<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্পাদকের বরাবর</strong>।</p>
<p>যেকোনো সংবাদপত্রে সাধারণ মানুষের মতামত, সমস্যা বা কোনো আবেদন প্রকাশের জন্য চিঠি বা লেখাটি সবসময় সেটির <strong>সম্পাদক</strong> (Editor)-এর ঠিকানায় পাঠাতে হয়। কারণ, পত্রিকার নীতি নির্ধারণ এবং ভেতরের পাতা বা সম্পাদকীয় বিভাগে কী প্রকাশ পাবে, তা চূড়ান্ত করার মূল দায়িত্ব সম্পাদকেরই থাকে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ + লাপ</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়ম দিয়ে এটা মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ম্ (ম) এর পরে অন্তস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) বা উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) থাকলে 'ম্' স্থানে অনুস্বার (ং) হয়।</li>
<li>উল্টোভাবে, অনুস্বার (ং) যুক্ত কোনো শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ করতে হলে অনুস্বার-এর জায়গায় একটি হস্-চিহ্নযুক্ত ম্ (<string>সম্</string>) বসাতে হয়।</li>
<li>এই নিয়মে <string>সং + লাপ</string> না হয়ে সঠিক রূপটি হয় <string>সম্ + লাপ</string>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ + বাদ</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ম্ (ম-হসন্ত) এর পর যদি ব-ফলা বা ব থাকে, তবে ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হয়।</p>
<ul>
<li>ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুসারে: <strong>সম্ + বাদ = সংবাদ</strong>।</li>
<li>এখানে 'সম্' উপসর্গের ম্ পরিবর্তিত হয়ে অনুস্বার রূপ ধারণ করেছে এবং 'বাদ' শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ + গীত</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ নিয়ম আছে— ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ম্ (ম-হসন্ত) এর পরে যদি ক থেকে ম পর্যন্ত যেকোনো স্পর্শ বর্ণ থাকে, তবে ম্ বদলে অনুস্বার (ং) হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li>বিচ্ছেদ করার সময় অনুস্বার (ং) স্থানে একটি হসন্তযুক্ত 'ম্' বসে।</li>
<li>তাই <strong>সংগীত</strong> শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই <strong>সম্ + গীত</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ + রাট</strong>।</p>
<p>ব্যঞ্জনসন্ধির একটি সহজ নিয়ম অনুযায়ী, ম্ (ম) এর পরে যদি অন্তঃস্থ ধ্বনি (য, র, ল, ব) বা উষ্ম ধ্বনি (শ, ষ, স, হ) থাকে, তবে ম্-এর জায়গায় অনুস্বার (ং) কিংবা পদের শেষ ম্-এর জায়গায় 'ম্ন' বা অনুস্বার হয়। এই নিয়ম মেনে <strong>সম্</strong> এর সাথে <strong>রাট</strong> যুক্ত হয়ে তৈরি হয় <strong>সম্রাট</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্ + √ধা + ই</strong>। কারণ 'সন্ধি' শব্দটি ব্যাকরণগত নিয়মে বিশ্লেষণ করলে এর মূল প্রত্যয় ও উপসর্গগুলো এভাবে ভাঙ <strong>সম্</strong> উপসর্গ, <strong>√ধা</strong> ধাতু এবং <strong>ই</strong> প্রত্যয় মিলে গঠিত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম+কার</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম দিয়ে এটা মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, দন্ত্য 'স'-এর আগে যদি ম-সদৃশ কিছু থাকে কিংবা 'সম' উপসর্গ থাকে, তবে সন্ধি করার সময় সেই 'ম' স্থানে অনুস্বার ($\cdot$) বা ম-য়ে পরিণত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>সম + কার</strong> মিলে তৈরি হয় <strong>সংস্কার</strong>। এখানে 'সম' উপসর্গ যোগ হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাখি</strong>।</p>
<p>'বিহঙ্গ' একটি সংস্কৃত শব্দ যার প্রচলিত অর্থ হলো পক্ষী বা পাখি। বাংলায় পাখি বোঝাতে এই সুন্দর ও কাব্যিক শব্দটি বেশ ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জল</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখতে পারেন যে, বাংলা সাহিত্যে ও কাব্যে জলের সমার্থক শব্দ হিসেবে 'নীর' শব্দটি বহুল ব্যবহৃত হয়। যেমন—নীরদ (জল দেয় যে বা মেঘ), নীরধি (জলধি বা সমুদ্র)। তাই 'নীর' দেখলে চোখ বন্ধ করে জলের কথা মাথায় এনে ফেলতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমুদ্র</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার একটি উপায় হলো— বাংলা সাহিত্যে ও সাধারণ জ্ঞানে 'অর্ণব' শব্দটি জলরাশি বা সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়। তাই চোখ বন্ধ করে এর অর্থ হিসেবে সমুদ্রকে বেছে নেওয়া যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমুদ্র</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা টেকনিক মনে রাখতে পারো— 'অর্ণব' শব্দের অর্থ হলো জলরাশি বা পারাবার। বাংলা ব্যাকরণে অর্ণব, পারাবার, রত্নাকর, বারিধি—এসব শব্দ সমুদ্রের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই চোখ বন্ধ করে সঠিক উত্তর হবে সমুদ্র!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্থাবর</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার টেকনিক হলো, 'জঙ্গম' মানে যা চলতে বা নড়াচড়া করতে পারে (যেমন চলমান), আর এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ হলো যা এক জায়গায় স্থির বা আবদ্ধ থাকে, অর্থাৎ <strong>স্থাবর</strong>। পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দার্থ ও বিপরীত শব্দ দ্রুত মনে রাখতে জোড়া শব্দ হিসেবে মাথায় রাখতে পারো—জঙ্গম ও স্থাবর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবাহিণী</strong>। কারণটা খুব সহজ—</p>
<ul>
<li>জলধি, সিন্ধু এবং সমুদ্র—এই তিনটি শব্দই মূলত সাগর বা সমুদ্রের সমার্থক শব্দ, যার বিশাল জলরাশি স্থির থাকে।</li>
<li>পক্ষান্তরে, <strong>প্রবাহিণী</strong> বলতে বোঝায় যা প্রতিনিয়ত প্রবাহিত হয়, অর্থাৎ নদী বা স্রোতস্বিনী।</li>
<li>তাই অর্থগত দিক থেকে বাকিগুলোর চেয়ে এটি সম্পূর্ণ আলাদা।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।