<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্তর্হতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝখান থেকে কোনো ধ্বনি বা বর্ণ লোপ পায়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অন্তর্হতি</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দটি ছিল 'ফলাহার'। শব্দটি উচ্চারণের সময় মাঝখানের 'হা' ধ্বনিটি লোপ পেয়ে নতুন রূপ দাঁড়িয়েছে 'ফলার'।</li>
<li>অর্থাৎ, শব্দের ভেতর থেকে কোনো অংশ হারিয়ে গিয়ে শব্দের সংকোচন ঘটলে তাকে আমরা অনায়াসেই <strong>অন্তর্হতি</strong> হিসেবে চিহ্নিত করতে পারি।</li>
</ul>
৪২২
আধুনিক বাংলা ভাষায় মোট কয়টি বর্ণ পূর্ণ ব্যবহৃত হয়?
<p>আধুনিক বাংলা ভাষায় মোট <strong>পয়তাল্লিশটি</strong> বর্ণ পূর্ণভাবে ব্যবহৃত হয়। বিষয়টি একদম সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ রয়েছে ৫০টি।</li>
<li>এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।</li>
<li>কিন্তু আধুনিক বাংলা ভাষায় ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু বর্ণ বাদ পড়ে যায়। যেমন: ঋ, ৯, ৎ, ং, ঃ, ঁ—এগুলোর ব্যবহার ও বিন্যাস বিবেচনায় নিলে মূল বর্ণ হিসেবে <strong>৪৫টি</strong> বর্ণকে পূর্ণাঙ্গভাবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বর্ণমালার প্রচলিত ৫০টি বর্ণের মধ্যে ব্যবহারের ভিত্তিতে এই ৪৫টি বর্ণই আধুনিক বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>বাংলা ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সঠিক সংখ্যা হলো <strong>৬টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, আপনি নিচের বর্ণগুলো একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>এই বর্ণগুলো হলো: <strong>ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ</strong>।</li>
<li>এই ৬টি বর্ণের উপরে কোনো মাত্রা নেই, তাই এগুলোকে 'মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ' বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনবর্ণের মোট ৩৯টি বর্ণের মধ্যে এই ৬টি বর্ণই হলো একমাত্র বর্ণ যাদের কোনো মাত্রা নেই। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>৬টি</strong>।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় কিছু বর্ণ আছে যেগুলোতে কোনো মাত্রা থাকে না, এদেরকে বলা হয় মাত্রাহীন বর্ণ। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>এ এবং ঐ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় মোট মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা ১০টি।</li>
<li>এর মধ্যে স্বরবর্ণের মাত্রাহীন বর্ণগুলো হলো: <strong>এ, ঐ, ও, ঔ</strong>।</li>
<li>ব্যঞ্জনবর্ণের মাত্রাহীন বর্ণগুলো হলো: <strong>ঙ, ঞ, ছ, ট, ঠ, ৎ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপনি যদি এই ১০টি বর্ণ মুখস্থ রাখেন, তবে পরীক্ষায় খুব সহজেই মাত্রাহীন বর্ণগুলো আলাদা করতে পারবেন। তাই অপশনগুলোর মধ্যে <strong>এ এবং ঐ</strong> সঠিক, কারণ এই দুটি বর্ণেই কোনো মাত্রা নেই।</p>
<p>বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনি মোট <strong>সাতটি</strong>। বিষয়টিকে সহজভাবে মনে রাখার জন্য আপনি নিচের তালিকাটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>অ, আ, ই, উ, এ, ও, এবং অ্যা।</li>
</ul>
<p>এই সাতটি ধ্বনিকে মৌলিক বলা হয় কারণ এগুলোকে আর কোনোভাবেই ভাঙা বা বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়। ব্যাকরণ বই অনুযায়ী, উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান এবং ঠোঁটের আকৃতির ওপর ভিত্তি করে এই সাতটি ধ্বনিই বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি হিসেবে গণ্য হয়।</p>
৪২৬
ধ্বনিবিদ মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা মূল স্বরধ্বনির তালিকায় যে নতুন মূল ধ্বনিটি প্রতিষ্ঠা করেছেন সেটি-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এ্যা ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে কাজ করার সময় ড. মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা স্বরধ্বনির তালিকায় একটি বিশেষ ধ্বনি লক্ষ্য করেন।</li>
<li>আমরা যখন 'ব্যাঙ' বা 'ম্যাজিক' শব্দগুলো উচ্চারণ করি, তখন সেখানে 'এ' এবং 'আ'-এর মাঝামাঝি একটি স্বতন্ত্র ধ্বনি পাওয়া যায়।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের বিচারে এই ধ্বনিটি বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনি হিসেবে স্বীকৃত, যা তিনি তাঁর গবেষণায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা মূল স্বরধ্বনির তালিকায় এই <strong>এ্যা</strong> ধ্বনিটিই হলো তাঁর সংযোজিত নতুন মৌলিক ধ্বনি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক স্বর</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে বুঝে নিন:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটিমাত্র ধ্বনি হিসেবে উচ্চারিত হয়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>যৌগিক স্বর</strong> বা <strong>দ্বিস্বর</strong> বলা হয়।</li>
<li>বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ' এই দুটি বর্ণকে যৌগিক স্বরধ্বনি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, দুটি স্বরধ্বনি যখন আলাদা না থেকে একীভূত হয়ে যায়, তখনই তা যৌগিক স্বরের রূপ নেয়।</li>
</ul>
৪২৮
কোন দু’টি স্বরের মিলিত ধ্বনিতে ‘ঐ’ ধ্বনির সৃষ্টি হয়?
