কয়েকটি ভাষায় শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি
ব্যাখ্যা:
<p>দোভাষী পুঁথি বলতে মূলত এমন এক ধরনের সাহিত্যকে বোঝায়, যেখানে বাংলা ভাষার পাশাপাশি আরবি, ফারসি বা হিন্দি শব্দের সংমিশ্রণ ঘটানো হয়েছে। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এই ধরনের রচনার ব্যাপক প্রচলন ছিল।</p>
<p>সহজ কথায় এটি বোঝার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>মিশ্রণ:</strong> এখানে কোনো একটি নির্দিষ্ট ভাষার কঠোর ব্যাকরণ অনুসরণ করা হয়নি।</li>
<li><strong>শব্দভাণ্ডার:</strong> বাংলা বাক্যের ভেতরে প্রচুর পরিমাণে বিদেশি (মূলত আরবি-ফারসি) শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> সাধারণ মানুষের কাছে ধর্মীয় বা লোকজ কাহিনীগুলো সহজবোধ্য করার জন্য কবিরা এই মিশ্র ভাষা বা 'দোভাষী' রীতি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই, যখনই দেখবেন কোনো পুঁথিতে একাধিক ভাষার শব্দের মিশেল রয়েছে, তখনই তাকে দোভাষী পুঁথি হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চট্রগ্রাম</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের এই বিখ্যাত কবি চট্রগ্রামের অধিবাসী ছিলেন। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>দৌলত উজির বাহরাম খান মূলত চট্রগ্রামের ফতেহাবাদ অঞ্চলের বাসিন্দা ছিলেন।</li>
<li>তিনি ষোড়শ শতাব্দীর একজন প্রভাবশালী কবি, যিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'লায়লী-মজনু' রচনার জন্য পরিচিত।</li>
<li>তৎকালীন চট্রগ্রামের শাসনকর্তা লস্কর উজিরের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি সাহিত্যচর্চা করতেন, তাই তাঁর নামের সাথে 'উজির' উপাধিটি যুক্ত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবি পরিচিতি মনে রাখার সময় তাঁর জন্মস্থান হিসেবে <strong>চট্রগ্রাম</strong> বা <strong>ফতেহাবাদ</strong> নামটি মাথায় রাখলেই পরীক্ষায় খুব সহজে উত্তর করা সম্ভব।</p>
৪৯৯৮
দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জমিদার নিজাম শাহ</strong>। মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি দৌলত উজির বাহরাম খান চট্টগ্রামের তৎকালীন জমিদার নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় তাঁর বিখ্যাত 'লাইলি-মজনু' কাব্য রচনা করেন। ইতিহাস ও সাহিত্যচর্চার ক্ষেত্রে তৎকালীন স্থানীয় জমিদার ও সুলতানদের পৃষ্ঠপোষকতা একটি বড় ভূমিকা রেখেছিল, আর কবি দৌলত উজির বাহরাম শাহের ক্ষেত্রে এই সহায়ক ভূমিকাটি পালন করেছিলেন নিজাম শাহ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি</strong>। দ্বিজেন্দ্রলাল রায় মূলত তাঁর বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান এবং কবিতার জন্য বেশি পরিচিত হলেও, বাংলা সাহিত্যে তিনি একজন অন্যতম প্রধান ও জনপ্রিয় কবি হিসেবেই সমধিক পরিচিত। তাঁর লেখনীতে দেশপ্রেম ও প্রকৃতির রূপ অসাধারণভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী</strong>।</p>
<p>পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী, দ্রোপদী ছিলেন পাণ্ডব রাজকুমার অর্থাৎ যুধিষ্ঠির, ভীম, অর্জুন, নকুল ও সহদেব—এই পাঁচ ভাইয়ের যৌথ স্ত্রী বা মহিষী। মহাভারতের গল্পে তাঁর চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তিনি পঞ্চপাণ্ডবের শক্তির উৎস হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধূমকেতু</strong>। কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>ধূমকেতু</strong> পত্রিকাটি ছিল নজরুলের নিজের সম্পাদিত এবং এর মাধ্যমেই তিনি ব্রিটিশবিরোধী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই তার বিখ্যাত কবিতা <strong>'আনন্দময়ীর আগমনে'</strong> প্রকাশিত হয়েছিল, যার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়।</li>
<li>নজরুলকে এই পত্রিকার জন্য <strong>'ধূমকেতু কবি'</strong> হিসেবেও অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষের বাঁশি</strong>। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত প্রকাশনাটি ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় উত্তাপ ছড়ালে, ব্রিটিশ সরকার এটিকে বাজেয়াপ্ত করে। নজরুলের এমন বহু লেখাই সে সময় পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙতে তরুণ সমাজকে দারুণভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পলাশীর যুদ্ধ</strong>। এটি বিখ্যাত কবি নবীনচন্দ্র সেনের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ঐতিহাসিক মহাকাব্য। ১৮৭৫ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটিতে বাংলা নবাব সিরাজউদ্দৌলার পতন এবং বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্ত যাওয়ার নেপথ্য ঘটনা অত্যন্ত সুন্দর ও মর্মান্তিক ভাষায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এই একটিমাত্র কাব্যই তাঁকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অমর করে রেখেছে।</p>
