eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৪৫৭ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৪০৬

স্বরাগম মূলত কয়ভাবে দেখানো যেতে পারে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন</strong>। বাংলা ব্যাকরণে স্বরাগম বলতে শব্দের শুরুতে, মাঝে বা শেষে নতুন কোনো স্বরধ্বনির আগমনকে বোঝায়। এটি মূলত তিনভাবে ঘটে থাকে:</p>

<ul>
<li><strong>আদি স্বরাগম:</strong> শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনির আগমন (যেমন: স্কুল > ইস্কুল)।</li>
<li><strong>মধ্য স্বরাগম:</strong> শব্দের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন (যেমন: রত্ন > রতন)।</li>
<li><strong>অন্ত্য স্বরাগম:</strong> শব্দের শেষে স্বরধ্বনির আগমন (যেমন: দিশ > দিশা)।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো প্রয়োজনে স্বরধ্বনির এই তিন ধরনের সংযোজনই হলো স্বরাগম।</p>
৪০৭

স্বরসঙ্গতিকে ইংরেজিতে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
Vowel harmony
ব্যাখ্যা:
<p>স্বরসঙ্গতিকে ইংরেজিতে বলা হয় <strong>Vowel harmony</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, যখন একটি শব্দের ভেতরে থাকা স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায়, তখন তাকেই স্বরসঙ্গতি বলে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>Vowel</strong> মানে স্বরধ্বনি।</li>
<li><strong>Harmony</strong> মানে মিল বা সামঞ্জস্য।</li>
<li>অর্থাৎ, শব্দের স্বরধ্বনিগুলোর মধ্যে যখন মিল বা সামঞ্জস্য তৈরি হয়, তখনই তাকে <strong>Vowel harmony</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>যেমন: 'দেশি' শব্দ থেকে 'দিশি' হওয়া—এখানে 'এ' ধ্বনিটি 'ই' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেছে। ব্যাকরণের এই নিয়মটিই মূলত <strong>Vowel harmony</strong> নামে পরিচিত।</p>
৪০৮

Vowel harmony র বাংলায় স্বরসঙ্গতি নামকরণ করেছেন কে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'Vowel Harmony' বা স্বরসঙ্গতির ধারণাটি ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনার মাধ্যমে প্রথম বাংলায় প্রবর্তন করেন ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL)</strong>-এ তিনি বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।</li>
<li>মূলত ভাষাবিজ্ঞানের এই পারিভাষিক শব্দটি তিনিই বাংলায় জনপ্রিয় করে তোলেন, যা আজও আমাদের ব্যাকরণ বইগুলোতে একইভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</li>
</ul>
৪০৯

অঘোষ ধ্বনির প্রভাবে ঘোষ ধ্বনির অঘোষ ধ্বনিতে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে কি বলা হয় ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অঘোষীয়ভবন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অঘোষীয়ভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>ঘোষ ধ্বনি:</strong> যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বেশি কাঁপে (যেমন: গ, জ, দ, ব)।</li>
<li><strong>অঘোষ ধ্বনি:</strong> যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কম কাঁপে বা কাঁপে না (যেমন: ক, চ, ত, প)।</li>
<li><strong>প্রক্রিয়াটি:</strong> যখন কোনো ঘোষ ধ্বনি অঘোষ ধ্বনির প্রভাবে নিজের বৈশিষ্ট্য হারিয়ে অঘোষ ধ্বনিতে পরিণত হয়, তখন তাকে বলা হয় <strong>অঘোষীয়ভবন</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ঘোষ থেকে অঘোষ হওয়ার এই রূপান্তরই হলো অঘোষীয়ভবন। যেমন: 'অদ্ + ক = অৎক'—এখানে ঘোষ 'দ' অঘোষ 'ক'-এর প্রভাবে অঘোষ 'ত'-তে পরিণত হয়েছে।</p>
৪১০

নিচের কোনটি ধ্বনি বিপর্যয়ের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পিশাচ > পিচাশ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পিশাচ > পিচাশ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ!</p>

<p>ধ্বনি বিপর্যয় বলতে বোঝায় শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ধ্বনি বা বর্ণ যখন একে অপরের জায়গা অদলবদল করে ফেলে। এই উদাহরণটিতে লক্ষ্য করো:</p>

