eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৩৯১

সময়ের পরিক্রমায় ধ্বনি পরিবর্তন হওয়াকে বলা হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি পরিবর্তন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি পরিবর্তন</strong>। বিষয়টি আসলে খুব সহজ। ভাষার বিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের উচ্চারণের সুবিধার্থে বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদি রূপ থেকে নতুন রূপ পাওয়ার প্রক্রিয়াকেই ধ্বনি পরিবর্তন বলা হয়।</p>

<ul>
<li>সময়ের সাথে সাথে মানুষের মুখের ভাষার পরিবর্তন ঘটে, যা মূলত ধ্বনিরই পরিবর্তন।</li>
<li>যেমন: 'অলাত' থেকে 'আলতা' বা 'তণ্ডুল' থেকে 'চাল'—এই যে ধ্বনির অদলবদল, একেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>ধ্বনি পরিবর্তন</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ভাষার ধ্বনিগত বিবর্তনই হলো ধ্বনি পরিবর্তন।</li>
</ul>
৩৯২

ধ্বনি পরিবর্তন বাক্যের কোন অংশে আলোচিত হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিতত্ত্বে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনিতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>ব্যাকরণের যে শাখায় ধ্বনি, বর্ণ, উচ্চারণ, সন্ধি এবং ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মাবলি নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই <strong>ধ্বনিতত্ত্ব</strong> বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটি 'ধ্বনি পরিবর্তন' নিয়ে, তাই এটি সরাসরি ধ্বনিতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>সহজ কথায়, ধ্বনি সম্পর্কিত যেকোনো বিষয় বা পরিবর্তনের আলোচনা মানেই তা <strong>ধ্বনিতত্ত্বের</strong> অংশ।</li>
</ul>
৩৯৩

নব্য ব্যাকরণবিদদের বড় অবদান মূলত -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি পরিবর্তন আলোচনায়
ব্যাখ্যা:
<p>নব্য ব্যাকরণবিদদের বড় অবদান মূলত <strong>ধ্বনি পরিবর্তন আলোচনায়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>ভাষার বিবর্তনের সাথে সাথে ধ্বনির যে পরিবর্তন ঘটে, তা নিয়ে নব্য ব্যাকরণবিদরা সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন।</li>
<li>ঐতিহ্যবাহী ব্যাকরণের চেয়ে তারা ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়মগুলোকে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে ব্যাখ্যা করেছেন।</li>
<li>তাদের এই গবেষণার ফলেই আমরা বুঝতে পারি কীভাবে একটি শব্দ সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে।</li>
</ul>

<p>তাই ধ্বনি পরিবর্তনের নিয়ম ও এর বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণই তাদের কাজের মূল ভিত্তি।</p>
৩৯৪

কোনটি ধ্বনি পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বক্তার জিহ্বার জড়তা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বক্তার জিহ্বার জড়তা</strong>। বিষয়টি আসলে বেশ সহজ। আমরা যখন দ্রুত কথা বলি বা কোনো শব্দের উচ্চারণে অভ্যস্ত নই, তখন আমাদের জিহ্বা ঠিকমতো নড়াচড়া করতে পারে না। এই জড়তার কারণেই অনেক সময় আমরা শব্দকে কিছুটা বদলে ফেলি বা সহজ করে উচ্চারণ করি।</p>

<p>ধ্বনি পরিবর্তনের মূল কারণগুলো খেয়াল করলে দেখবেন:</p>
<ul>
<li>জিহ্বার জড়তা বা আলস্যের কারণে কঠিন শব্দ উচ্চারণ করতে গিয়ে আমরা তা সহজ করে ফেলি।</li>
<li>দ্রুত কথা বলার সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য ধ্বনির লোপ বা পরিবর্তন ঘটে।</li>
<li>মানুষের স্বভাবই হলো কম পরিশ্রমে বেশি কথা বলা, আর এই আলস্যই ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান চালিকাশক্তি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, জিহ্বার জড়তা বা উচ্চারণের অদক্ষতা থেকেই মূলত ভাষার ধ্বনিগুলো সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ ধারণ করে।</p>
৩৯৫

