eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৩১৩৬

'সেক শুভোদয়া' কার লেখা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হলায়ুদ মিশ্র
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হলায়ুদ মিশ্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এই গ্রন্থটি রচিত হয়েছে।</p>

<ul>
<li><strong>সেক শুভোদয়া</strong> মূলত একটি চম্পু কাব্য, যা গদ্য ও পদ্যের সংমিশ্রণে লেখা।</li>
<li>এই গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে <strong>হলায়ুদ মিশ্র</strong>-এর নামই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
<li>এটি মূলত রাজা লক্ষণ সেনের সভাকবি হিসেবে হলায়ুদ মিশ্রের পরিচয় এবং তৎকালীন সময়ের বিভিন্ন ঘটনার সংকলন হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি সরাসরি মনে রাখলেই চলবে যে, সেক শুভোদয়া মানেই হলায়ুদ মিশ্রের সৃষ্টি।</p>
৩১৩৭

'Affidavit' শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হলফনামা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হলফনামা</strong>। বিষয়টি বেশ সহজ, আইনি বা দাপ্তরিক কাজে যখন কোনো ব্যক্তি লিখিতভাবে শপথ নিয়ে কোনো তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন, তখন তাকেই ইংরেজিতে 'Affidavit' বলা হয়। বাংলায় এর প্রচলিত ও দাপ্তরিক পরিভাষা হলো হলফনামা।</p>

<ul>
<li><strong>হলফ</strong> মানে হলো শপথ বা প্রতিজ্ঞা।</li>
<li><strong>নামা</strong> মানে হলো দলিল বা লিখিত কোনো কাগজ।</li>
<li>অর্থাৎ, শপথপূর্বক যে লিখিত দলিল তৈরি করা হয়, সেটিই হলো <strong>হলফনামা</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো বিষয়ে সত্যতা প্রমাণের জন্য যখন আমরা আইনি কাগজে স্বাক্ষর করে হলফ করি, তখনই তাকে হলফনামা বা Affidavit বলা হয়।</p>
৩১৩৮

‘কিরণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রভা
ব্যাখ্যা:
<p>‘কিরণ’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>প্রভা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ কিরণ বলতে আমরা সাধারণত আলো বা রশ্মিকে বুঝি।</p>

<ul>
<li>‘কিরণ’ শব্দের অর্থ হলো আলো, রশ্মি, জ্যোতি বা আভা।</li>
<li>অন্যদিকে, ‘প্রভা’ শব্দটির অর্থও হলো দীপ্তি বা আলোর ছটা।</li>
<li>তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘প্রভা’ একদম সঠিক।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর উজ্জ্বলতা বা আলোকচ্ছটা বোঝাতে আমরা কিরণ বা প্রভা শব্দ দুটি ব্যবহার করে থাকি।</p>
৩১৩৯

প্রথম বিয়গান্ত নাটক--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কীর্ত্তিবিলাস
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিয়োগান্ত নাটক হলো <strong>কীর্ত্তিবিলাস</strong>। এটি রচনা করেছিলেন যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>কীর্ত্তিবিলাস</strong> নাটকটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এটিই প্রথম নাটক যেখানে ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক রসের সার্থক প্রয়োগ দেখা যায়।</li>
<li>এর আগে বাংলা নাটকগুলো মূলত পৌরাণিক বা হাস্যরসাত্মক ধাঁচের হতো, তাই বিয়োগান্তক ধারার সূচনা হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
৩১৪০

‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি সরাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ এই চরণদ্বয়ের লেখক-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মদনমোহন তর্কালঙ্কার
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মদনমোহন তর্কালঙ্কার</strong>। ছোটবেলার পাঠ্যবইয়ের সেই চিরচেনা ছড়াটি আমাদের সবারই মনে থাকার কথা।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>এই বিখ্যাত ছড়াটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের লেখা <strong>'শিশুশিক্ষা'</strong> নামক বইয়ের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>বাংলা শিশুসাহিত্যের বিকাশে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের অবদান অনস্বীকার্য, তাই এই লাইনগুলো দেখলেই সরাসরি তাঁর নাম মনে রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ছোটবেলার নীতিশিক্ষামূলক ছড়া বললেই আমাদের মাথায় সবার আগে মদনমোহন তর্কালঙ্কারের নামটাই আসা উচিত।</p>
৩১৪১

