<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাগৈতিহাসিক</strong>। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এই বিখ্যাত ছোটগল্পটির মূল চরিত্রই হলো ভিখু এবং পাঁচী।</p>
<p>গল্পটি পড়ার সময় এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলে মনে রাখা সহজ হবে:</p>
<ul>
<li><strong>ভিখু</strong> হলো গল্পের প্রধান পুরুষ চরিত্র, যে একজন পেশাদার চোর এবং লম্পট প্রকৃতির মানুষ।</li>
<li><strong>পাঁচী</strong> হলো গল্পের প্রধান নারী চরিত্র, যার সাথে ভিখুর জটিল ও অন্ধকার এক সম্পর্ক গড়ে ওঠে।</li>
<li>গল্পটি মূলত সমাজের নিচুতলার মানুষের আদিম প্রবৃত্তি এবং বেঁচে থাকার লড়াই নিয়ে লেখা, তাই এর নাম দেওয়া হয়েছে <strong>প্রাগৈতিহাসিক</strong>।</li>
</ul>
৪৮২
'অন্নদা দিদি' শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন উপন্যাসের চরিত্র?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকান্ত</strong>। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস 'শ্রীকান্ত'-এর অন্যতম প্রধান এবং অবিস্মরণীয় নারী চরিত্র হলো অন্নদা দিদি।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের কাহিনীতে শ্রীকান্তের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে যে কয়জন মানুষের প্রভাব সবচেয়ে বেশি ছিল, তাদের মধ্যে অন্নদা দিদি অন্যতম।</li>
<li>অন্নদা দিদির চরিত্রের মাধ্যমে লেখক তৎকালীন সমাজের অসহায় নারীর প্রতি করুণা এবং সহমর্মিতার এক চমৎকার চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>আপনি যদি শ্রীকান্ত উপন্যাসের প্রথম পর্বটি পড়েন, তবেই অন্নদা দিদির সেই শান্ত ও মায়াময় চরিত্রের সাথে পরিচিত হতে পারবেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>করিমা বিবি</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস 'লালসালু'র চরিত্রগুলোর দিকে তাকালে বিষয়টি খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ, জমিলা, রহীমা এবং আমেনা বিবি—এরা সবাই গল্পের মূল প্রবাহের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>করিমা বিবি</strong> নামে কোনো চরিত্র এই উপন্যাসে নেই।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য মনে রাখার সহজ উপায় হলো, মজিদের দুই স্ত্রী (রহীমা ও জমিলা) এবং গ্রামের অন্যান্য চরিত্রের নামের তালিকাটি একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া। এতে বিভ্রান্তি হওয়ার কোনো সুযোগ থাকবে না।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী উপন্যাস 'শেষের কবিতা'-র নায়ক হলেন <strong>অমিত রায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>অমিত রায় একজন ব্যারিস্টার, যার বুদ্ধিবৃত্তিক আলাপচারিতা এবং আধুনিক জীবনদর্শন এই উপন্যাসের মূল আকর্ষণ।</li>
<li>উপন্যাসের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে অমিত রায় এবং লাবণ্যের মধ্যকার জটিল ও রোমান্টিক সম্পর্ককে কেন্দ্র করে।</li>
<li>সাহিত্যিক মহলে অমিত রায়ের চরিত্রটি তার তীক্ষ্ণ রসবোধ ও রোমান্টিকতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক ও খ</strong>। তারাশঙ্করের বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'কবি'</strong>-র মূল চরিত্রগুলোর দিকে তাকালে বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়:</p>
<ul>
<li><strong>নিতাই</strong> হলো এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র, যে একজন কবিয়াল।</li>
<li><strong>ঠাকুর ঝি</strong> বা বসন্ত এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র, যার সাথে নিতাইয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন পুরো গল্পের প্রাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নিতাই এবং ঠাকুর ঝি—উভয়ই এই উপন্যাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই অপশনগুলোর মধ্যে এই দুটি চরিত্রই সঠিক হওয়ায় উত্তরটি <strong>ক ও খ</strong> হয়েছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চিত্রাঙ্গদা</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা এই কাব্যনাট্যটি মহাভারতের একটি ছোট উপাখ্যান অবলম্বনে তৈরি।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মহাভারতের বীর অর্জুন এবং মণিপুরের রাজকন্যা চিত্রাঙ্গদার প্রেমের কাহিনী নিয়েই এই কাব্যনাট্যটি আবর্তিত হয়েছে।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে অর্জুন চরিত্রটিকে মূল ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে নারীর আত্মপরিচয় ও প্রেমের এক অনন্য রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'অর্জুন' চরিত্রের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি <strong>চিত্রাঙ্গদা</strong> কাব্যনাট্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই কাব্যটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত।</p>
<ul>
<li><strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্যের মূল চরিত্রই হলো রাধা এবং কৃষ্ণ।</li>
<li>এই কাব্যে <strong>বড়াই</strong> চরিত্রটি মূলত রাধা ও কৃষ্ণের মধ্যে দূত বা মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে।</li>
<li>পুরো কাব্যটি রাধা, কৃষ্ণ এবং বড়াই—এই তিনটি প্রধান চরিত্রের কথোপকথনের মাধ্যমেই এগিয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই রাধা ও বড়াই চরিত্রের কথা শুনলেই আমাদের মাথায় সরাসরি <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্যের নামটাই আসা উচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নীলদর্পণ</strong>। দীনবন্ধু মিত্রের কালজয়ী নাটক 'নীলদর্পণ'-এর কাহিনীতে গ্রামীণ জীবনের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে, যেখানে 'আদুরী' চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'নীলদর্পণ' নাটকটি মূলত নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লেখা।</li>
