eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৪৫৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৩০১

বাংলা ভাষায় কতটি যতি চিহ্নের প্রচলন রয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত যতি চিহ্নের সঠিক সংখ্যা হলো <strong>১২টি</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে যতি চিহ্নের প্রবর্তন করেন। এই ১২টি চিহ্নের তালিকাটি নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>কমা (,)</li>
<li>সেমিকোলন (;)</li>
<li>দাঁড়ি (|)</li>
<li>প্রশ্নবোধক চিহ্ন (?)</li>
<li>আশ্চর্যবোধক চিহ্ন (!)</li>
<li>কোলন (:)</li>
<li>কোলন ড্যাশ (:-)</li>
<li>ড্যাশ (—)</li>
<li>হাইফেন (-)</li>
<li>লোপ চিহ্ন (')</li>
<li>উদ্ধরণ চিহ্ন (" ")</li>
<li>বন্ধনী চিহ্ন ((), {}, [])</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী এই ১২টি চিহ্নই বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এবং বাক্যের গঠন বিন্যাসে ব্যবহৃত হয়।</p>
৩০২

বাংলা ভাষার উৎস কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-ইউরোপীয়ান
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার উৎস হলো <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়ান</strong> মূল ভাষা। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>পৃথিবীর অধিকাংশ প্রধান ভাষার আদি উৎস হলো ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা পরিবার।</li>
<li>ভাষাতাত্ত্বিক বিবর্তনের ধারায় ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা থেকে ভারতীয় আর্য ভাষার উৎপত্তি হয়েছে।</li>
<li>এই ভারতীয় আর্য ভাষারই একটি শাখা হলো বাংলা, যা দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আজকের আধুনিক রূপ পেয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, আমাদের বাংলা ভাষার শিকড় খুঁজে পাওয়া যায় সেই প্রাচীন ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা গোষ্ঠীতেই। তাই ভাষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে বাংলা একটি <strong>ইন্দো-ইউরোপীয়</strong> বংশোদ্ভূত ভাষা।</p>
৩০৩

কোনটি চলিত ভাষার নিজস্ব বিশেষ বৈশিষ্ট্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তদ্ভব শব্দবহুলতা
ব্যাখ্যা:
<p>চলিত ভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর সহজবোধ্যতা এবং সাবলীলতা। এই ভাষার মূল ভিত্তিই হলো <strong>তদ্ভব শব্দ</strong>। কেন এটি সঠিক, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>চলিত ভাষা মূলত মানুষের মুখের ভাষার পরিশীলিত রূপ, যেখানে সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের চেয়ে তদ্ভব শব্দের ব্যবহারই বেশি।</li>
<li>তদ্ভব শব্দগুলো প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, যা সাধারণ মানুষের কথা বলার জন্য অনেক বেশি সহজ ও শ্রুতিমধুর।</li>
<li>সাহিত্যিক বা গুরুগম্ভীর ভাষার তুলনায় চলিত ভাষায় তদ্ভব শব্দের আধিক্য একে প্রাণবন্ত ও আধুনিক করে তোলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চলিত ভাষার প্রাণ হলো এর <strong>তদ্ভব শব্দবহুলতা</strong>, যা ভাষাকে কৃত্রিমতা থেকে মুক্ত করে সহজ ও গতিশীল রাখে।</p>
৩০৪

সাধু ভাষায় কোন পদ বিশেষ রীতি মেনে চলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সর্বনাম ও ক্রিয়া
ব্যাখ্যা:
<p>সাধু ভাষায় সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বনাম ও ক্রিয়া</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সাধু ভাষার মূল বৈশিষ্ট্যই হলো এর বিশেষ গঠনশৈলী।</p>

<ul>
<li><strong>সর্বনামের রূপ:</strong> চলিত ভাষায় আমরা যা বলি 'সে', সাধু ভাষায় তা হয়ে যায় 'তাহা'। একইভাবে 'তার' হয়ে যায় 'তাহার'।</li>
<li><strong>ক্রিয়ার রূপ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদগুলো দীর্ঘ হয়। যেমন: চলিত ভাষার 'করল' সাধু ভাষায় হয় 'করিল', আর 'খেয়েছে' হয়ে যায় 'খাইয়াছে'।</li>
</ul>

