<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প ফ ব ভ</strong>। এই বর্ণগুলোকে ওষ্ঠ্যধ্বনি বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণ করার সময় আমাদের দুই ঠোঁট একে অপরের সাথে স্পর্শ করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উচ্চারণের সময় খেয়াল করে দেখুন, <strong>প, ফ, ব, ভ</strong> বলার সময় আমাদের উপরের ও নিচের ঠোঁট মিলে যায়।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে এই বর্গটিকে 'প-বর্গ' বলা হয়, আর প-বর্গের প্রতিটি বর্ণই মূলত ওষ্ঠ্য বা ঠোঁটের সাহায্যে উচ্চারিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই খুব সহজেই মনে রাখা যায়, ঠোঁটের স্পর্শ ছাড়া এই বর্ণগুলো উচ্চারণ করা সম্ভব নয় বলেই এগুলো ওষ্ঠ্যধ্বনি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় স্বরবর্ণের পূর্ণরূপের পাশাপাশি কিছু সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে স্বরবর্ণের এই সংক্ষিপ্ত রূপগুলোই <strong>কার</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>যেমন: 'আ' এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো 'া' (আ-কার), 'ই' এর রূপ 'ি' (ই-কার) ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে স্বরবর্ণের মিলন ঘটানোর জন্যই আমরা এই <strong>কার</strong> চিহ্নগুলো ব্যবহার করি।</p>
<p>‘হ্ম’ যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>হ + ম</strong>। এটি মূলত হ-এর সাথে ম-এর যুক্তরূপ। বাংলা বর্ণমালার এই বিশেষ যুক্তবর্ণটি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<p>সহজ কথায়, যখনই ‘হ’-এর নিচে ‘ম’ যুক্ত হয়, তখন সেটি দেখতে ‘হ্ম’-এর মতো হয়। যেমন: ব্রাহ্মণ বা ব্রহ্ম শব্দে আমরা এই যুক্তবর্ণটি ব্যবহার করি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>হ + ম</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, যখন <strong>ক</strong> এবং <strong>ষ</strong> যুক্ত হয়, তখনই <strong>ক্ষ</strong> তৈরি হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ক + ষ</strong>। মনে রাখার সুবিধার্থে খেয়াল করবেন, উচ্চারণের সময় অনেক ক্ষেত্রে এটি 'খ'-এর মতো শোনালেও গঠনগতভাবে এটি এই দুটি বর্ণের মিলন।</p>
৪৪০
যে যে বর্ণের সমন্বয়ে ‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি গঠিত হয়েছে, সেগুলো নির্দেশ করুন-
<p>‘ষ্ণ’ যুক্তবর্ণটি বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই <strong>ষ</strong> এবং <strong>ণ</strong>। এটি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনটি ভালো করে খেয়াল করা:</p>
<ul>
<li>প্রথমে মূর্ধন্য-ষ (<strong>ষ</strong>) উচ্চারিত হয়।</li>
<li>এর সাথে যুক্ত হয় মূর্ধন্য-ণ (<strong>ণ</strong>)।</li>
<li>অর্থাৎ, <strong>ষ + ণ = ষ্ণ</strong>।</li>
</ul>
<p>যেমন: ‘উষ্ণ’ বা ‘তৃষ্ণা’ শব্দগুলো উচ্চারণ করলেই বোঝা যায় যে এখানে ‘ষ’ এর সাথে ‘ণ’ এর মিলন ঘটেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ষ + ণ</strong>।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় সঠিক উত্তর হলো <strong>১১টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা হলো ১১টি।</li>
<li>এই বর্ণগুলো হলো: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ।</li>
<li>সহজ কথায়, অ থেকে ঔ পর্যন্ত এই ১১টি বর্ণই স্বরবর্ণ হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>‘খ’ যুক্তবর্ণটি মূলত <strong>ত</strong> এবং <strong>থ</strong> এর সমন্বয়ে গঠিত। এটি মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর উচ্চারণ এবং গঠন লক্ষ্য করা।</p>
<ul>
<li>যখন আমরা ‘ত’ এবং ‘থ’ একসাথে লিখি, তখন ‘ত’-এর নিচে ‘থ’ যুক্ত হয়ে একটি বিশেষ রূপ ধারণ করে।</li>
<li>গাণিতিক বা বর্ণমালার বিন্যাস অনুযায়ী: <strong>ত + থ = ত্থ</strong>।</li>
<li>যেমন: 'উত্থান' বা 'উত্থাপন' শব্দগুলোতে আমরা এই যুক্তবর্ণটি দেখতে পাই, যেখানে ত এবং থ-এর মিলিত উচ্চারণ স্পষ্ট।</li>
</ul>
<p>তাই, সঠিক উত্তরটি হলো <strong>ত + থ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ যুক্তবর্ণ তৈরি হয় যখন দুই বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে একটি নতুন রূপ ধারণ করে।</p>
<ul>
<li><strong>কৃ</strong> হলো একটি ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে 'ঋ' কারের যোগ। ব্যাকরণ অনুযায়ী, স্বরবর্ণের কার চিহ্ন যুক্ত হওয়াকে যুক্তবর্ণ বলা হয় না।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>ক্ত</strong> (ক + ত) এবং <strong>স্ট</strong> (স + ট) হলো দুটি ব্যঞ্জনবর্ণের মিলন, তাই এগুলো স্পষ্টতই যুক্তবর্ণ।</li>
<li><strong>এ</strong> হলো একটি স্বরবর্ণ, তাই এটি যুক্তবর্ণ হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে ব্যঞ্জনবর্ণের মিলনই হলো যুক্তবর্ণ, আর <strong>কৃ</strong>-তে ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে কেবল স্বরচিহ্ন যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম</strong> শব্দ। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>ণত্ব বিধি</strong> মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আসা শব্দগুলোর ক্ষেত্রে কার্যকর হয়, যেগুলোকে আমরা ব্যাকরণের ভাষায় <strong>তৎসম</strong> শব্দ বলি।</li>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত দেশি, বিদেশি বা তদ্ভব শব্দে সাধারণত ণত্ব বিধির নিয়ম খাটে না।</li>
