<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমুদয় ভাবই অক্ষুণ্ন রাখতে হবে</strong>। কারণ, কোনো রচনা বা সারমর্ম লেখার সময় মূল রচনার ভেতরের সব গুরুত্বপূর্ণ বা সহযোগী ভাবগুলো যেন বাদ না পড়ে, সেদিকে কঠোর নজর রাখতে হয়। মূল লেখার ভাব ঠিক রেখে তবেই কাজ করতে হয়, তাই সব ভাব অক্ষুণ্ন রাখাই আসল নিয়ম।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ আমাদের একান্ত কাম্য</strong>—বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।</p>
<p>বাক্যটিতে পদবিন্যাস, বানান এবং অর্থের দিক থেকে কোনো ভুল নেই। 'সমৃদ্ধ' শব্দের সাথে 'শালী' প্রত্যয় যোগে গঠিত 'সমৃদ্ধশালী' শব্দটি এখানে সুন্দর ও নির্ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা মনের ভাব সম্পূর্ণ ও সাবলীলভাবে প্রকাশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাবক</strong>। অগ্নি শব্দটির একটি বহুল পরিচিত সমার্থক বা প্রতিশব্দ হলো পাবক। এছাড়া আগুন, অনল, দহন, বহ্নি ইত্যাদিও অগ্নির সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রশ্ন দেখলেই যেন চটজলদি উত্তরটা মাথায় আসে, তাই এই নামগুলো একটু মনে রেখেই চলবে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্তরীক্ষ</strong>। কারণ 'আকাশ' শব্দের বেশ কয়েকটি সমর্থক বা প্রতিশব্দ রয়েছে, যার মধ্যে 'অন্তরীক্ষ' অন্যতম। এর মানে হলো শূন্য বা গগন, যা সরাসরি আকাশকেই বোঝায়। খুব সহজে মনে রাখার জন্য আকাশ, আসমান, গগন, ব্যোম ও অন্তরীক্ষ—সবগুলোই সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইশতেহার</strong>। কোনো রাজনৈতিক দল, সংস্থা বা প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, লক্ষ্য এবং কর্মপন্থা জনসমক্ষে প্রকাশ করার জন্য যে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়, তাকেই ইংরেজিতে <strong>Manifesto</strong> এবং বাংলায় <strong>ইশতেহার</strong> বলা হয়। তাই সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া খুবই সহজ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমীচীন</strong>। বানানটি মনে রাখার একটা দারুণ সহজ কৌশল হলো—এই শব্দের দু'টি 'ী' (দীর্ঘী-কার) এবং একটি 'ণ' (মূর্ধন্য-ণ) থাকে। অর্থাৎ, শুরুতে 'স' এর সাথে দীর্ঘী-কার ($ী$), মাঝে 'চ' এর সাথেও দীর্ঘী-কার ($ী$) এবং শেষে মূর্ধন্য-ণ ($ণ$) ব্যবহার করতে হয়। একটু খেয়াল রাখলেই এই বানানটি আর কখনো ভুল হবে না!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: কিংবর্তব্যবিমূঢ়</strong>।</p>
<p>বানানটি ভালোভাবে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, 'কিংকর্তব্যবিমূঢ়' বা 'কিংবর্তব্যবিমূঢ়' শব্দটিতে বানানের সঠিক রূপটি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ব্যঞ্জনবর্ণের সঠিক ব্যবহার হয়েছে। অন্যান্য অপশনগুলোতে যেমন মুমুর্ষু (সঠিক হবে মুমূর্ষু), মুহুর্তু (সঠিক হবে মুহূর্ত) এবং সমিচীন (সঠিক হবে সমীচীন) বানানে ভুল রয়েছে। তাই ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী এখানে 'কিংবর্তব্যবিমূঢ়' বানানটিই সম্পূর্ণ শুদ্ধ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমীচীন</strong>। বানানটি মনে রাখার একটা দারুণ সহজ কৌশল হলো— এই শব্দের শুরুতে এবং মাঝে দুই জায়গাতেই দীর্ঘ ঈ-কার ($\text{ঈ}$) এবং শেষের দিকে হ্রস্ব ই-কার ($\text{ই}$) বসে। অর্থাৎ, প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ-ই ($\text{ী}$) এবং শেষ বর্ণে হ্রস্ব-ই ($\text{ি}$) ব্যবহার করে শব্দটি লিখতে হয়। তাই নির্ভুল বানান হিসেবে সবসময় 'সমীচীন' রূপটিই বেছে নিতে হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গের</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li><strong>উপসর্গ</strong> নিজে স্বাধীনভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করতে পারে না (অর্থাৎ এদের নিজস্ব কোনো অর্থবাচকতা নেই)।</li>
