<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তম পুরুষ</strong>। এর কারণটা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>অনুজ্ঞা মানে হলো কাউকে আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ করা।</li>
<li>আমরা সাধারণত নিজেকে (আমি/আমরা) আদেশ করি না, তাই উত্তম পুরুষে অনুজ্ঞার ব্যবহার হয় না।</li>
<li>অনুজ্ঞা মূলত হয় শ্রোতাকে (মধ্যম পুরুষ) উদ্দেশ্য করে, যেমন—'তুমি করো' বা 'আপনারা আসুন'।</li>
<li>কখনও কখনও নাম পুরুষের ক্ষেত্রেও (সে/তারা) পরোক্ষভাবে অনুজ্ঞা ব্যবহৃত হয়, কিন্তু উত্তম পুরুষে এটি ব্যাকরণগতভাবে অসম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কেউ নিজেকে আদেশ করতে পারে না</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু ভেবে দেখুন:</p>
<ul>
<li>অনুজ্ঞা মানেই হলো কাউকে কোনো কাজের আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ দেওয়া।</li>
<li>আদেশ দেওয়ার জন্য অন্তত দুজন ব্যক্তির প্রয়োজন হয়—একজন যে আদেশ দিচ্ছে (বক্তা) এবং অন্যজন যে আদেশ শুনছে (শ্রোতা)।</li>
<li>উত্তম পুরুষ বলতে আমরা নিজেদের (আমি, আমরা) বুঝি। এখন, আমি নিজেকে তো আর আদেশ করতে পারি না, কারণ আদেশ করার জন্য যে কর্তৃত্ব বা দূরত্ব প্রয়োজন, নিজের ক্ষেত্রে তা থাকে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অনুজ্ঞা সবসময় মধ্যম পুরুষ বা নাম পুরুষের ক্ষেত্রেই খাটে, কারণ সেখানে অন্য কাউকে নির্দেশ দেওয়ার সুযোগ থাকে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্তমান ও ভবিষ্যৎ কালে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>অনুজ্ঞা</strong> মানেই হলো কাউকে আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা নিষেধ করা।</li>
<li>আমরা সাধারণত কাউকে বর্তমান সময়ে কিছু করতে বলি (যেমন: "তুমি কাজটি করো") অথবা ভবিষ্যতের জন্য নির্দেশ দেই (যেমন: "আগামীকাল অবশ্যই এসো")।</li>
<li>অতীতকালে কাউকে কোনো আদেশ করা সম্ভব নয়, কারণ সেই সময়টি ইতিমধ্যে পার হয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অনুজ্ঞা কেবল <strong>বর্তমান</strong> এবং <strong>ভবিষ্যৎ</strong> কালেই সীমাবদ্ধ থাকে।</p>
৫৭৪
নির্দেশক ভাবের সাধারণ বর্তমান কালের সম্ভ্রমাত্নক মধ্যম পুরুষের বিভক্তি কি ?
<p>নির্দেশক ভাবের সাধারণ বর্তমান কালে সম্ভ্রমাত্মক বা সম্মানসূচক মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে সঠিক বিভক্তি হলো <strong>এন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>সাধারণ মধ্যম পুরুষে আমরা বলি 'করো' (যেমন: তুমি করো)।</li>
<li>কিন্তু যখন কাউকে সম্মান দিয়ে সম্বোধন করি, তখন ক্রিয়ার শেষে <strong>এন</strong> বিভক্তি যুক্ত হয়।</li>
<li>যেমন: আপনি কাজটি <strong>করেন</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে ক্রিয়ামূলের সাথে <strong>এন</strong> যুক্ত হয়েই সম্ভ্রমাত্মক রূপটি তৈরি হয়, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী নির্দেশক ভাবের সাধারণ বর্তমান কালের একটি বৈশিষ্ট্য।</p>
<p>সম্ভ্রমাত্নক মধ্যম পুরুষের অনুজ্ঞা পদের সঠিক বিভক্তি হলো <strong>উন</strong>। বাংলা ব্যাকরণে কাউকে সম্মান বা শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে আদেশ বা অনুরোধ বোঝাতে এই বিভক্তিটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li>সাধারণত তুই-এর ক্ষেত্রে 'অ' বা শূন্য বিভক্তি হয়।</li>
<li>তুমি-এর ক্ষেত্রে 'ও' বিভক্তি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>কিন্তু যখন কাউকে আপনি বলে সম্বোধন করা হয়, তখন ক্রিয়াপদের শেষে <strong>উন</strong> বিভক্তি যোগ করতে হয়।</li>
</ul>
<p>যেমন: তুমি কাজটি করো (সাধারণ), কিন্তু আপনি কাজটি কর<strong>উন</strong> (সম্ভ্রমাত্নক)। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উন</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উত্তম পুরুষ</strong>। কারণটা খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অনুজ্ঞা বা আদেশ-উপদেশ সবসময় অন্য কাউকে দেওয়া হয়।</li>
<li>আমরা যখন কাউকে কিছু করতে বলি, তখন হয় তাকে সরাসরি বলি (তুমি/আপনি) অথবা অন্য কারো কথা বলি (সে/তারা)।</li>
<li>কিন্তু নিজেকে তো আর আদেশ দেওয়া যায় না! তাই ভবিষ্যৎ কালে অনুজ্ঞার ক্ষেত্রে <strong>উত্তম পুরুষ</strong> (আমি/আমরা) কখনোই ব্যবহৃত হয় না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অনুজ্ঞা মানেই হলো অন্যের ওপর নির্দেশ, আর উত্তম পুরুষ মানে হলো 'আমি নিজে'। তাই এই দুইয়ের মিলন এখানে সম্ভব নয়।</p>