<p>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী ‘ঐ’ একটি যৌগিক স্বরধ্বনি। এটি উচ্চারণের সময় আমাদের মুখ থেকে পর পর দুইটি স্বরধ্বনি দ্রুত উচ্চারিত হয়। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>‘ঐ’ ধ্বনিটি মূলত <strong>অ</strong> এবং <strong>ই</strong>-এর মিলিত রূপ।</li>
<li>দ্রুত উচ্চারণের সময় এই দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি নতুন ধ্বনি তৈরি করে, যাকে আমরা <strong>ঐ</strong> বলি।</li>
<li>অর্থাৎ, গাণিতিক রূপটি হলো: $অ + ই = ঐ$।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>অ এবং ই</strong>। এটি মনে রাখলে যেকোনো সময় সহজেই এই ধরনের যৌগিক স্বরধ্বনিগুলো শনাক্ত করা সম্ভব।</p>
<p>বাংলা স্বরধ্বনিতে সঠিক উত্তর হলো <strong>৪টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। মূলত যে স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণ করতে খুব কম সময় লাগে, সেগুলোকে হ্রস্ব স্বর বলা হয়।</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় হ্রস্ব স্বরগুলো হলো: <strong>অ, ই, উ, ঋ</strong>।</li>
<li>এই চারটি ধ্বনি উচ্চারণের সময় আমাদের কণ্ঠনালিতে খুব কম পরিশ্রম হয়, তাই এগুলোকে হ্রস্ব স্বর হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই ৪টি বর্ণ ছাড়া বাকি স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণে তুলনামূলক বেশি সময় লাগে, তাই সেগুলো দীর্ঘ স্বর।</p>
<p>বাংলা স্বরধ্বনিতে সঠিক উত্তর হলো <strong>৭টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী উচ্চারণের সময় ও দৈর্ঘ্যের ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় দীর্ঘস্বরগুলো হলো: <strong>আ, ঈ, ঊ, এ, ঐ, ও, ঔ</strong>।</li>
<li>এই সাতটি স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় হ্রস্বস্বরের তুলনায় বেশি সময় লাগে, তাই এগুলোকে দীর্ঘস্বর বলা হয়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, মোট দীর্ঘস্বরের সংখ্যা হলো <strong>৭টি</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>প্রতিটি বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ণগুলো হলো <strong>ঘোষ ধ্বনি</strong>।</li>
<li>'দ' বর্ণটি 'ত' বর্গের তৃতীয় বর্ণ (ত, থ, <strong>দ</strong>, ধ, ন)।</li>
<li>যেহেতু 'দ' বর্গের তৃতীয় বর্ণ, তাই এটি একটি ঘোষ ধ্বনি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বর্গের ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বেশি কাঁপে, তাই এগুলো ঘোষ। এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো বর্গের ঘোষ ধ্বনি সহজেই চিনে ফেলা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চ ছ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। বাংলা বর্ণমালার প্রতিটি বর্গের প্রথম দুটি বর্ণ সবসময় <strong>অঘোষ ধ্বনি</strong> হয়।</p>
<ul>
<li>চ-বর্গের প্রথম বর্ণ হলো <strong>চ</strong> এবং দ্বিতীয় বর্ণ হলো <strong>ছ</strong>।</li>
<li>যেহেতু এরা বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় অবস্থানে আছে, তাই নিয়ম অনুযায়ী এরা অঘোষ।</li>
<li>সহজ কথায়, বর্গের প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কাঁপে না, তাই এগুলো অঘোষ।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোর বর্ণগুলো বর্গের তৃতীয় বা চতুর্থ অবস্থানে থাকায় সেগুলো ঘোষ ধ্বনি হিসেবে গণ্য হয়। তাই চোখ বন্ধ করে <strong>চ ছ</strong>-কেই বেছে নেওয়া যায়!</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় বর্গের দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণগুলো হলো <strong>মহাপ্রাণ ধ্বনি</strong>। কারণ, এই বর্ণগুলো উচ্চারণের সময় বাতাসের চাপের আধিক্য থাকে এবং বেশ জোর দিয়ে উচ্চারণ করতে হয়।</p>
<ul>
<li>ক-বর্গের দ্বিতীয় বর্ণ হলো <strong>খ</strong>।</li>
<li>চ-বর্গের চতুর্থ বর্ণ হলো <strong>ঝ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বর্গের জোড় সংখ্যায় থাকা বর্ণগুলোই (২য় ও ৪র্থ) মহাপ্রাণ ধ্বনি। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খ, ঝ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঞ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি বর্গের শেষ বর্ণটি সেই বর্গের সাথে যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li>চ-বর্গীয় ধ্বনিগুলো হলো: চ, ছ, জ, ঝ, <strong>ঞ</strong>।</li>
<li>যখন কোনো শব্দের মাঝে চ-বর্গীয় ধ্বনির সাথে নাসিক্য ধ্বনি যুক্ত হয়, তখন সেটি অবশ্যই ওই বর্গের শেষ বর্ণ অর্থাৎ <strong>ঞ</strong> হবে।</li>
<li>যেমন: চঞ্চল (চ+ঞ+চ), বাঞ্ছনীয় (বা+ঞ+ছ+নীয়)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চ-বর্গের সাথে অন্য কোনো নাসিক্য বর্ণ (যেমন ঙ, ন বা ণ) বসে না, কেবল <strong>ঞ</strong>-ই বসে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।