চন্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মানিক দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>চন্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি হলেন <strong>মানিক দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মঙ্গলকাব্যের ধারায় চন্ডীমঙ্গলের আদি কবি হিসেবে তাঁর নাম বিশেষভাবে পরিচিত।</p>

<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে চন্ডীমঙ্গল কাব্যের কাহিনী বিন্যাসে মানিক দত্তই প্রথম হাত দিয়েছিলেন।</li>
<li>যদিও তাঁর কাব্যের সম্পূর্ণ অংশ পাওয়া যায়নি, তবুও সাহিত্য সমালোচকদের মতে তিনিই এই ধারার পথপ্রদর্শক।</li>
<li>পরবর্তীকালে মুকুন্দরাম চক্রবর্তী এই কাব্যধারাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে নিয়ে গেলেও, ঐতিহাসিকভাবে মানিক দত্তই চন্ডীমঙ্গলের প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
৩১৪২

‘হাকন্দ পূরাণ’ গ্রন্থটি কার রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ময়ূর ভট্ট
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ময়ূর ভট্ট</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের ধর্মমঙ্গল কাব্যের অন্যতম প্রধান কবি হলেন ময়ূর ভট্ট।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ধর্মমঙ্গল কাব্যের আদি কবি হিসেবে ময়ূর ভট্টের নাম বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>‘হাকন্দ পূরাণ’ বা ‘ধর্মপুরাণ’ মূলত ধর্মঠাকুরের মাহাত্ম্য নিয়ে রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>ঐতিহাসিক ও সাহিত্যিক তথ্যানুযায়ী, এই গুরুত্বপূর্ণ কাব্যটি ময়ূর ভট্টেরই সৃষ্টি।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি সরাসরি তথ্যমূলক প্রশ্ন, তাই কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত এই কাব্যগ্রন্থটির নাম একসাথে মনে রাখলেই চলবে।</p>
৩১৪৩

চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মানিক দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার প্রথম কবি হলেন <strong>মানিক দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারায় চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, এই ধারার আদি কবি হিসেবে মানিক দত্তের নামই সর্বজনস্বীকৃত।</p>

<ul>
<li>চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রাচীনতম কবি হিসেবে মানিক দত্তকে গণ্য করা হয়।</li>
<li>যদিও তাঁর কাব্যের সম্পূর্ণ পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায়নি, তবুও বিভিন্ন তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে তাঁকে এই ধারার প্রথম কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>মুকুন্দরাম চক্রবর্তী বা ঘনরাম পরবর্তী সময়ের কবি, তাই তাঁদের নাম এখানে সঠিক নয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চণ্ডীমঙ্গল কাব্যধারার সূচনা হয়েছিল <strong>মানিক দত্তের</strong> হাত ধরেই।</p>
৩১৪৪

'মৃগাঙ্ক' শব্দটির অর্থ হল----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চন্দ্র
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্র</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>'মৃগ' শব্দের অর্থ হলো হরিণ।</li>
<li>পৌরাণিক বিশ্বাস অনুযায়ী, চাঁদের গায়ে যে দাগ দেখা যায়, তা দেখতে অনেকটা হরিণের মতো।</li>
<li>তাই কবিরা চাঁদকে ভালোবেসে 'মৃগাঙ্ক' বা 'হরিণের চিহ্নযুক্ত' বলে সম্বোধন করেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মৃগ (হরিণ) + অঙ্ক (চিহ্ন) = মৃগাঙ্ক, যার অর্থ হলো চাঁদ।</p>
৩১৪৫

‘মৃগরাজ’ শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সিংহ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সিংহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>

<p>‘মৃগ’ শব্দের সাধারণ অর্থ হলো হরিণ বা বন্য পশু, আর ‘রাজ’ মানে হলো রাজা। অর্থাৎ, বন্য পশুর রাজা বা পশুরাজ হিসেবে সিংহকে বোঝানো হয়। তাই ‘মৃগরাজ’ বললেই আমরা এক কথায় সিংহকে বুঝি।</p>

