<p>এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমাদের প্রথমে বিক্রিয়াটি খেয়াল করতে হবে: $N_2O_4 \rightleftharpoons 2NO_2$। এই বিক্রিয়ার জন্য সাম্যধ্রুবক $K_p$ এর রাশিমালাটি হলো:</p>
$$K_p = \frac{(P_{NO_2})^2}{P_{N_2O_4}}$$
<p>এখানে মানগুলো বসিয়ে খুব সহজেই আমরা $NO_2$ এর আংশিক চাপ বের করতে পারি:</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অ্যানোড</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li>তড়িৎ বিশ্লেষণের সময় ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্ত থেকে ইলেকট্রন প্রবাহিত হয়ে তড়িৎ বিশ্লেষ্য দ্রবণে প্রবেশ করে।</li>
<li>যেহেতু অ্যানোড ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে, তাই ইলেকট্রনগুলো অ্যানোড দিয়ে বাইরের সার্কিটে বেরিয়ে আসে।</li>
<li>সহজ কথায়, ইলেকট্রনের প্রবাহের দিক হলো অ্যানোড থেকে ক্যাথোডের দিকে। তাই ইলেকট্রন প্রবেশের পথ হিসেবে আমরা অ্যানোডকে চিহ্নিত করি।</li>
</ul>
<p>মনে রাখার ট্রিক: <strong>অ্যানোড</strong> হলো ইলেকট্রন বর্জনের স্থান, আর এই ইলেকট্রনগুলোই সার্কিটের মাধ্যমে প্রবাহিত হয়ে তড়িৎ বিশ্লেষণের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করে।</p>
<p>সিমেন্ট কারখানায় বায়ুদূষণের প্রধান কারণ হলো বিভিন্ন ক্ষতিকারক গ্যাসের নির্গমন। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>$NO_2$</strong> (নাইট্রোজেন ডাই-অক্সাইড)।</p>
<ul>
<li>সিমেন্ট তৈরির সময় উচ্চ তাপমাত্রায় চুল্লিতে জ্বালানি পোড়ানোর ফলে বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে নাইট্রোজেন অক্সাইড নির্গত হয়।</li>
<li>এই গ্যাসটি বাতাসের জলীয় বাষ্পের সাথে মিশে অ্যাসিড বৃষ্টি তৈরি করতে পারে, যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।</li>
<li>সিমেন্ট কারখানার ধূলিকণার পাশাপাশি <strong>$NO_2$</strong> বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>আম বা বিভিন্ন ফল কৌটাজাত করে দীর্ঘদিন ভালো রাখার জন্য <strong>সাইট্রিক এসিড</strong> ব্যবহার করা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এটি প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ হিসেবে কাজ করে, যা ফলের স্বাদ ও মান ঠিক রাখে।</li>
<li>এটি খাবারের pH কমিয়ে দেয়, ফলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জন্মাতে পারে না।</li>
<li>আমের মতো ফলে এটি প্রাকৃতিকভাবেই থাকে, তাই এটি ব্যবহার করা নিরাপদ এবং সহজ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আমকে দীর্ঘ সময় টাটকা ও খাওয়ার উপযোগী রাখতে <strong>সাইট্রিক এসিড</strong> সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।</p>
৬৫
কোনটির মধ্যে সমযোজী এবং আয়নিক উভয় প্রকৃতির বন্ধন উপস্থিত?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>$NH_4Cl$</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর গঠন বিশ্লেষণ করলে:</p>
<ul>
<li><strong>$NH_4^+$</strong> আয়নটি গঠিত হয় নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেনের মধ্যে ইলেকট্রন শেয়ারিংয়ের মাধ্যমে, যা একটি <strong>সমযোজী বন্ধন</strong>।</li>
<li>অন্যদিকে, এই ধনাত্মক অ্যামোনিয়াম আয়ন ($NH_4^+$) এবং ঋণাত্মক ক্লোরাইড আয়ন ($Cl^-$) একে অপরকে স্থির তড়িৎ আকর্ষণের মাধ্যমে ধরে রাখে, যা একটি <strong>আয়নিক বন্ধন</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, $NH_4Cl$ যৌগের ভেতরে সমযোজী এবং আয়নিক—উভয় ধরনের বন্ধনই বিদ্যমান থাকে।</p>
<p>পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট মূলত ক্যালসিয়াম, সিলিকন, অ্যালুমিনিয়াম এবং লোহার অক্সাইডের একটি জটিল মিশ্রণ। এর প্রধান উপাদানগুলোর মধ্যে সিলিকা এবং অ্যালুমিনা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।</p>
<p>সঠিক উত্তরটি হওয়ার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>সিমেন্টের শক্ত হওয়ার পেছনে প্রধান কারিগর হলো <strong>$SiO_2$</strong> (সিলিকা) এবং <strong>$Al_2O_3$</strong> (অ্যালুমিনা)।</li>
