eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৪৫৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
২৭১

উইলিয়াম কেরি রচিত 'A Grammar of the Bengal Language' গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় কত সালে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮০১ সালে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮০১ সালে</strong>।</p>

<p>বাংলা গদ্যের বিকাশে উইলিয়াম কেরির অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণ গ্রন্থটি প্রকাশের পেছনের সহজ তথ্যটি মনে রাখা জরুরি:</p>

<ul>
<li>১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ঠিক পরের বছরই, অর্থাৎ <strong>১৮০১ সালে</strong> তিনি এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে সুশৃঙ্খলভাবে তুলে ধরতে এটিই ছিল প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রচেষ্টা।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শুরুর দিকের সময়কালটি মনে রাখলেই এই সালটি খুব সহজে মনে রাখা যায়।</p>
২৭২

ড.মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভাষাবিজ্ঞানী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষাবিজ্ঞানী</strong>। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই, কারণ তিনি মূলত তাঁর অসাধারণ ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণার জন্যই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।</p>

<ul>
<li>তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন।</li>
<li>তাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজের কারণে তাঁকে বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>যদিও তিনি সাহিত্যচর্চা ও লেখালেখি করেছেন, কিন্তু তাঁর মূল পরিচয় ও শ্রেষ্ঠত্ব ফুটে উঠেছে ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ভাষাতত্ত্বের জটিল বিষয়গুলোকে সহজভাবে উপস্থাপন এবং বাংলা ভাষার ইতিহাস নিয়ে তাঁর অসামান্য অবদানের কারণেই তাঁকে <strong>ভাষাবিজ্ঞানী</strong> হিসেবে অভিহিত করা হয়।</p>
২৭৩

'ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>'ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষার বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অবদান অনস্বীকার্য। এই বিখ্যাত গ্রন্থটি সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্য:</p>

<ul>
<li>এটি বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>গ্রন্থটি ১৯৩৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষার গঠন, ধ্বনিতত্ত্ব এবং রূপতত্ত্ব নিয়ে এটি একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য দলিল।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই এই ব্যাকরণটির নাম আসবে, সরাসরি <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>-এর নামটাই মাথায় রাখবেন।</p>
২৭৪

বাংলা ভাষার উদ্ভব বিষয়ক সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ 'The Origin and Development of the Bengali Language' গ্রন্থের রচয়িতা কে ? কোন সালে এটি প্রকাশিত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্টপাধ্যায়,১৯২৬
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার ইতিহাস ও বিবর্তনের ওপর লেখা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং কালজয়ী গ্রন্থ হলো <strong>'The Origin and Development of the Bengali Language'</strong>। এই অসাধারণ গবেষণাধর্মী বইটি লিখেছেন ভাষাবিদ <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>বইটির গুরুত্ব বোঝার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯২৬ সাল।</li>
<li><strong>কেন এটি সেরা:</strong> বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশের ধারা নিয়ে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, যা আজও গবেষকদের কাছে প্রধান রেফারেন্স হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় এই বইটি একটি মাইলফলক, যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বাংলা ভাষা চর্চায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।</p>
২৭৫

শব্দের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>ভাষার সবথেকে ছোট বা ক্ষুদ্রতম একক হলো <strong>ধ্বনি</strong>।</li>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন মুখ দিয়ে যে অবিভাজ্য আওয়াজ বের হয়, সেটাই ধ্বনি।</li>
<li>ধ্বনিকে আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটিই ভাষার মূল ভিত্তি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ধ্বনিগুলো মিলে তৈরি হয় শব্দ, শব্দ মিলে হয় বাক্য। তাই একদম শুরুর ধাপ বা ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে <strong>ধ্বনি</strong>-ই সঠিক।</p>
২৭৬

বাক্য ব্যবহৃত শব্দকে বলা হয় -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পদ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যখন কোনো শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার রূপ বদলে যায়।</p>

<ul>
<li>আমরা যখন আলাদাভাবে কোনো শব্দ বলি, তখন সেটি কেবল একটি <strong>শব্দ</strong>।</li>
<li>কিন্তু সেই শব্দ যখন বাক্যের ভেতরে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এবং বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন তাকে আর শব্দ বলা যায় না, তখন সেটি হয়ে যায় <strong>পদ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, বাক্যের প্রতিটি অঙ্গই হলো এক একটি পদ।</li>
</ul>
২৭৭

শব্দ সম্পর্কিত আলোচনা হয় -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রূপমূল তত্ত্বে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপমূল তত্ত্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের যে শাখায় শব্দের গঠন এবং শব্দের ক্ষুদ্রতম একক বা রূপমূল নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই <strong>রূপমূল তত্ত্ব</strong> বা Morphology বলা হয়।</li>
<li>আমরা যখন কোনো শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করি বা শব্দ কীভাবে তৈরি হয়েছে তা দেখি, তখন মূলত আমরা রূপমূল তত্ত্বেরই আশ্রয় নিই।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের গঠনশৈলী এবং এর ক্ষুদ্রতম এককগুলো কীভাবে কাজ করে, তা জানার জন্য রূপমূল তত্ত্বই হলো প্রধান জায়গা।</li>
</ul>
২৭৮

অনুসর্গ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অব্যয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>অনুসর্গ মূলত এক ধরনের অব্যয় পদ, যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে।</li>
<li>এগুলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এবং পদের সাথে অন্য পদের সম্পর্ক তৈরি করতে সাহায্য করে।</li>
<li>যেহেতু অনুসর্গের নিজস্ব কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না, তাই ব্যাকরণের ভাষায় এগুলোকে <strong>অব্যয়</strong> হিসেবেই গণ্য করা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, 'দিয়ে', 'কর্তৃক', 'জন্য', 'মাঝে'—এই শব্দগুলো যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন এগুলো অব্যয় হিসেবেই কাজ করে।</p>
২৭৯

সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
২৮০

সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপে
২৮১

সাধুভাষা থেকে চলিত বাংলায় লিখতে কোন পদযুগলের পরিবর্তন ঘটে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম ও ক্রিয়া
ব্যাখ্যা:
<p>সাধুভাষা থেকে চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে মূলত <strong>সর্বনাম</strong> এবং <strong>ক্রিয়াপদের</strong> ক্ষেত্রে। এই দুটি পদের রূপ পরিবর্তন না করলে ভাষাকে চলিত রীতিতে মানানসই করা সম্ভব হয় না।</p>

<p>সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li><strong>সর্বনামের পরিবর্তন:</strong> সাধুভাষার 'তাহারা', 'যাহারা', 'ইহাদের' শব্দগুলো চলিত ভাষায় হয়ে যায় 'তারা', 'যারা', 'এদের'।</li>
<li><strong>ক্রিয়াপদের পরিবর্তন:</strong> সাধুভাষার 'করিয়াছি', 'খাইতেছি', 'যাইবে' শব্দগুলো চলিত ভাষায় সংকুচিত হয়ে হয় 'করেছি', 'খাচ্ছি', 'যাবে'।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, বাক্যের গঠনকে সহজ ও গতিশীল করতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের এই রূপান্তরই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>
২৮২

সাধু ভাষা সাধারণত কোথায় অনুপযোগী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নাটকের সংলাপে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটকের সংলাপে</strong>। এর কারণটি বেশ সহজ ও যৌক্তিক:</p>

<ul>
<li>সাধু ভাষা সাধারণত বেশ গুরুগম্ভীর এবং তৎসম শব্দবহুল, যা দৈনন্দিন কথাবার্তার জন্য খুব একটা মানানসই নয়।</li>
<li>নাটকের সংলাপে চরিত্রগুলোর স্বাভাবিক কথোপকথন ফুটে ওঠে। সেখানে সাধু ভাষার ব্যবহার করলে সংলাপগুলো কৃত্রিম ও অস্বাভাবিক শোনায়।</li>
<li>সহজ ও সাবলীল যোগাযোগের জন্য নাটকের সংলাপে চলিত ভাষার ব্যবহারই সবচেয়ে বেশি উপযোগী।</li>
</ul>

<p>তাই নাটকের জীবন্ত ও বাস্তবধর্মী সংলাপ তৈরির ক্ষেত্রে সাধু ভাষা ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই, বরং এটি সেখানে একেবারেই অনুপযোগী।</p>
২৮৩

কোনটি চলিত ভাষর বৈশিষ্ট্য নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশী</strong>। কারণ চলিত ভাষার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো সহজবোধ্যতা এবং সাবলীলতা।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>চলিত ভাষা মূলত সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</li>
<li>যেহেতু তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসে এবং কিছুটা গুরুগম্ভীর বা কঠিন শোনায়, তাই চলিত ভাষায় এগুলোর ব্যবহার তুলনামূলক কম।</li>
<li>এর পরিবর্তে চলিত ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার অনেক বেশি থাকে, যা সাধারণ মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষা মানেই কৃত্রিমতা বর্জন করা, আর তৎসম শব্দের আধিক্য সাধারণত সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য। তাই তৎসম শব্দের বেশি ব্যবহার চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।</p>
২৮৪

কোন ভাষা-রীতিতে এ প্রশ্ন লেখা হয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চলিত রীতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চলিত রীতি</strong>। এর কারণটা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য হয়।</li>
<li>এই প্রশ্নে ব্যবহৃত 'লেখা হয়েছে' বা 'এ' শব্দগুলো চলিত রীতির বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
<li>সাধু রীতির মতো এখানে কোনো গুরুগম্ভীর বা তৎসম শব্দের দীর্ঘ রূপ ব্যবহার করা হয়নি, বরং আমরা দৈনন্দিন জীবনে যেভাবে কথা বলি, সেই সাবলীল ভঙ্গিটিই এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে ভাষায় আমরা বর্তমানে বইপত্র পড়ি বা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করি, সেটিই হলো চলিত রীতি।</p>
২৮৫

‘যে কথা একবার জমিয়ে বলা গিয়াছে, তাহার পর তার ফেনাইয়া ব্যাখ্যা করা চলে না।’ --- চলতি ভাষায় এ বাক্যে ভুলের সংখ্যা কয়টি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
5
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৫টি</strong>। বাক্যটিতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণজনিত ভুলগুলো নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>গিয়াছে:</strong> এটি সাধু ভাষার রূপ, চলিত ভাষায় হবে 'গেছে'।</li>
<li><strong>তাহার:</strong> এটি সর্বনামের সাধু রূপ, চলিত ভাষায় হবে 'তার'।</li>
<li><strong>তার:</strong> এখানে 'তার' শব্দটি অপ্রয়োজনীয়, কারণ আগের শব্দেই 'তাহার' ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li><strong>ফেনাইয়া:</strong> এটি সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ, চলিত ভাষায় হবে 'ফেনিয়ে'।</li>
<li><strong>চলে না:</strong> এই অংশে 'চলে' শব্দটি চলিত রীতিতে থাকলেও পুরো বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটি সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ দোষে দুষ্ট।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, বাক্যটিতে সর্বমোট <strong>৫টি</strong> ভুল রয়েছে যা সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ (গুরুচণ্ডালী দোষ) তৈরি করেছে।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...