<ul>
<li><strong>মৃগ</strong> = পশু</li>
<li><strong>রাজ</strong> = রাজা</li>
<li><strong>মৃগরাজ</strong> = পশুর রাজা বা <strong>সিংহ</strong></li>
</ul>
৩১৪৬

'মৃগয়া' শব্দের অর্থ--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হরিণ শিকার
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হরিণ শিকার</strong>।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজ। বাংলা ব্যাকরণ ও শব্দার্থের নিয়ম অনুযায়ী:</p>

<ul>
<li>'মৃগ' শব্দের অর্থ হলো হরিণ।</li>
<li>'গয়া' বা 'গয়' ধাতু থেকে আসা এই শব্দটি মূলত শিকারের সাথে সম্পর্কিত।</li>
<li>তাই আভিধানিক অর্থে 'মৃগয়া' বলতে বিশেষভাবে <strong>হরিণ শিকার</strong> বা সাধারণভাবে শিকার করাকে বোঝায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, প্রাচীনকালে রাজারা যে শিকারের নেশায় বনে যেতেন, তাকেই এক কথায় বলা হতো মৃগয়া।</p>
৩১৪৭

‘চর্যাপদ ’কোন ধর্মাবলম্বীদের সাহিত্য?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সহজিয়া বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সহজিয়া বৌদ্ধ</strong>। চর্যাপদ মূলত পাল আমলে রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, যা তৎকালীন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন-ভজনের গান হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>সহজ কথায় বিষয়টি মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের পদকর্তারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের <strong>সহজিয়া বা তান্ত্রিক</strong> শাখার অনুসারী।</li>
<li>তারা তাদের সাধনমার্গের জটিল তত্ত্বগুলো সহজ ভাষায় সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এই পদগুলো রচনা করেছিলেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক বিচারে চর্যাপদকে <strong>বৌদ্ধ সহজিয়া সম্প্রদায়ের</strong> সাধন সংগীত বা ধর্মীয় সাহিত্য হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৩১৪৮

চর্যার ধর্ম নিয়ে প্রথম আলোচনা করেন--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>চর্যাপদ আবিষ্কৃত হওয়ার পর এর ভাষা ও ধর্মতত্ত্ব নিয়ে গবেষণায় যারা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের মধ্যে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ অন্যতম।</li>
<li>তিনিই প্রথম স্পষ্টভাবে চর্যার ধর্মমত বা এর অন্তর্নিহিত বৌদ্ধ সহজিয়া মতবাদ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও বিশ্লেষণ করেন।</li>
<li>তার এই গবেষণামূলক কাজ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের ধর্মীয় প্রেক্ষাপট বুঝতে আমাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করে।</li>
</ul>
৩১৪৯

চর্যাপদ তিব্বতি ভাষায় কে অনুবাদ করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কীর্তিচন্দ্ৰ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কীর্তিচন্দ্ৰ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদের ইতিহাস ঘাঁটলে আমরা এই নামটিরই দেখা পাই।</p>

<ul>
<li>চর্যাপদ আবিষ্কারের পর এর তিব্বতি অনুবাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতি ভাষায় এই অনুবাদটি সম্পন্ন করেছিলেন <strong>কীর্তিচন্দ্ৰ</strong>।</li>
<li>মূলত তিব্বতি ভাষায় সংরক্ষিত পুঁথির মাধ্যমেই চর্যাপদের অনেক রহস্য উন্মোচিত হয়েছে, আর এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করেছিলেন তিনি।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই নামটা একদম মুখস্থ করে রাখা ভালো, কারণ এটি চর্যাপদের গবেষণায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</p>
৩১৫০

চর্যাগীতি আবিষ্কার করেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন <strong>চর্যাপদ</strong> বা চর্যাগীতি আবিষ্কারের কৃতিত্ব পুরোপুরি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর।</li>
<li>তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি 'হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদ মানেই হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম। এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হওয়ার সুযোগ নেই!</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।