<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাপকের ঠিকানা</strong>। কারণটা খুব সহজ—চিঠি লেখার মূল উদ্দেশ্যই হলো নির্দিষ্ট কারো কাছে নিজের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।</p>
<ul>
<li>চিঠির প্রধান কাজ হলো প্রাপকের কাছে তথ্য বা মনের ভাব পৌঁছানো।</li>
<li>যদি চিঠিতে প্রাপকের ঠিকানাই না থাকে, তবে চিঠিটি কার কাছে যাবে বা কে এটি গ্রহণ করবে, তা নিশ্চিত করা অসম্ভব।</li>
<li>ঠিকানা ছাড়া চিঠি গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে না, ফলে যোগাযোগের পুরো প্রক্রিয়াটিই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই একটি চিঠির কার্যকারিতা নিশ্চিত করতে প্রাপকের সঠিক ঠিকানা থাকাটা সবচেয়ে জরুরি বিষয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সু+আগত</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম অনুযায়ী এটি খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে 'সু' এর সাথে 'আগত' যুক্ত হয়ে 'স্বাগত' শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যখন 'উ' বা 'ঊ' কারের পরে অন্য কোনো স্বরবর্ণ (এখানে 'আ') থাকে, তখন 'উ' বা 'ঊ' পরিবর্তিত হয়ে 'ব' বা 'ব-ফলা' হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>সু + আগত = স্বাগত</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'সু' এর 'উ' এবং 'আগত' এর 'আ' মিলে এখানে <strong>ব-ফলা</strong> তৈরি করেছে, যা শব্দটিকে 'স্বাগত' রূপ দিয়েছে।</p>
৩১৮৩
‘বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী’ এর এক কথায় প্রকাশ -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরপ্রসূ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শব্দটির মধ্যেই এর অর্থ লুকিয়ে আছে:</p>
<ul>
<li><strong>বীর</strong> মানে হলো সাহসী বা বীরত্বপূর্ণ সন্তান।</li>
<li><strong>প্রসূ</strong> শব্দটি এসেছে 'প্রসব করা' বা জন্ম দেওয়া থেকে।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, যে নারী বীর সন্তান জন্ম দেন, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>বীরপ্রসূ</strong>। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'বীর' ও 'প্রসূ'—এই দুটি শব্দ মিলে তৈরি হয়েছে এই বিশেষ পদটি। তাই পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন এলে সরাসরি এই শব্দটিই বেছে নেবেন।</p>
<p>'সিঁথির সিঁদুর' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>শান্তা দেবী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। শান্তা দেবী এবং সীতা দেবী ছিলেন বিখ্যাত সাহিত্যিক রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়ের দুই কন্যা। বাংলা সাহিত্যে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। শান্তা দেবীর লেখা এই উপন্যাসটি তৎকালীন সমাজব্যবস্থা ও পারিবারিক প্রেক্ষাপটকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> শান্তা দেবী</li>
<li><strong>সাহিত্যকর্ম:</strong> সিঁথির সিঁদুর</li>
<li><strong>মনে রাখার টিপস:</strong> শান্তা দেবীর অন্যান্য জনপ্রিয় রচনার সাথে 'সিঁথির সিঁদুর' নামটি মিলিয়ে মনে রাখলে পরীক্ষার হলে দ্রুত উত্তর দেওয়া সহজ হয়।</li>
</ul>
<p>'কাগজের নৌকা' উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>রোমেনা আফাজ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>রোমেনা আফাজ মূলত কিশোর-কিশোরীদের উপযোগী রহস্য ও অ্যাডভেঞ্চারধর্মী সাহিত্য রচনার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>তার লেখা জনপ্রিয় উপন্যাসগুলোর মধ্যে 'কাগজের নৌকা' একটি অন্যতম নাম, যা পাঠকদের কাছে বেশ সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক ও তার সৃষ্টিকর্মের তালিকাটি একবার চোখ বুলিয়ে নিলে এই ধরণের প্রশ্নগুলো খুব সহজেই মনে রাখা সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বর্ণ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা অভিধানে 'হেম' শব্দটি মূলত সোনা বা স্বর্ণের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>'হেম' শব্দের আক্ষরিক অর্থই হলো সোনা বা কাঞ্চন।</li>
<li>কবিতা বা গদ্যে যখনই 'হেম' শব্দটি দেখবেন, ধরে নেবেন এটি উজ্জ্বল কোনো ধাতুর কথা বলছে, আর সেই ধাতুটির নামই হলো <strong>স্বর্ণ</strong>।</li>
</ul>
৩১৮৭
যে সন্ধিগুলো কোনো নিয়ম অনুসারে হয় না এগুলোকে কি বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিপাতনে সন্ধি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে সন্ধি সাধনের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম বা সূত্র থাকে।</li>
<li>কিন্তু কিছু শব্দ আছে যেগুলো কোনো নিয়ম বা ব্যাকরণের ধার ধারে না, অর্থাৎ নিয়ম মেনে চলে না।</li>
<li>এই ব্যতিক্রমী শব্দগুলোকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে সন্ধিগুলো কোনো নিয়ম না মেনে সরাসরি গঠিত হয়, সেগুলোই হলো নিপাতনে সন্ধি। যেমন: 'গ + অক্ষ = গবাক্ষ' বা 'কুল + অটা = কুলটা'—এগুলো কোনো সাধারণ নিয়ম মানে না, তাই এগুলো নিপাতনে সিদ্ধ।</p>
