<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ উনিই ছিলেন সেই সময়ের সমাজ সংস্কারক যিনি সতীদাহ প্রথার মতো কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সবচেয়ে জোরালো কণ্ঠস্বর ছিলেন।</p>
<ul>
<li>১৮২৯ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিং যখন সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করে আইন পাস করেন, তার পেছনে রামমোহন রায়ের দীর্ঘদিনের নিরলস আন্দোলন ও জনমত গঠন মূল ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
<li>তিনি ধর্মীয় শাস্ত্রের দোহাই দিয়ে এই প্রথার অমানবিক দিকগুলো তুলে ধরেন এবং ব্রিটিশ সরকারকে এটি বন্ধ করতে বাধ্য করেন।</li>
<li>তাই ইতিহাসে রামমোহন রায়কে এই প্রথা বিলোপের প্রধান কারিগর হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৪৯৭
পাঠ্যপুস্তকের বাইরে সর্বপ্রথম বাংলা গদ্যরীতির ব্যবহার করেন কোন বাঙালি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা গদ্যের বিকাশে তাঁর অবদান ছিল অগ্রগণ্য।</p>
<ul>
<li>বাংলা গদ্যকে পাঠ্যপুস্তকের গণ্ডি থেকে বের করে সাধারণ মানুষের বোধগম্য এবং যুক্তিপূর্ণ ভাষায় রূপান্তর করেন রাজা রামমোহন রায়।</li>
<li>তিনি তাঁর বিভিন্ন সমাজ সংস্কারমূলক প্রবন্ধ ও ধর্মতাত্ত্বিক আলোচনায় সর্বপ্রথম প্রাঞ্জল ও আধুনিক বাংলা গদ্যরীতির সার্থক প্রয়োগ ঘটান।</li>
<li>তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য কেবল শিক্ষামূলক কাজে সীমাবদ্ধ না থেকে জ্ঞানচর্চা ও মত প্রকাশের শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮২৮ সালে রাজা রামমোহন রায় কলকাতায় <strong>ব্রাহ্মসভা</strong> প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে <strong>ব্রাহ্মসমাজ</strong> নামে পরিচিতি পায়।</li>
<li>ভারতীয় সমাজ সংস্কার ও কুসংস্কার দূর করার ক্ষেত্রে তাঁর এই উদ্যোগ ছিল অত্যন্ত যুগান্তকারী।</li>
<li>সহজ কথায়, আধুনিক ভারতের নবজাগরণের জনক হিসেবে পরিচিত রামমোহন রায়ই এই সমাজ গঠনের মূল কারিগর ছিলেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮১৮ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশনের উদ্যোগে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় বাংলা ভাষার প্রথম মাসিক পত্রিকা হিসেবে এটি প্রকাশিত হয়।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই সালটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ১৮১৮ সালেই বাংলায় আধুনিক সাময়িকপত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল।</li>
<li>সহজভাবে মনে রাখতে পারেন, ১৮১৮ সাল মানেই বাংলায় সংবাদপত্র ও সাময়িকপত্রের ইতিহাসের সূচনালগ্ন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সাহিত্যিক জীবনের সাথে এই পত্রিকাটির নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। কেন এটি সঠিক, তার মূল কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>১৮৩১ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত নিজেই এই পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠা করেন।</li>
<li>শুরুতে এটি সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হলেও, পরে ১৮৩৯ সাল থেকে এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong> একটি মাইলফলক, যা ঈশ্বরগুপ্তের সম্পাদনায় অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।</li>
</ul>
<p>তাই কবি ঈশ্বরগুপ্তের নাম শুনলেই আমাদের মাথায় সবার আগে <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>-এর নামটাই আসা উচিত!</p>
<p>বাঙালিদের মধ্যে প্রথম বিজ্ঞানমনস্ক গদ্য লেখক হিসেবে <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যুক্তি ও বিজ্ঞানের আলোকে সমাজ সংস্কারের কথা তুলে ধরেন।</li>
