<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লালসালু</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কালজয়ী উপন্যাস 'লালসালু'-এর অন্যতম প্রধান ও বিদ্রোহী চরিত্র হলো জমিলা।</p>
<p>জমিলাকে কেন এই উপন্যাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র বলা হয়, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>অন্ধবিশ্বাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ:</strong> উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ যখন ধর্মের নামে ভণ্ডামি ও শোষণের জাল বিস্তার করে, তখন জমিলাই একমাত্র ব্যক্তি যে তার এই ভণ্ডামিকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ জানায়।</li>
<li><strong>সাহসী সত্তা:</strong> মজিদের সমস্ত ভয়ভীতি ও ধর্মীয় অনুশাসনকে উপেক্ষা করে জমিলা তার নিজস্ব স্বকীয়তায় অটল থাকে, যা তাকে উপন্যাসের সবচেয়ে শক্তিশালী চরিত্রে পরিণত করেছে।</li>
<li><strong>প্রতীকী রূপ:</strong> জমিলা কেবল একটি চরিত্র নয়, বরং সে হলো মজিদের তৈরি করা কৃত্রিম ও ভণ্ড বিশ্বাসের জগতের বিরুদ্ধে এক জীবন্ত প্রতিবাদ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মজিদের আধিপত্যের সামনে জমিলা হলো সেই সাহসী কণ্ঠস্বর, যে কোনো কিছুকেই পরোয়া না করে নিজের মতো করে বাঁচতে চেয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেদের মেয়ে</strong>। জসীমউদ্দীন মূলত তার পল্লী-প্রকৃতি নির্ভর কাব্যগ্রন্থের জন্য বেশি পরিচিত হলেও, তিনি বেশ কিছু চমৎকার নাটকও রচনা করেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>বেদের মেয়ে</strong> জসীমউদ্দীনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও সার্থক নাটক।</li>
<li>এটি মূলত লোকজ উপাদানের ওপর ভিত্তি করে লেখা, যা তার অন্যান্য রচনার মতোই গ্রামবাংলার আবহকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই নাটকটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একাদশে বৃহস্পতি</strong>। বাগধারাটির অর্থ হলো সৌভাগ্যের বিষয় বা সুসময়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল দেখে নিতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, বৃহস্পতি গ্রহ যখন কারো রাশিচক্রের একাদশ স্থানে অবস্থান করে, তখন তাকে অত্যন্ত শুভ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়।</li>
<li>এই অবস্থানটি নির্দেশ করে যে, ওই ব্যক্তির জীবনে এখন সৌভাগ্যের জোয়ার চলছে।</li>
<li>তাই খুব সহজেই মনে রাখা যায়, <strong>একাদশে বৃহস্পতি</strong> মানেই হলো সৌভাগ্যের সুসময়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>মহাকবি ফেরদৌসি তাঁর অমর মহাকাব্য <strong>"শাহনামা"</strong> ফারসি ভাষায় রচনা করেছিলেন।</li>
<li>এটি মূলত পারস্যের (বর্তমান ইরান) ইতিহাস ও বীরত্বগাথা নিয়ে লেখা, তাই এর ভাষা হিসেবে ফারসিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এটি ফারসি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>বাংলা ব্যাকরণে এক কথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে <strong>পররাত্র</strong> শব্দটি দিয়ে মূলত রাত্রির শেষ ভাগকে বোঝানো হয়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'পর' শব্দের অর্থ এখানে পরবর্তী বা শেষ অংশকে নির্দেশ করছে।</li>
<li>রাত্রির একদম শেষ প্রহর বা ভোর হওয়ার আগের সময়টুকুকেই এক কথায় <strong>পররাত্র</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন রাত শেষ হয়ে ভোরের আলো ফোটার প্রস্তুতি চলে, সেই সময়টিই হলো পররাত্র। তাই সঠিক উত্তরটি হবে পররাত্র।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপত্যকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>অধিত্যকা</strong> বলতে বোঝায় পাহাড় বা পর্বতের ওপরের সমতল ভূমি বা মালভূমি অঞ্চলকে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>উপত্যকা</strong> হলো পাহাড় বা পর্বতের দুই পাশের নিচু বা ঢালু অংশ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পাহাড়ের ওপরের অংশ হলো অধিত্যকা আর পাহাড়ের নিচের দিকের অংশ হলো উপত্যকা। তাই শব্দগত দিক থেকে এরা একে অপরের বিপরীত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা সমাসের গঠনটা দেখি:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে 'নীল' হলো বিশেষণ (রঙ) এবং 'অম্বর' হলো বিশেষ্য (আকাশ)।</li>
<li>ব্যাসবাক্যটি হলো: <strong>নীল যে অম্বর = নীলাম্বর</strong>।</li>
<li>যেহেতু এখানে নীল রঙের আকাশকে বোঝানো হচ্ছে এবং বিশেষ্য-বিশেষণের সম্পর্ক বিদ্যমান, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই কর্মধারয় সমাস।</li>
</ul>
৪১৮২
"তিনি ব্যকরণে পন্ডিত" –বাক্যে “ব্যকরণে" শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>অধিকরণ কারক:</strong> কোনো কিছুতে দক্ষতা, বিষয় বা স্থান বোঝালে সেটি অধিকরণ কারক হয়। এখানে 'ব্যাকরণে' বলতে ব্যাকরণ বিষয়ে তার দক্ষতার কথা বোঝানো হয়েছে।</li>
<li><strong>বিভক্তি:</strong> শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে 'এ', 'য়' বা 'তে' থাকলে সেটি সাধারণত <strong>৭মী বিভক্তি</strong> হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সবসময় প্রশ্ন করতে হয়—কীসের দ্বারা বা কী উপায়ে কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে?</li>
<li>এখানে 'সাধনায়' শব্দটি দিয়ে বোঝানো হচ্ছে যে, কীর্তিমান হওয়ার <strong>উপায় বা মাধ্যম</strong> হলো সাধনা।</li>
<li>যেহেতু সাধনা এখানে কীর্তিমান হওয়ার মাধ্যম হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি <strong>করণ কারক</strong>।</li>
<li>শব্দটির শেষে 'য়' বা 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে, যা বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী <strong>৭মী বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু করার মাধ্যম বা উপায় বোঝালেই তা করণে ৭মী বিভক্তি হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির + আময়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম মেনে চলে।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ (ঃ) এর পরে যদি স্বরবর্ণ থাকে, তবে বিসর্গটি অনেক সময় 'র' (রেফ) এ রূপান্তরিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>নিঃ + আময়</strong> যুক্ত হয়ে 'নিরাময়' শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সন্ধি বিচ্ছেদের সময় 'নিঃ' এর বিসর্গটি 'র' বর্ণে পরিণত হয় এবং পরবর্তী 'আ' কারের সাথে যুক্ত হয়ে 'রা' গঠন করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>নিঃ + আময় = নিরাময়</strong>। তাই সন্ধি বিচ্ছেদ করলে আমরা পাই <strong>নির + আময়</strong>।</p>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।