<li>কিন্তু এগুলো যখন কোনো শব্দের আগে বসে, তখন নতুন অর্থ তৈরি করে বা শব্দের অর্থের চমৎকার পরিবর্তন ঘটায় (এটাই হলো অর্থদ্যোতকতা)।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপসর্গের</strong>। বিষয়টি খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারো:</p>
<ul>
<li><strong>অর্থবাচকতা:</strong> স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হলে যে শব্দ বা ধ্বনির নিজস্ব অর্থ প্রকাশ পায়, তাকে অর্থবাচকতা বলে। যেমন—উপসর্গের নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ নেই, তবে এরা অন্য শব্দের আগে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</li>
<li><strong>অর্থদ্যোতকতা:</strong> স্বাধীনভাবে কোনো অর্থ প্রকাশ করতে না পারলেও, অন্য শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অর্থের দ্যোতনা বা বিশেষ ভাব সৃষ্টি করার ক্ষমতাকে অর্থদ্যোতকতা বলে।</li>
<li>তাই বাংলা ব্যাকরণে <strong>উপসর্গ</strong> ও <strong>অনুসর্গ</strong>-এর নিজস্ব কোনো স্বাধীন অর্থ বা অর্থবাচকতা নেই (এরা একা একা বসলে কোনো অর্থ প্রকাশ করে না), কিন্তু শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি বা অর্থের পরিবর্তন ঘটায়, অর্থাৎ এদের অর্থদ্যোতকতা রয়েছে। তবে বিশেষভাবে ব্যাকরণগত সংজ্ঞায় <strong>উপসর্গের</strong> ক্ষেত্রেই এই বৈশিষ্ট্যটি সবচেয়ে নিখুঁতভাবে প্রযোজ্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মৌলিক শব্দের</strong>।</p>
<p>কারণ মৌলিক শব্দগুলো ভাষা ব্যবহারের শুরু থেকেই নির্দিষ্ট কিছু অর্থ বহন করে আসে এবং এগুলোকে ভেঙে ছোট করা বা অন্য কোনো সমার্থক শব্দ দিয়ে সহজে প্রতিস্থাপন করা যায় না। এগুলো এতটাই আদি ও সহজ যে এদের বিকল্প বা প্রতিশব্দ তৈরি করা বেশ কঠিন কাজ।</p>
৩৫২৩
ধাতুর পরে কৃৎ প্রত্যয় যোগ হয়ে যে শব্দ গঠিত হয় তাকে বলা হয়-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃদন্ত শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>ধাতু</strong> (ক্রিয়ার মূল) বা কৃৎ-এর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হলে তাকে <strong>কৃৎ প্রত্যয়</strong> বলে।</li>
<li>আর এই কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত নতুন শব্দটিকে বলা হয় <strong>কৃদন্ত শব্দ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ক্রিয়াপদের মূলের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে শব্দ তৈরি হয়, সেটাই কৃদন্ত শব্দ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাসবদ্ধ</strong> পদ। কারণ 'ঘোড়াড্ডিম' একটি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার ব্যাসবাক্য হলো 'ঘোড়ার ডিম' (ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস)। এর অর্থ অসম্ভব বস্তু বা অবাস্তব কল্পনা। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একাধিক পদ মিলে যখন একটি নতুন পদ তৈরি হয়, তাকে সমাসবদ্ধ শব্দ বলে।</p>
৩৫২৫
যে শব্দ বিশ্লেষণ করলে একাধিক মৌলিক বা সাধিত শব্দ পাওয়া যায়, তাকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমাস নিস্পন্ন শব্দ</strong>। খুব সহজে বিষয়টি এভাবে মনে রাখতে পারো—</p>
<ul>
<li>'সমাস' শব্দের অর্থ সংক্ষেপ বা মিলন।</li>
<li>একাধিক পদ বা শব্দ মিলে যখন একটি নতুন শব্দ তৈরি হয় এবং তাকে বিশ্লেষণ করলে সেই মূল শব্দগুলো পাওয়া যায়, তখন তাকে সমাস নিস্পন্ন শব্দ (বা সমস্ত পদ) বলা হয়।</li>
<li>যেমন: 'সিংহ চিহ্নিত আসন' = 'সিংহাসন'। একে ভাঙলে আমরা একাধিক মৌলিক বা সাধিত শব্দ পেয়ে যাই।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।