<ul>
<li>মূল শব্দ ছিল <strong>পিশাচ</strong> (এখানে 'শ' আছে দ্বিতীয় অবস্থানে এবং 'চ' আছে তৃতীয় অবস্থানে)।</li>
<li>পরিবর্তিত শব্দে সেটি হয়ে গেছে <strong>পিচাশ</strong> (এখানে 'চ' চলে এসেছে দ্বিতীয় অবস্থানে এবং 'শ' চলে গেছে তৃতীয় অবস্থানে)।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, শব্দের ভেতরের ধ্বনিগুলো নিজেদের স্থান পরিবর্তন করেছে, আর এই প্রক্রিয়াটিই হলো ধ্বনি বিপর্যয়।</p>
৪১১

নিচের কোনটি আদি স্বরাগমের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্কুল > ইস্কুল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>স্কুল > ইস্কুল</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>আদি স্বরাগম</strong> মানে হলো শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত একটি স্বরধ্বনির আগমন।</li>
<li>উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা অনেক সময় শব্দের শুরুতে একটি 'ই' বা 'আ' ধ্বনি যোগ করে ফেলি।</li>
<li>এখানে 'স্কুল' শব্দটির শুরুতে একটি অতিরিক্ত 'ই' যুক্ত হয়ে হয়েছে 'ইস্কুল'।</li>
<li>যেহেতু স্বরধ্বনিটি শব্দের একদম শুরুতে যুক্ত হয়েছে, তাই একে আদি স্বরাগম বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বাড়তি স্বরধ্বনি যোগ হওয়াই হলো আদি স্বরাগমের মূল বৈশিষ্ট্য।</p>
৪১২

মাছুয়া > মেছো উদাহরণটি কোন প্রকার ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>অভিশ্রুতির ক্ষেত্রে শব্দের মাঝখানের 'ই' বা 'উ' কার আগে উচ্চারিত হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে।</li>
<li>এখানে 'মাছুয়া' শব্দটির মাঝখানের 'উ' কারটি আগে উচ্চারিত হয়ে 'মেছো' শব্দে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দের মাঝখানের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে আমরা অভিশ্রুতি বলি।</li>
</ul>
৪১৩

মারি > মাইর উদাহরণটি কোন প্রকার ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অপিনিহিতি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপিনিহিতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>অপিনিহিতি</strong> মানে হলো শব্দের মাঝখানে থাকা 'ই' বা 'উ' কার যদি তার নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দটি ছিল 'মারি'। খেয়াল করলে দেখবেন, 'র'-এর সাথে থাকা 'ই' কারটি 'র'-এর পরে না বসে আগে চলে এসেছে এবং 'মাইর' শব্দ তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরে 'ই' বা 'উ' কারের এই আগে চলে আসার প্রবণতাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অপিনিহিতি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
৪১৪

নিচের কোনটি সমীভবনের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাঁদনা > কান্না
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাঁদনা > কান্না</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>

<ul>
<li><strong>সমীভবন</strong> মানে হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনি যখন একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করে বা একই রকম হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'কাঁদনা' শব্দটিতে 'দ' এবং 'ন' দুটি আলাদা ব্যঞ্জনবর্ণ।</li>
<li>শব্দটি উচ্চারণের সময় 'দ' ধ্বনিটি 'ন'-এর প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ পরিণত হয়েছে, ফলে এটি 'কান্না' হয়ে গেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, ভিন্ন দুটি ধ্বনি মিলে যখন একই রকম ধ্বনিতে পরিণত হয়, তাকেই আমরা সমীভবন বলি।</li>
</ul>
৪১৫

উচ্চারণের সময় মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে বলে 'আ' কে কি ধ্বনি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিবৃতি স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিবৃতি স্বরধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>'বিবৃত' শব্দের অর্থ হলো খোলা বা উন্মুক্ত।</li>
<li>আমরা যখন 'আ' উচ্চারণ করি, তখন আমাদের মুখবিবর বা মুখগহ্বর সবচেয়ে বেশি খোলা থাকে।</li>
<li>যেহেতু উচ্চারণের সময় মুখ পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকে, তাই ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় একে <strong>বিবৃত স্বরধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মুখ খোলার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়, আর 'আ' হলো সেই তালিকার সবচেয়ে খোলা বা বিবৃত ধ্বনি।</p>
৪১৬

