজেই $১৮০^\circ$ পেয়ে যাই।</p>
৬
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর। আবার পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স কত?
<p>ভাগের অংকের মূল সূত্রটি হলো: <strong>ভাজ্য = (ভাজক × ভাগফল) + ভাগশেষ</strong>। এই সাধারণ সূত্রটি থেকেই আমরা খুব সহজে ভাজক বের করার নিয়মটি পেয়ে যাই।</p>
<p>সহজ ধাপে বিষয়টি লক্ষ্য করো:</p>
<ul>
<li>প্রথমে ভাজ্য থেকে ভাগশেষ বিয়োগ করতে হয়: $(ভাজ্য - ভাগশেষ)$</li>
<li>এরপর প্রাপ্ত বিয়োগফলকে ভাগফল দিয়ে ভাগ করলেই ভাজক পাওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি দাঁড়ায়:</p>
<p>$$ভাজক = \frac{ভাজ্য - ভাগশেষ}{ভাগফল}$$</p>
<p>এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো ভাগের অংকে ভাজক নির্ণয় করা একদম পানির মতো সহজ হয়ে যাবে।</p>
৮
১০৫ থেকে ১৩৫ পর্যন্ত সংখ্যার মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম ও বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১১৯</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য আমাদের ১০৫ থেকে ১৩৫ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো খুঁজে বের করতে হবে।</p>
<ul>
<li>১০৫ থেকে ১৩৫ এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো: ১০৭, ১০৯, ১১৩, ১২৭, ১৩১।</li>
<li>এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যাটি হলো <strong>১০৭</strong>।</li>
<li>সবচেয়ে বড় মৌলিক সংখ্যাটি হলো <strong>১৩১</strong>।</li>
<li>এখন এই দুটি সংখ্যার গড় বের করার নিয়ম হলো: $$\frac{107 + 131}{2}$$</li>
<li>হিসাব করলে পাই: $$\frac{238}{2} = 119$$</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ক্ষুদ্রতম ও বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় হলো ১১৯।</p>
৯
যে সকল স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা ৩২৫ এবং ৫৫০ কে ভাগ করলে প্রতিক্ষেত্রে ২৫ অবশিষ্ট থাকে, তার সেট-
<p>এখন আমাদের এমন সংখ্যা খুঁজে বের করতে হবে যা দিয়ে $300$ এবং $525$ উভয়কেই নিঃশেষে ভাগ করা যায়। অর্থাৎ, আমাদের $300$ এবং $525$-এর গসাগু (GCD) বের করতে হবে।</p>
<p>গসাগু বের করার সহজ উপায় হলো এদের সাধারণ উৎপাদকগুলো দেখা:</p>
<ul>
<li>$300 = 75 \times 4$</li>
<li>$525 = 75 \times 7$</li>
</ul>
<p>এখানে দেখা যাচ্ছে, $300$ এবং $525$-এর গসাগু হলো $75$। যেহেতু ২৫ অবশিষ্ট থাকতে হবে, তাই ভাজক অবশ্যই ২৫-এর চেয়ে বড় হতে হবে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>{৭৫}</strong>।</p>
১০
0, 1, 2, 3, 4 অংকগুলি দ্বারা কতগুলি পাঁচ অংকের অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যাবে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>96</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে চিন্তা করা যায়:</p>
<p>পাঁচ অংকের একটি সংখ্যা তৈরি করতে আমাদের পাঁচটি ঘর পূরণ করতে হবে। শর্ত অনুযায়ী, প্রথম ঘরে <strong>0</strong> বসতে পারবে না, কারণ তাহলে সংখ্যাটি চার অংকের হয়ে যাবে।</p>
<ul>
<li>প্রথম ঘর: <strong>0</strong> বাদে বাকি চারটি অংক (1, 2, 3, 4) থেকে যেকোনো একটি বসানো যাবে। অর্থাৎ, প্রথম ঘরের জন্য উপায় আছে <strong>4</strong>টি।</li>
<li>দ্বিতীয় ঘর: এখানে <strong>0</strong> সহ বাকি চারটি অংকই বসানো যাবে। অর্থাৎ, উপায় আছে <strong>4</strong>টি।</li>
<li>তৃতীয় ঘর: বাকি তিনটি অংক থেকে যেকোনো একটি বসানো যাবে। অর্থাৎ, উপায় আছে <strong>3</strong>টি।</li>
<li>চতুর্থ ঘর: বাকি দুটি অংক থেকে যেকোনো একটি বসানো যাবে। অর্থাৎ, উপায় আছে <strong>2</strong>টি।</li>