<p>মূলত এই দুটি পদের রূপ পরিবর্তনের মাধ্যমেই সাধু ও চলিত ভাষার পার্থক্য সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধু ভাষায় এই দুটি পদই নির্দিষ্ট ও গুরুগম্ভীর রীতি মেনে চলে।</p>
৩০৫

ভাষার কোন রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাধুরীতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধুরীতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ সাধুরীতি বেশ গুরুগম্ভীর এবং এর পদবিন্যাস অনেক বেশি সুনির্ধারিত।</p>

<p>নাটকের সংলাপ বা বক্তৃতার মূল উদ্দেশ্য হলো শ্রোতার কাছে কথাগুলো খুব স্বাভাবিক ও প্রাণবন্তভাবে পৌঁছে দেওয়া। সাধুরীতিতে যেহেতু ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ বেশ দীর্ঘ ও কৃত্রিম হয়, তাই এটি সাধারণ কথাবার্তায় ব্যবহার করলে তা শুনতে বেশ অস্বাভাবিক লাগে। এই কারণেই নাটকের সংলাপ বা বক্তৃতার জন্য সাধুরীতি মোটেও মানানসই নয়।</p>

<ul>
<li><strong>সাধুরীতি:</strong> এটি মূলত লেখ্য ভাষার জন্য উপযুক্ত, যেখানে শব্দের গঠন বেশ জটিল।</li>
<li><strong>ব্যবহারিক দিক:</strong> নাটকের সংলাপ বা বক্তৃতায় আমরা যে ভাষা ব্যবহার করি, তা হতে হয় সাবলীল ও সহজবোধ্য, যা কেবল চলিত রীতিতেই সম্ভব।</li>
</ul>
৩০৬

ভাষার কোন রীতি কৃত্রিমতা বর্জিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চলিত রীতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চলিত রীতি</strong>। এর কারণ হলো, চলিত রীতি আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তার স্বাভাবিক ও সাবলীল রূপের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কৃত্রিমতা বর্জিত:</strong> চলিত রীতিতে কোনো জটিল বা ব্যাকরণগত কঠোরতা নেই, এটি মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি।</li>
<li><strong>সাবলীলতা:</strong> এই রীতিতে শব্দগুলো সহজ ও গতিশীল, তাই এটি লিখতে বা পড়তে কোনো জড়তা কাজ করে না।</li>
<li><strong>ব্যবহারযোগ্যতা:</strong> বর্তমানে সব ধরনের সাহিত্য, সংবাদপত্র ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে এই রীতিই সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়, কারণ এটি কৃত্রিমতা ছাড়াই মনের ভাব প্রকাশে সবচেয়ে কার্যকর।</li>
</ul>
৩০৭

বাংলা ভাষার কোন রীতির সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণ রয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাধুরীতির
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাধুরীতির</strong>। এর কারণ হলো বাংলা ভাষার সাধুরীতি অত্যন্ত সুশৃঙ্খল এবং ব্যাকরণের নিয়মকানুন কঠোরভাবে মেনে চলে।</p>

<ul>
<li><strong>ব্যাকরণসিদ্ধ রূপ:</strong> সাধুরীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপ সবসময় নির্দিষ্ট থাকে, যা ব্যাকরণের নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত।</li>
<li><strong>স্থায়িত্ব:</strong> এই রীতির শব্দবিন্যাস ও গঠনশৈলী অপরিবর্তনীয়, তাই এর ব্যাকরণগত কাঠামোটি বেশ সুনির্দিষ্ট।</li>
<li><strong>পার্থক্য:</strong> অন্যদিকে, চলিত বা আঞ্চলিক রীতি সময়ের সাথে সাথে এবং অঞ্চলভেদে পরিবর্তিত হয়, তাই সেগুলোর ব্যাকরণ সাধুরীতির মতো এতটা কঠোর বা সুনির্দিষ্ট নয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাধুরীতি হলো বাংলা ভাষার সেই রূপ যা ব্যাকরণের নিয়মকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করে চলে।</p>
৩০৮