বক্তার শ্রবণশক্তির অপ্রখরতা কিসের উদাহারণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি পরিবর্তনের
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি পরিবর্তনের</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li>বক্তার কথা বলার সময় উচ্চারণের অস্পষ্টতা বা শ্রবণশক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় শব্দের মূল রূপটি বদলে যায়।</li>
<li>যখন কোনো শব্দ উচ্চারণের সময় ধ্বনি লোপ পায় বা পরিবর্তিত হয়, তখন তাকে ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় <strong>ধ্বনি পরিবর্তন</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'বক্তার শ্রবণশক্তির অপ্রখরতা' মূলত উচ্চারণের ত্রুটির দিকে ইঙ্গিত করে, যা সরাসরি ধ্বনি পরিবর্তনের একটি প্রক্রিয়া বা উদাহরণ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
৩৯৬

বাংলায় হ্রস্ব ও দীর্ঘস্বরের উচ্চারণের পার্থক্যের কারণে কোনটি হয় না ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অর্থের পার্থক্য ঘটে না
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় হ্রস্বস্বর (যেমন: ই, উ) এবং দীর্ঘস্বরের (যেমন: ঈ, ঊ) উচ্চারণের দৈর্ঘ্যে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও, অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই পার্থক্যের কারণে শব্দের মূল অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>বাংলায় শব্দের বানানে হ্রস্ব বা দীর্ঘ স্বরবর্ণের ব্যবহার থাকলেও উচ্চারণের সময় আমরা প্রায় একই দৈর্ঘ্য বজায় রাখি।</li>
<li>যেমন, 'ই' এবং 'ঈ' দিয়ে লেখা শব্দগুলোর উচ্চারণে তেমন কোনো পার্থক্য নেই, তাই অর্থের পরিবর্তন হওয়ার সুযোগ থাকে না।</li>
<li>সহজ কথায়, হ্রস্ব বা দীর্ঘস্বর যাই ব্যবহার করি না কেন, শব্দের অর্থ একই থাকে।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্থের পার্থক্য ঘটে না</strong>। এটি আমাদের ভাষার একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য, যেখানে স্বরবর্ণের দীর্ঘায়িত রূপ অর্থের ওপর কোনো প্রভাব ফেলে না।</p>
৩৯৭

ভৌগোলিক অবস্থান মাঝে মাঝে কোনটিতে প্রভাব বিস্তার করে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি পরিবর্তনে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি পরিবর্তনে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ভৌগোলিক পরিবেশ ও ভৌগোলিক অবস্থান মানুষের কথা বলার ধরনে সরাসরি প্রভাব ফেলে।</p>

<ul>
<li>মানুষ যখন এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে যায় বা ভিন্ন ভৌগোলিক পরিবেশে বসবাস করে, তখন তাদের উচ্চারণের অভ্যাসে পরিবর্তন আসে।</li>
<li>দীর্ঘদিন ভিন্ন জলবায়ু বা ভৌগোলিক অবস্থানে থাকার ফলে মুখের জড়তা বা উচ্চারণের ভঙ্গিতে যে পরিবর্তন ঘটে, তাকেই ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় <strong>ধ্বনি পরিবর্তন</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ভৌগোলিক সীমানা বা অঞ্চলের পার্থক্যের কারণেই মূলত আঞ্চলিক ভাষার ধ্বনিগত বৈচিত্র্য তৈরি হয়।</li>
</ul>
৩৯৮

