<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হরপ্রসাদ রায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা গদ্য সাহিত্যের শুরুর দিকের ইতিহাস পড়লে দেখা যায়, ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে হরপ্রসাদ রায় ছিলেন অন্যতম। তাঁর লেখা <strong>'পুরুষ পরীক্ষা'</strong> গ্রন্থটি মূলত সংস্কৃত ভাষার একটি বিখ্যাত গ্রন্থের অনুবাদ।</p>
<ul>
<li>গ্রন্থটির মূল রচয়িতা ছিলেন বিদ্যাপতি।</li>
<li>হরপ্রসাদ রায় ১৮১৫ সালে এটি বাংলায় অনুবাদ করেন।</li>
<li>বাংলা গদ্যের বিকাশে এই অনুবাদ কর্মটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি <strong>হরপ্রসাদ রায়</strong>-কে বেছে নেবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাদশাহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ফারসি ভাষার শব্দগুলো সাধারণত আমাদের দৈনন্দিন প্রশাসনিক বা রাজকীয় কাজের সাথে সম্পর্কিত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>বাদশাহ</strong> শব্দটি সরাসরি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>ফারসি শব্দ চেনার একটি সহজ উপায় হলো, যেসব শব্দে সাধারণত রাজকীয় পদবি, দিন-তারিখ বা পেশা বোঝায়, তার বেশিরভাগই ফারসি।</li>
<li>যেমন: বাদশা, বেগম, চশমা, দোকান, কারখানা—এগুলো সবই ফারসি শব্দ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার হলে এমন শব্দ দেখলে মনে রাখবেন, রাজকীয় বা প্রশাসনিক ঘরানার শব্দগুলোই মূলত ফারসি হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবন</strong>। কারণ, যে সব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>ভবন</strong> শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে, তাই এটি একটি তৎসম শব্দ।</li>
<li>তৎসম শব্দ চেনার সহজ উপায় হলো, এই শব্দগুলো দেখতে অনেকটা সংস্কৃত বা সাধু ভাষার শব্দের মতো মনে হয় এবং এগুলোতে সাধারণত যুক্তবর্ণের ব্যবহার বেশি থাকে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রেস্তোরাঁ</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে এটি একটি সরাসরি ফরাসি শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রেস্তোরাঁ</strong> শব্দটি ফরাসি শব্দ 'restaurant' থেকে এসেছে।</li>
<li>খাবার বা আহার সংক্রান্ত এই শব্দটি বাংলা ভাষায় দীর্ঘকাল ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে এবং এটি একটি খাঁটি ফরাসি শব্দ হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হতভাগ্য</strong>। বাগধারাটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলেই এর অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li>'আট' মানে এখানে ভাগ্য বা কপালকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>'কপালে' মানে যার কপাল বা ভাগ্য ভালো নয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যার ভাগ্য বা কপাল খারাপ, তাকেই আমরা এক কথায় বলি <strong>হতভাগ্য</strong>।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা মনে রাখার সেরা উপায় হলো শব্দটির আক্ষরিক অর্থের চেয়ে তার অন্তর্নিহিত ভাবার্থটি বোঝা। তাই 'আটকপালে' শুনলেই মাথায় গেঁথে নিন—এর মানেই হলো যার ভাগ্য সহায় নয় বা হতভাগ্য।</p>
<p>‘আটকপালে’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>হতভাগ্য</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘আট’ বলতে এখানে ভাগ্য বা কপাল আটকে যাওয়া বা মন্দ থাকাকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>যাদের কপাল ভালো নয় বা ভাগ্য সহায় হয় না, তাদেরই আমরা চলতি ভাষায় ‘আটকপালে’ বলে থাকি।</li>
<li>অর্থাৎ, যার ভাগ্য খারাপ বা যে ব্যক্তি দুর্ভাগ্যের শিকার, তাকেই এক কথায় <strong>হতভাগ্য</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হজ্জ্ব</strong>। কারণ এটি সরাসরি আরবি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>হজ্জ্ব</strong> শব্দটি আরবি 'হাজ্জ' (حج) থেকে এসেছে, যা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: নামাজ, রোযা, খোদা) মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>তাই ধর্মীয় পরিভাষা হিসেবে হজ্জ্ব শব্দটি আরবি মূলের একটি খাঁটি শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন ধর্মীয় পরিভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই সরাসরি আরবি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>হজ</strong> একটি খাঁটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো 'সংকল্প করা' বা 'ইরাদা করা'।</li>
