<p>টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা এসডিজি (SDG) গ্রহণের সঠিক তারিখটি হলো <strong>২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর</strong>। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে বিশ্বের ১৯৩টি দেশের সম্মতিক্রমে এই লক্ষ্যগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত <strong>২০১৫</strong> সালে গৃহীত হয়, যা ছিল সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (MDG) মেয়াদ শেষ হওয়ার বছর।</li>
<li>নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলনে <strong>২৫ সেপ্টেম্বর</strong> তারিখে বিশ্বনেতারা এই ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।</li>
<li>এই লক্ষ্যমাত্রার মূল সময়কাল ধরা হয়েছে <strong>২০১৬</strong> থেকে <strong>২০৩০</strong> সাল পর্যন্ত।</li>
</ul>
<p>বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান যে রূপ আমরা দেখি, তার ডিজাইনার হলেন <strong>কামরুল হাসান</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জাতীয় পতাকার অনুপাত ও নকশা নির্ধারণের প্রয়োজন হয়।</li>
<li>সেই সময়ে কামরুল হাসান পতাকার নকশাটি পরিমার্জন ও চূড়ান্ত রূপ দেন।</li>
<li>তার এই নকশাটিই বর্তমানে সরকারিভাবে স্বীকৃত এবং সারা বিশ্বে বাংলাদেশের পতাকার মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>কসোভোর রাজধানী হলো <strong>প্রিস্টিনা</strong>। এটি দেশটির বৃহত্তম শহর এবং প্রশাসনিক কেন্দ্র। মনে রাখার সুবিধার্থে মাথায় রাখতে পারেন যে, বলকান অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কসোভো তুলনামূলক নতুন রাষ্ট্র এবং এর রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে প্রিস্টিনা পরিচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মালয়েশিয়ার দুটি রাজধানী রয়েছে। কুয়ালালামপুর হলো দেশটির সাংবিধানিক ও বাণিজ্যিক রাজধানী।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>পুত্রজায়া</strong> হলো দেশটির প্রশাসনিক কেন্দ্র বা প্রশাসনিক রাজধানী।</li>
<li>সরকারি সব গুরুত্বপূর্ণ দাপ্তরিক কাজ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মূলত পুত্রজায়াকেই ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক কাজের মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো এই পুত্রজায়া শহর।</p>
<p>সলোমন-দ্বীপপুঞ্জ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ওশেনিয়া অঞ্চলের বেশিরভাগ দ্বীপরাষ্ট্রই প্রশান্ত মহাসাগরের বিশাল জলরাশির মধ্যে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে।</p>
<ul>
<li>সলোমন-দ্বীপপুঞ্জ মূলত দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের একটি দেশ।</li>
<li>ভৌগোলিক মানচিত্রে দেখলে বোঝা যায়, এটি অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বে এবং পাপুয়া নিউগিনির পূর্ব দিকে অবস্থিত, যা পুরোপুরি প্রশান্ত মহাসাগরীয় বলয়ের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে অবস্থিত মেলানেশিয়া অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপরাষ্ট্র হলো এই সলোমন-দ্বীপপুঞ্জ।</p>
<p>বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় হলো <strong>ওয়াশিংটন ডি.সি.</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বিশ্বব্যাংক এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)—এই দুটি বড় অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানের সদর দপ্তরই যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অবস্থিত।</p>
<ul>
<li>বিশ্বব্যাংক মূলত বিশ্ব অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নের কাজ করে, যার মূল কেন্দ্রবিন্দু ওয়াশিংটন।</li>
<li>সহজ কথায়, অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুবিধার্থে ওয়াশিংটনকে এই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থাগুলোর কেন্দ্র হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যুক্তরাজ্য</strong>। রয়টার্স মূলত একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা যার সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রয়টার্স ১৮৫১ সালে পল রয়টার কর্তৃক লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