<li>পঞ্চম ঘর: শেষ একটি অংক বসানোর উপায় আছে <strong>1</strong>টি।</li>
</ul>
<p>সুতরাং, মোট অর্থপূর্ণ সংখ্যা গঠন করা যাবে: $$4 \times 4 \times 3 \times 2 \times 1 = 96$$ টি।</p>
১১
পাঁচটি ঘণ্টা একত্রে বেজে যথাক্রমে ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫ সেকেন্ড অন্তর বাজতে লাগল। কতক্ষণ পর ঘণ্টাগুলো পুনরায় একত্রে বাজবে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৩ মিনিট</strong>। ঘণ্টাগুলো কতক্ষণ পর পুনরায় একত্রে বাজবে তা বের করার জন্য আমাদের দেওয়া সময়গুলোর লসাগু (LCM) নির্ণয় করতে হবে।</p>
<ul>
<li>প্রদত্ত সময়গুলো হলো: $3, 6, 9, 12, 15$ সেকেন্ড।</li>
<li>এদের লসাগু বের করার সহজ উপায় হলো মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করা:
$$3 = 3$$
$$6 = 2 \times 3$$
$$9 = 3^2$$
$$12 = 2^2 \times 3$$
$$15 = 3 \times 5$$
</li>
<li>লসাগু হবে প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের সর্বোচ্চ ঘাতের গুণফল: $2^2 \times 3^2 \times 5 = 4 \times 9 \times 5 = 180$ সেকেন্ড।</li>
<li>যেহেতু $60$ সেকেন্ডে $1$ মিনিট হয়, তাই $180$ সেকেন্ডকে মিনিটে রূপান্তর করলে পাই: $\frac{180}{60} = 3$ মিনিট।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ঘণ্টাগুলো ঠিক <strong>৩ মিনিট</strong> পর পুনরায় একত্রে বাজবে।</p>
১২
দুটি সংখ্যার গ. সা. গু. ১৬ এবং ল. সা. গু. ১৯২। একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপর সংখ্যাটি কত?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৬৪</strong>। এই ধরণের অংক খুব সহজেই একটি ছোট সূত্রের মাধ্যমে সমাধান করা যায়। আমরা জানি, দুটি সংখ্যার গুণফল তাদের গ.সা.গু. এবং ল.সা.গু.-এর গুণফলের সমান।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১০,৪৫০ টাকা</strong>। অংকটি খুব সহজেই সমাধান করা যায়। আমাদের শুধু মুনাফার পরিমাণ বের করে মূলধনের সাথে যোগ করতে হবে।</p>
<ul>
<li>এখানে আসল $P = 10,000$ টাকা, মুনাফার হার $r = 6\% = 0.06$ এবং সময় $n = \frac{9}{12}$ বছর।</li>
<li>মুনাফার সূত্রটি হলো $I = P \times r \times n$।</li>
<li>মান বসিয়ে পাই: $I = 10,000 \times 0.06 \times \frac{9}{12} = 450$ টাকা।</li>
<li>এখন, মুনাফা-মুলধন বা সবৃদ্ধিমূল হবে: $10,000 + 450 = 10,450$ টাকা।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, নয় মাসের মুনাফা ৪৫০ টাকা যোগ করলে মোট টাকার পরিমাণ দাঁড়ায় ১০,৪৫০ টাকা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তর গোলার্ধে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ধ্রুবতারা বা পোলারিস (Polaris) সবসময় পৃথিবীর উত্তর মেরুর ঠিক উপরে অবস্থান করে।</p>
<ul>
<li>পৃথিবীর উত্তর মেরুর অক্ষ বরাবর আকাশের ঠিক উপরে ধ্রুবতারা স্থির থাকে।</li>
<li>পৃথিবী নিজের অক্ষের ওপর আবর্তন করলেও ধ্রুবতারাকে সবসময় উত্তর দিকেই দেখা যায়।</li>
<li>দক্ষিণ গোলার্ধ থেকে পৃথিবী গোল হওয়ার কারণে এবং দিগন্তরেখার আড়ালে পড়ে যাওয়ায় এই তারাটি দেখা সম্ভব হয় না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপনি যদি উত্তর গোলার্ধে থাকেন, তবে আকাশের উত্তর দিকে তাকালেই ধ্রুবতারাকে স্থির অবস্থায় দেখতে পাবেন।</p>
ব্যাখ্যাঃ সমুদ্র স্রোত উৎপত্তির কারণ হল - বায়ুপ্রবাহ, উষ্ণতার তারতম্য, লবণাক্ততার তারতম্য, বাষ্পীভবনের তারতম্য, গভীরতার তারতম্য, পৃথিবীর আবর্তন এবং স্থলভাগের অবস্থান।
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।