৫৭৭
কড়া রোদে ঘোরাফেরা করিসনে -এই বাক্যে অনুজ্ঞা কি অর্থ প্রকাশ করে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপদেশ</strong>। কারণ বাক্যটিতে কাউকে কড়া রোদে ঘোরাফেরা না করার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে, যা মূলত তার ভালোর জন্যই বলা।</p>
<ul>
<li>যখন কোনো কথা বা পরামর্শ কারো মঙ্গলের জন্য বলা হয়, তখন তাকে ব্যাকরণের ভাষায় <strong>উপদেশ</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'ঘোরাফেরা করিসনে' অংশটি সরাসরি কোনো কঠোর আদেশ বা নিষেধ নয়, বরং বড়দের পক্ষ থেকে ছোটদের প্রতি একটি হিতকর পরামর্শ বা উপদেশ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
৫৭৮
আমার দরখাস্তটা পড়ুন - এই বাক্যে অনুজ্ঞা কি অর্থ প্রকাশ করে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রার্থনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>যখন আমরা কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করিয়ে নিতে বিনয়ের সাথে আবেদন করি, তখন সেটি <strong>অনুরোধ</strong> হয়।</li>
<li>কিন্তু যখন কোনো কিছু পাওয়ার জন্য বা কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য বিনীতভাবে নিবেদন করা হয়, তখন তাকে <strong>প্রার্থনা</strong> বলা হয়।</li>
<li>'আমার দরখাস্তটা পড়ুন'—এই বাক্যে বক্তা নিজের কোনো আবেদন বা নিবেদন পেশ করছেন, যা বিনয়ের সাথে করা একটি প্রার্থনা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে কোনো আদেশ বা উপদেশ নেই, বরং নিজের কাজটি সম্পন্ন করার জন্য বিনীতভাবে নিবেদন করা হয়েছে, তাই এটি প্রার্থনা।</p>
৫৭৯
রোগ হলে ওষুধ খাবে - এই বাক্যে অনুজ্ঞা কি অর্থ প্রকাশ করে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিধান</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>বিধান</strong> বলতে বোঝায় কোনো নিয়ম বা ব্যবস্থা, যা পালন করা বা মেনে চলা উচিত।</li>
<li>বাক্যটিতে 'রোগ হলে ওষুধ খাবে' বলতে একটি সাধারণ নিয়ম বা কর্তব্যকে বোঝানো হয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য পালনীয়।</li>
<li>যখন কোনো কাজ করাকে একটি নিয়ম বা অবশ্যকরণীয় বিষয় হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, তখন ব্যাকরণের ভাষায় তাকে <strong>বিধানমূলক অনুজ্ঞা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই এখানে এটি কোনো আদেশ বা উপদেশ নয়, বরং একটি সুনির্দিষ্ট <strong>বিধান</strong> প্রকাশ করছে।</p>
৫৮০
কোন ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকালের অনুজ্ঞায় সম্ভাবনা বুঝাচ্ছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চেষ্টা কর, বুঝতে পারবে</strong>। ভবিষ্যৎকালের অনুজ্ঞায় সম্ভাবনা বোঝাতে এই বাক্যটি সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>অনুজ্ঞা মানেই আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ।</li>
<li>যখন আমরা বলি 'চেষ্টা কর, বুঝতে পারবে', তখন এখানে 'বুঝতে পারবে' অংশটি একটি সম্ভাব্য ফলাফল নির্দেশ করছে।</li>
<li>অর্থাৎ, তুমি যদি চেষ্টা করো, তবে ভবিষ্যতে তোমার বোঝার একটি সম্ভাবনা তৈরি হবে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে 'পারবে' ক্রিয়াটি ভবিষ্যৎকালের এবং এটি একটি কাজের সম্ভাব্য পরিণতির দিকে ইঙ্গিত করছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভবিষ্যৎকালের অনুজ্ঞায় সম্ভাবনা প্রকাশের একটি চমৎকার উদাহরণ।</p>
<p>তুচ্ছার্থক বা ঘনিষ্ঠার্থক মধ্যম পুরুষের ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞায় চলিত রীতির সঠিক বিভক্তি হলো <strong>স</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমরা যখন কাউকে খুব আপন ভেবে বা তুচ্ছ করে কোনো কাজ করতে বলি, তখন ক্রিয়ার শেষে এই বিভক্তিটি যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li>যেমন: তুই করবি থেকে অনুজ্ঞায় হয় <strong>করস</strong>।</li>
<li>আবার, তুই যাবি থেকে অনুজ্ঞায় হয় <strong>যাস</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে ক্রিয়ার মূল রূপের সাথে <strong>স</strong> বিভক্তি যুক্ত হয়েই ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞার ভাবটি প্রকাশ পায়। তাই ব্যাকরণগতভাবে এটিই সঠিক উত্তর।</p>
৫৮২
সাধারণ মধ্যম পুরুষের বর্তমান কালের অনুজ্ঞার চলিত রীতির বিভক্তি কোনটি ?
