বাংলা ভাষায় উপসর্গ তিন প্রকার। যথা: বাংলা, তৎসম বা সংস্কৃত ও বিদেশি উপসর্গ। বাংলা উপসর্গ ২১টি এবং তৎসম উপসর্গ ২০টি। আ, সু, বি, নি- এ চারটি উপসর্গ বাংলা ও সংস্কৃত উভয় ক্ষেত্রে রয়েছে। 'আনন' শব্দটি সংস্কৃত 'আ' উপসর্গ যোগে গঠিত। এর গঠন হলো: আ + √অন + অন = আনন। 'আঘাটা' শব্দটি বাংলা 'আ' উপসর্গ যোগে গঠিত। এর গঠন হলো: আ + ঘাট = আঘাত > আঘাটা।
বিশেষ্যের পরিবর্তে যে শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে। সর্বনাম সাধারণত ইতোপূর্বে ব্যবহৃত বিশেষ্যের প্রতিনিধি স্থানীয় শব্দ। সুতরাং বিশেষ্যের পরিবর্তে সর্বনাম ব্যবহৃত হয়।
'অক্কা পাওয়া' বাগধারার অর্থ মারা যাওয়া। কেউকেটা, কান পাতলা ও কেতাদুরস্ত বাগধারাট্রয়ের অর্থ যথাক্রমে বিশিষ্ট ব্যক্তি, সব কথাই বিশ্বাস করে যে ও পরিপাটি।
৬৩৮৩
'যে ভিক্ষা চায় তাকে দান কর' এটি কোন বাক্যের উদাহরণ?
একটি পূর্ণ বাক্যে যদি একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ডবাক্য পরস্পর সম্পর্কযুক্ত থাকে, তবে তাকে জটিল বাক্য বলে। যেমন— যে ভিক্ষা চায়, তাকে ভিক্ষা দাও।
যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে বলা হয় তৎপুরুষ সমাস। যেমন- বঙ্গের ভঙ্গ = বঙ্গভঙ্গ, বঙ্গের বন্ধু = বঙ্গবন্ধু, বঙ্গের রাজা = বঙ্গরাজ।
যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কিছুটা বিকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত ও ব্যবহৃত হয়েছে, সেসব শব্দকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। যেমন— গিন্নি, জোছনা, ছেরাদ্দ, বোষ্টম, কুচ্ছিত।
সব ভাষার ব্যাকরণেই প্রধানত চারটি বিষয় আলোচিত হয়। যেমন—১. ধ্বনিব তত্ত্ব (Phonology) ২. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology) ৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax) এবং ৪. অর্থতত্ত্ব (Semantics)।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।