eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪৫৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
১৮১

‘লালসালু’ উপন্যাসের উপজীব্য হলো-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধর্মীয় ভণ্ডামির নিখুঁত চিত্র
ব্যাখ্যা:
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো <strong>ধর্মীয় ভণ্ডামির নিখুঁত চিত্র</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ ধর্মের দোহাই দিয়ে সাধারণ মানুষের সরলতাকে পুঁজি করে নিজের স্বার্থ হাসিল করে।</li>
<li>মিথ্যা মাজার তৈরি করে এবং ধর্মের ভয় দেখিয়ে সে গ্রামের মানুষের ওপর নিজের আধিপত্য বিস্তার করে।</li>
<li>লেখক এখানে দেখিয়েছেন কীভাবে ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে ভণ্ডরা নিজেদের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখে এবং সমাজকে অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ধর্মভীরু মানুষের অসহায়ত্ব আর ভণ্ডদের প্রতারণার যে বাস্তব রূপ, তা-ই এই উপন্যাসে অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
১৮২

‘লালসালু’ উপন্যাসের উপজীব্য কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গ্রাম বাংলার সমাজের অশিক্ষা-কুশিক্ষা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গ্রাম বাংলার সমাজের অশিক্ষা-কুশিক্ষা</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর ‘লালসালু’ উপন্যাসের মূল ভিত্তিই হলো গ্রামীণ সমাজের মানুষের সরলতা এবং সেই সুযোগ নিয়ে গড়ে ওঠা ভণ্ডামি ও কুসংস্কারের চিত্র।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ ধর্মের দোহাই দিয়ে গ্রামের সহজ-সরল মানুষের মনে ভয় ও অন্ধবিশ্বাস ঢুকিয়ে দেয়।</li>
<li>গ্রামের মানুষ অশিক্ষিত হওয়ায় তারা মজিদের মিথ্যা মাজার বা ধর্মের অপব্যাখ্যাকে সহজেই বিশ্বাস করে ফেলে।</li>
<li>মূলত, গ্রামীণ সমাজের এই অশিক্ষা এবং কুসংস্কারকে পুঁজি করেই মজিদ তার আধিপত্য বিস্তার করে, যা এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।</li>
</ul>
১৮৩

‘কাঁদো নদী কাঁদো’ এর রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘কাঁদো নদী কাঁদো’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসে তিনি নদীমাতৃক বাংলাদেশের মানুষের জীবন ও অস্তিত্বের সংকটকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</li>
<li>তার অন্যান্য বিখ্যাত কাজের মধ্যে ‘লালসালু’ ও ‘চাঁদের অমাবস্যা’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষার জন্য নামটা মনে রাখা খুব জরুরি, কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখনশৈলী এবং বিষয়বস্তু বাংলা সাহিত্যে একদম আলাদা ও স্বতন্ত্র।</p>
১৮৪

‘বহিপীর’ কে রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যের আধুনিক নাটকের ধারায় সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাম সব সময় ওপরের দিকে থাকে। তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলো মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>বহিপীর</strong> নাটকটি মূলত সামাজিক কুসংস্কার ও ধর্মীয় ভণ্ডামির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী প্রতিবাদ।</li>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অন্যান্য কালজয়ী সৃষ্টির মধ্যে রয়েছে <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong> এবং <strong>লালসালু</strong>।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে নাটকের নামটি একবার ভালো করে মিলিয়ে নিলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না।</p>
১৮৫

সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর ‘চাঁদের অমাবস্যা’ কোন শ্রেণীর উপন্যাস?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মনোসমীক্ষণমূলক
ব্যাখ্যা:
<p>সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহর ‘চাঁদের অমাবস্যা’ মূলত একটি <strong>মনোসমীক্ষণমূলক</strong> উপন্যাস। এর কারণ হলো:</p>

<ul>
<li>এই উপন্যাসে লেখক মানুষের অবচেতন মনের গভীর স্তর এবং জটিল মানসিক দ্বন্দ্বকে খুব নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>গল্পের প্রধান চরিত্র আরিফ আলীর অপরাধবোধ, নৈতিক সংকট এবং তার মনের ভেতরের অস্থিরতা এখানে প্রধান হয়ে উঠেছে।</li>
<li>বাহ্যিক ঘটনার চেয়ে চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণই এখানে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে, যা একে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা মনোসমীক্ষণমূলক উপন্যাসের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
১৮৬

কোনটি ঠিক

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বহ্নিপীর (নাটক)
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহ্নিপীর (নাটক)</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ কাজী নজরুল ইসলামের লেখা এই বিখ্যাত নাটকটি বাংলা সাহিত্যে একটি অনন্য সৃষ্টি।</p>

<ul>
<li><strong>বহ্নিপীর</strong> মূলত একটি ঐতিহাসিক ও কাব্যধর্মী নাটক।</li>
<li>নজরুল ইসলাম তার এই নাটকে পীর বা আধ্যাত্মিক চেতনার সাথে সামাজিক সংগ্রামের এক চমৎকার মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই নাটকের নাম এবং লেখকের নাম একসাথে মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
১৮৭

নিম্নের কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এর রচিত গ্রন্থ নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চক্রবাক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চক্রবাক</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের তালিকাটি বেশ নির্দিষ্ট।</p>

<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে রয়েছে <strong>লালসালু</strong>, <strong>চাঁদের অমাবস্যা</strong> এবং <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>চক্রবাক</strong> হলো কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</li>
</ul>