<p>সাধারণ মধ্যম পুরুষের বর্তমান কালের অনুজ্ঞায় চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদের শেষে <strong>'ও'</strong> বিভক্তি যুক্ত হয়। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমরা যখন কাউকে সাধারণ বা তুচ্ছার্থে আদেশ বা অনুরোধ করি, তখন এই বিভক্তিটিই ব্যবহার করি।</p>
<p>সহজ কিছু উদাহরণ দেখলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li>তুমি কাজটি কর + ও = <strong>করো</strong></li>
<li>তুমি বইটা পড় + ও = <strong>পড়ো</strong></li>
<li>তুমি এখন যাও + ও = <strong>যাও</strong> (এখানে 'ও' কারান্ত রূপটিই স্পষ্ট)</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সাধারণ মধ্যম পুরুষের ক্ষেত্রে ক্রিয়ার মূল রূপের সাথে <strong>'ও'</strong> যোগ করলেই অনুজ্ঞার চলিত রূপটি তৈরি হয়ে যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রিয়া</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>অনুজ্ঞা মানেই হলো আদেশ, উপদেশ, অনুরোধ বা প্রার্থনা করা।</li>
<li>যখন আমরা কাউকে কিছু করতে বলি (যেমন: "তুমি কাজটি করো" বা "বইটি পড়ো"), তখন আমরা মূলত কোনো একটি কাজ বা <strong>ক্রিয়া</strong> সম্পাদন করার নির্দেশ দিই।</li>
<li>যেহেতু অনুজ্ঞা সরাসরি কোনো কাজ বা কাজের ধরনকে নির্দেশ করে, তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এটি মূলত <strong>ক্রিয়াপদের</strong> একটি বিশেষ রূপ বা ভাব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপ্রত্যক্ষ বলে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে অনুজ্ঞা মূলত আদেশ, উপদেশ বা অনুরোধ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অনুজ্ঞা সাধারণত সরাসরি সামনে থাকা কাউকে (যেমন: তুমি, তোমরা বা আপনি) উদ্দেশ্য করে বলা হয়, যা প্রত্যক্ষ।</li>
<li>নাম পুরুষ (যেমন: সে, তারা, রহিম, করিম) বক্তার সামনে উপস্থিত থাকে না, অর্থাৎ তারা <strong>অপ্রত্যক্ষ</strong>।</li>
<li>যেহেতু তারা সামনে নেই, তাই তাদের সরাসরি আদেশ বা অনুরোধ করা সম্ভব নয়। এই কারণেই নাম পুরুষের ক্ষেত্রে অনুজ্ঞা পদ ব্যবহৃত হয় না।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ক্রিয়াপদ হলো <strong>'বলবো'</strong>।</li>
<li>আমরা জানি, ক্রিয়ার শেষে 'ব' বা 'বে' থাকলে তা সাধারণত ভবিষ্যৎ কালকে নির্দেশ করে।</li>
<li>যেহেতু এখানে ভবিষ্যতে সত্য কথা বলার আদেশ বা উপদেশ দেওয়া হচ্ছে, তাই এটি স্পষ্টতই <strong>ভবিষ্যৎ কালের অনুজ্ঞা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো কাজ ভবিষ্যতে করার জন্য আদেশ বা অনুরোধ করা হয়, তখন সেটিই ভবিষ্যৎ অনুজ্ঞা হিসেবে গণ্য হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।