<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত শক্তিশালী মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এই প্রশ্নের উত্তরটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর তিনটি প্রধান উপন্যাস হলো: <strong>লালসালু</strong>, <strong>চাঁদের অমাবস্যা</strong> এবং <strong>কাঁদো নদী কাঁদো</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই তিনটি থেকে প্রশ্ন আসে। তাই এই তিনটি নাম একটি ছোট তালিকার মতো মনে রাখলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি খুঁজে পাওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>মূলত, নদীর প্রবাহের সাথে মানুষের জীবনের যে জটিলতা ও অস্তিত্বের সংকট, তা তিনি এই উপন্যাসে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাই লেখকের নাম দেখলেই এই তিনটি উপন্যাসের কথা মাথায় আনলে বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ থাকে না।</p>
১৯৭
A legendary dramatist in the post colonical Bangla, Selim Al Deen died on-
<p>বাংলা নাট্যসাহিত্যের অন্যতম দিকপাল সেলিম আল দীন ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন। প্রশ্নটিতে তারিখগুলো এক্সেল সিরিয়াল ফরম্যাটে দেওয়া হয়েছে।</p>
<ul>
<li>সেলিম আল দীনের মৃত্যু তারিখ: <strong>১৪ জানুয়ারি, ২০০৮</strong>।</li>
<li>এক্সেল বা স্প্রেডশিট ক্যালকুলেশন অনুযায়ী, ১৯০০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দিন গণনা শুরু করলে ২০০৮ সালের ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মোট দিনের সংখ্যা দাঁড়ায় <strong>৩৯৪৬১</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ক্যালেন্ডারের তারিখকে গাণিতিক সিরিয়াল নাম্বারে রূপান্তর করলে সঠিক উত্তরটি হয় <strong>৩৯৪৬১</strong>।</p>
<p>সেলিম আল দীনের বিখ্যাত নাটক হলো <strong>কেরামত মঙ্গল</strong>। এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নাটকটি মূলত গ্রামীণ জীবন, লোকজ সংস্কৃতি এবং মানুষের অস্তিত্বের লড়াইকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>কেরামত মঙ্গল</strong> নাটকটি সেলিম আল দীনের নিজস্ব নাট্যশৈলী ও দর্শনের এক অনন্য নিদর্শন।</li>
<li>তিনি তাঁর নাটকে লোকজ উপাদানের সাথে আধুনিক জীবনবোধের এক চমৎকার সমন্বয় ঘটিয়েছেন, যা এই নাটকেও স্পষ্ট।</li>
<li>বাংলা নাটকের ইতিহাসে সেলিম আল দীনকে 'দ্বৈতাদ্বৈতবাদী' নাট্যতত্ত্বের প্রবর্তক বলা হয়, আর তাঁর এই ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হলো এই নাটকটি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুনতাসীর ফ্যান্টাসী</strong>। এটি প্রখ্যাত নাট্যকার সেলিম আলদীনের লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় নাটক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সেলিম আলদীনের নাট্যশৈলী সাধারণত লোকজ ও পরাবাস্তব ধারার হয়।</li>
<li><strong>মুনতাসীর ফ্যান্টাসী</strong> নাটকটি তাঁর সৃজনশীলতার এক অনন্য নিদর্শন, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে বেশ পরিচিত।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো অন্য লেখকদের বিখ্যাত কাজ, তাই বিভ্রান্ত হওয়ার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সেলিম আল-দ্বীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা নাট্যসাহিত্যে সেলিম আল-দ্বীন এক অনন্য নাম। তাঁর কালজয়ী নাটকগুলোর মধ্যে ‘চাকা’ অন্যতম। এটি মূলত একটি সার্থক ও জীবনঘনিষ্ঠ নাটক, যা বাংলা সাহিত্যে বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</p>
<ul>
<li><strong>নাট্যকার:</strong> সেলিম আল-দ্বীন।</li>
<li><strong>গ্রন্থের ধরন:</strong> নাটক।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> সেলিম আল-দ্বীনের নাটক মানেই নিরীক্ষাধর্মী কাজ, আর ‘চাকা’ তাঁর সেই সৃজনশীলতার এক দারুণ উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সেলিম আল দীন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সেলিম আল দীন বাংলা নাটকের জগতে এক অনন্য নাম, যিনি তাঁর নিজস্ব ঘরানার নাট্যশৈলীর জন্য পরিচিত। তাঁর উল্লেখযোগ্য কিছু সৃষ্টির মধ্যে <strong>'হাত হদাই'</strong> অন্যতম। এই নাটকটি মূলত তাঁর নিরীক্ষাধর্মী নাট্যচিন্তার একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<ul>
