<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন</strong>। বাংলা ব্যাকরণে স্বরাগম বলতে শব্দের শুরুতে, মাঝে বা শেষে নতুন কোনো স্বরধ্বনির আগমনকে বোঝায়। এটি মূলত তিনভাবে ঘটে থাকে:</p>
<ul>
<li><strong>আদি স্বরাগম:</strong> শব্দের শুরুতে স্বরধ্বনির আগমন (যেমন: স্কুল > ইস্কুল)।</li>
<li><strong>মধ্য স্বরাগম:</strong> শব্দের মাঝখানে স্বরধ্বনির আগমন (যেমন: রত্ন > রতন)।</li>
<li><strong>অন্ত্য স্বরাগম:</strong> শব্দের শেষে স্বরধ্বনির আগমন (যেমন: দিশ > দিশা)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো প্রয়োজনে স্বরধ্বনির এই তিন ধরনের সংযোজনই হলো স্বরাগম।</p>
<p>স্বরসঙ্গতিকে ইংরেজিতে বলা হয় <strong>Vowel harmony</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, যখন একটি শব্দের ভেতরে থাকা স্বরধ্বনির প্রভাবে অন্য স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যায়, তখন তাকেই স্বরসঙ্গতি বলে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>Vowel</strong> মানে স্বরধ্বনি।</li>
<li><strong>Harmony</strong> মানে মিল বা সামঞ্জস্য।</li>
<li>অর্থাৎ, শব্দের স্বরধ্বনিগুলোর মধ্যে যখন মিল বা সামঞ্জস্য তৈরি হয়, তখনই তাকে <strong>Vowel harmony</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>যেমন: 'দেশি' শব্দ থেকে 'দিশি' হওয়া—এখানে 'এ' ধ্বনিটি 'ই' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেছে। ব্যাকরণের এই নিয়মটিই মূলত <strong>Vowel harmony</strong> নামে পরিচিত।</p>
৪০৮
Vowel harmony র বাংলায় স্বরসঙ্গতি নামকরণ করেছেন কে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'Vowel Harmony' বা স্বরসঙ্গতির ধারণাটি ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনার মাধ্যমে প্রথম বাংলায় প্রবর্তন করেন ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'The Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL)</strong>-এ তিনি বাংলা ভাষার ধ্বনিতত্ত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।</li>
<li>মূলত ভাষাবিজ্ঞানের এই পারিভাষিক শব্দটি তিনিই বাংলায় জনপ্রিয় করে তোলেন, যা আজও আমাদের ব্যাকরণ বইগুলোতে একইভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।</li>
</ul>
৪০৯
অঘোষ ধ্বনির প্রভাবে ঘোষ ধ্বনির অঘোষ ধ্বনিতে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়াকে কি বলা হয় ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অঘোষীয়ভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>ঘোষ ধ্বনি:</strong> যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী বেশি কাঁপে (যেমন: গ, জ, দ, ব)।</li>
<li><strong>অঘোষ ধ্বনি:</strong> যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কম কাঁপে বা কাঁপে না (যেমন: ক, চ, ত, প)।</li>
<li><strong>প্রক্রিয়াটি:</strong> যখন কোনো ঘোষ ধ্বনি অঘোষ ধ্বনির প্রভাবে নিজের বৈশিষ্ট্য হারিয়ে অঘোষ ধ্বনিতে পরিণত হয়, তখন তাকে বলা হয় <strong>অঘোষীয়ভবন</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঘোষ থেকে অঘোষ হওয়ার এই রূপান্তরই হলো অঘোষীয়ভবন। যেমন: 'অদ্ + ক = অৎক'—এখানে ঘোষ 'দ' অঘোষ 'ক'-এর প্রভাবে অঘোষ 'ত'-তে পরিণত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পিশাচ > পিচাশ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ!</p>
<p>ধ্বনি বিপর্যয় বলতে বোঝায় শব্দের ভেতরে থাকা দুটি ধ্বনি বা বর্ণ যখন একে অপরের জায়গা অদলবদল করে ফেলে। এই উদাহরণটিতে লক্ষ্য করো:</p>
<ul>
<li>মূল শব্দ ছিল <strong>পিশাচ</strong> (এখানে 'শ' আছে দ্বিতীয় অবস্থানে এবং 'চ' আছে তৃতীয় অবস্থানে)।</li>
