<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রথম ১০টি চরণ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা 'আমার সোনার বাংলা' কবিতাটি মোট ২৫টি চরণের একটি দীর্ঘ কবিতা। এর মধ্যে থেকে শুধুমাত্র শুরুর অংশটুকু আমাদের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>জাতীয় সঙ্গীতের জন্য কবিতাটির <strong>প্রথম ১০টি চরণ</strong> নির্বাচন করা হয়েছে।</li>
<li>এই অংশটুকু আমাদের জাতীয় পতাকার সাথে তাল মিলিয়ে সুর ও ছন্দের এক অনন্য মেলবন্ধন তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য সবসময় মনে রাখবেন, পুরো কবিতা নয়, বরং শুরুর ১০টি চরণই আমাদের জাতীয় সঙ্গীত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রয়েল বেঙ্গল টাইগার</strong>। বিষয়টি খুবই সহজ এবং আমাদের সাধারণ জ্ঞানের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<ul>
<li>সুন্দরবনের গহীন অরণ্যে বাস করা এই রাজকীয় প্রাণীটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যের প্রতীক।</li>
<li>এর শক্তি, সাহস এবং অনন্য শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কারণে একে বাংলাদেশের জাতীয় পশু হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।</li>
<li>বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রধান আকর্ষণই হলো এই রয়েল বেঙ্গল টাইগার।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সম্রাট আকবর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>মূলত ফসলি সন বা কৃষিভিত্তিক খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য সম্রাট আকবর এই বাংলা সনের প্রবর্তন করেছিলেন। এর পেছনের মূল কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>আকবরের শাসনামলে হিজরি সন ছিল চন্দ্রনির্ভর, যা ঋতুচক্রের সাথে মিলত না।</li>
<li>কৃষকদের ফসল কাটার সময় এবং খাজনা আদায়ের সময়ের মধ্যে সমন্বয় করার জন্য তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞানী ফতেহউল্লাহ সিরাজীর সহায়তায় এই নতুন ক্যালেন্ডার তৈরি করেন।</li>
<li>১৫৫৬ সালে আকবরের সিংহাসনে আরোহণের বছর থেকেই এই সনের গণনা শুরু হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কৃষিকাজ ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে আরও গোছানো করার জন্যই সম্রাট আকবর বাংলা নববর্ষ বা বাংলা সনের সূচনা করেছিলেন।</p>
৪১৫৯
স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
<p>স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট প্রথম চালু করা হয় <strong>৪ মার্চ, ১৯৭২</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ স্বাধীনতার পরপরই দেশের অর্থনীতিকে সচল করতে সরকার দ্রুত নতুন মুদ্রা ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছিল।</p>
<ul>
<li>১৯৭২ সালের ৪ মার্চ তারিখেই প্রথম ১০০ টাকার নোট বাজারে ছাড়া হয়।</li>
<li>এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের নিজস্ব মুদ্রাব্যবস্থা গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, স্বাধীনতার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই অর্থাৎ <strong>১৯৭২ সালের মার্চ মাসে</strong> এই নোটটি চালু করা হয়, যা আমাদের অর্থনৈতিক ইতিহাসের একটি বড় মাইলফলক।</p>
<p>সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রবর্তনে এই পত্রিকার ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li><strong>মূল লক্ষ্য:</strong> বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার ব্যবহারকে জনপ্রিয় করা এবং সাহিত্যে নতুন ধারার সূচনা করা।</li>
<li><strong>সম্পাদনা:</strong> প্রমথ চৌধুরী নিজেই এই পত্রিকার প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন, যার ছদ্মনাম ছিল 'বীরবল'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের আধুনিকায়নে এবং চলিত ভাষার প্রসারে প্রমথ চৌধুরীর এই পত্রিকাটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</p>
৪১৬২
বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির প্রচলনে কোন পত্রিকার অবদান বেশি ?
<p>বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির প্রচলনে <strong>সবুজপত্র</strong> পত্রিকার অবদান সবচেয়ে বেশি। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।</p>
<p>কেন সবুজপত্র এত গুরুত্বপূর্ণ?</p>
<ul>
<li><strong>চলিত ভাষার প্রবর্তন:</strong> সেই সময়ে সাধু ভাষার আধিপত্য থাকলেও, সবুজপত্রই প্রথম বাংলা সাহিত্যে চলিত বা কথ্য ভাষার ব্যবহারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।</li>
<li><strong>নতুন ধারার সৃষ্টি:</strong> প্রমথ চৌধুরী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো লেখকদের হাত ধরে এই পত্রিকা বাংলা গদ্যকে কৃত্রিমতা থেকে মুক্ত করে মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি নিয়ে আসে।</li>
<li><strong>সাহিত্যিক বিপ্লব:</strong> সবুজপত্রের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' গড়ে ওঠে, যারা গদ্যের ভাষা ও শৈলীতে এক নতুন আধুনিকতার সূচনা করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যকে সাধু ভাষার জটিলতা থেকে বের করে প্রাণবন্ত ও সাবলীল করার পেছনে <strong>সবুজপত্র</strong>-এর ভূমিকা ছিল এক কথায় যুগান্তকারী।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে 'সওগাত' পত্রিকাটি একটি মাইলফলক। এই পত্রিকাটির সাথে মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। তিনি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির প্রকাশনা শুরু করেন।</p>
<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> সওগাত</li>
<li><strong>প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক:</strong> মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯১৮ সাল</li>
</ul>