<li><strong>নাট্যকার:</strong> সেলিম আল দীন।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> তাঁর নাটকে লোকজ উপাদান ও ভাষার এক দারুণ সংমিশ্রণ দেখা যায়, যা 'হাত হদাই' নাটকেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত নাটক যেমন—'জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন' বা 'কেরামতমঙ্গল'-এর সাথে 'হাত হদাই'-কেও তাঁর তালিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে মনে রাখা।</p>
২০২
‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’, ‘এক্সপ্লোসিড ও মূলসমস্যা’ ‘চারকাকড়ার ডকুমেন্টারি’ প্রভৃতি নাটকের নাট্যকার-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সেলিম আল দীন</strong>। বাংলা নাটকের জগতে তিনি একজন কিংবদন্তি এবং তার নাট্যশৈলী একেবারেই অনন্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সেলিম আল দীন মূলত <strong>'দ্বৈতাদ্বৈতবাদী'</strong> নাট্যতত্ত্বের প্রবক্তা।</li>
<li>তার নাটকে লোকজ উপাদান এবং জীবনবোধের এক চমৎকার সংমিশ্রণ দেখা যায়।</li>
<li>প্রশ্নোক্ত নাটকগুলো—যেমন ‘জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন’, ‘এক্সপ্লোসিড ও মূলসমস্যা’ এবং ‘চারকাকড়ার ডকুমেন্টারি’—তার সৃজনশীলতার এক অনন্য নিদর্শন, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে তাকে এক বিশেষ উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে মনে রাখবেন, নিরীক্ষাধর্মী এবং ভিন্নধর্মী নাটকের নাম শুনলেই সেলিম আল দীনের কথা মাথায় আনা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>‘কিত্তনখোলা’ নাটকটির রচয়িতা হলেন <strong>সেলিম আল দীন</strong>। বাংলা নাট্যসাহিত্যে তিনি এক অনন্য নাম, যিনি লোকজ উপাদান ও জীবনদর্শনকে তার নাটকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সেলিম আল দীন</strong> মূলত তার নিরীক্ষাধর্মী ও মাটিঘেঁষা নাটকের জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>‘কিত্তনখোলা’ নাটকটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, যা বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবন ও সংস্কৃতির এক অসাধারণ দলিল।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই নাটকের নামটির সাথে লেখকের নাম সরাসরি মনে রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বন পাংশুল</strong>। বাংলা নাট্যসাহিত্যের আধুনিক ধারার অন্যতম প্রধান রূপকার সেলিম আল দীন তাঁর সৃজনশীল লেখনীতে লোকজ উপাদান এবং জীবনবোধকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সেলিম আল দীনের নাটকের ভাষা ও বিষয়বস্তু সাধারণত মাটি ও মানুষের খুব কাছাকাছি থাকে।</li>
<li><strong>বন পাংশুল</strong> তাঁর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য নাটক, যা তাঁর নাট্যশৈলীর স্বকীয়তাকে প্রকাশ করে।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত নাটক যেমন—<em>সংবাদ কার্টুন</em>, <em>হাঁসুলী উপাখ্যান</em> বা <em>নিমজ্জন</em>-এর সাথে এই নামটি আলাদাভাবে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
<p>‘যৈবতী কন্যার মন’ নাটকটির রচয়িতা হলেন <strong>সেলিম আল দীন</strong>। বাংলা নাটকের ইতিহাসে তিনি এক অনন্য নাম, যিনি লোকজ উপাদান ও মিথের ব্যবহারে নাটককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সেলিম আল দীন মূলত গ্রামীণ জীবন, লোকগাথা এবং লোকজ ভাষার ওপর ভিত্তি করে নাটক লিখতে পছন্দ করতেন।</li>
<li>‘যৈবতী কন্যার মন’ নাটকটি তাঁর সেই ধারারই একটি কালজয়ী সৃষ্টি, যেখানে লোকজ সংস্কৃতির গভীর ছাপ পাওয়া যায়।</li>
