<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্য</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের লেখা 'বন্দীর বন্দনা' মূলত একটি চমৎকার কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি উল্লেখযোগ্য কাব্য সংকলন।</li>
<li>এর বিষয়বস্তু এবং শৈলী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি গদ্য বা নাটকের কাঠামোর চেয়ে কবিতার ছন্দে বেশি সমৃদ্ধ।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন: <strong>বন্দীর বন্দনা = কাব্য</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অরণ্য গোধূলী</strong>। বন্দে আলী মিয়ার সাহিত্যকর্মের কথা মনে রাখার জন্য কিছু সহজ কৌশল অবলম্বন করা যায়। তিনি মূলত পল্লী প্রকৃতির কবি হিসেবে পরিচিত, তাই তাঁর কাব্যগ্রন্থের নামের মধ্যেও প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের ছাপ স্পষ্ট থাকে।</p>
<ul>
<li>বন্দে আলী মিয়ার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>অরণ্য গোধূলী</strong> অন্যতম।</li>
<li>তাঁর লেখার মূল বৈশিষ্ট্য হলো গ্রামবাংলার সহজ-সরল রূপ এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর মমতা।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সুবিধার্থে মনে রাখতে পারেন, বন্দে আলী মিয়ার নামের সাথে 'অ' দিয়ে শুরু হওয়া কাব্যগ্রন্থগুলোর (যেমন: অরণ্য গোধূলী) একটি বিশেষ ছন্দ রয়েছে।</li>
</ul>
<p>এই ধরণের প্রশ্নগুলো বারবার চর্চা করলে সাহিত্যিক ও তাঁদের বিখ্যাত কাজগুলো খুব সহজেই আয়ত্তে চলে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষ লেখা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর ঠিক আগে লেখা কবিতাগুলো নিয়ে এই কাব্যগ্রন্থটি সাজানো হয়েছে।</li>
<li>তিনি অসুস্থ থাকা অবস্থায় এই কবিতাগুলো লিখেছিলেন এবং বইটির নাম চূড়ান্ত করার আগেই তিনি পরলোকগমন করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে তাঁর মৃত্যুর পর এই নামেই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয়, তাই এটিই তাঁর শেষ কাব্যগ্রন্থ যার নামকরণ তিনি নিজে করে যেতে পারেননি।</li>
</ul>
<p>'বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>মাযহারুল ইসলাম</strong>। বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ধারার কবি হিসেবে তিনি বেশ পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কবি মাযহারুল ইসলামের কাব্যচর্চায় নিজস্ব একটি শৈলী রয়েছে।</li>
<li>তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>'বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি'</strong> অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে কবির নামের সাথে কাব্যগ্রন্থটির নাম একবার মিলিয়ে পড়লেই হবে।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যে আধুনিক কবিদের আদর্শ হিসেবে <strong>টি. এস. এলিয়ট</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিশ শতকের বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিতে এলিয়টের কাব্যতত্ত্ব ও আধুনিক জীবনবোধ ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <em>'দ্য ওয়েস্ট ল্যান্ড'</em>-এর আঙ্গিক ও বিষয়বস্তু বাংলা আধুনিক কবিদের নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে।</li>
<li>বুদ্ধদেব বসু, জীবনানন্দ দাশের মতো আধুনিক কবিরা এলিয়টের সাহিত্যিক দর্শন দ্বারা গভীরভাবে অনুপ্রাণিত ছিলেন, যা বাংলা কবিতায় এক নতুন ধারার জন্ম দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আধুনিকতার যে জটিলতা, বিচ্ছিন্নতাবোধ এবং নতুন ধরনের উপমা ব্যবহারের প্রবণতা আমরা বাংলা কবিতায় দেখি, তার মূল কারিগর হিসেবে টি. এস. এলিয়টই আধুনিক কবিদের প্রধান অনুপ্রেরণা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেষ ভাঙ্গন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আল মাহমুদের কাব্যগ্রন্থ বা সাহিত্যকর্মের তালিকা দেখলে আমরা সহজেই বুঝতে পারি কোনটি তার নয়।</p>
<ul>
<li>আল মাহমুদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে <em>লোক লোকান্তর</em>, <em>কালের কলস</em> এবং <em>সোনালী কাবিন</em>।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>শেষ ভাঙ্গন</em> আল মাহমুদের কোনো গ্রন্থ নয়। এটি মূলত অন্য কোনো লেখকের সৃষ্টিকর্ম, তাই এটিই এখানে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আল মাহমুদের পরিচিত ও জনপ্রিয় বইগুলোর নাম মনে রাখলে এমন প্রশ্নগুলো খুব সহজেই সমাধান করা যায়।</p>
<p>আল মাহমুদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>লোক লোকান্তর</strong>। এটি ১৯৬৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আল মাহমুদ তার স্বতন্ত্র কাব্যশৈলী ও আধুনিকতার পরিচয় দিয়েছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯৬৩ সাল।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি কবির প্রথম প্রকাশিত বই, যা তাকে বাংলা কবিতার জগতে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে আসে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আল মাহমুদের সাহিত্যিক যাত্রার শুরুটা হয়েছিল এই <strong>লোক লোকান্তর</strong> কাব্যগ্রন্থের হাত ধরেই। তাই যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব জরুরি।</p>
<p>‘কাবিলের বোন’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কবি ও কথাসাহিত্যিক <strong>আল মাহমুদ</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি আল মাহমুদের লেখা অন্যতম জনপ্রিয় একটি উপন্যাস।</li>