<li>এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এবং নির্ভরযোগ্য সংবাদ মাধ্যম হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>যেহেতু এর মূল কেন্দ্র লন্ডনে, তাই এটি একটি <strong>ব্রিটিশ</strong> বা <strong>যুক্তরাজ্যের</strong> সংবাদ সংস্থা।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রেইল</strong>। বিষয়টি একদম সহজ, কারণ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী বা অন্ধ ব্যক্তিদের পড়ার সুবিধার জন্য লুই ব্রেইল এই বিশেষ লিখনপদ্ধতিটি উদ্ভাবন করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>১৮২৪ সালে মাত্র ১৫ বছর বয়সে লুই ব্রেইল এই পদ্ধতিটি তৈরি করেন।</li>
<li>এটি মূলত ছয়টি বিন্দু বা ডট ব্যবহারের মাধ্যমে তৈরি একটি স্পর্শভিত্তিক লিখনরীতি।</li>
<li>বিশ্বজুড়ে অন্ধজনদের শিক্ষার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিটি এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই অন্ধজনদের লিখনরীতির কথা আসবে, মনে রাখবেন এর উদ্ভাবক হলেন <strong>লুই ব্রেইল</strong>।</p>
<p>পৃথিবীর গভীরতম স্থান হলো <strong>মারিয়ানা ট্রেঞ্চ</strong>, যা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত। এই জায়গাটির গভীরতা প্রায় ১১,০৩৪ মিটার বা প্রায় ১১ কিলোমিটার। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর বিন্দুর নাম <strong>চ্যালেঞ্জার ডিপ</strong>, যা মারিয়ানা ট্রেঞ্চের ভেতরেই অবস্থিত।</li>
<li>প্রশান্ত মহাসাগর আয়তনে যেমন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মহাসাগর, তেমনি গভীরতার দিক থেকেও এটি সবার শীর্ষে।</li>
<li>সহজ কথায়, সমুদ্রের তলদেশের গভীরতম রহস্য লুকিয়ে আছে এই প্রশান্ত মহাসাগরেই।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রশান্ত মহাসাগরে</strong>।</p>
৭১
লালবাহাদুর শাস্ত্রী ভারতের কততম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৩য়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জওহরলাল নেহেরু।</li>
<li>নেহেরুর মৃত্যুর পর গুলজারিলাল নন্দা অল্প সময়ের জন্য ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।</li>
<li>এরপর ১৯৬৪ সালে লালবাহাদুর শাস্ত্রী ভারতের পূর্ণাঙ্গ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন, যা তাকে ভারতের <strong>৩য়</strong> প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গুলজারিলাল নন্দার ভারপ্রাপ্ত সময়কালকে বাদ দিলে বা ক্রমানুসারে ধরলে লালবাহাদুর শাস্ত্রীই ছিলেন ভারতের তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী।</p>
<p><strong>ভলগা নদী</strong> ইউরোপ মহাদেশের দীর্ঘতম নদী এবং এটি মূলত <strong>রাশিয়া</strong> দেশে অবস্থিত। ভালдай পাহাড় (Valdai Hills) থেকে উৎপন্ন হয়ে এই নদীটি দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে কাস্পিয়ান সাগরে পতিত হয়েছে। রুশ সংস্কৃতির ইতিহাসে ও অর্থনীতিতে এই নদীর গুরুত্ব অপরিসীম, যা দেশটির দীর্ঘতম এবং অন্যতম প্রধান জলপথ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভোলা</strong>। মনপুরা দ্বীপটি মূলত ভোলার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি চমৎকার দ্বীপ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মনপুরা দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে <strong>ভোলা জেলার</strong> একটি উপজেলা।</li>
<li>এটি মেঘনা নদীর বুকে জেগে ওঠা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম দ্বীপ।</li>
<li>ভোলার মানচিত্রের দিকে তাকালে আপনি সহজেই এর অবস্থান চিহ্নিত করতে পারবেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই মনপুরা দ্বীপের কথা আসবে, মনে রাখবেন এটি সরাসরি <strong>ভোলা</strong> জেলার সাথে যুক্ত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা ‘কাঁদো নদী কাঁদো’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত এবং মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি কোনো ছোটগল্প বা নাটক নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>উপন্যাসটি মূলত কুমোরটুলির প্রেক্ষাপটে লেখা, যেখানে লেখক মানুষের অস্তিত্বের সংকট এবং মনস্তাত্ত্বিক জটিলতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই মনে রাখবেন—ওয়ালীউল্লাহর এই কালজয়ী সৃষ্টিটি একটি <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
</ul>
<p><strong>'লালসালু' উপন্যাস</strong> বাংলা সাহিত্যের একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার উপন্যাস। এই বিখ্যাত উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের গোঁড়ামি, ধর্মান্ধতা এবং সহজ-সরল মানুষের ওপর ধর্মের অপব্যবহারের এক নিখুঁত চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ তাঁর অনন্য গদ্যশৈলী ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।