<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ধূমকেতু</strong>। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকার প্রথম সংখ্যাটি প্রকাশের ঠিক প্রাক্কালে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একটি আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন। তাঁর সেই বাণীটি ছিল—</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কপালকুণ্ডলা</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও রোমান্টিক উপন্যাস হলো এটি। অন্যদিকে, চরিত্রহীন শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের, পরিণীতা শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এবং জুলেখা মুনীর চৌধুরীর রচিত নাটক। তাই খুব সহজেই বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাস হিসেবে 'কপালকুণ্ডলা' নামটি মনে রাখতে পারো।</p>
৫০৪৩
নিম্নোক্ত কোন উপন্যাসে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘পূর্ব-পশ্চিম’</strong>। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের এই কালজয়ী উপন্যাসে দেশভাগ, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের বাস্তবোচিত ও জীবন্ত চিত্র অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাই মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের পটভূমি হিসেবে এই উপন্যাসটি বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, আর সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর লেখালেখির জগতে নিজেকে আড়াল করতে বা ভিন্ন স্বাদ দিতে <strong>'নীল লোহিত'</strong> ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জনপ্রিয় কিছু ছদ্মনাম হলো <strong>নীল লোহিত</strong>, সনাতন পাঠক এবং নীল উপাধ্যায়।</li>
<li>তাঁর লেখা 'নীল লোহিতের ডায়েরি' বা 'নীল লোহিতের গল্প' সিরিজগুলো পাঠকদের কাছে অত্যন্ত পরিচিত, যা থেকে খুব সহজেই এই নামটি মনে রাখা যায়।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>পদ বা পদাবলী</strong> বলতে মূলত মধ্যযুগের এক বিশেষ কাব্যধারাকে বোঝায়। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবীয় ধর্মের গূঢ় বিষয়ের বিশেষ সৃষ্টি</strong>, কারণ বিষয়টি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>ধর্মীয় প্রেক্ষাপট:</strong> চর্যাপদগুলো মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া ধর্মের সাধনতত্ত্ব নিয়ে লেখা, আবার বৈষ্ণব পদাবলীতে রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলার আড়ালে আধ্যাত্মিক বা গূঢ় তত্ত্ব প্রকাশ করা হয়েছে।</li>
<li><strong>গূঢ় অর্থ:</strong> এই পদগুলো সাধারণ ছড়া বা কবিতা নয়; এর প্রতিটি লাইনের আড়ালে গভীর দার্শনিক ও ধর্মীয় অর্থ লুকিয়ে থাকে।</li>
<li><strong>বিশেষ সৃষ্টি:</strong> এই পদগুলো নির্দিষ্ট ছন্দে ও রাগে গাওয়া হতো, যা তৎকালীন সময়ে ধর্মীয় ভাবধারা প্রচারের প্রধান মাধ্যম ছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে কাব্য বা গীতিতে ধর্মের গূঢ় রহস্য বা সাধনতত্ত্ব রূপক আকারে প্রকাশ পায়, তাকেই আমরা পদ বা পদাবলী হিসেবে চিনি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অবরোধবাসিনী</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা এই গ্রন্থটি পর্দাপ্রথার কুফল নিয়ে একটি অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>অবরোধবাসিনী</strong> মূলত পর্দাপ্রথার কঠোরতার কারণে নারীদের যে করুণ ও হাস্যকর পরিস্থিতির শিকার হতে হতো, তার বাস্তব চিত্র তুলে ধরে।</li>
<li>বেগম রোকেয়া অত্যন্ত তীক্ষ্ণ বুদ্ধির মাধ্যমে তৎকালীন সমাজের এই কুসংস্কারকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে উপস্থাপন করেছেন।</li>
<li>বইটির প্রতিটি ঘটনা আমাদের দেখায় যে, কীভাবে অন্ধ অনুকরণ ও কুসংস্কার নারীদের জীবনকে পদে পদে বাধাগ্রস্ত করত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পর্দাপ্রথার অসারতা ও এর ফলে সৃষ্ট অদ্ভুত সব পরিস্থিতি নিয়ে লেখা সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ব্যঙ্গাত্মক গ্রন্থ হলো এটি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফরিদপুর</strong>।</p>
