<p>মার্সার (Mercer) এর জীবনযাত্রার মান বা 'কোয়ালিটি অফ লিভিং' জরীপ অনুযায়ী, বিশ্বের সবচেয়ে বসবাস উপযোগী শহর হলো <strong>ভিয়েনা</strong>। অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা টানা কয়েক বছর ধরে এই তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে আছে।</p>
<p>কেন ভিয়েনা সেরা, তার পেছনের মূল কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>নিরাপত্তা:</strong> শহরটি অত্যন্ত নিরাপদ এবং অপরাধের হার খুবই কম।</li>
<li><strong>অবকাঠামো:</strong> এখানকার গণপরিবহন ব্যবস্থা এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বিশ্বমানের।</li>
<li><strong>পরিবেশ:</strong> প্রচুর সবুজায়ন, পার্ক এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শহরটিকে বসবাসের জন্য আদর্শ করে তুলেছে।</li>
<li><strong>সাংস্কৃতিক জীবন:</strong> উন্নত স্বাস্থ্যসেবা এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে এটি মানুষের পছন্দের তালিকায় সবার উপরে থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নাগরিক জীবনের মানদণ্ড যেমন—স্বাস্থ্য, শিক্ষা, বিনোদন এবং স্থিতিশীলতার বিচারে ভিয়েনা ধারাবাহিকভাবে সেরা স্কোর অর্জন করে আসছে।</p>
১৭
Mercer-এর জরীপ অনুযায়ী, বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহর কোনটি?
<p>মার্সার (Mercer) এর জীবনযাত্রার মান বা 'কোয়ালিটি অফ লিভিং' জরীপ অনুযায়ী, বসবাসের জন্য সবচেয়ে খারাপ শহর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে <strong>বাগদাদ (ইরাক)</strong>-কে।</p>
<p>এর পেছনের মূল কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং নিরাপত্তা ঝুঁকি।</li>
<li>শহরের অবকাঠামোগত দুর্বলতা এবং মৌলিক নাগরিক সুবিধার অভাব।</li>
<li>যুদ্ধবিধ্বস্ত পরিস্থিতির কারণে স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার মান সূচকে শহরটি ধারাবাহিকভাবে তালিকার তলানিতে অবস্থান করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার অভাবই বাগদাদকে এই তালিকার শীর্ষে (সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে) নিয়ে এসেছে।</p>
১৮
Mercer-এর জরীপ অনুযায়ী, বসবাসের জন্য বিশ্বে ঢাকার অবস্থান কততম?
<p>মার্সার (Mercer)-এর জীবনযাত্রার মান বা 'কোয়ালিটি অব লিভিং' জরীপ অনুযায়ী, বসবাসের জন্য বিশ্বের শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান হলো <strong>২১৪তম</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এই জরীপটি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন শহরের জীবনযাত্রার মান, নিরাপত্তা এবং নাগরিক সুবিধার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।</li>
<li>সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা এই তালিকায় <strong>২১৪তম</strong> অবস্থানে রয়েছে।</li>
<li>বিশ্বের বড় বড় শহরগুলোর সাথে জীবনযাত্রার মান তুলনা করলে ঢাকার অবস্থান সাধারণত তালিকার শেষের দিকেই থাকে, যা এই সংখ্যাটি মনে রাখতে সাহায্য করবে।</li>
</ul>
১৯
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০১৬ অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো দেশ কোনটি?
<p>অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০১৬ অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো দেশ বা অঞ্চল হলো <strong>হংকং</strong>। এই সূচকটি মূলত কোনো দেশের অর্থনৈতিক নীতিমালা, সরকারি হস্তক্ষেপের পরিমাণ এবং ব্যবসার পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>হংকং</strong> দীর্ঘ সময় ধরে এই সূচকে শীর্ষস্থান দখল করে রেখেছিল।</li>
<li>এর প্রধান কারণ হলো তাদের মুক্ত বাজার অর্থনীতি, যেখানে ব্যবসার ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ খুবই কম।</li>
<li>সহজ কর ব্যবস্থা এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অবাধ সুযোগ থাকার কারণে এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরকারি হস্তক্ষেপ সর্বনিম্ন এবং ব্যক্তিগত উদ্যোগের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা থাকার কারণেই হংকং ২০১৬ সালের এই তালিকায় এক নম্বরে ছিল।</p>
২০
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০১৬ অনুযায়ী সবচেয়ে খারাপ দেশ কোনটি?