<p>তাই খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে যে, চক্রবাক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা কোনো গ্রন্থ নয়। পরীক্ষার জন্য এই লেখকের প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখলেই এমন প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।</p>
১৮৮

‘চাঁদের অমাবস্যা’ গ্রন্থটির লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটির লেখক হলেন <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের রচয়িতা হিসেবে তিনি অত্যন্ত সুপরিচিত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong> মূলত তার গভীর জীবনবোধ এবং অস্তিত্ববাদী দর্শনের জন্য পরিচিত।</li>
<li>‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসে তিনি মানুষের অপরাধবোধ ও নৈতিকতার জটিল দিকগুলো খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তার অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘লালসালু’ এবং ‘কাঁদো নদী কাঁদো’, যা বাংলা সাহিত্যে মাইলফলক হয়ে আছে।</li>
</ul>
১৮৯

‘লাল সালু’ উপন্যাসটি কে রচনা করেছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই উপন্যাসটি নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই, কারণ এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর অমর সৃষ্টি।</p>

<ul>
<li><strong>লাল সালু</strong> উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার এবং ধর্মের অপব্যবহার।</li>
<li>মজিদ চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও আলোচিত একটি চরিত্র, যা এই উপন্যাসের প্রাণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের এই কালজয়ী উপন্যাসের নাম শুনলেই লেখক হিসেবে <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর</strong> নাম মনে রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
১৯০

‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ধারায় এটি একটি কালজয়ী সৃষ্টি।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর উপন্যাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো মানুষের অবচেতন মনের জটিলতা ও অস্তিত্বের সংকট।</li>
<li>‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসে তিনি নৈতিকতা এবং অপরাধবোধের এক দারুণ মনস্তাত্ত্বিক লড়াই ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</li>
</ul>
১৯১

‘চাঁদের অমাবস্যা’ কি জাতীয় গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>‘চাঁদের অমাবস্যা’ হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>। এই বইটির মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর মনস্তাত্ত্বিক গভীরতা এবং অস্তিত্ববাদী দর্শন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি কোনো কাব্য বা নাটক নয়, বরং একটি গদ্যধর্মী আখ্যান।</li>
<li>গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র 'আরেফ আলী'র অপরাধবোধ এবং তার মানসিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করেই পুরো কাহিনীটি আবর্তিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের তালিকায় এটি অন্যতম সেরা কাজ হিসেবে বিবেচিত।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>।</p>
১৯২

‘দুই তীর ও অন্যান্য গল্প’ গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>।</p>

<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ মূলত তাঁর কালজয়ী উপন্যাস 'লালসালু'র জন্য বিখ্যাত হলেও, বাংলা ছোটগল্পের ভুবনেও তিনি ছিলেন অনন্য। তাঁর লেখা ছোটগল্পগুলোর মধ্যে <strong>'দুই তীর ও অন্যান্য গল্প'</strong> একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকলন।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> এটি তাঁর ছোটগল্পের একটি বিখ্যাত সংকলন।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের তালিকায় 'দুই তীর' নামটা মাথায় গেঁথে নিলে পরীক্ষার হলে আর ভুল হওয়ার সুযোগ থাকবে না।</li>
</ul>
১৯৩

নিচের কোন গ্রন্থটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নয়নচারা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নয়নচারা</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্প সংকলন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>নয়নচারা</strong> হলো সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্প গ্রন্থ, যা ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তাঁর লেখনীতে গ্রামীণ জীবনের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং সমাজচিত্র খুব চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে, যা এই গ্রন্থের গল্পগুলোতেও স্পষ্ট।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'লালসালু' বা 'কাঁদো নদী কাঁদো'-র পাশাপাশি এই ছোটগল্প সংকলনটির নাম মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
১৯৪

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বহ্নিপীর
ব্যাখ্যা:
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত নাটক হলো <strong>বহ্নিপীর</strong>। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অনন্য সংযোজন। এই নাটকটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটকের নামগুলো সাধারণত একটু গভীর ও প্রতীকী হয়।</li>
<li>তার তিনটি প্রধান নাটকের নাম মনে রাখা খুব সহজ: <strong>বহ্নিপীর</strong>, <strong>উজানে মৃত্যু</strong> এবং <strong>তরঙ্গভঙ্গ</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাটকের কথা আসবে, তখন এই তিনটি নামের তালিকাটি মাথায় রাখলেই খুব সহজে সঠিক উত্তরটি বেছে নিতে পারবেন।</li>
</ul>

<p>মূলত, <strong>বহ্নিপীর</strong> নাটকটি তার লেখনশৈলীর এক চমৎকার নিদর্শন, যা বাংলা সাহিত্যে তাকে অমর করে রেখেছে।</p>
১৯৫

কোনটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচনা নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অনেক সূর্যের আশা
ব্যাখ্যা:
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাসগুলোর মধ্যে <strong>লালসালু</strong>, <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong> এবং <strong>চাঁদের অমাবস্যা</strong> অন্যতম। অন্যদিকে, <strong>অনেক সূর্যের আশা</strong> কোনোভাবেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সাহিত্যকর্ম মূলত মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী ধারার।</li>
<li>তার প্রধান উপন্যাস তিনটি হলো: <strong>লালসালু</strong>, <strong>চাঁদের অমাবস্যা</strong> ও <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>।</li>
<li>এই তালিকার বাইরে থাকা যেকোনো নামই এখানে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...