ধ্বনি পরিবর্তনে মূলত কয়টি সূত্র বিশেষভাবে মান্য ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দুটি
ব্যাখ্যা:
<p>ধ্বনি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে মূলত <strong>দুটি</strong> সূত্র বিশেষভাবে কাজ করে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>প্রথমত, <strong>ধ্বনি-লোপ বা আগম</strong>: অনেক সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা শব্দ থেকে কোনো ধ্বনি বাদ দিই অথবা নতুন কোনো ধ্বনি যোগ করি।</li>
<li>দ্বিতীয়ত, <strong>ধ্বনি-পরিবর্তন বা রূপান্তর</strong>: একটি ধ্বনি বদলে যখন অন্য ধ্বনি আসে (যেমন: সমীভবন বা বিষমীভবন), তখন শব্দের রূপ পরিবর্তিত হয়।</li>
</ul>

<p>ভাষাবিজ্ঞানের এই দুটি মূল ধারার ওপর ভিত্তি করেই মূলত সব ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের প্রক্রিয়াগুলো আবর্তিত হয়। তাই ধ্বনি পরিবর্তনের প্রধান ভিত্তি হিসেবে এই দুটি সূত্রই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৩৯৯

কোনটি ধ্বনি পরিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে গণ্য ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনিলোপ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনিলোপ</strong>। বাংলা ভাষায় শব্দ উচ্চারণের সুবিধার জন্য অনেক সময় শব্দের ভেতর থেকে কোনো ধ্বনি বা বর্ণ হারিয়ে যায়, একেই ধ্বনিলোপ বলা হয়। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li><strong>সহজ উদাহরণ:</strong> যেমন 'অলাত' থেকে 'লাত' বা 'ফাল্গুন' থেকে 'ফাগুন'।</li>
<li><strong>কেন এটি ধ্বনি পরিবর্তন:</strong> এখানে মূল শব্দের কোনো একটি ধ্বনি বা বর্ণ উচ্চারণের সময় লোপ পাচ্ছে, যা ধ্বনি পরিবর্তনের একটি প্রধান প্রক্রিয়া।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> যখন কোনো শব্দ থেকে একটি অংশ বা ধ্বনি কমে যায়, তখনই তাকে ধ্বনিলোপ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
</ul>
৪০০

সমীভবন হয় মূলত কোন ক্ষেত্রে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্যঞ্জনের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জনের ক্ষেত্রে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>সমীভবন মানে হলো একটি ধ্বনির প্রভাবে অন্য ধ্বনির পরিবর্তন হয়ে দুটিরই একই রূপ ধারণ করা।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে এই প্রক্রিয়াটি মূলত <strong>ব্যঞ্জনধ্বনির</strong> ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি ঘটে।</li>
<li>যেমন: 'তৎ + হিত = তদ্ধিত' বা 'চন্দ্ৰ > চন্দ'। এখানে একটি ব্যঞ্জনধ্বনি অন্যটির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে মিলে যাচ্ছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন পাশাপাশি দুটি ভিন্ন ব্যঞ্জনধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করে, তখনই তাকে সমীভবন বলা হয়। তাই ব্যঞ্জনের ক্ষেত্রেই এটি সবচেয়ে স্পষ্টভাবে কাজ করে।</p>
৪০১

সমীভবনের অপর নাম কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমীকরণ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমীকরণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্যাকরণের ভাষায় যখন দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে বা প্রভাবে কাছাকাছি এসে একই রকম হয়ে যায়, তখন তাকে সমীভবন বলা হয়। যেহেতু এখানে ধ্বনিগুলো একে অপরের সমান বা অভিন্ন হয়ে যাচ্ছে, তাই এই প্রক্রিয়াকে সহজ কথায় <strong>সমীকরণ</strong> বলা হয়।</p>

<ul>
<li><strong>সমীভবন</strong> মানেই হলো ধ্বনির সমতা বিধান।</li>
<li>সহজ কথায়, ভিন্ন দুটি ধ্বনি যখন মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়, তখন সেই পরিবর্তনকে ব্যাকরণে <strong>সমীকরণ</strong> হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
৪০২

