<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যতিহার বহুব্রীহি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে চেনার উপায় হলো— কোনো সমাসে যদি একই পদের পারস্পরিক বা ক্রিয়ার আদান-প্রদান (যেমন: কানে কানে, হাতে হাতে, লাঠিতে লাঠিতে) বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগিয়ে দেওয়া যায়। এখানে 'কানে কানে' কথাটির মাধ্যমে পারস্পরিক কার্য বোঝানো হয়েছে, তাই এটি ব্যতিহার বহুব্রীহি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রগতি</strong>। কারণ, বাংলা ব্যাকরণে প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ বা প্রা-আদি অব্যয়ের সাথে যখন কৃৎ প্রত্যয়যুক্ত বিশেষ্য পদের সমাস হয়, তখন তাকে <strong>প্রাদি সমাস</strong> বলে।</p>
<ul>
<li>শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: <strong>প্রগত যে গতি = প্রগতি</strong>।</li>
<li>এখানে 'প্র' উপসর্গটি 'গতি' বিশেষ্যের পূর্বে বসে প্রাদি সমাস গঠন করেছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: হিমাংশু</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, চাঁদের আলো বেশ ঠান্ডা বা শীতল প্রকৃতির হয়। 'হিম' অর্থ ঠান্ডা বা বরফ এবং 'অংশু' অর্থ কিরণ বা আলো। তাই যার শীতল কিরণ বা আলো রয়েছে—তিনিই হলেন <strong>হিমাংশু</strong>, যা মূলত চাঁদের একটি সুন্দর সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাপ</strong>। খুব সহজভাবে মনে রাখার কৌশল হলো, বাংলা ব্যাকরণে 'অহি' শব্দটি মূলত সাপ বা ভুজঙ্গ অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দ দেখলে সরাসরি সাপ দাগিয়ে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাজন</strong>। খুব সহজ কথায়, যে টাকা ধার দেয় বা ঋণ দেয় তাকে বলা হয় <strong>মহাজন</strong> (বা উত্তমর্ণ), আর যে টাকা ধার বা ঋণ নেয় তাকে বলা হয় <strong>খাতক</strong>। তাই 'খাতক'-এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'মহাজন' শব্দটি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জিঘাংসা</strong>। কথাটার মানে হলো কাউকে মেরে ফেলার বা হনন করার তীব্র ইচ্ছা।</p>
<p>এমন বাক্য সংকোচনগুলো মনে রাখার একটা সহজ উপায় হলো শব্দের মূল রূপটা খেয়াল করা। 'হনন' থেকে এসেছে 'জিঘাংসা', যা এই বিশেষ ভাবটিকে খুব সুন্দর ও নিখুঁতভাবে প্রকাশ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনূঢ়া</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার নিয়ম হলো— 'উঢ়া' শব্দের অর্থ বিবাহিতা। আর এর আগে 'ন' বা না-সূচক উপসর্গ যুক্ত করে কোনো মেয়ের বিয়ে হয়নি বোঝাতে <strong>অনূঢ়া</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সারী</strong>। বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ আছে যেগুলোর নির্দিষ্ট পুরুষবাচক রূপ পাওয়া যায়। যেমন— 'সারী' শব্দের পুরুষবাচক রূপ হলো 'সারা' বা 'শারি'।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঠাকুরানি</strong>। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী 'ঠাকুর' শব্দের সঠিক স্ত্রীবাচক রূপ বা লিঙ্গান্তর হলো 'ঠাকুরানি' (ঠাকুর + আনি)। প্রমিত বানানরীতি ও শব্দের প্রচলিত ব্যবহার অনুযায়ী অন্য বানানগুলো ভুল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: মস্যাধার</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! 'অন্যান্য' ($অন্য + অন্য$), 'মার্তণ্ড' ($মৃত + অণ্ড$) এবং 'কুলটা' ($কুল + অটা$) শব্দগুলো সন্ধির কোনো সাধারণ নিয়ম মেনে চলে না, তাই এগুলো নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।</p>
<p>পক্ষান্তরে, 'মস্যাধার' শব্দটির ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম ও দীর্ঘ স্বরসন্ধির নিয়ম সুন্দরভাবে খাপ খায় ($মসি + আধার = মস্যাধার$), তাই এটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি নয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাষ্ট্রপতি</strong>। খুব সহজ কথায় মনে রাখতে পারেন, আমাদের সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি হলেন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) সর্বাধিনায়ক বা প্রধান সেনাপতি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জনগণের ভাষা</strong>। কারণ, 'প্রাকৃত' শব্দটি এসেছে 'প্রকৃতি' থেকে, যার সহজ অর্থ হলো সাধারণ মানুষ বা জনসমাজ। অতীতে রাজপ্রাসাদ বা পন্ডিতদের ভাষা আলাদা থাকলেও সাধারণ মানুষ যে ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথা বলত এবং মনের ভাব প্রকাশ করত, তাকেই প্রাকৃত ভাষা বলা হতো। এটি মূলত প্রাকৃতজন বা সাধারণ মানুষের মুখের বুলি থেকেই গড়ে উঠেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>। কারণ তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বৈজ্ঞানিক ও সহজবোধ্য ব্যাকরণ রচনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন।</p>
<p>তাঁর রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটির নাম <strong>'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'</strong>, যা ১৮৩৩ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থটি বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ চর্চার ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী মাইলফলক।</p>
৪৬০৪
উদাহরণ প্রয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত কোন বিরাম চিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোলন ড্যাশ</strong> ($-:$)।</p>
<p>খুব সহজ একটা ট্রিক দিয়ে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কোনো কিছুর উদাহরণ বা বিশদ বিবরণ টানার সময় আমরা সাধারণত কোলন ($:$) এবং ড্যাশ ($-$) একসাথে অর্থাৎ <strong>কোলন ড্যাশ</strong> ব্যবহার করে থাকি।</li>
<li>যেমন: নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও$-: ...$</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ—মহাকবি বিদ্যাপতি মিথিলার কবি হয়েও বাংলা ও ব্রজবুলি ভাষায় চমৎকার পদ রচনা করেছিলেন। ব্রজবুলি মূলত কোনো আসল ভাষা নয়, এটি বাংলা ও মৈথিলী ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা, যা বৈষ্ণব পদাবলি রচনায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো। বিদ্যাপতিকে বলা হয় ব্রজবুলি সাহিত্যের মূল প্রবক্তা বা আদি কবি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।