<p>বাংলা গদ্যের বিকাশে উইলিয়াম কেরির অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণ গ্রন্থটি প্রকাশের পেছনের সহজ তথ্যটি মনে রাখা জরুরি:</p>
<ul>
<li>১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ঠিক পরের বছরই, অর্থাৎ <strong>১৮০১ সালে</strong> তিনি এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে সুশৃঙ্খলভাবে তুলে ধরতে এটিই ছিল প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ প্রচেষ্টা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শুরুর দিকের সময়কালটি মনে রাখলেই এই সালটি খুব সহজে মনে রাখা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষাবিজ্ঞানী</strong>। ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই, কারণ তিনি মূলত তাঁর অসাধারণ ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণার জন্যই বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।</p>
<ul>
<li>তিনি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ নিয়ে গভীর গবেষণা করেছেন।</li>
<li>তাঁর পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজের কারণে তাঁকে বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>যদিও তিনি সাহিত্যচর্চা ও লেখালেখি করেছেন, কিন্তু তাঁর মূল পরিচয় ও শ্রেষ্ঠত্ব ফুটে উঠেছে ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষাতত্ত্বের জটিল বিষয়গুলোকে সহজভাবে উপস্থাপন এবং বাংলা ভাষার ইতিহাস নিয়ে তাঁর অসামান্য অবদানের কারণেই তাঁকে <strong>ভাষাবিজ্ঞানী</strong> হিসেবে অভিহিত করা হয়।</p>
২৭৩
'ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটির রচয়িতা কে ?
<p>'ভাষা-প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষার বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অবদান অনস্বীকার্য। এই বিখ্যাত গ্রন্থটি সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ব্যাকরণ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>গ্রন্থটি ১৯৩৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষার গঠন, ধ্বনিতত্ত্ব এবং রূপতত্ত্ব নিয়ে এটি একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও প্রামাণ্য দলিল।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই এই ব্যাকরণটির নাম আসবে, সরাসরি <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>-এর নামটাই মাথায় রাখবেন।</p>
২৭৪
বাংলা ভাষার উদ্ভব বিষয়ক সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ 'The Origin and Development of the Bengali Language' গ্রন্থের রচয়িতা কে ? কোন সালে এটি প্রকাশিত হয় ?
<p>বাংলা ভাষার ইতিহাস ও বিবর্তনের ওপর লেখা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এবং কালজয়ী গ্রন্থ হলো <strong>'The Origin and Development of the Bengali Language'</strong>। এই অসাধারণ গবেষণাধর্মী বইটি লিখেছেন ভাষাবিদ <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বইটির গুরুত্ব বোঝার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯২৬ সাল।</li>
<li><strong>কেন এটি সেরা:</strong> বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশের ধারা নিয়ে এটিই প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, যা আজও গবেষকদের কাছে প্রধান রেফারেন্স হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় এই বইটি একটি মাইলফলক, যা ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই বাংলা ভাষা চর্চায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ভাষার সবথেকে ছোট বা ক্ষুদ্রতম একক হলো <strong>ধ্বনি</strong>।</li>
<li>আমরা যখন কথা বলি, তখন মুখ দিয়ে যে অবিভাজ্য আওয়াজ বের হয়, সেটাই ধ্বনি।</li>
<li>ধ্বনিকে আর ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা যায় না, তাই এটিই ভাষার মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধ্বনিগুলো মিলে তৈরি হয় শব্দ, শব্দ মিলে হয় বাক্য। তাই একদম শুরুর ধাপ বা ক্ষুদ্রতম একক হিসেবে <strong>ধ্বনি</strong>-ই সঠিক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী যখন কোনো শব্দ বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন তার রূপ বদলে যায়।</p>
<ul>
<li>আমরা যখন আলাদাভাবে কোনো শব্দ বলি, তখন সেটি কেবল একটি <strong>শব্দ</strong>।</li>
<li>কিন্তু সেই শব্দ যখন বাক্যের ভেতরে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক তৈরি করে এবং বিভক্তি যুক্ত হয়, তখন তাকে আর শব্দ বলা যায় না, তখন সেটি হয়ে যায় <strong>পদ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, বাক্যের প্রতিটি অঙ্গই হলো এক একটি পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপমূল তত্ত্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের যে শাখায় শব্দের গঠন এবং শব্দের ক্ষুদ্রতম একক বা রূপমূল নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই <strong>রূপমূল তত্ত্ব</strong> বা Morphology বলা হয়।</li>