<li>তার লেখাগুলোতে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং যুক্তিনির্ভর চিন্তাধারার স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায়।</li>
<li>বাংলা গদ্যকে তিনি কেবল সাহিত্যিক রূপ নয়, বরং জ্ঞানচর্চার একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যের শৈশবকালে তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি ধর্ম ও সমাজ নিয়ে আলোচনার ক্ষেত্রে অন্ধ বিশ্বাসের বদলে যুক্তিবাদ ও বিজ্ঞানমনস্কতাকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮২৮ সালে রাজা রামমোহন রায় কলকাতায় <strong>'ব্রাহ্মসভা'</strong> প্রতিষ্ঠা করেন, যা পরবর্তীতে <strong>'ব্রাহ্মসমাজ'</strong> নামে পরিচিতি পায়।</li>
<li>মূলত একেশ্বরবাদ প্রচার এবং হিন্দু ধর্মের কুসংস্কার দূর করার লক্ষ্যেই তিনি এই ধর্মমতের সূচনা করেছিলেন।</li>
<li>তাই আধুনিক ভারতের নবজাগরণের অগ্রদূত রামমোহন রায়কেই ব্রাহ্মধর্মের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ কারণ:</p>
<ul>
<li>উনিশ শতকের শুরুর দিকে সমাজ সংস্কারের ক্ষেত্রে রাজা রামমোহন রায় ছিলেন সবচেয়ে বড় অগ্রদূত।</li>
<li>তিনি দীর্ঘ সময় ধরে সতীদাহ প্রথার মতো অমানবিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলন গড়ে তোলেন।</li>
<li>তারই নিরলস প্রচেষ্টার ফলে ১৮২৯ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ গভর্নর লর্ড বেন্টিঙ্ক আইন করে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসে সতীদাহ প্রথা রোধের মূল কৃতিত্ব রাজা রামমোহন রায়ের নামেই যুক্ত হয়ে আছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেদান্ত চন্দ্রিকা</strong>। কারণ, এই বিখ্যাত গ্রন্থটি রাজা রামমোহন রায়ের লেখা নয়, বরং এটি রচনা করেছিলেন <strong>মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রাজা রামমোহন রায় মূলত একেশ্বরবাদ প্রচারের জন্য <strong>বেদান্ত গ্রন্থ</strong>, <strong>বেদান্ত সার</strong> এবং সমাজ সংস্কারের জন্য <strong>পথ্য প্রদান</strong>-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ বইগুলো লিখেছিলেন।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বেদান্ত চন্দ্রিকা</strong> মূলত রামমোহনের মতবাদের বিরোধিতা করে লেখা একটি পাল্টা গ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার সময় গুলিয়ে না ফেলে মনে রাখবেন, নামের শুরুতে 'বেদান্ত' থাকলেই সেটি রামমোহনের লেখা হবে এমন কোনো কথা নেই, বরং লেখকের নাম মনে রাখাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তী</strong>। বাংলা সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে 'ভোরের পাখি' বলা হয়, আর তাঁর লেখা <strong>‘নিসর্গ সন্দর্শন’</strong> কাব্যগ্রন্থটি বাংলা গীতিকবিতার ধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিহারীলাল চক্রবর্তী মূলত প্রকৃতি ও মানব হৃদয়ের অনুভূতির কবি হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর কাব্যশৈলীতে প্রকৃতির নিখুঁত বর্ণনা পাওয়া যায়, যা ‘নিসর্গ সন্দর্শন’ নামটির সাথেই সামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
<li>উনিশ শতকের বাংলা সাহিত্যে রোমান্টিক ধারার কবিতা জনপ্রিয় করার পেছনে তাঁর এই ধরনের কাব্যগ্রন্থগুলো বড় ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>বিহারীলাল চক্রবর্তীর শ্রেষ্ঠ কাব্য হলো <strong>সারদা মঙ্গল</strong>। একে বাংলা গীতিকবিতার ধারায় একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়। এই কাব্যটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li><strong>গীতিকবিতার সার্থকতা:</strong> বিহারীলালকে 'ভোরের পাখি' বলা হয়, আর তার এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে গীতিকবিতার পূর্ণতা এনে দিয়েছিল।</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> এতে কবি দেবী সারদাকে কেন্দ্র করে এক অপূর্ব ভাবনার জগত তৈরি করেছেন, যা তৎকালীন বাংলা সাহিত্যে ছিল একদমই নতুন ও অনন্য।</li>