<li>পরিবর্তিত শব্দে সেটি হয়ে গেছে <strong>পিচাশ</strong> (এখানে 'চ' চলে এসেছে দ্বিতীয় অবস্থানে এবং 'শ' চলে গেছে তৃতীয় অবস্থানে)।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, শব্দের ভেতরের ধ্বনিগুলো নিজেদের স্থান পরিবর্তন করেছে, আর এই প্রক্রিয়াটিই হলো ধ্বনি বিপর্যয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>স্কুল > ইস্কুল</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>আদি স্বরাগম</strong> মানে হলো শব্দের শুরুতে অতিরিক্ত একটি স্বরধ্বনির আগমন।</li>
<li>উচ্চারণের সুবিধার জন্য আমরা অনেক সময় শব্দের শুরুতে একটি 'ই' বা 'আ' ধ্বনি যোগ করে ফেলি।</li>
<li>এখানে 'স্কুল' শব্দটির শুরুতে একটি অতিরিক্ত 'ই' যুক্ত হয়ে হয়েছে 'ইস্কুল'।</li>
<li>যেহেতু স্বরধ্বনিটি শব্দের একদম শুরুতে যুক্ত হয়েছে, তাই একে আদি স্বরাগম বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে বাড়তি স্বরধ্বনি যোগ হওয়াই হলো আদি স্বরাগমের মূল বৈশিষ্ট্য।</p>
৪১২
মাছুয়া > মেছো উদাহরণটি কোন প্রকার ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অভিশ্রুতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>অভিশ্রুতির ক্ষেত্রে শব্দের মাঝখানের 'ই' বা 'উ' কার আগে উচ্চারিত হয় এবং পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটে।</li>
<li>এখানে 'মাছুয়া' শব্দটির মাঝখানের 'উ' কারটি আগে উচ্চারিত হয়ে 'মেছো' শব্দে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দের মাঝখানের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে আমরা অভিশ্রুতি বলি।</li>
</ul>
৪১৩
মারি > মাইর উদাহরণটি কোন প্রকার ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপিনিহিতি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>অপিনিহিতি</strong> মানে হলো শব্দের মাঝখানে থাকা 'ই' বা 'উ' কার যদি তার নির্দিষ্ট স্থানের আগেই উচ্চারিত হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে মূল শব্দটি ছিল 'মারি'। খেয়াল করলে দেখবেন, 'র'-এর সাথে থাকা 'ই' কারটি 'র'-এর পরে না বসে আগে চলে এসেছে এবং 'মাইর' শব্দ তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের ভেতরে 'ই' বা 'উ' কারের এই আগে চলে আসার প্রবণতাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>অপিনিহিতি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাঁদনা > কান্না</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li><strong>সমীভবন</strong> মানে হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনি যখন একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করে বা একই রকম হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে 'কাঁদনা' শব্দটিতে 'দ' এবং 'ন' দুটি আলাদা ব্যঞ্জনবর্ণ।</li>
<li>শব্দটি উচ্চারণের সময় 'দ' ধ্বনিটি 'ন'-এর প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ পরিণত হয়েছে, ফলে এটি 'কান্না' হয়ে গেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, ভিন্ন দুটি ধ্বনি মিলে যখন একই রকম ধ্বনিতে পরিণত হয়, তাকেই আমরা সমীভবন বলি।</li>
</ul>
৪১৫
উচ্চারণের সময় মুখবিবর উন্মুক্ত থাকে বলে 'আ' কে কি ধ্বনি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিবৃতি স্বরধ্বনি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'বিবৃত' শব্দের অর্থ হলো খোলা বা উন্মুক্ত।</li>
<li>আমরা যখন 'আ' উচ্চারণ করি, তখন আমাদের মুখবিবর বা মুখগহ্বর সবচেয়ে বেশি খোলা থাকে।</li>
<li>যেহেতু উচ্চারণের সময় মুখ পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকে, তাই ভাষাবিজ্ঞানের ভাষায় একে <strong>বিবৃত স্বরধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুখ খোলার পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে স্বরধ্বনিকে ভাগ করা হয়, আর 'আ' হলো সেই তালিকার সবচেয়ে খোলা বা বিবৃত ধ্বনি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ই, উ</strong>। বাংলা ব্যাকরণে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান অনুযায়ী এদের ভাগ করা হয়। সংবৃত স্বরধ্বনি চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো জিহ্বার উচ্চতা খেয়াল করা:</p>