<li>তাই কোনো শব্দে 'ণ'-এর ব্যবহার দেখলে নিশ্চিতভাবে ধরে নেওয়া যায় সেটি একটি তৎসম শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম মেনেই তৎসম শব্দে মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তৎসম শব্দের রীতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংস্কৃত বা <strong>তৎসম</strong> শব্দগুলোতে 'ণ'-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই হলো ণত্ব-বিধান।</li>
<li>এই নিয়মটি কেবল তৎসম শব্দের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য; দেশি, বিদেশি বা তদ্ভব শব্দের ক্ষেত্রে এই বিধান খাটে না।</li>
<li>সহজ কথায়, সংস্কৃত থেকে আসা শব্দগুলো শুদ্ধভাবে লেখার জন্য যে ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করা হয়, সেটাই ণত্ব-বিধান।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো শব্দে 'ণ' ব্যবহারের প্রশ্ন আসবে, মনে রাখবেন এটি মূলত তৎসম শব্দের বানান শুদ্ধ করার একটি বিশেষ কৌশল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পুণ্য</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'ণ' বা 'ন'-এর ব্যবহার নিয়ে আমাদের অনেকেরই দ্বিধা থাকে, তবে এখানে বিষয়টি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে সাধারণত ঋ, র, ষ-এর পরে দন্ত্য-ন (ন) মূর্ধন্য-ণ (ণ)-এ পরিণত হয়।</li>
<li><strong>পুণ্য</strong> শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, যেখানে 'প' বর্ণের সাথে 'ঋ' কারের প্রভাব বা ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী মূর্ধন্য-ণ (ণ) যুক্ত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, এই শব্দটি দীর্ঘকাল ধরে এভাবেই শুদ্ধ রূপ হিসেবে স্বীকৃত এবং এটিই প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্নিমেষ</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'নিঃ' উপসর্গযুক্ত শব্দে সাধারণত মূর্ধন্য-ণ (ণ) ব্যবহৃত হয় না, বরং দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>'নির্' উপসর্গের সাথে 'নিমেষ' যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>এখানে 'নিঃ' বা 'নির্' এর পরে দন্ত্য-ন (ন) ব্যবহার করাই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।</li>
<li>বানানের ক্ষেত্রে সবসময় মনে রাখবেন, এই শব্দে কোনো মূর্ধন্য-ণ (ণ) বা মূর্ধন্য-ষ (ষ) এর প্রয়োগ নেই।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ত্রিহায়ণ</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী শব্দটির গঠন লক্ষ্য করলে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li>শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>ত্রি</strong> (তিন) এবং <strong>হায়ণ</strong> (বছর বা বর্ষ) এই দুটি অংশের সমন্বয়ে।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ ও বাংলা অভিধানের নিয়ম অনুযায়ী, 'হায়ণ' শব্দের বানানে সবসময় মূর্ধন্য-ণ (<strong>ণ</strong>) ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>তাই 'ত্রি' এর সাথে 'হায়ণ' যুক্ত হয়ে শব্দটি দাঁড়ায় <strong>ত্রিহায়ণ</strong>, যার অর্থ হলো তিন বছর বা তিন বছর ব্যাপী।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বানানের এই শুদ্ধ রূপটি মনে রাখতে 'হায়ণ' অংশটির দিকে খেয়াল রাখলেই চলবে, কারণ এটিই মূল শব্দ যা সবসময় <strong>ণ</strong> দিয়ে লেখা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মূর্ধন্য</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শব্দটি এসেছে 'মূর্ধা' (মস্তিষ্ক বা তালুর উপরের অংশ) থেকে। তাই শুরুতে <strong>মূর্ধ</strong> অংশটি ঠিক রাখা জরুরি।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'ঋ', 'র', 'ষ'-এর পরে সাধারণত <strong>ণ</strong> হয়। এখানে 'মূর্ধ' অংশের শেষে 'ধ'-এর সাথে 'র' ফলা থাকায় এর পরে দন্ত্য-ন (ন) না হয়ে মূর্ধন্য-ণ (ণ) যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, মূর্ধা থেকে আগত শব্দ হিসেবে এটি <strong>মূর্ধন্য</strong> হিসেবেই শুদ্ধ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দূষণীয়</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'দূষণ' শব্দটি 'দূষ' ধাতুর সাথে 'অন' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়, যেখানে 'ষ' এর ব্যবহার অনিবার্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শব্দটির মূল অংশ হলো <strong>দূষণ</strong>, তাই এর সাথে 'ঈয়' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি হবে <strong>দূষণীয়</strong>।</li>
<li>এখানে 'ণ' এবং 'ষ' এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, কারণ 'দূষ' শব্দে সবসময় মূর্ধন্য-ষ ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বানানটি মনে রাখার সহজ কৌশল হলো—দূষণ শব্দটির সাথে শুধু 'ঈয়' যোগ করে দিলেই সঠিক বানানটি পাওয়া যায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।