৫০০৪
নানান দেশের নানান ভাষা বিনে স্বদেশী ভাষা পুরে কি আশা? - চরণগুলোর রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রামনিধি গুপ্ত</strong> (যিনি নিধু বাবু নামেও পরিচিত)।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, বাংলা ভাষার প্রতি এমন গভীর অনুরাগ ও দেশপ্রেমমূলক গান বা পদ সৃষ্টির জন্য নিধু বাবু বেশ পরিচিত ছিলেন। তার রচিত এই পংক্তিটিতে নিজের মাতৃভাষার প্রতি ভালোবাসার কথা অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা খুব সহজেই আয়ত্ত করা যায়।</p>
<p>নারী জাগরণের পথিকৃৎ হিসেবে আমরা সাধারণত বেগম রোকেয়াকে চিনি, তবে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুফিয়া কামাল</strong>।</p>
<p>সুফিয়া কামালকে কেন এই বিশেষণে ভূষিত করা হয়, তার কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি ছিলেন বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক।</li>
<li>নারীদের অধিকার আদায়, শিক্ষা বিস্তার এবং সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন সোচ্চার ছিলেন।</li>
<li>তিনি শুধু একজন কবিই ছিলেন না, বরং নারীদের সংগঠিত করতে এবং তাদের আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠায় তিনি যে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছেন, তা আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারীর অধিকার ও প্রগতিশীল আন্দোলনের কথা বললে সুফিয়া কামালের নাম সবার আগে উঠে আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুফিয়া কামাল</strong>।</p>
<p>নারী জাগরণ ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে এক অনন্য নাম কবি সুফিয়া কামাল। তিনি বিখ্যাত নারী বিষয়ক পত্রিকা 'বেগম'-এর সাথে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন এবং নারীদের লেখালেখি ও সাহিত্যচর্চাকে এগিয়ে নিতে এই পত্রিকার উপদেষ্টা ও পৃষ্ঠপোষক হিসেবে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বাঁধন-হারা</strong>। কারণ এটি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত এবং পত্রাকারে রচিত একটি জনপ্রিয় উপন্যাস, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে 'গোরা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের, 'আনন্দমঠ' বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এবং 'কবি' তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বিখ্যাত উপন্যাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আরেক ফাল্গুন</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! শহীদুল্লাহ কায়সারের লেখা এই বিখ্যাত উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো ১৯৫২ সালের অমর ভাষা আন্দোলন। ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলো এবং রাজপথে শহিদদের আত্মত্যাগের প্রেক্ষাপটেই মূলত উপন্যাসটি রচিত হয়েছে।</p>
৫০০৯
নিচের কোন কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অগ্নিবীণা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের এই কাব্যগ্রন্থটি তাঁর উদারনৈতিক ও বিদ্রোহী চেতনার এক অনন্য দলিল। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা হয়, যা ছিল শোষিত ও বঞ্চিত মানুষের পক্ষে কথা বলার এক বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর।</li>
<li>এই কাব্যের কবিতাগুলোতে নজরুল সাম্প্রদায়িকতা ও সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে সাম্য ও মানবতার জয়গান গেয়েছেন।</li>
<li>তাঁর এই উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনা মূলত ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন এবং সমাজের প্রচলিত কুসংস্কার ভাঙার এক সাহসী পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করেছে, যা আজও আমাদের প্রেরণা দেয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। মধ্যযুগের বিশিষ্ট কবি সৈয়দ আলাওলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও পরিচিত মহাকাব্য হলো এটি। কবি আলাওল মূলত আরাকান রাজসভার প্ররোচনায় এবং মালেক মোহাম্মদের মূল হিন্দি 'পদ্মাবত' কাব্যের অনুসরণে এই অমর কাব্যটি রচনা করেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।