সমীভবনের সঙ্গে মিল রয়েছে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বরসঙ্গতির
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরসঙ্গতির</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>সমীভবন</strong> হলো শব্দের ভেতরে একটি ধ্বনির প্রভাবে অন্য ধ্বনির পরিবর্তন হওয়া, যাতে তারা একে অপরের মতো হয়ে যায়।</li>
<li><strong>স্বরসঙ্গতি</strong> ঠিক একই কাজ করে, তবে এটি কেবল স্বরধ্বনির ক্ষেত্রে ঘটে। একটি স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে আগেরটির মতো বা কাছাকাছি হয়ে যায়।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটোরই মূল লক্ষ্য হলো শব্দের উচ্চারণকে সহজ ও সাবলীল করা, যেখানে একটি ধ্বনি অন্যটির প্রভাবে বদলে গিয়ে মিল তৈরি করে।</li>
</ul>

<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে সমীভবন এবং স্বরসঙ্গতি—উভয়ই ধ্বনির পারস্পরিক পরিবর্তনের মাধ্যমে মিল তৈরির প্রক্রিয়া হিসেবে একে অপরের সাথে সম্পর্কিত।</p>
৪০৩

সমীভবন/সমীকরণ মূলত কত ধরনের ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ব্যাকরণে সমীভবন মূলত <strong>তিন</strong> ধরনের। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সমীভবনের প্রক্রিয়াটি ধ্বনির পরিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে তিনভাবে ঘটে থাকে:</p>

<ul>
<li><strong>প্রগত:</strong> আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনির পরিবর্তন। যেমন: চম্পট > চপ্পট।</li>
<li><strong>পরাগত:</strong> পরের ধ্বনির প্রভাবে আগের ধ্বনির পরিবর্তন। যেমন: তৎ + জন্য > তজ্জন।</li>
<li><strong>অন্যোন্য:</strong> যখন দুটি ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়। যেমন: সংস্কৃত > সস্কৃত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ধ্বনি পরিবর্তনের এই তিনটি দিকই সমীভবনের মূল ভিত্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন</strong>।</p>
৪০৪

'আলমারী' শব্দটি এসেছে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আরমারী থেকে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আরমারী থেকে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় অনেক শব্দই বিদেশি ভাষা থেকে সরাসরি বা কিছুটা পরিবর্তিত হয়ে এসেছে।</p>

<ul>
<li>'আলমারী' শব্দটি মূলত পর্তুগিজ শব্দ <strong>armário</strong> থেকে এসেছে।</li>
<li>পর্তুগিজ উচ্চারণের সাথে মিল রেখে বাংলায় এটি <strong>আরমারী</strong> হিসেবে গৃহীত হয়েছে।</li>
<li>ভাষাতত্ত্বের নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি শব্দের ধ্বনিগত পরিবর্তনের মাধ্যমেই আমরা আজকের এই পরিচিত শব্দটি পেয়েছি।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় উত্তর দেওয়ার সময় মনে রাখবেন, মূল উৎসটি হলো পর্তুগিজ <strong>আরমারী</strong>।</p>
৪০৫

ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহারণ কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাকস > বাসক
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাকস > বাসক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li><strong>ধ্বনি বিপর্যয়</strong> মানে হলো শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ধ্বনি বা বর্ণ যখন নিজেদের জায়গা অদলবদল করে ফেলে।</li>
<li>এখানে 'বাকস' শব্দটিতে 'ক' এবং 'স' পাশাপাশি আছে।</li>
<li>পরের শব্দটিতে দেখুন, 'স' আগে চলে এসেছে এবং 'ক' পরে চলে গেছে। অর্থাৎ, <strong>বাকস</strong> শব্দে ধ্বনিগুলোর স্থান পরিবর্তন হয়ে <strong>বাসক</strong> হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরের ধ্বনিগুলোর জায়গা অদলবদল হওয়াই হলো ধ্বনি বিপর্যয়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।