<li>তাঁর নাটকের ভাষা ও আঙ্গিক সাধারণ নাটকের চেয়ে কিছুটা আলাদা ও কাব্যিক হয়, যা এই নাটকটির ক্ষেত্রেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের নাট্যসাহিত্যের কথা বললে সবার আগে যে নামটি আসে, তিনি হলেন <strong>সেলিম আল দীন</strong>। তাকে কেন এই ধারার প্রধান নাট্যকার বলা হয়, তার কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>বাংলা নাটকের নতুন রূপ:</strong> তিনি গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে বাংলা নাটকে এক নতুন আঙ্গিক ও ভাষার শৈলী তৈরি করেছেন।</li>
<li><strong>মৌলিক দর্শন:</strong> তার নাটকে লোকজ সংস্কৃতি, মিথ এবং সমকালীন জীবনবোধের এক অসাধারণ সমন্বয় ঘটেছে।</li>
<li><strong>নাট্যতত্ত্ব:</strong> তিনি কেবল নাটক লেখেননি, বরং 'দ্বৈতাদ্বৈতবাদী' নাট্যতত্ত্বের প্রবর্তক হিসেবে বাংলা নাট্যতত্ত্বকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলাদেশের নাট্যচর্চাকে বিশ্বমানের এবং স্বতন্ত্র একটি পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে তার অবদানই সবচেয়ে বেশি। তাই তাকেই স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশের প্রধান নাট্যকার হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
২০৭
‘মুনতাসির ফ্যান্টাসি’ ও ‘কিত্তনখোরা’ নাটকদ্বয়ের রচয়িতা কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সেলিম আল দীন</strong>। বাংলা নাট্যসাহিত্যে তিনি একজন কিংবদন্তি নাট্যকার, যিনি তাঁর নিজস্ব ঘরানার নাট্যশৈলীর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সেলিম আল দীন</strong> বাংলা নাটকে নতুন মাত্রা যোগ করেছেন, যার অন্যতম সেরা উদাহরণ হলো ‘মুনতাসির ফ্যান্টাসি’ ও ‘কিত্তনখোরা’।</li>
<li>এই নাটকগুলো তাঁর সৃজনশীলতার অনন্য স্বাক্ষর বহন করে, যা বাংলা থিয়েটারকে বিশ্বমানের করে তুলতে সাহায্য করেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই নাটকের নামগুলো মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি দাগানো সম্ভব।</li>
</ul>
২০৮
'নাট্যাচার্য' হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেছেন কোন নাট্যকার ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সেলিম আল দীন</strong>। বাংলা নাটকের ইতিহাসে তিনি এক অনন্য নাম, যাকে শ্রদ্ধার সাথে 'নাট্যাচার্য' উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</p>
<ul>
<li>সেলিম আল দীন বাংলা নাটকের আঙ্গিক ও বিষয়বস্তুতে আমূল পরিবর্তন এনেছিলেন।</li>
<li>তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন এবং বাংলা নাট্যতত্ত্বের বিকাশে আজীবন কাজ করেছেন।</li>
<li>তার রচিত 'সংবাদ কার্টুন', 'কিত্তনখোলা', 'কেরামতমঙ্গল' ও 'হাতহদাই'-এর মতো কালজয়ী নাটকগুলো বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।</li>
<li>তার এই অসাধারণ সৃজনশীলতা এবং নাট্যতত্ত্বের গভীর জ্ঞানের কারণেই তাকে বাংলা নাটকের 'নাট্যাচার্য' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এন.বি. হ্যালহেড</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৭৭৮ সালে প্রকাশিত <strong>'A Grammar of the Bengal Language'</strong> হলো বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ।</li>
<li>এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি লিখেছিলেন ব্রিটিশ লেখক ও ভাষাবিদ <strong>নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড</strong> (এন.বি. হ্যালহেড)।</li>
<li>বইটি হুগলি থেকে ছাপা হয়েছিল এবং এটি বাংলা মুদ্রণ শিল্পের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা ব্যাকরণের প্রথম রচয়িতা হিসেবে এন.বি. হ্যালহেডের নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিশেষভাবে বিশ্লেষণ</strong>। ব্যাকরণ শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: <strong>বি + আ + কৃ + অন</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>বি</strong> ও <strong>আ</strong> হলো উপসর্গ।</li>
<li><strong>কৃ</strong> হলো ধাতু।</li>
<li><strong>অন</strong> হলো প্রত্যয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষার গঠন ও প্রকৃতিকে ভেঙে বা সূক্ষ্মভাবে বিশ্লেষণ করাই হলো ব্যাকরণের মূল কাজ। তাই ব্যাকরণ শব্দের অর্থ হলো বিশেষভাবে বিশ্লেষণ করা।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।