<ul>
<li><strong>সংবৃত স্বরধ্বনি</strong> মানে হলো যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুর খুব কাছাকাছি উঠে আসে এবং মুখগহ্বর প্রায় বন্ধ বা সংকুচিত থাকে।</li>
<li>উচ্চারণ করে দেখুন, <strong>ই</strong> এবং <strong>উ</strong> বলার সময় আমাদের জিহ্বা ওপরের তালুর দিকে অনেকখানি উঠে যায় এবং মুখ খুব সামান্য ফাঁক হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে স্বরধ্বনি উচ্চারণে মুখ সবচেয়ে কম খোলে, সেগুলোই সংবৃত স্বরধ্বনি।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো, জিহ্বা যখন তালুর সবচেয়ে কাছে অবস্থান করে, তখনই <strong>ই</strong> ও <strong>উ</strong> ধ্বনি উৎপন্ন হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কান্না > কাঁদনা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>প্রগত সমীভবন</strong> মানে হলো যখন আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে আগের ধ্বনির মতো হয়।</li>
<li>এখানে 'কান্না' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মূল শব্দটি ছিল 'কাঁদনা'।</li>
<li>শব্দটিতে 'দ' ধ্বনিটি 'ন' ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে 'ন'-এ পরিণত হয়েছে। অর্থাৎ, আগের 'ন' ধ্বনিটি পরের 'দ'-কে নিজের মতো করে নিয়েছে।</li>
<li>যেহেতু আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি বদলে যাচ্ছে, তাই এটি প্রগত সমীভবনের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৪১৮
যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটি ধ্বনিই পরিবর্তিত হয় তখন তাকে কি বলে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্যোন্য সমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে নতুন রূপ নেয়, তখন তাকে বলা হয় অন্যোন্য সমীভবন।</li>
<li>সহজ কথায়, এখানে কোনো একটি ধ্বনি অন্যটির মতো হয় না, বরং দুজনেই একে অপরকে প্রভাবিত করে বদলে যায়।</li>
<li>যেমন: 'সত্য' শব্দটি উচ্চারণের সময় হয়ে যায় 'সচ্চ'। এখানে 'ত' এবং 'য' মিলে গিয়ে নতুন রূপ নিয়েছে, যা অন্যোন্য সমীভবনের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষমীভবন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন পাশাপাশি দুটি সমবর্ণের একটি পরিবর্তিত হয়ে ভিন্ন বর্ণে রূপ নেয়, তখন তাকে বিষমীভবন বলে।</li>
<li>সহজ কথায়, একই জাতীয় দুটি বর্ণকে আলাদা বা 'বিষম' করে ফেলাই হলো এর কাজ।</li>
<li>উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, 'শরীর' শব্দটির দুটি 'র' এর একটি পরিবর্তিত হয়ে 'শলীল' হয়ে যাওয়া।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সমবর্ণের দুটি ধ্বনি যখন ভিন্নতা লাভ করে, তখনই আমরা তাকে <strong>বিষমীভবন</strong> বলি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মূলা > মুলো</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>প্রগত স্বরসঙ্গতি</strong> মানে হলো, শব্দের আগের স্বরধ্বনির প্রভাবে পরের স্বরধ্বনি পরিবর্তিত হওয়া।</li>
<li>এখানে 'মূলা' শব্দের প্রথম স্বরধ্বনি 'ঊ' (উ-কার), যা পরের 'আ' কারকে প্রভাবিত করে 'ও'-কারে রূপান্তর করেছে।</li>
<li>অর্থাৎ, আগের ধ্বনির প্রভাবে পরের ধ্বনি বদলে গিয়ে মিল তৈরি হয়েছে, তাই এটি প্রগত স্বরসঙ্গতি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুর স্বরধ্বনি যখন শেষের স্বরধ্বনিকে নিজের মতো করে বদলে ফেলে, তখন তাকেই আমরা প্রগত স্বরসঙ্গতি বলি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।