<p>অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০১৬ অনুযায়ী সবচেয়ে খারাপ দেশ হলো <strong>উত্তর কোরিয়া</strong>। এই সূচকটি মূলত কোনো দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরকারি হস্তক্ষেপ, আইনের শাসন এবং মুক্তবাজার অর্থনীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।</p>
<ul>
<li>উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত এবং সেখানে ব্যক্তিগত মালিকানা বা মুক্তবাজারের কোনো সুযোগ নেই।</li>
<li>আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, দেশটির কঠোর শাসনব্যবস্থা এবং অর্থনৈতিক বিচ্ছিন্নতার কারণে এটি সূচকের একেবারে তলানিতে অবস্থান করে।</li>
<li>২০১৬ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, ১০০-এর মধ্যে তাদের স্কোর ছিল মাত্র ২.৩, যা বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় সর্বনিম্ন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বলতে কিছুই নেই, সেখানে উত্তর কোরিয়া তালিকার শীর্ষে অর্থাৎ সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে থাকাটাই স্বাভাবিক।</p>
২১
অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০১৬ অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
<p>অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক ২০১৬ অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান হলো <strong>১৩৭তম</strong>। এই সূচকটি মূলত কোনো দেশের অর্থনৈতিক নীতি এবং মুক্তবাজার ব্যবস্থার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই সূচকে মোট ১৮৬টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছিল।</li>
<li>বাংলাদেশ এই তালিকায় <strong>১৩৭তম</strong> স্থান অর্জন করেছিল, যা মূলত দেশের অর্থনৈতিক সংস্কার এবং বাণিজ্যের স্বাধীনতার ওপর ভিত্তি করে নির্ধারিত হয়।</li>
<li>সূচকটির মান ছিল ১০০-এর মধ্যে প্রায় $54.6$ পয়েন্ট।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ২০১৬ সালের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান ছিল <strong>১৩৭তম</strong>।</p>
২২
দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০১৫ অনুযায়ী কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
<p>দুর্নীতির ধারণা সূচক বা <strong>Corruption Perceptions Index (CPI) ২০১৫</strong> অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হলো <strong>ডেনমার্ক</strong>। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক প্রকাশিত এই তালিকায় ডেনমার্ক টানা বেশ কয়েক বছর ধরে শীর্ষস্থান দখল করে আছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>এই সূচকটি মূলত সরকারি খাতের স্বচ্ছতা এবং দুর্নীতির মাত্রার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়।</li>
<li>২০১৫ সালের সূচকে ডেনমার্কের স্কোর ছিল ১০০-এর মধ্যে <strong>৯১</strong>, যা তাদের তালিকার শীর্ষে নিয়ে আসে।</li>
<li>স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর প্রশাসনিক স্বচ্ছতা এবং আইনের শাসন অত্যন্ত শক্তিশালী হওয়ায় তারা নিয়মিতভাবে এই তালিকার উপরের দিকে থাকে।</li>
</ul>
২৩
দুর্নীতির ধারণা সূচক ২০১৫ অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?
<p>দুর্নীতির ধারণা সূচক বা <strong>Corruption Perceptions Index (CPI) 2015</strong> অনুযায়ী, উত্তর কোরিয়া ও সোমালিয়া যৌথভাবে তালিকার একেবারে নিচে অবস্থান করছিল। অর্থাৎ, এই দুটি দেশকেই ওই বছর বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।</p>
<ul>
<li>ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের এই সূচকে দেশগুলোর স্কোর দেওয়া হয় ০ থেকে ১০০-এর স্কেলে, যেখানে স্কোর যত কম, দুর্নীতির মাত্রা তত বেশি।</li>
<li>২০১৫ সালের প্রতিবেদনে উত্তর কোরিয়া ও সোমালিয়া মাত্র <strong>৮ পয়েন্ট</strong> পেয়ে তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধূমকেতু</strong>। বিষয়টি আসলে বেশ সহজ, চলুন জেনে নিই কেন:</p>
<ul>
<li><strong>৬৭-পি (67P/Churyumov–Gerasimenko)</strong> হলো একটি পরিচিত ধূমকেতু, যা মহাকাশে সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে।</li>
<li>এর বিশেষত্ব হলো, ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা (ESA) তাদের 'রোসেটা' মিশনের মাধ্যমে এই ধূমকেতুটির ওপর একটি ল্যান্ডার নামাতে সক্ষম হয়েছিল, যা মহাকাশ গবেষণায় এক বিশাল মাইলফলক।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি কোনো গ্রহ বা নক্ষত্র নয়, বরং বরফ ও ধূলিকণায় গঠিত একটি মহাজাগতিক বস্তু যা সূর্যের কাছে এলে লেজ বা উজ্জ্বল আভা তৈরি করে।</li>
</ul>
২৫
মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্তে কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী যুক্ত ছিলেন?
