<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইন্দোনেশিয়া</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বান্দা আচেহ হলো ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর।</li>
<li>এটি ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের রাজধানী হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>ভৌগোলিকভাবে এটি ভারত মহাসাগরের উপকূলে অবস্থিত, যা ঐতিহাসিকভাবে বাণিজ্যের জন্য বেশ পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আপনি যদি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানচিত্র দেখেন, তবে সুমাত্রা দ্বীপের একদম উপরের দিকে তাকালেই এই শহরটি খুঁজে পাবেন, যা সরাসরি ইন্দোনেশিয়ার অংশ।</p>
<p>ফেসবুকের সদর দফতর হলো <strong>ক্যালিফোর্নিয়া</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ফেসবুকের মূল কোম্পানি 'মেটা' (Meta)-এর সদর দফতর ক্যালিফোর্নিয়ার <strong>মেনলো পার্ক</strong> (Menlo Park) নামক স্থানে অবস্থিত।</li>
<li>বিশ্বের বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর বেশিরভাগই ক্যালিফোর্নিয়ার সিলিকন ভ্যালিতে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে, ফেসবুকও এর ব্যতিক্রম নয়।</li>
</ul>
<p>তাই ফেসবুকের সদর দফতরের কথা শুনলেই ক্যালিফোর্নিয়ার নামটা মাথায় গেঁথে নিন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অস্ট্রেলিয়া</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ গ্রেট ভিক্টোরিয়া মরুভূমি মূলত অস্ট্রেলিয়ার একটি বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।</p>
<ul>
<li>এই মরুভূমিটি অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিম এবং দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া অঙ্গরাজ্য জুড়ে অবস্থিত।</li>
<li>এটি অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি, যা প্রায় ৩,৪৮,৭৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকা দখল করে আছে।</li>
<li>ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী, এটি অস্ট্রেলিয়ার শুষ্ক অঞ্চলের একটি প্রধান অংশ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই 'ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট'-এর কথা আসবে, মনে রাখবেন এটি ওশেনিয়া মহাদেশের দেশ <strong>অস্ট্রেলিয়ার</strong> একটি ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মেসোপটেমিয়া</strong>। এর কারণ হলো এটি বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিষয়টি সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মেসোপটেমিয়া সভ্যতা গড়ে উঠেছিল টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস নদীর অববাহিকায়, যা প্রায় ৫০০০ থেকে ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের দিকে বিকশিত হয়।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই সভ্যতাকে 'সভ্যতার সূতিকাগার' বলা হয়, কারণ এখানেই প্রথম নগরকেন্দ্রিক জীবনযাত্রা ও লিখন পদ্ধতির উদ্ভব ঘটেছিল।</li>
<li>অন্যান্য সভ্যতাগুলোর তুলনায় মেসোপটেমিয়ার সময়কাল অনেক বেশি প্রাচীন, তাই ঐতিহাসিকভাবে এটিই সবচেয়ে সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>নিউজিল্যান্ডের রাজধানী হলো <strong>ওয়েলিংটন</strong>। অনেকেই ভুল করে অকল্যান্ডকে রাজধানী মনে করেন, কারণ অকল্যান্ড দেশটির সবচেয়ে বড় এবং পরিচিত শহর। কিন্তু প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে ওয়েলিংটনই নিউজিল্যান্ডের মূল কেন্দ্র।</p>
<ul>
<li>নিউজিল্যান্ডের উত্তর দ্বীপের দক্ষিণ প্রান্তে এই শহরটি অবস্থিত।</li>
<li>এটি বিশ্বের অন্যতম দক্ষিণতম রাজধানী শহর হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>শহরটি তার চমৎকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং বন্দরের জন্য বিখ্যাত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দক্ষিণ আমেরিকায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ইনকা সভ্যতা মূলত দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা অঞ্চলকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল।</li>
<li>বর্তমান পেরু, ইকুয়েডর, বলিভিয়া এবং চিলির কিছু অংশ জুড়ে এই বিশাল সাম্রাজ্য বিস্তৃত ছিল।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এটি দক্ষিণ আমেরিকার সবচেয়ে বড় এবং শক্তিশালী সাম্রাজ্য হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ইনকা মানেই দক্ষিণ আমেরিকার প্রাচীন ও সমৃদ্ধ এক সভ্যতা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সামরিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>NATO</strong>-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization। এটি মূলত একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সামরিক জোট।</li>
<li>১৯৪৯ সালে গঠিত এই জোটের মূল উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।</li>
<li>এর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সদস্য দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা পুরো জোটের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং সবাই মিলে তার জবাব দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিজেদের সুরক্ষার জন্য সদস্য দেশগুলো একে অপরকে সামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলেই একে একটি <strong>সামরিক জোট</strong> বলা হয়।</p>
৫৩
'A Brief History of time' গ্রন্থে বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্বটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন -
<p>'A Brief History of Time' বইটি বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী <strong>স্টিফেন হকিং</strong>-এর লেখা। এই অসাধারণ বইটিতে তিনি মহাবিশ্বের সৃষ্টি, বিগ ব্যাং বা মহাবিস্ফোরণ তত্ত্ব এবং ব্ল্যাক হোল সম্পর্কে খুব সহজ ভাষায় আলোচনা করেছেন।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বইটির মূল বিষয়বস্তু হলো মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও সময়।</li>
<li>স্টিফেন হকিং তার এই বইয়ের মাধ্যমে জটিল মহাজাগতিক তত্ত্বগুলোকে সাধারণ মানুষের কাছে বোধগম্য করে তুলেছেন।</li>
<li>তাই বিগ ব্যাং তত্ত্বের জনপ্রিয় ব্যাখ্যাদাতা হিসেবে স্টিফেন হকিং-এর নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার আধুনিক যুগের সূচনার সঠিক সাল হলো <strong>১৮০০</strong>। এর পেছনে মূল কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮০০ সালেই কলকাতায় <strong>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ</strong> প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
<li>এই কলেজকে কেন্দ্র করেই বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু হয় এবং বাংলা ভাষায় আধুনিক সাহিত্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়।</li>
<li>ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে এই সময়কাল থেকেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে, তাই ১৮০০ সালকে আধুনিক যুগের সূচনা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের হাত ধরেই বাংলা ভাষা তার মধ্যযুগীয় গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিক রূপ লাভ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শুদ্ধ জীবনযাপন রীতি</strong>। খনার বচন মূলত কৃষিভিত্তিক সমাজ ও দৈনন্দিন জীবনের অভিজ্ঞতালব্ধ কিছু প্রজ্ঞাপূর্ণ কথা।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>কৃষি ও প্রকৃতি:</strong> খনার বচনে চাষাবাদ, বীজ বপন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস নিয়ে এমন সব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যা একজন মানুষের জীবনকে সুশৃঙ্খল ও সমৃদ্ধ করে।</li>
<li><strong>জীবনবোধ:</strong> এটি কেবল কৃষিকাজ নয়, বরং স্বাস্থ্য সচেতনতা, পারিবারিক শৃঙ্খলা এবং সঠিক সময়ে সঠিক কাজ করার একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনদর্শন।</li>
<li><strong>ব্যবহারিক জ্ঞান:</strong> প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা এই বচনগুলো আমাদের শেখায় কীভাবে প্রকৃতির সাথে তাল মিলিয়ে একটি শুদ্ধ ও পরিকল্পিত জীবনযাপন করা যায়।</li>
</ul>
<p>তাই সংক্ষেপে বলতে গেলে, খনার বচন হলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের চলার পথের এক অমূল্য দিকনির্দেশনা বা শুদ্ধ জীবনযাপনের নিয়মাবলি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। কারণ ওমর খৈয়াম ছিলেন একজন বিশ্ববিখ্যাত পারস্য বা বর্তমান ইরানের কবি, গণিতবিদ এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য সহজ কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>ওমর খৈয়ামের জন্ম বর্তমান <strong>ইরানে</strong> (তৎকালীন পারস্য সাম্রাজ্য)।</li>
<li>তিনি তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম</strong>-এর জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।</li>
<li>যেহেতু অপশনে ইরান বা পারস্যের নাম নেই, তাই সঠিক উত্তর হবে <strong>কোনোটিই নয়</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইন্দোনেশিয়া</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সুমাত্রা হলো ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম প্রধান এবং বিশাল একটি দ্বীপ।</p>
<ul>
<li>সুমাত্রা দ্বীপটি ভৌগোলিকভাবে ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম অংশে অবস্থিত।</li>
<li>এটি বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম দ্বীপ এবং ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>মানচিত্রে দেখলে সহজেই বোঝা যায় যে, বিশাল এই দ্বীপপুঞ্জটি মূলত ইন্দোনেশিয়ার সীমানার ভেতরেই পড়ে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সুমাত্রা মানেই ইন্দোনেশিয়ার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>মালয়েশিয়ার মুদ্রার নাম হলো <strong>রিংগিত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মুদ্রার তালিকায় মালয়েশিয়ার নিজস্ব মুদ্রা হিসেবে এটিই স্বীকৃত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাইকা (JICA)</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ জাপানের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে এই সংস্থাটি সরাসরি জড়িত।</p>
<ul>
<li><strong>JICA</strong>-এর পূর্ণরূপ হলো <strong>Japan International Cooperation Agency</strong>।</li>
<li>এটি জাপানি সরকারের একটি সরকারি সংস্থা, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য কারিগরি সহায়তা এবং ঋণ প্রদান করে থাকে।</li>
<li>বাংলাদেশে বিভিন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প, যেমন—মেট্রোরেল বা যমুনা সেতুর মতো বড় বড় কাজে এই সংস্থাটি নিয়মিত অর্থায়ন ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে আসছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, জাপানের বৈদেশিক সহায়তার কথা শুনলেই আমাদের মাথায় <strong>জাইকা</strong>-এর নাম আসাটাই স্বাভাবিক!</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।