<p>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন ফরিদপুর জেলার (বর্তমান গোপালগঞ্জ জেলার) তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তাঁর পৈতৃক নিবাস এবং মূল বেড়ে ওঠা ফরিদপুরেই। বাংলা সাহিত্যে তাঁকে 'পল্লীকবি' হিসেবে অভিহিত করা হয়, কারণ তাঁর কবিতায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের সহজ-সরল জীবন অত্যন্ত সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যাকারণবিদ</strong>। পাণিনিকে বলা হয় সংস্কৃত ব্যাকরণের জনক। তার লেখা বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থটির নাম হলো <strong>'অষ্টাধ্যায়ী'</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>পাণিনি মানেই সংস্কৃত ব্যাকরণের অপ্রতিদ্বন্দ্বী পণ্ডিত।</li>
<li>তিনি প্রাচীন ভারতের একজন বিখ্যাত ভাষাবিদ ছিলেন, যিনি শব্দের গঠন ও ব্যাকরণ নিয়ে কাজ করেছেন।</li>
<li>তাই যখনই পাণিনির নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন তিনি একজন <strong>ব্যাকারণবিদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রক্তাক্ত প্রান্তর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মুনীর চৌধুরীর লেখা এই বিখ্যাত নাটকটি মূলত ১৭৬১ সালে সংঘটিত ঐতিহাসিক <strong>পানি পথের তৃতীয় যুদ্ধের</strong> প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<ul>
<li>নাটকটির মূল উপজীব্য হলো আহমদ শাহ আবদালী এবং মারাঠা শক্তির মধ্যকার সেই রক্তক্ষয়ী লড়াই।</li>
<li>মুনীর চৌধুরী এই নাটকে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রক্তাক্ত প্রান্তর</strong>। মুনীর চৌধুরীর লেখা এই বিখ্যাত নাটকটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য সহজ কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>রক্তাক্ত প্রান্তর</strong> নাটকটি ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ভয়াবহতা ও মানবিক বিপর্যয়ের ওপর ভিত্তি করে লেখা।</li>
<li>এই নাটকে আহমদ শাহ আবদালি এবং মারাঠা শক্তির মধ্যকার ঐতিহাসিক সংঘাত ও তার করুণ পরিণতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে ঐতিহাসিক নাটকের ধারায় এটি একটি অনন্য সৃষ্টি, যা যুদ্ধের নিষ্ঠুরতাকে অত্যন্ত নিপুণভাবে তুলে ধরে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মিশ্র</strong>। পুঁথি সাহিত্যের ভাষা মূলত খাঁটি বাংলা নয়, এর সাথে আরবি, ফারসি, হিন্দি ও অবহট্টি ভাষার সংমিশ্রণ ঘটেছে। এই সাহিত্যের মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ মুসলিম পাঠকদের কাছে ইসলাম ধর্মের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নানা কাহিনী সহজবোধ্য ভাষায় তুলে ধরা। তাই সেকালের লেখকেরা বাংলার পাশাপাশি বিভিন্ন আঞ্চলিক ও ভিনদেশী শব্দের মেলবন্ধনে এক অদ্ভুত মিশ্র ভাষা ব্যবহার করতেন, যা সাধারণ মানুষের কাছে দারুণ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল।</p>
<p>পৃথিবীতে জাত মহাকাব্যের সংখ্যা হলো <strong>চারখানা</strong>। সাহিত্যতত্ত্বের নিয়ম অনুযায়ী, যে মহাকাব্যগুলো কোনো নির্দিষ্ট কবির একক প্রচেষ্টায় রচিত এবং যার কাহিনী ও গঠনশৈলী সুবিন্যস্ত, সেগুলোকে জাত মহাকাব্য বলা হয়।</p>
<p>বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে এই চারটি মহাকাব্য হলো:</p>
<ul>
<li>হোমারের <strong>ইলিয়াড</strong> (Iliad)</li>
<li>হোমারের <strong>ওডিসি</strong> (Odyssey)</li>
<li>ভার্জিলের <strong>ইনিড</strong> (Aeneid)</li>
<li>জন মিল্টনের <strong>প্যারাডাইস লস্ট</strong> (Paradise Lost)</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মহাকাব্যের ধ্রুপদী সংজ্ঞা ও কাঠামোগত বিচারে এই চারটি কাব্যই বিশ্বজুড়ে শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা পায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।