<li>এই উপাদানগুলো সিমেন্টের ক্লিংকার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যা পানি যোগ করার পর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে সিমেন্টকে জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।</li>
<li>সাধারণত পোর্টল্যান্ড সিমেন্টে প্রায় $20\% - 25\%$ <strong>$SiO_2$</strong> এবং $5\% - 10\%$ <strong>$Al_2O_3$</strong> থাকে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সিমেন্টের কাঠামোগত শক্তি এবং দ্রুত জমাট বাঁধার ক্ষমতা এই দুটি উপাদানের ওপরই নির্ভর করে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>$SiO_2 + Al_2O_3$</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্টার্চ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>স্টার্চ হলো গ্লুকোজের একটি পলিমার, যেখানে গ্লুকোজ অণুগুলো একে অপরের সাথে <strong>$\alpha$-১,৪ গ্লাইকোসাইডিক বন্ধনী</strong> (এবং শাখা তৈরির ক্ষেত্রে $\alpha$-১,৬ বন্ধনী) দ্বারা যুক্ত থাকে।</li>
<li>উদ্ভিদ তার খাদ্য সঞ্চয়ের জন্য গ্লুকোজকে এই বিশেষ বন্ধনীর মাধ্যমে স্টার্চে রূপান্তর করে রাখে।</li>
<li>সহজ কথায়, আলফা ($\alpha$) কনফিগারেশনের গ্লুকোজ অণুগুলো যখন গ্লাইকোসাইডিক বন্ধনীতে আবদ্ধ হয়, তখনই স্টার্চ বা অ্যামাইলোজ তৈরি হয়।</li>
</ul>
<p>জুল-থমসন প্রভাবের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো গ্যাসের অণুগুলো অভ্যন্তরীণ শক্তি হতে তাপ শোষণ করে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো গ্যাস উচ্চচাপের অঞ্চল থেকে নিম্নচাপের অঞ্চলে প্রসারিত হয়, তখন গ্যাসের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের বিরুদ্ধে কাজ করতে হয়।</li>
<li>এই কাজ করার জন্য অণুগুলো তাদের নিজস্ব <strong>অভ্যন্তরীণ শক্তি</strong> (Internal Energy) থেকে প্রয়োজনীয় শক্তি বা তাপ শোষণ করে নেয়।</li>
<li>এর ফলে অণুগুলোর গতিশক্তি কমে যায় এবং সামগ্রিকভাবে গ্যাসের তাপমাত্রা হ্রাস পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অণুগুলো নিজেদের শক্তি খরচ করে কাজ করে বলেই তাপমাত্রা কমে যায়, যা জুল-থমসন প্রভাবের মূল ভিত্তি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ম্যাল্টেজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এনজাইমের কাজের ধরন দেখে।</p>
<ul>
<li>অ্যামাইলেজ হলো একটি কার্বোহাইড্রেট পরিপাককারী এনজাইম, যা শর্করা জাতীয় খাবারকে ভেঙে সরল শর্করায় পরিণত করে।</li>
<li>ম্যাল্টেজও একইভাবে শর্করা জাতীয় খাবার (ম্যাল্টোজ) ভেঙে গ্লুকোজে রূপান্তর করে।</li>
<li>যেহেতু অ্যামাইলেজ এবং ম্যাল্টেজ উভয়ই শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট পরিপাকে কাজ করে, তাই এদের একই গোত্রভুক্ত বা সমগোত্রীয় বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এনজাইমের নামের শেষে <strong>-এজ (-ase)</strong> থাকলে এবং তারা যদি একই ধরনের খাদ্য উপাদান (যেমন শর্করা) ভাঙার কাজ করে, তবেই তারা একে অপরের সমগোত্রীয় হয়।</p>
<p>লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির ক্ষেত্রে <strong>গ্রাফাইট</strong> ঋণাত্মক ইলেকট্রোড বা অ্যানোড হিসেবে কাজ করে। এর কারণ হলো গ্রাফাইটের স্তরবিন্যাস বা লেয়ার স্ট্রাকচার, যা লিথিয়াম আয়নগুলোকে খুব সহজে নিজের ভেতরে জায়গা করে দিতে পারে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাটারি চার্জ হওয়ার সময় লিথিয়াম আয়নগুলো গ্রাফাইটের স্তরের মধ্যে জমা হয়।</li>
<li>গ্রাফাইটের এই বিশেষ গঠনকে বলা হয় <strong>ইন্টারক্যালেশন (Intercalation)</strong>।</li>
<li>স্থায়িত্ব এবং বিদ্যুৎ পরিবাহিতার চমৎকার ভারসাম্যের কারণেই গ্রাফাইট এখানে সেরা পছন্দ।</li>
</ul>
<p>বেঞ্জিনের সমগোত্রক বা হোমোলোগাস সিরিজের সদস্য হতে হলে যৌগের গঠনে অবশ্যই একটি অ্যারোমেটিক বলয় বা বেনজিন রিং থাকতে হবে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জাইলিন (Xylene)</strong>, কারণ এটি বেনজিন বলয়ের সাথে মিথাইল মূলক যুক্ত হয়ে গঠিত একটি অ্যারোমেটিক হাইড্রোকার্বন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বেনজিনের সাধারণ সংকেত হলো $C_nH_{2n-6}$।</li>