<li>এই নাটকের প্রতিটি চরিত্রই তৎকালীন বাংলার সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টের প্রতীক।</li>
<li>আদুরী চরিত্রটি এই নাটকের নারী চরিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম, যে নীলকরদের অমানবিক নির্যাতনের শিকার হওয়া একটি পরিবারের অংশ হিসেবে আমাদের সামনে আসে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'আদুরী' নামটির সাথে সরাসরি <strong>নীলদর্পণ</strong> নাটকটিকে মিলিয়ে ফেললেই উত্তরটি মনে রাখা সহজ হবে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'তিলোত্তমা' হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম বাংলা সার্থক উপন্যাস <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong>-এর প্রধান নারী চরিত্র।</li>
<li>১৮৬৫ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক উপন্যাসের ধারা সূচিত হয়।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসের এই কালজয়ী চরিত্রটির স্রষ্টা হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফটিক</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প 'ছুটি'-র মূল চরিত্র হলো ফটিক চক্রবর্তী।</p>
<p>গল্পটি পড়ার সময় এই বিষয়গুলো মাথায় রাখলে খুব সহজে মনে থাকবে:</p>
<ul>
<li><strong>ফটিক</strong> হলো এই গল্পের কেন্দ্রীয় কিশোর চরিত্র, যে তার দুরন্তপনা আর আবেগের মধ্য দিয়ে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে বেড়ায়।</li>
<li>গল্পের কাহিনী মূলত ফটিকের মানসিক টানাপোড়েন এবং তার গ্রাম ছেড়ে শহরে মামার বাড়িতে যাওয়ার করুণ পরিণতিকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ খুব চমৎকারভাবে ফটিকের মনের অব্যক্ত কষ্ট ও ভালোবাসার আকুতি এখানে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>শশী ও কুসুম চরিত্র দুটি বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'পুতুলনাচের ইতিকথা'</strong>-এর প্রধান দুটি চরিত্র। এই বিখ্যাত উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল প্রেক্ষাপট হলো গ্রামীণ জীবন ও মানুষের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ।</li>
<li>শশী একজন ডাক্তার এবং কুসুম তার জীবনের এক জটিল ও রহস্যময় চরিত্র।</li>
<li>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখনীতেই এই চরিত্রগুলো বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনার কৃতিত্ব হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়ের</strong>। তিনি ১৮৩৩ সালে ইংরেজি ভাষায় 'Grammar of the Bengali Language' নামে একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন, যা পরবর্তীতে তিনি নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন। এর মাধ্যমেই বাংলা ভাষায় প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ চর্চার সূত্রপাত ঘটে।</p>
<ul>
<li><strong>মূল তথ্য:</strong> রাজা রামমোহন রায় বাংলা ব্যাকরণকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর ওপর দাঁড় করান।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> তার এই উদ্যোগ বাংলা ভাষাকে আধুনিক ও মানসম্মত করার ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে <strong>গৌড়ীয় ব্যাকরণ</strong> পরিচিত।</li>
<li>এটি ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষাকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার জন্য এই গুরুত্বপূর্ণ বইটি রচনা করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণের আধুনিকায়নের ইতিহাসে রাজা রামমোহন রায়ের এই অবদানটি সবচেয়ে বেশি আলোচিত এবং গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণ হলো <strong>গৌড়ীয় ব্যাকরণ</strong>। এর পেছনের সহজ ইতিহাসটি হলো:</p>
<ul>
<li>এই ব্যাকরণটি ১৮৩৩ সালে বিখ্যাত সমাজ সংস্কারক <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong> রচনা করেন।</li>
<li>এর আগে বাংলা ব্যাকরণ মূলত বিদেশিরা লিখেছিলেন, কিন্তু বাঙালির হাতে লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ হিসেবে এটিই ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বাংলা ভাষাকে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানোর জন্য এটিই ছিল বাঙালির প্রথম নিজস্ব প্রচেষ্টা।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখা খুব সহজ—বাঙালির প্রথম ব্যাকরণ মানেই <strong>গৌড়ীয় ব্যাকরণ</strong>।</p>
<p>রামমোহন রায়ের ছদ্মনাম ছিল <strong>শিবপ্রসাদ রায়</strong>। তিনি মূলত বিভিন্ন বিতর্ক বা ধর্মীয় আলোচনার সময় নিজের আসল পরিচয় গোপন রাখতে এই ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</p>
<ul>
<li>১৮২৩ সালে যখন তিনি 'ব্রাহ্মণ সেবধি' পত্রিকা প্রকাশ করেন, তখন তিনি <strong>শিবপ্রসাদ রায়</strong> নামেই লিখতেন।</li>
<li>তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজের সমালোচনার হাত থেকে বাঁচতে এবং নিজের যুক্তিগুলো নির্ভয়ে তুলে ধরতে তিনি এই ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার লেখনীতে ছদ্মনাম ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য ছিল নিজের পরিচয় আড়াল করে মুক্তচিন্তা প্রকাশ করা।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।