‘তোমাকে দেখে খুবই খুশি হলাম’ এই বাক্যটি কোন ভাষারীতিতে লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চলিত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চলিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমরা দৈনন্দিন কথাবার্তায় যে ভাষা ব্যবহার করি, সেটিই চলিত রীতি।</p>

<ul>
<li>বাক্যটিতে <strong>'তোমাকে'</strong> এবং <strong>'খুশি'</strong> শব্দগুলো সরাসরি চলিত রীতির রূপ।</li>
<li>যদি এটি সাধু ভাষায় হতো, তবে বাক্যটি হতো— 'তোমাকে দেখিয়া অতিশয় আনন্দিত হইলাম'।</li>
<li>চলিত রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদগুলো সংক্ষিপ্ত ও সহজ হয়, যা এই বাক্যে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
৩০৯

লেখ্য ভাষার রূপ দুটির নাম কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাধু ও চলিত
ব্যাখ্যা:
<p>লেখ্য ভাষার সঠিক রূপ দুটি হলো <strong>সাধু ও চলিত</strong>। আমাদের বাংলা ভাষায় লেখার ক্ষেত্রে মূলত এই দুটি রীতিই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</p>

<ul>
<li><strong>সাধু রীতি:</strong> এটি বেশ গুরুগম্ভীর এবং ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে। সাধারণত পুরনো সাহিত্য বা বিশেষ কোনো আনুষ্ঠানিক লেখায় এর ব্যবহার দেখা যায়।</li>
<li><strong>চলিত রীতি:</strong> এটি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সহজবোধ্য রূপ। আমরা বইপত্র, পত্রিকা বা দৈনন্দিন যোগাযোগের ক্ষেত্রে যে ভাষা ব্যবহার করি, তা মূলত চলিত রীতি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা লেখার মাধ্যম হিসেবে এই দুটি রীতিই আমাদের প্রধান ভিত্তি।</p>
৩১০

চলিত ভাষার পথিকৃৎ কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>চলিত ভাষার পথিকৃৎ হলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষাকে একটি সুসংহত ও মার্জিত রূপ দেওয়ার পেছনে তাঁর অবদান সবচেয়ে বেশি।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সবুজপত্র পত্রিকা:</strong> প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে 'সবুজপত্র' পত্রিকা সম্পাদনা করেন, যা বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার ব্যবহারের ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।</li>
<li><strong>বীরবল ছদ্মনাম:</strong> তিনি তাঁর লেখনীতে চলিত ভাষার যে শৈল্পিক ও বুদ্ধিদীপ্ত রূপ তুলে ধরেছিলেন, তা বাংলা গদ্যকে সাধারণ মানুষের ভাষার কাছাকাছি নিয়ে আসে।</li>
<li><strong>আন্দোলন:</strong> তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই বাংলা গদ্যে সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত ভাষা সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতা পায়।</li>
</ul>
৩১১

কোনটি চলিত ভাষার বৈশিষ্ট্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কথন নির্ভরশীলতা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কথন নির্ভরশীলতা</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—চলিত ভাষা মূলত মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।</p>

<p>এর মূল বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>এটি মানুষের দৈনন্দিন কথাবার্তায় ব্যবহৃত ভাষার একটি মার্জিত রূপ।</li>
<li>যেহেতু এটি মুখের ভাষার আদলে তৈরি, তাই এর প্রধান ভিত্তিই হলো <strong>কথন বা বলার ভঙ্গি</strong>।</li>
<li>এতে গুরুগম্ভীর শব্দের ব্যবহার কম থাকে এবং এটি বেশ সাবলীল ও সহজবোধ্য হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে ভাষা আমরা প্রতিদিন একে অপরের সাথে কথা বলার সময় ব্যবহার করি, সেটাই চলিত ভাষার প্রাণ। তাই একে কথন নির্ভরশীল ভাষা বলা হয়।</p>
৩১২

