<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: গোপনে কু-পরামর্শ দেয়া</strong>।</p>
<p>খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>কলকাঠি</strong> শব্দটা দিয়ে সাধারণত কোনো অসৎ উদ্দেশ্যে পেছন থেকে চাল চালার বিষয়টি বোঝানো হয়।</li>
<li>কাউকে সামনাসামনি ভালো কথা না বলে, আড়ালে থেকে খারাপ বুদ্ধি বা প্ররোচনা দেওয়াকেই মূলত <strong>‘কলকাঠি নাড়া’</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমস্যমান পদ</strong>। কারণ, সমাসের নিয়ম অনুযায়ী যে পদগুলো মিলে সমস্তপদ গঠিত হয়, সেই প্রতি Weটি পদকেই আলাদাভাবে সমস্যমান পদ বলা হয়। যেমন—'সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন', এখানে 'সিংহ' ও 'আসন' প্রত্যেকেই এক একটি সমস্যমান পদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমস্যমান পদ</strong>। কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সমাসবদ্ধ করার জন্য যেসব পদ মিলে ব্যাসবাক তৈরি হয়, সেই ব্যাসবাক্যের ভেতরের প্রতিটি আলাদা পদকেই বলা হয় <strong>সমস্যমান পদ</strong>।</li>
<li>যেমন— 'সিংহ চিহ্নিত আসন' = 'সিংহাসন'। এখানে 'সিংহ' এবং 'আসন' আলাদাভাবে এক একটি সমস্যমান পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পূর্বপদ</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>দ্বিগু সমাসে সমাহার বা মিলন বোঝাতে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে।</li>
<li>এখানে প্রথম পদটি একটি সংখ্যাবাচক শব্দ এবং এটিই সমস্ত পদের মূল ভাব বা অর্থ নির্ধারণ করে।</li>
<li>তাই ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এখানে <strong>পূর্বপদ</strong>-এর অর্থই প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংখ্যাবাচক বিশেষ্য</strong>।</p>
<p>দ্বিগু সমাস খুব সহজেই চেনার দারুণ একটা উপায় হলো এর গঠন। এই সমাসে:</p>
<ul>
<li>পূর্বপদটি সবসময় একটি <strong>সংখ্যাবাচক শব্দ</strong> বা সংখ্যা প্রকাশ করে।</li>
<li>পরপদটি বিশেষ্য পদ হয় এবং সমাসবদ্ধ হয়ে এটি একটি সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়।</li>
</ul>
<p>যেমন— তিন মাথার সমাহার = তিম মাথা (ত্রিমুখী), বা পঞ্চ বাণীর সমাহার = পঞ্চবটী। তাই দেখলেই বুঝবেন, যেখানেই সংখ্যা দিয়ে সমাস শুরু, সেটাই দ্বিগু সমাস!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমস্ত পদ</strong>। কারণ সমাসের প্রক্রিয়ায় একাধিক পদ মিলে একপদী হওয়ার পর যে নতুন পদটি তৈরি হয়, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় সমস্ত পদ বলা হয়।</p>
<ul>
<li>একাধিক পদের মিলনকে বলা হয় সমাস।</li>
<li>এই মিলনের ফলে তৈরি হওয়া সম্পূর্ণ নতুন পদটি হলো <strong>সমস্ত পদ</strong> বা সমাসবদ্ধ পদ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তদানিং</strong>। কারণ 'ইদানিং' শব্দের অর্থ হলো বর্তমান কাল বা সাম্প্রতিক সময়। এর ঠিক বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে 'তদানিং' শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যার অর্থ সেকাল, সেই সময় বা প্রাচীনকাল।</p>
৩৫৪৮
রক্তে রক্তে লেপন করিয়া যে যুদ্ধ কোন বহুব্রীহি সমাস?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যতিহার</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন—</p>
<ul>
<li><strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি</strong> সমাসের ক্ষেত্রে কোনো কাজের মধ্যে পারস্পরিক বা ক্রিয়ার বিনিময় বোঝায়।</li>
<li>যেমন: রক্তে রক্তে যে যুদ্ধ = রক্তারক্তি বা রক্তে রক্তে লেপন করিয়া যে যুদ্ধ। এখানে একই কাজের আদান-প্রদান বা পুনরাবৃত্তি প্রকাশ পাচ্ছে।</li>
<li>তাই পারস্পরিক অর্থে এটি নিশ্চিতভাবেই ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমরেশ বসু</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক সমরেশ বসু তাঁর গভীর জীবনমুখী ও সমাজসচেতন উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। তিনি লেখালেখির জগতে আত্মপ্রকাশের জন্য <strong>‘কালকূট’</strong> এবং ‘ভ্রমর’ ছদ্মনাম দুটি ব্যবহার করতেন। বিশেষ করে তাঁর ভ্রমণকাহিনি ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসগুলো ‘কালকূট’ নামেই বেশি পরিচিতি লাভ করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমর সেন</strong>।</p>
<p>বাংলা কবিতায় আধুনিক শহুরে জীবন, যান্ত্রিকতা, মধ্যবিত্তের হতাশা ও ক্লান্তি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন তিনি। নগরজীবনের নানা বৈচিত্র্য এবং এর না বলা কথাগুলো তার কবিতায় দারুণভাবে প্রকাশ পেয়েছে বলেই তাকে মূলত <strong>‘নাগরিক কবি’</strong> উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুধীন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। আধুনিক বাংলা কবিতার বুদ্ধিবাদী ধারার অন্যতম প্রধান কবি সুধীন্দ্রনাথ দত্ত তাঁর ধ্রুপদী শিল্পরীতি, নিখুঁত শব্দচয়ন এবং গভীর মননশীলতার জন্য বাংলা সাহিত্যে <strong>‘ক্লাসিক কবি’</strong> হিসেবে পরিচিত ও সমাদৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মসৃণ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার জন্য, 'বন্ধুর' শব্দটির প্রচলিত এবং সরাসরি বিপরীতার্থক অর্থ হলো যা অসমান বা এবড়োখেবড়ো নয়, বরং সমান বা মসৃণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমক্ষ</strong>।</p>
<p>বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, চোখের সামনে বা চোখের কাছাকাছি কোনো কিছু বোঝাতে <strong>'অক্ষির সমীপে'</strong>-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে <strong>সমক্ষ</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। এখানে 'অক্ষি' মানে চোখ আর 'সমীপ' মানে কাছে বা সামনে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সম+কৃত</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়মের মাধ্যমে এটি মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত শব্দটি মূলত ব্যঞ্জনসন্ধির <strong>‘সম’</strong> উপসর্গের নিয়ম মেনে গঠিত হয়।</li>
<li>সংস্কৃত শব্দের ক্ষেত্রে ‘সম’ উপসর্গের পরে ‘কৃত’ ধাতু থাকলে, সম-এর ‘ম’ স্থানে অনুস্বার ($\text{ং}$) হয় এবং তার ঠিক পরেই একটি অতিরিক্ত দন্ত-স ($\text{ส}$) বা মূর্ধন্য-ষ ($\text{ষ}$) আগমন ঘটে।</li>
<li>অর্থাৎ, সহজ কথায় — <strong>সম + কৃত = সংস্কৃত</strong>।</li>
</ul>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।