<li>জাইলিনের আণবিক সংকেত হলো $C_8H_{10}$।</li>
<li>যেহেতু জাইলিন বেনজিন বলয় ধারণ করে এবং এর গাঠনিক বৈশিষ্ট্য বেনজিনের মতোই, তাই এটি বেনজিনের একটি সরাসরি সমগোত্রক।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলো অ্যারোমেটিক বলয় থাকলেও সরাসরি বেনজিনের সমগোত্রক নয়, কারণ সেগুলোতে হ্যালোজেন বা অ্যামিনো মূলকের মতো কার্যকরী মূলক যুক্ত থাকে, যা তাদের ভিন্ন শ্রেণিতে ফেলে দেয়।</p>
৭২
একটি অ্যালকিনকে ওজোনোলাইসিস করে এক অণু প্রোপানোন ও এক অণু ইথান্যাল পাওয়া গেল। অ্যালকিনটি কি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>২-মিথাইল বিউট-২-ইন</strong>। ওজোনোলাইসিসের সময় দ্বিবন্ধনটি ভেঙে যায় এবং সেখানে অক্সিজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে কার্বনিল যৌগ তৈরি করে। বিষয়টি খুব সহজে বোঝার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>প্রোপানোন ($CH_3-CO-CH_3$) এবং ইথান্যাল ($CH_3-CHO$) এর অক্সিজেন দুটি সরিয়ে নিয়ে কার্বন পরমাণুগুলোকে দ্বিবন্ধন দিয়ে যুক্ত করলেই মূল অ্যালকিনটি পাওয়া যায়।</li>
<li>বিক্রিয়াটি এভাবে কল্পনা করুন: $(CH_3)_2C=O + O=CH-CH_3$</li>
<li>অক্সিজেন সরিয়ে যুক্ত করলে আমরা পাই: $(CH_3)_2C=CH-CH_3$</li>
<li>এই সংকেতটিই হলো <strong>২-মিথাইল বিউট-২-ইন</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ওজোনোলাইসিসের উৎপাদ থেকে অক্সিজেন সরিয়ে কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধন তৈরি করলেই মূল অ্যালকিনের কাঠামোটি বেরিয়ে আসে।</p>
<p>হেবার পদ্ধতিতে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন গ্যাস বিক্রিয়া করে অ্যামোনিয়া তৈরির সময় ল-শাতেলীয় নীতি কাজ করে। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেশি চাপে ও কম তাপে</strong>, কারণ বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>চাপের প্রভাব:</strong> বিক্রিয়ার বাম দিকে মোট মোল সংখ্যা $1 + 3 = 4$ এবং ডান দিকে অ্যামোনিয়ার মোল সংখ্যা $2$। যেহেতু ডান দিকে আয়তন কম, তাই উচ্চ চাপ প্রয়োগ করলে সাম্যাবস্থা ডান দিকে সরে যায় এবং বেশি অ্যামোনিয়া উৎপন্ন হয়।</li>
<li><strong>তাপের প্রভাব:</strong> অ্যামোনিয়া উৎপাদন একটি তাপোৎপাদী বিক্রিয়া, যেখানে $\Delta H = -92 \text{ kJ}$। তাপোৎপাদী বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে তাপমাত্রা কমিয়ে দিলে সাম্যাবস্থা উৎপাদের দিকে অগ্রসর হয়, ফলে অ্যামোনিয়ার উৎপাদন বেড়ে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বেশি চাপ অণুগুলোকে কাছাকাছি নিয়ে আসে আর কম তাপমাত্রা বিক্রিয়াটিকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে।</p>
৭৪
250 mL আয়তনের 1 mole একটি বাস্তব গ্যাসের 300 K তাপমাত্রায় চাপ কত হবে তা ভ্যান্ডার ওয়াল্স্ সমীকরণের সাহায্যে নির্ণয় করো । ( a = 2 . 253 a t m . L 2 . m o l - 2 এবং b = 0 . 0428 L . m o l - 1 )
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>4.00 g</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>আমরা জানি, যেকোনো পদার্থের ১ মোল অণুর ভর তার আণবিক ভরের সমান।</li>
<li>হিলিয়াম (He) একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যার পারমাণবিক ভর হলো <strong>4</strong>।</li>
<li>অ্যাভোগাড্রো সংখ্যা ($6.022 \times 10^{23}$) সংখ্যক অণু মানেই হলো ১ মোল অণু।</li>
<li>সুতরাং, ১ মোল হিলিয়াম পরমাণুর ভর সরাসরি তার পারমাণবিক ভরের সমান, অর্থাৎ <strong>4.00 g</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১ মোল বা অ্যাভোগাড্রো সংখ্যক অণুর ভর মানেই হলো গ্রাম এককে তার পারমাণবিক বা আণবিক ভর। তাই এখানে উত্তরটি হবে <strong>4.00 g</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
রসায়ন ১ম পত্র
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।