নিচের কোনটি সাধু রীতির উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মিনা তাহাকে দেখিয়াছে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিনা তাহাকে দেখিয়াছে</strong>। সাধু রীতি চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর ক্রিয়াপদ এবং সর্বনাম পদের গঠন।</p>

<ul>
<li><strong>ক্রিয়াপদের রূপ:</strong> সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ পূর্ণাঙ্গ থাকে। যেমন, এখানে 'দেখিয়াছে' শব্দটি পূর্ণরূপে আছে, যা চলিত ভাষায় হতো 'দেখেছে'।</li>
<li><strong>সর্বনামের ব্যবহার:</strong> সাধু রীতিতে সর্বনাম পদগুলো সাধারণত দীর্ঘ হয়। এখানে 'তাহাকে' শব্দটি সাধু রীতির বৈশিষ্ট্য বহন করছে, যা চলিত ভাষায় হতো 'তাকে'।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যে বাক্যে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপগুলো একটু দীর্ঘ এবং গুরুগম্ভীর শোনায়, সেটিই সাধু রীতি। তাই এই বাক্যটিই সঠিক উদাহরণ।</p>
৩১৩

কোন ভাষারীতির কোন ধরাবাধা নিয়ম নেই?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক/উপভাষা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আঞ্চলিক বা উপভাষা</strong>। এর কারণ হলো:</p>

<ul>
<li>আঞ্চলিক ভাষা মূলত মানুষের মুখে মুখে তৈরি হয়, তাই এর কোনো নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত বা প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম নেই।</li>
<li>এলাকাভেদে এই ভাষার রূপ পরিবর্তিত হয়, যা কোনো ধরাবাধা নিয়মের তোয়াক্কা করে না।</li>
<li>সাধু বা চলিত ভাষার মতো এর কোনো লিখিত ব্যাকরণ বা সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড নেই, তাই এটি সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
৩১৪

কোন ভাষারীতিতে দেশী শব্দের প্রয়োগ বেশি দেখা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক কথ্য রীতিতে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আঞ্চলিক কথ্য রীতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন কথাবার্তায় আমরা যে ভাষা ব্যবহার করি, তাতে স্থানীয় বা দেশি শব্দের প্রভাব সবচেয়ে বেশি থাকে।</p>

<ul>
<li><strong>আঞ্চলিক কথ্য রীতি:</strong> এটি মূলত কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা। যেহেতু এটি কোনো ব্যাকরণ বা কৃত্রিম নিয়মের তোয়াক্কা করে না, তাই এতে প্রচুর পরিমাণে খাঁটি দেশি শব্দ অনায়াসেই মিশে থাকে।</li>
<li><strong>সহজ যুক্তি:</strong> সাধু বা চলিত রীতি অনেকটা মার্জিত ও পরিশীলিত, যেখানে তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের ব্যবহার বেশি হয়। কিন্তু আঞ্চলিক রীতিতে আমরা আমাদের মাটির কাছাকাছি থাকা শব্দগুলোই বেশি ব্যবহার করি, যা একে দেশি শব্দে সমৃদ্ধ করে তোলে।</li>
</ul>
৩১৫

বাংলা ভাষায় সাধুরীতির আগমন যে ভাষা থেকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত ভাষা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত ভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষার সাধু রীতির মূল ভিত্তিই হলো তৎসম শব্দ।</p>

<ul>
<li>বাংলা ভাষার সাধু রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগুলো বেশ গুরুগম্ভীর ও সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনে চলে।</li>
<li>বাংলা ভাষার আদি উৎস এবং ব্যাকরণগত কাঠামোর একটি বড় অংশ সংস্কৃত থেকে এসেছে, যা সাধু রীতিতে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>সাধু রীতিতে ব্যবহৃত শব্দভাণ্ডারের একটি বিশাল অংশ সরাসরি সংস্কৃত থেকে আগত, যাকে আমরা <strong>তৎসম শব্দ</strong> বলি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাধু ভাষার যে আভিজাত্য ও গঠনশৈলী, তা মূলত সংস্কৃত ভাষার প্রভাব থেকেই তৈরি হয়েছে।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...