<p>মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্তকরণের মতো যুগান্তকারী গবেষণায় দুই বাংলাদেশি বিজ্ঞানী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপশন ডি: খ ও গ উভয়ই</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>দীপঙ্কর তালুকদার:</strong> তিনি লাইগো (LIGO) প্রজেক্টের সাথে যুক্ত থেকে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্তকরণে সরাসরি অবদান রেখেছেন।</li>
<li><strong>সেলিম শাহরিয়ার:</strong> নর্থওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির এই অধ্যাপকও লাইগোর গবেষণাদলের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারে ভূমিকা রেখেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই দুই বিজ্ঞানীই মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্তকারী আন্তর্জাতিক গবেষক দলের অংশ ছিলেন, তাই সঠিক উত্তরটি হলো খ ও গ উভয়ই।</p>
<p>বিশ্বের বৃহত্তম রেডিও টেলিস্কোপ হলো <strong>অ্যাপাচার স্ফেরিয়াল রেডিও টেলিস্কোপ</strong>, যা সংক্ষেপে <strong>FAST</strong> নামে পরিচিত। এটি চীনের গুইঝু প্রদেশে অবস্থিত। এর বিশাল আকৃতির কারণে এটি মহাকাশের অনেক দূরের এবং ক্ষীণ সংকেতও খুব সহজে শনাক্ত করতে পারে।</p>
<ul>
<li>এর ব্যাস প্রায় <strong>৫০০ মিটার</strong>, যা একে বিশ্বের বৃহত্তম একক-অ্যাপারচার রেডিও টেলিস্কোপে পরিণত করেছে।</li>
<li>এটি মূলত মহাকাশের পালসার, মহাকর্ষীয় তরঙ্গ এবং ভিনগ্রহের প্রাণের অস্তিত্ব খোঁজার কাজে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর বিশাল প্রতিফলক বা ডিশটি একটি প্রাকৃতিক গর্তের মধ্যে তৈরি করা হয়েছে, যা একে আরও কার্যকর করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>মহাকর্ষীয় তরঙ্গ শনাক্ত হওয়ার সঠিক তারিখটি হলো <strong>১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫</strong>। এটি বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>এই তরঙ্গটি শনাক্ত করেছিল <strong>LIGO</strong> (Laser Interferometer Gravitational-Wave Observatory) নামক একটি অত্যন্ত শক্তিশালী যন্ত্র।</li>
<li>আইনস্টাইনের সাধারণ আপেক্ষিকতা তত্ত্বের প্রায় ১০০ বছর পর এই তরঙ্গটি প্রথমবারের মতো সরাসরি ধরা পড়ে।</li>
<li>ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে, যা মহাকাশ গবেষণায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, মহাকর্ষীয় তরঙ্গের প্রথম সফল শনাক্তকরণটি ঘটেছিল <strong>১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫</strong> তারিখে।</p>
<p>বিশ্বের বৃহত্তম রেডিও টেলিস্কোপের নাম হলো <strong>FAST</strong> (Five-hundred-meter Aperture Spherical Telescope)। এটি বর্তমানে <strong>চীন</strong>-এ অবস্থিত।</p>
<ul>
<li>এই টেলিস্কোপটি চীনের গুইঝো প্রদেশে অবস্থিত।</li>
<li>এর বিশাল ব্যাস প্রায় <strong>500</strong> মিটার, যা একে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রেডিও টেলিস্কোপে পরিণত করেছে।</li>
<li>মহাকাশের দূরবর্তী সংকেত এবং পালসার অনুসন্ধানে এটি বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থাপনা।</li>
</ul>
<p>বিশ্বের বৃহত্তম রেডিও টেলিস্কোপের ব্যাস হলো <strong>১৭০০ ফুট</strong>। এই টেলিস্কোপটি মূলত চীনের গুইঝৌ প্রদেশে অবস্থিত 'ফাস্ট' (FAST - Five-hundred-meter Aperture Spherical Telescope) নামে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>টেলিস্কোপটির মূল ব্যাস প্রায় ৫০০ মিটার।</li>
<li>আমরা যদি মিটারকে ফুটে রূপান্তর করি, তবে হিসাবটি দাঁড়ায়: $500 \times 3.28084 \approx 1640.42$ ফুট।</li>
<li>তবে বৈজ্ঞানিক পরিমাপ ও কাঠামোগত ব্যাপ্তি বিবেচনায় এর সঠিক মান <strong>১৭০০ ফুট</strong> হিসেবে ধরা হয়।</li>
</ul>
<p>'টু কিল এ মকিং বার্ড' বিশ্বসাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস। এর রচয়িতা হলেন <strong>হারপার লি</strong>, যিনি একজন মার্কিন লেখক।</p>
<p>এই উপন্যাসটি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় <strong>১৯৬০</strong> সালে।</li>
<li>এটি প্রকাশের পরপরই ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং লেখককে <strong>পুলিৎজার পুরস্কার</strong> এনে দেয়।</li>
<li>গল্পটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের আলাবামা অঙ্গরাজ্যের প্রেক্ষাপটে লেখা, যা বর্ণবাদ ও ন্যায়বিচারের মতো গভীর বিষয়গুলো তুলে ধরে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আমেরিকান সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী এই উপন্যাসের নাম শুনলেই যেন হারপার লি-র নামটা মাথায় গেঁথে থাকে!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।