<li><strong>প্রভাব:</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও বিহারীলালের এই কাব্যধারা দ্বারা গভীরভাবে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন, যা একে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কাব্যশৈলী এবং ভাবগাম্ভীর্যের বিচারে <strong>সারদা মঙ্গল</strong>-ই তার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবিতা সুন্দরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থগুলোর একটি নির্দিষ্ট তালিকা রয়েছে যা আমাদের জানা থাকা জরুরি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিহারীলাল চক্রবর্তীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: <em>সঙ্গীত শতক</em>, <em>নিসর্গ সন্দর্শন</em>, <em>বন্ধুবিয়োগ</em>, <em>প্রেমপ্রবাহিণী</em> এবং <em>সারদামঙ্গল</em>।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>সবিতা সুন্দরী</em> কাব্যগ্রন্থটি বিহারীলাল চক্রবর্তীর লেখা নয়। এটি মূলত কবি <strong>হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের</strong> একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় গুলিয়ে ফেলা এড়াতে বিহারীলাল চক্রবর্তীর কাব্যগ্রন্থগুলোকে একটি ছোট তালিকার মতো করে মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
৫০৮
‘প্রেম ও ফুল, কস্তুরী, ফুলরেণু’ প্রভৃতি কাব্য কে রচনা করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গোবিন্দচন্দ্র দাস</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। গোবিন্দচন্দ্র দাসকে সাধারণত 'স্বভাব কবি' বলা হয়। তার কাব্যশৈলীতে প্রকৃতি ও প্রেমের এক দারুণ মেলবন্ধন দেখা যায়। এই কাব্যগ্রন্থগুলো মনে রাখার জন্য আপনি নিচের ছোট কৌশলটি ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>প্রেম ও ফুল</strong>, <strong>কস্তুরী</strong> এবং <strong>ফুলরেণু</strong>—এই তিনটি কাব্যগ্রন্থই গোবিন্দচন্দ্র দাসের অত্যন্ত জনপ্রিয় সৃষ্টি।</li>
<li>তার লেখার মূল বৈশিষ্ট্য হলো সহজ-সরল ভাষায় প্রকৃতির সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা, যা এই কাব্যগ্রন্থগুলোর নামকরণের মধ্যেই ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে শুধু কবির নামের সাথে এই তিনটি কাব্যগ্রন্থের নাম একবার মিলিয়ে নিলেই চলবে।</p>
<p>‘এষা’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন <strong>অক্ষয়কুমার বড়াল</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>অক্ষয়কুমার বড়াল মূলত তার বিষাদময় ও রোমান্টিক কাব্যধারার জন্য পরিচিত।</li>
<li>তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে ‘প্রদীপ’, ‘কনকাঞ্জলি’ এবং ‘এষা’ অন্যতম।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখতে ‘এষা’ শব্দটির সাথে অক্ষয়কুমার বড়ালের নামটিকে একটি ছোট বাক্যে মিলিয়ে নিন, যেমন: <strong>‘অক্ষয়ের এষা’</strong>।</li>
</ul>
<p>এই ছোট কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি দাগিয়ে আসতে পারবেন।</p>
<p>সুধীন্দ্রনাথ দত্তের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>তন্বী</strong>। এটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা আধুনিক কবিতার ধারায় সুধীন্দ্রনাথ দত্ত একজন অত্যন্ত সচেতন এবং ধ্রুপদী ঘরানার কবি ছিলেন। তাঁর কাব্যচর্চার শুরুটা হয়েছিল এই <strong>তন্বী</strong> কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার জন্য, সুধীন্দ্রনাথের কাব্যযাত্রার একদম শুরুর নামটাই হলো <strong>তন্বী</strong>। এটি তাঁর কবিসত্তার প্রাথমিক বিকাশের পরিচয় বহন করে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।