<li>ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি হলো হজ, যা পবিত্র মক্কা নগরীতে পালন করা হয়।</li>
<li>বাকি শব্দগুলো (নামাজ, রোজা, খোদা) মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে, তাই এগুলো আরবি শব্দ নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধর্মীয় ইবাদত সংক্রান্ত অনেক শব্দের উৎস আরবি হলেও, আমাদের প্রচলিত শব্দগুলোর মধ্যে <strong>হজ</strong>-ই এখানে সঠিক আরবি শব্দ।</p>
<p>‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>হ + ম</strong>। এটি মূলত হ-এর সাথে ম যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে। বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণের গঠন মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো উচ্চারণটি খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>আপনি যখন ‘হ্ম’ শব্দটি উচ্চারণ করেন, তখন খেয়াল করবেন এতে ‘হ’ এবং ‘ম’—এই দুটি বর্ণের ধ্বনিই স্পষ্টভাবে মিশে আছে।</li>
<li>সহজ কথায়: <strong>হ + ম = হ্ম</strong>।</li>
</ul>
<p>যেমন: ব্রাহ্মণ বা ব্রহ্ম শব্দগুলোতে এই যুক্তবর্ণটি ব্যবহৃত হয়। তাই সবসময় মনে রাখবেন, হ-এর নিচে ম যুক্ত থাকলেই তা <strong>হ + ম</strong> হিসেবে গণ্য হবে।</p>
<p>‘ব্রাহ্মণ’ শব্দটিতে যে যুক্তবর্ণটি রয়েছে, তা হলো <strong>হ্ম</strong>। এটি ভাঙলে আমরা পাই <strong>হ</strong> এবং <strong>ম</strong>। অনেকে ভুল করে এটিকে 'ম + হ' মনে করেন, কিন্তু আসলে এটি লেখার সময় 'হ'-এর নিচে 'ম' যুক্ত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শব্দটি উচ্চারণ করলে খেয়াল করবেন, এখানে <strong>হ</strong> ধ্বনিটি আগে আসছে এবং তার সাথে <strong>ম</strong> যুক্ত হচ্ছে।</li>
<li>তাই বর্ণ বিশ্লেষণে সঠিক রূপটি হলো: <strong>হ + ম</strong>।</li>
</ul>
<p>‘হৃ’ যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>হ + ঋ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এখানে ‘হ’ বর্ণের সাথে ‘ঋ’ কার যুক্ত হয়ে ‘হৃ’ গঠিত হয়েছে। নিচে এর গঠন প্রক্রিয়াটি দেওয়া হলো:</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শৈবলিনী, তরঙ্গনী, সরিৎ</strong>। কারণ এই তিনটি শব্দই মূলত 'নদী'-র সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>শৈবলিনী:</strong> যার মধ্যে শৈবাল জন্মে, অর্থাৎ নদী।</li>
<li><strong>তরঙ্গনী:</strong> যার মধ্যে সবসময় তরঙ্গ বা ঢেউ খেলে, তাই নদী।</li>
<li><strong>সরিৎ:</strong> এটি নদীর একটি অতি পরিচিত সংস্কৃত প্রতিশব্দ।</li>
</ul>
<p>এই শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে একই অর্থ বহন করে বলে এগুলো একটি সঠিক সমার্থক শব্দগুচ্ছ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শৈবালিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ</strong>। এই শব্দগুলো মূলত 'নদী'র সমার্থক শব্দ। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>শৈবালিনী:</strong> নদী যেহেতু শৈবাল বা জলজ উদ্ভিদ বহন করে, তাই একে শৈবালিনী বলা হয়।</li>
<li><strong>তরঙ্গিনী:</strong> নদীতে সবসময় ঢেউ বা তরঙ্গ থাকে, তাই এর নাম তরঙ্গিনী।</li>
<li><strong>সরিৎ:</strong> এটি নদীর একটি অতি পরিচিত সংস্কৃত প্রতিশব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো দিয়ে নদীর প্রবাহ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, সেগুলোই এখানে নদীর সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এই তিনটি শব্দই নদীর সমার্থক হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 'ছড়া'কে <strong>মেঘের</strong> সাথে তুলনা করেছেন। এর কারণ হলো, মেঘ যেমন আকাশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ভেসে বেড়ায় এবং কোনো নির্দিষ্ট ধরাবাঁধা নিয়ম মেনে চলে না, ছড়াও ঠিক তেমনি।</p>
<ul>
<li>ছড়া কোনো গম্ভীর বা ভারী বিষয় নয়, বরং এটি হালকা ও চঞ্চল।</li>
<li>মেঘের মতো ছড়াও মানুষের মনের আকাশে আপন খেয়ালে ভেসে বেড়ায়।</li>
<li>এর কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য বা কাঠামোগত বাধ্যবাধকতা নেই, যা একে মেঘের মতোই মুক্ত ও আনন্দময় করে তোলে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।