<li>আমরা যখন কোনো শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ করি বা শব্দ কীভাবে তৈরি হয়েছে তা দেখি, তখন মূলত আমরা রূপমূল তত্ত্বেরই আশ্রয় নিই।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের গঠনশৈলী এবং এর ক্ষুদ্রতম এককগুলো কীভাবে কাজ করে, তা জানার জন্য রূপমূল তত্ত্বই হলো প্রধান জায়গা।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>অনুসর্গ মূলত এক ধরনের অব্যয় পদ, যা বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে।</li>
<li>এগুলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এবং পদের সাথে অন্য পদের সম্পর্ক তৈরি করতে সাহায্য করে।</li>
<li>যেহেতু অনুসর্গের নিজস্ব কোনো রূপান্তর বা পরিবর্তন হয় না, তাই ব্যাকরণের ভাষায় এগুলোকে <strong>অব্যয়</strong> হিসেবেই গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'দিয়ে', 'কর্তৃক', 'জন্য', 'মাঝে'—এই শব্দগুলো যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয়, তখন এগুলো অব্যয় হিসেবেই কাজ করে।</p>
<p>সাধুভাষা থেকে চলিত ভাষায় রূপান্তরের সময় সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আসে মূলত <strong>সর্বনাম</strong> এবং <strong>ক্রিয়াপদের</strong> ক্ষেত্রে। এই দুটি পদের রূপ পরিবর্তন না করলে ভাষাকে চলিত রীতিতে মানানসই করা সম্ভব হয় না।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটকের সংলাপে</strong>। এর কারণটি বেশ সহজ ও যৌক্তিক:</p>
<ul>
<li>সাধু ভাষা সাধারণত বেশ গুরুগম্ভীর এবং তৎসম শব্দবহুল, যা দৈনন্দিন কথাবার্তার জন্য খুব একটা মানানসই নয়।</li>
<li>নাটকের সংলাপে চরিত্রগুলোর স্বাভাবিক কথোপকথন ফুটে ওঠে। সেখানে সাধু ভাষার ব্যবহার করলে সংলাপগুলো কৃত্রিম ও অস্বাভাবিক শোনায়।</li>
<li>সহজ ও সাবলীল যোগাযোগের জন্য নাটকের সংলাপে চলিত ভাষার ব্যবহারই সবচেয়ে বেশি উপযোগী।</li>
</ul>
<p>তাই নাটকের জীবন্ত ও বাস্তবধর্মী সংলাপ তৈরির ক্ষেত্রে সাধু ভাষা ব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই, বরং এটি সেখানে একেবারেই অনুপযোগী।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম শব্দের প্রয়োগ বেশী</strong>। কারণ চলিত ভাষার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো সহজবোধ্যতা এবং সাবলীলতা।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>চলিত ভাষা মূলত সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</li>
<li>যেহেতু তৎসম শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসে এবং কিছুটা গুরুগম্ভীর বা কঠিন শোনায়, তাই চলিত ভাষায় এগুলোর ব্যবহার তুলনামূলক কম।</li>
<li>এর পরিবর্তে চলিত ভাষায় তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার অনেক বেশি থাকে, যা সাধারণ মানুষের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষা মানেই কৃত্রিমতা বর্জন করা, আর তৎসম শব্দের আধিক্য সাধারণত সাধু ভাষার বৈশিষ্ট্য। তাই তৎসম শব্দের বেশি ব্যবহার চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য হতে পারে না।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চলিত রীতি</strong>। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ সংক্ষিপ্ত ও সহজবোধ্য হয়।</li>
<li>এই প্রশ্নে ব্যবহৃত 'লেখা হয়েছে' বা 'এ' শব্দগুলো চলিত রীতির বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
<li>সাধু রীতির মতো এখানে কোনো গুরুগম্ভীর বা তৎসম শব্দের দীর্ঘ রূপ ব্যবহার করা হয়নি, বরং আমরা দৈনন্দিন জীবনে যেভাবে কথা বলি, সেই সাবলীল ভঙ্গিটিই এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ভাষায় আমরা বর্তমানে বইপত্র পড়ি বা একে অপরের সাথে যোগাযোগ করি, সেটিই হলো চলিত রীতি।</p>
২৮৫
‘যে কথা একবার জমিয়ে বলা গিয়াছে, তাহার পর তার ফেনাইয়া ব্যাখ্যা করা চলে না।’ --- চলতি ভাষায় এ বাক্যে ভুলের সংখ্যা কয়টি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৫টি</strong>। বাক্যটিতে সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণজনিত ভুলগুলো নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>গিয়াছে:</strong> এটি সাধু ভাষার রূপ, চলিত ভাষায় হবে 'গেছে'।</li>
<li><strong>তাহার:</strong> এটি সর্বনামের সাধু রূপ, চলিত ভাষায় হবে 'তার'।</li>
<li><strong>তার:</strong> এখানে 'তার' শব্দটি অপ্রয়োজনীয়, কারণ আগের শব্দেই 'তাহার' ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li><strong>ফেনাইয়া:</strong> এটি সাধু ভাষার ক্রিয়াপদ, চলিত ভাষায় হবে 'ফেনিয়ে'।</li>
<li><strong>চলে না:</strong> এই অংশে 'চলে' শব্দটি চলিত রীতিতে থাকলেও পুরো বাক্যের গঠন অনুযায়ী এটি সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ দোষে দুষ্ট।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, বাক্যটিতে সর্বমোট <strong>৫টি</strong> ভুল রয়েছে যা সাধু ও চলিত ভাষার মিশ্রণ (গুরুচণ্ডালী দোষ) তৈরি করেছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।