<p>তিনি কেবল একজন সম্পাদকই ছিলেন না, বরং সেই সময়ের মুসলিম সাহিত্যিকদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাই 'সওগাত' বললেই মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের নাম সবার আগে মনে রাখা জরুরি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধুমকেতু</strong>। কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>ধুমকেতু</strong> পত্রিকাটি নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী সত্তার প্রতীক।</li>
<li>এই পত্রিকাতেই তাঁর বিখ্যাত কবিতা <strong>'আনন্দময়ীর আগমনে'</strong> প্রকাশিত হয়েছিল, যার জন্য তাঁকে কারাবরণ করতে হয়।</li>
<li>পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়েছিল ১৯২২ সালের ১২ আগস্ট।</li>
</ul>
<p>নজরুলের সাহিত্যকর্ম মনে রাখার ক্ষেত্রে এই পত্রিকাটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তাঁর সাংবাদিকতা জীবনের এক অনন্য মাইলফলক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯২০ সালে প্রকাশিত <strong>'নবযুগ'</strong> পত্রিকাটির সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
<li>শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের প্রতিষ্ঠিত এই পত্রিকার মাধ্যমে নজরুল তার বলিষ্ঠ লেখনী ও রাজনৈতিক চিন্তা তুলে ধরতেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, কারণ নজরুল ইসলামের সাংবাদিকতা জীবনের অন্যতম প্রধান কাজ ছিল এই 'নবযুগ' পত্রিকা।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্রান্তি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্য ও সাময়িকী বিষয়ক সাধারণ জ্ঞানে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</p>
<ul>
<li><strong>ক্রান্তি</strong> পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ঢাকা থেকে প্রকাশিত সাময়িকীগুলোর তালিকায় এটি একটি পরিচিত নাম।</li>
<li>পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্নগুলো প্রায়ই আসে, তাই পত্রিকার নাম এবং এর প্রকাশনার স্থানটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
'সমকাল' পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন সিকান্দার আবু জাফর। সমকাল বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব পকিস্তান) থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষার অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা। এর সম্পাদক ছিলেন কবি সিকান্দার আবু জাফর। সমকাল সমকাল সাহিত্য পত্রিকার প্রচ্ছদ। সম্পাদক কবি সিকান্দার আবু জাফর প্রকাশনা সময় - দূরত্ব ত্রৈমাসিক প্রকাশক সমকাল প্রেস প্রথম প্রকাশ ১৩৬৩ বাংলা, ১৯৫৭ ইংরেজি দেশ পূর্ব পাকিস্তান ভাষা বাংলা সিকান্দার আবু জাফরসিকান্দার আবু জাফর (১৯ মার্চ ১৯১৮/১৯১৯ - ৫ আগস্ট ১৯৭৫) একজন বাঙালি কবি, সঙ্গীত রচয়িতা, নাট্যকার ও সাংবাদিক। তিনি ভারত বিভাগোত্তর কালে প্রকাশিত সাহিত্য পত্রিকা সমকাল সম্পাদনার জন্য বিশেষভাবে খ্যাত। তার একটি বিখ্যাত কবিতা হলোজনতার সংগ্রাম চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই হতমানে অপমানে নয়, সুখ সম্মানে বাঁচবার অধিকার কাড়তে দাস্যের নির্মোক ছাড়তে অগণিত মানুষের প্রাণপণ যুদ্ধ চলবেই চলবেই, আমাদের সংগ্রাম চলবেই।এটি পরে জনপ্রিয় গণসঙ্গীতে রূপান্তরিত হয়। সিকানদার আবু জাফর সিকান্দার আবু জাফর জন্ম ১৯১৮ তৎকালীন খুলনা জেলা বর্তমান সাতক্ষীরা জেলা মৃত্যু আগস্ট ৫, ১৯৭৫ জাতীয়তা বাংলাদেশী নাগরিকত্ব বাংলাদেশ পরিচিতির কারণ কবি সুত্রঃ উইকিপিডিয়া
<p>বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয় <strong>১৯৫২</strong> সালে। এটি মূলত আমাদের দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং গবেষণামূলক কাজের প্রসারে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>প্রতিষ্ঠার সাল: <strong>১৯৫২</strong></li>
<li>প্রতিষ্ঠাতা: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ তৎকালীন অনেক বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক।</li>
<li>মূল উদ্দেশ্য: এশিয়া মহাদেশের ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব এবং সংস্কৃতির ওপর গভীর গবেষণা পরিচালনা করা।</li>
</ul>
<p>১৯৫২ সালটি আমাদের জাতীয় জীবনে ভাষা আন্দোলনের জন্য যেমন স্মরণীয়, তেমনি জ্ঞানচর্চার এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠার জন্যও ইতিহাসের পাতায় বিশেষভাবে চিহ্নিত হয়ে আছে।</p>
<p>বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠিত হওয়ার সঠিক তারিখটি হলো <strong>৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫</strong>। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পর বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষার তাগিদে একটি স্থায়ী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।</li>
<li>এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৫৫ সালের শেষ দিকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে এই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়।</li>
<li>তারিখটি মনে রাখতে পারেন এভাবে: ১৯৫৫ সালের শেষ মাস ডিসেম্বরের ৩ তারিখে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>মির মশাররফ হোসেনের কালজয়ী উপন্যাস "বিষাদ সিন্ধু"-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র বা নায়ক হলেন <strong>ইমাম হোসেন</strong>। এই উপন্যাসের মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসেনের আত্মত্যাগ এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে তাঁর সংগ্রামের ঘটনাকে কেন্দ্র করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো কারবালার বিয়োগান্তক ঘটনা।</li>
<li>এই পুরো ট্র্যাজেডির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন মহানবী (সা.)-এর দৌহিত্র <strong>ইমাম হোসেন</strong>।</li>
<li>তাঁর অসীম ধৈর্য, সাহসিকতা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানই এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি, তাই তিনিই এর প্রধান নায়ক।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।