<li>তার সাহিত্যকর্মের মধ্যে এই উপন্যাসটি তার নিজস্ব গদ্যশৈলী এবং গ্রামীণ জীবনবোধের এক অনন্য উদাহরণ।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও বইয়ের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>‘মিথ্যাবাদী রাখাল’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন কবি <strong>আল মাহমুদ</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আল মাহমুদ তাঁর কবিতায় গ্রামীণ জীবন ও লোকজ উপাদান খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>‘মিথ্যাবাদী রাখাল’ নামটি শুনলেই বোঝা যায় এটি লোককাহিনি বা গ্রামীণ প্রেক্ষাপট থেকে অনুপ্রাণিত, যা আল মাহমুদের কাব্যশৈলীর একটি বড় বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>সাহিত্যিকদের নাম মনে রাখার জন্য নিয়মিত পাঠের পাশাপাশি এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থের নামগুলো বারবার রিভিশন দিলে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li>
</ul>
<p>আল মাহমুদের ‘পানকৌড়ির রক্ত’ হলো একটি বিখ্যাত <strong>ছোটগল্প</strong>। এটি মূলত তার একই নামের ছোটগল্প সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>আল মাহমুদ তার কাব্যগ্রন্থের পাশাপাশি গদ্য সাহিত্যেও সমান পারদর্শী ছিলেন।</li>
<li>‘পানকৌড়ির রক্ত’ তার লেখা অন্যতম জনপ্রিয় একটি ছোটগল্প, যেখানে গ্রামীণ জীবন ও মানুষের মনস্তত্ত্ব চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখা জরুরি যে এটি কোনো উপন্যাস বা নাটক নয়, বরং একটি সার্থক <strong>ছোটগল্প</strong>।</li>
</ul>
<p>‘কালের কলস’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>আল মাহমুদ</strong>। আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান এই কবি তাঁর নিজস্ব শব্দশৈলী ও গ্রামীণ লোকজ উপাদানের ব্যবহারের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>আল মাহমুদের কাব্যচর্চায় লোকজ ও গ্রামীণ জীবনবোধের গভীর ছাপ পাওয়া যায়, যা ‘কালের কলস’ বইটিতেও স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারায় তাঁর এই কাব্যগ্রন্থটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য ‘ক’ দিয়ে শুরু হওয়া নামগুলো (যেমন: <strong>ক</strong>ালের <strong>ক</strong>লস) আল মাহমুদের সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন।</li>
</ul>
৫৩৭
‘এক যে ছিল রাজা’ -এখানে পদাশ্রিত নির্দেশক কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনির্দিষ্টতা অর্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'এক' শব্দটি যখন কোনো বিশেষ্য পদের আগে বসে, তখন সেটি প্রায়ই অনির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায়।</li>
<li>'এক যে ছিল রাজা'—এই বাক্যে 'এক' শব্দটি দিয়ে নির্দিষ্ট কোনো রাজাকে বোঝানো হচ্ছে না, বরং রূপকথার কোনো এক অজানা বা অনির্দিষ্ট রাজাকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>তাই এখানে 'এক' পদাশ্রিত নির্দেশকটি <strong>অনির্দিষ্টতা</strong> প্রকাশ করছে।</li>
</ul>
৫৩৮
ছুঁয়ো না ছুঁয়ো না ওটি লজ্জাবতী লতা- কোন শব্দটি পদাশ্রিত নির্দেশক?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ওটি</strong>। পদাশ্রিত নির্দেশক বলতে এমন কিছু শব্দ বা খণ্ডাংশকে বোঝায়, যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের সাথে যুক্ত হয়ে সেটিকে নির্দিষ্ট করে দেয়।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে <strong>ওটি</strong> শব্দটি 'লজ্জাবতী লতা' বিশেষ্যটির সাথে যুক্ত হয়ে সেটিকে নির্দিষ্টভাবে নির্দেশ করছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে টি, টা, খানা, খানি, ওটি, ওটা—এই জাতীয় শব্দগুলো পদাশ্রিত নির্দেশক হিসেবে কাজ করে, যা কোনো বস্তুর নির্দিষ্টতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পদাশ্রিত নির্দেশক</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—যখন কোনো শব্দ বা প্রত্যয় বিশেষ্য বা সর্বনামের সাথে যুক্ত হয়ে সেটিকে নির্দিষ্ট করে দেয়, তখনই তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>কোনো কিছুকে নির্দিষ্ট করে বোঝাতে শব্দের শেষে 'টা', 'টি', 'খানা', 'খানি', 'গাছি' ইত্যাদি যুক্ত হয়।</li>
<li>যেমন: বই<strong>টি</strong>, কলম<strong>টা</strong>, খাতা<strong>খানি</strong>।</li>
<li>এই যে বাড়তি অংশগুলো যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা তৈরি করছে, এগুলোই মূলত পদাশ্রিত নির্দেশক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে প্রত্যয় কোনো বস্তুর নির্দিষ্টতা বা সীমাবদ্ধতা প্রকাশ করে, তাকেই আমরা পদাশ্রিত নির্দেশক বলি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনির্দিষ্ট</strong>। কারণটা খুব সহজ—যখন আমরা কোনো বিশেষ ব্যক্তি বা বস্তুকে আলাদা করে বোঝাতে চাই, তখন শব্দের শেষে 'টা' বা 'টি' যোগ করি।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'টা', 'টি', 'খানা', 'খানি' ইত্যাদি হলো পদাশ্রিত নির্দেশক।</li>
<li>এগুলো কোনো সাধারণ বিশেষ্য পদের সাথে যুক্ত হয়ে সেটিকে নির্দিষ্ট করে তোলে।</li>
<li>যেমন: 'বইটা' বললে যেকোনো বই নয়, বরং নির্দিষ্ট একটি বইকেই বোঝানো হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই নির্দেশকগুলো কোনো কিছুকে অস্পষ্ট না রেখে বরং একদম <strong>সুনির্দিষ্ট</strong> করে দেয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।