<p>‘মনোযোগ’ শব্দটি <strong>বিসর্গ সন্ধি</strong> নিয়মে গঠিত। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>সন্ধি বিচ্ছেদ করলে আমরা পাই: <strong>মনঃ + যোগ = মনোযোগ</strong>।</li>
<li>এখানে বিসর্গের (ঃ) সাথে 'য' বর্ণের মিলন ঘটেছে।</li>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের পর যদি অঘোষ অল্পপ্রাণ বা ঘোষ বর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি 'ও' কারে পরিণত হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে বিসর্গ লোপ পেয়ে বা পরিবর্তিত হয়ে 'ও' কার হয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মাঝে বিসর্গ থেকে যদি 'ও' কারের সৃষ্টি হয়, তবে চোখ বন্ধ করে সেটাকে বিসর্গ সন্ধি হিসেবে ধরে নিতে পারো।</p>
<p>‘পরিচ্ছেদ’ শব্দটি <strong>ব্যঞ্জন সন্ধি</strong>র নিয়মে গঠিত। এটি খুব সহজেই বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটিকে ভেঙে দেখি:</p>
<ul>
<li>শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায়: $পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ$।</li>
<li>এখানে সন্ধির নিয়মটি হলো, কোনো স্বরধ্বনির পর যদি <strong>'ছ'</strong> থাকে, তবে তার আগে একটি <strong>'চ'</strong> যুক্ত হয়।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'পরি' শব্দের শেষে 'ই' (স্বরধ্বনি) এবং পরে 'ছ' (ব্যঞ্জনধ্বনি) যুক্ত হয়ে নতুন একটি ব্যঞ্জনধ্বনি 'চ' তৈরি করেছে, তাই এটি ব্যঞ্জন সন্ধির অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, স্বরধ্বনির সাথে ব্যঞ্জনধ্বনির মিলনে যখন নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি যুক্ত হয়, তখন তাকে ব্যঞ্জন সন্ধিই বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—আমরা মুখ দিয়ে যা উচ্চারণ করি, তা-ই হলো ধ্বনি। আর এই ধ্বনিকে যখন আমরা লিখে প্রকাশ করি বা কোনো চিহ্নের মাধ্যমে দেখাই, তখন তাকেই বলা হয় <strong>বর্ণ</strong>।</p>
<ul>
<li>মানুষের মুখ থেকে নিঃসৃত অর্থপূর্ণ আওয়াজ হলো <strong>ধ্বনি</strong>।</li>
<li>এই ধ্বনিকে কাগজে বা খাতায় লিখে রাখার জন্য যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তা-ই হলো <strong>বর্ণ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, বর্ণ হলো ধ্বনির লিখিত রূপ বা প্রতীক।</li>
</ul>
৩১৯১
যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় ফুসফুস তাড়িত বাতাস মুখবিবরের কোথাও বাধাপ্রাপ্ত হয় না, তাকে বলা হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বরবর্ণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন কথা বলি, ফুসফুস থেকে আসা বাতাস যখন মুখ বা গলার কোথাও কোনো বাধা ছাড়াই সরাসরি বেরিয়ে আসে, তখন তাকে স্বরধ্বনি বলে।</li>
<li>এই স্বরধ্বনিগুলো লেখার জন্য যে চিহ্ন বা বর্ণ ব্যবহার করা হয়, তাকেই বলা হয় <strong>স্বরবর্ণ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, উচ্চারণের সময় বাতাসের প্রবাহে কোনো বাধা থাকে না বলেই এদের 'স্বর' বা 'মুক্ত' ধ্বনি বলা হয়।</li>
</ul>
৩১৯২
Select the approprite mening of hte word. Opponent
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতিপক্ষ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, 'Opponent' বলতে এমন কাউকে বোঝায় যে কোনো খেলা, বিতর্ক বা লড়াইয়ে আপনার বিপরীতে অবস্থান করে। অর্থাৎ, যারা আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী বা যাদের বিরুদ্ধে আপনি প্রতিযোগিতা করছেন, তাদেরকেই ইংরেজিতে 'Opponent' বলা হয়। তাই বাংলা অর্থ হিসেবে 'প্রতিপক্ষ' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্ব + অধীন</strong>।</p>
<p>শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়:</p>
<ul>
<li>'স্বাধীন' শব্দটিতে প্রথমে রয়েছে 'স্ব' এবং এর সাথে যুক্ত হয়েছে 'অধীন'।</li>
<li>এখানে 'স্ব' এর শেষের 'অ' এবং 'অধীন' এর শুরুর 'অ' মিলে নিয়ম অনুযায়ী আ-কার ($\text{অ} + \text{অ} = \text{আ}$) তৈরি করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, $\text{স্ব} + \text{অধীন} = \text{স্বাধীন}$, যা দীর্ঘ স্বরসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্ব + অধীনতা</strong>।</p>
<p>সন্ধি বিচ্ছেদ করার সময় শব্দটির মূল অর্থ ও গঠন ঠিক রাখতে হয়। 'স্বাধীনতা' শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>স্ব</strong> (নিজের) এবং <strong>অধীনতা</strong> (বশ্যতা বা নিয়ন্ত্রণ)। অর্থাৎ, নিজের অধীনে থাকাই হলো স্বাধীনতা। নিয়ম অনুযায়ী 'স্ব' এর সাথে 'অধীনতা' যুক্ত হয়ে আকারান্ত শব্দ তৈরি করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্ব + ঈর</strong>। খুব সহজে বিষয়টি মনে রাখার শর্টকাট নিয়ম হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অ বা আ-এর পর যদি দীর্ঘ ঈ (ঈ) থাকে, তবে উভয় মিলে ‘ঐ’ কার (ৈ) হয়।</li>
<li>এই সূত্র ধরে, 'স্ব' শব্দের শেষের 'অ' এবং 'ঈর' শব্দের শুরুর 'ঈ' মিলে তৈরি হয় <strong>'স্বৈর'</strong> শব্দ।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক সন্ধিটি হবে: স্ব + ঈর = স্বৈর।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।