<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কালো</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>
<p>বিজ্ঞান অনুযায়ী, কালো রঙ যেকোনো বস্তুর জন্য সবচেয়ে ভালো শোষক এবং ভালো বিকিরণকারী (Good radiator)। এর মানে হলো, কালো রঙের কাপ বাইরের তাপ যেমন দ্রুত শোষণ করে, তেমনি ভেতরকার চায়ের গরম তাপকেও খুব দ্রুত বাইরে ছড়িয়ে দিতে পারে। এই দ্রুত তাপ বিকিরণের ফলেই কালো কাপে চা অন্য যেকোনো রঙের কাপের তুলনায় অনেক তাড়াতাড়ি ঠান্ডা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাকৃতিক গ্যাস</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, আমাদের দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে এবং শিল্প কারখানায় সবচেয়ে বেশি যে খনিজ সম্পদটি ব্যবহার করা হয়, তা হলো এই প্রাকৃতিক গ্যাস। একে আমাদের দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তিও বলা চলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চিনে জোঁক</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'চিনে জোঁক' বাগধারাটির অর্থ হলো নাছোড়বান্দা বা যা সহজে ছাড়াতে চায় না। জোঁক যেমন একবার গায়ে লাগলে সহজে ছাড়তে চায় না, তেমনি কোনো নাছোড়বান্দা লোকও একবার আাঁকড়ে ধরলে সহজে পিছু ছাড়ে না। তাই নাছোড়বান্দা স্বভাব বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লোহা</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—শব্দ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার জন্য মাধ্যমের কণাগুলোর ওপর নির্ভর করে। মাধ্যম যত বেশি ঘন এবং স্থিতিস্থাপক হবে, শব্দের গতি তত বেশি হবে।</p>
<ul>
<li>শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, তাই শূন্যতায় শব্দ চলতেই পারে না।</li>
<li>গ্যাস বা তরল পদার্থের তুলনায় কঠিন পদার্থের অণুগুলো একে অপরের অনেক কাছাকাছি থাকে।</li>
<li>লোহা একটি কঠিন পদার্থ, তাই এর অণুগুলো খুব দ্রুত কম্পন এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পৌঁছে দিতে পারে।</li>
<li>বাতাস বা পানির তুলনায় লোহার ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বেশি হওয়ায় এতে শব্দের গতি সবচেয়ে বেশি হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মাধ্যম যত শক্ত বা ঘন, শব্দ তত দ্রুত দৌড়াতে পারে। তাই কঠিন পদার্থ হিসেবে লোহাই এখানে সেরা মাধ্যম।</p>
<p>জারণ বিক্রিয়াকে খুব সহজে মনে রাখার উপায় হলো <strong>"ছারণ"</strong> বা ইলেকট্রন ছেড়ে দেওয়া। যখন কোনো পরমাণু বা আয়ন ইলেকট্রন ত্যাগ করে, তখন তার জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এই প্রক্রিয়াটিই হলো জারণ।</p>
<ul>
<li><strong>ইলেকট্রন বর্জন:</strong> জারণ মানেই হলো ইলেকট্রন ত্যাগ করা।</li>
<li><strong>সহজ উদাহরণ:</strong> সোডিয়াম ($Na$) একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে সোডিয়াম আয়নে ($Na^+$) পরিণত হয়।</li>
<li>বিক্রিয়াটি হলো: $$Na - e^- \rightarrow Na^+$$</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, কোনো মৌল যখন ইলেকট্রন বর্জন করে ধনাত্মক আয়নে পরিণত হয়, তখন সেই প্রক্রিয়াকে আমরা জারণ বলি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নাইট্রিক অ্যাসিড</strong>। খাঁটি স্বর্ণের সাথে অন্য কোনো ধাতু (যেমন তামা বা রূপা) মিশে আছে কি না, তা পরীক্ষা করার জন্য নাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়। আসল স্বর্ণে নাইট্রিক অ্যাসিডের কোনো প্রভাব পড়ে না, ফলে ভেজাল খুব সহজেই ধরা পড়ে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অ্যানোড</strong>। কারণ রাসায়নিক কোষে জারণ (Oxidation) মানেই হলো ইলেকট্রন ত্যাগ করা।</p>
<ul>
<li>গ্যালভানিক বা তড়িৎ রাসায়নিক কোষে অ্যানোড হলো সেই ইলেকট্রোড, যেখানে জারণ ঘটে এবং ইলেকট্রন নির্গত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, ক্যাথোডে সবসময় বিজারণ বা ইলেকট্রন গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।</li>
</ul>
<p>তাই জারণ প্রক্রিয়া মানেই চোখ বন্ধ করে বলে দেওয়া যায় এটি <strong>অ্যানোড</strong>-এ ঘটে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: জারণ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক দিয়ে এটা মনে রাখতে পারো—<strong>"LEO says GER"</strong> অথবা বাংলায় <strong>"অ্যানোড জারণ ঘটায়"</strong>। যেকোনো তড়িৎ রাসায়নিক কোষে অ্যানোড হলো এমন এক জায়গা যেখানে ইলেকট্রন বর্জন ঘটে। আর রসায়নের নিয়ম অনুযায়ী, ইলেকট্রন বর্জন বা হারিয়ে ফেলা মানেই হলো <strong>জারণ</strong> বিক্রিয়া। তাই অ্যানোডের বিক্রিয়া মানেই চোখ বন্ধ করে জারণ!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌগিক স্বরধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় 'ঐ' এবং 'ঔ'—এই দুটি বর্ণকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা দ্বিস্বর বলা হয়।</li>
<li>এদের যৌগিক বলার কারণ হলো, এগুলো উচ্চারণের সময় দুটি স্বরধ্বনির মিশ্রণ ঘটে। যেমন, 'ঔ' উচ্চারণ করতে গেলে আমরা মূলত <strong>ও + উ</strong> এই দুটি ধ্বনির মিলিত রূপ পাই।</li>
<li>সহজ কথায়, যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় একটি স্বর থেকে অন্য স্বরে যেতে হয়, তাকেই যৌগিক স্বরধ্বনি বলে।</li>
</ul>
১৩
কোনটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ নয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোনার তরী</strong>। কারণ এটি আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা কোনো গ্রন্থ নয়, বরং এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সোনার তরী</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়, যার রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।</li>
<li>নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>ব্যথার দান</strong>, <strong>দোলনচাঁপা</strong> এবং <strong>শিউলি মালা</strong> অত্যন্ত জনপ্রিয়।</li>
<li>পরীক্ষায় গুলিয়ে ফেলা এড়াতে মনে রাখবেন, 'সোনার তরী' মানেই রবীন্দ্রনাথের প্রকৃতি ও দর্শন নির্ভর অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>বিশ্বখ্যাত মোনালিসা চিত্রটির চিত্রকর হলেন <strong>লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি</strong>। এটি মূলত ইতালীয় রেনেসাঁ যুগের এক অনন্য সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li>লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চি ১৫০৩ থেকে ১৫১৯ সালের মধ্যে এই কালজয়ী তৈলচিত্রটি এঁকেছিলেন।</li>
<li>বর্তমানে এটি ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত বিখ্যাত <strong>ল্যুভর মিউজিয়ামে</strong> সংরক্ষিত আছে।</li>
<li>তার এই শিল্পকর্মটি বিশ্বের সবচেয়ে রহস্যময় এবং আলোচিত চিত্রকর্ম হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।