সংবৃত স্বরধ্বনি কোনগুলো ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ই, উ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ই, উ</strong>। বাংলা ব্যাকরণে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান অনুযায়ী এদের ভাগ করা হয়। সংবৃত স্বরধ্বনি চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো জিহ্বার উচ্চতা খেয়াল করা:</p>

<ul>
<li><strong>সংবৃত স্বরধ্বনি</strong> মানে হলো যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুর খুব কাছাকাছি উঠে আসে এবং মুখগহ্বর প্রায় বন্ধ বা সংকুচিত থাকে।</li>
<li>উচ্চারণ করে দেখুন, <strong>ই</strong> এবং <strong>উ</strong> বলার সময় আমাদের জিহ্বা ওপরের তালুর দিকে অনেকখানি উঠে যায় এবং মুখ খুব সামান্য ফাঁক হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে মুখ সবচেয়ে কম খোলে, সেগুলোই সংবৃত স্বরধ্বনি।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, জিহ্বা যখন তালুর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে, তখনই <strong>ই</strong> ও <strong>উ</strong> ধ্বনি উৎপন্ন হয়।</p>
৪১৭

কোনটি প্রগত সমীভবনের উদাহরণ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কান্না > কাঁদনা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কান্না > কাঁদনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>প্রগত সমীভবন</strong> মানে হলো যখন আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে আগের ধ্বনির মতো হয়।</li>
<li>এখানে 'কান্না' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূল শব্দটি ছিল 'কাঁদনা'।</li>
<li>শব্দটিতে 'দ' ধ্বনিটি 'ন' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ, আগের 'ন' ধ্বনিটি পরের 'দ'-কে নিজের মতো করে নিয়েছে।</li>
<li>যেহেতু আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি বদলে যাচ্ছে, তাই এটি প্রগত সমীভবনের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৪১৮

যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটি ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অন্যোন্য সমীভবন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্যোন্য সমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>যখন দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে বলা হয় অন্যোন্য সমীভবন।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে কোনো একটি ধ্বনি অন্যটির মতো হয় না, বরং দুজনেই একে অপরকে প্রভাবিত করে বদলে যায়।</li>
<li>যেমন: 'সত্য' শব্দটি উচ্চারণের সময় হয়ে যায় 'সচ্চ'। এখানে 'ত' এবং 'য' মিলে গিয়ে নতুন রূপ নিয়েছে, যা অন্যোন্য সমীভবনের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৪১৯

দুটি সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে কি বলে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিষমীভবন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>যখন পাশাপাশি দুটি সমবর্ণের একটি পরিবর্তিত হয়ে ভিন্ন বর্ণে রূপ নেয়, তখন তাকে বিষমীভবন বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, একই জাতীয় দুটি বর্ণকে আলাদা বা 'বিষম' করে ফেলাই হলো এর কাজ।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'শরীর' শব্দটির দুটি 'র' এর একটি পরিবর্তিত হয়ে 'শলীল' হয়ে যাওয়া।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, সমবর্ণের দুটি ধ্বনি যখন ভিন্নতা লাভ করে, তখনই আমরা তাকে <strong>বিষমীভবন</strong> বলি।</p>
৪২০

কোনটি প্রগত স্বরসঙ্গতি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মূলা > মুলো
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মূলা > মুলো</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>প্রগত স্বরসঙ্গতি</strong> মানে হলো, শব্দের আগের স্বরধ্বনির প্রভাবে পরের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হওয়া।</li>
<li>এখানে 'মূলা' শব্দের প্রথম স্বরধ্বনি 'ঊ' (উ-কার), যা পরের 'আ' কারকে প্রভাবিত করে 'ও'-কারে রূপান্তর করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি বদলে গিয়ে মিল তৈরি হয়েছে, তাই এটি প্রগত স্বরসঙ্গতি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুর স্বরধ্বনি যখন শেষের স্বরধ্বনিকে নিজের মতো করে বদলে ফেলে, তখন তাকেই আমরা প্রগত স্বরসঙ্গতি বলি।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...