<p>বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা বোঝাতে <strong>পাটি</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত কোনো বস্তুর জোড়া বা নির্দিষ্ট কোনো গুচ্ছ বোঝাতে আমরা এটি ব্যবহার করি। যেমন: এক পাটি জুতো বা এক পাটি কানের দুল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>পাটি</strong> শব্দটি মূলত জোড়াসংক্রান্ত নির্দিষ্ট বস্তু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এটি বিশেষ্য পদের সাথে যুক্ত হয়ে বস্তুটির নির্দিষ্ট একটি অংশ বা জোড়াকে নির্দেশ করে।</li>
<li>অন্যান্য নির্দেশকগুলো সাধারণ নির্দিষ্টতা বোঝালেও, <strong>পাটি</strong> নির্দিষ্টভাবে জোড়া বা সেটকে চিহ্নিত করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বচনভেদে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>পদাশ্রিত নির্দেশক বা পদাশ্রিত অব্যয়গুলো মূলত শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়।</li>
<li>যখন আমরা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের বচন পরিবর্তন করি, তখন সেই নির্দেশকগুলোও বচন অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়।</li>
<li>যেমন: 'মানুষ<strong>টা</strong>' (একবচন) আবার বহুবচনের ক্ষেত্রে হয়ে যায় 'মানুষ<strong>গুলো</strong>' বা 'মানুষ<strong>গুলোরা</strong>'।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, বচনের পরিবর্তনের সাথে সাথে নির্দেশকের রূপও বদলে যায় বলেই একে <strong>বচনভেদে</strong> পদাশ্রিত নির্দেশকের রূপান্তর বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>একবচন</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে একটি মাত্র সংখ্যায় বোঝাতে আমরা এই শব্দগুলো ব্যবহার করি।</p>
<ul>
<li>যখন আমরা বলি 'বই<strong>টি</strong>' বা 'কলম<strong>টা</strong>', তখন কিন্তু একটি মাত্র বই বা কলমকেই বোঝানো হয়।</li>
<li>একইভাবে 'কাগজ<strong>খানা</strong>' বা 'ছবি<strong>খানি</strong>' বললেও একটি মাত্র বস্তুর কথাই মাথায় আসে।</li>
<li>যেহেতু এই নির্দেশকগুলো দিয়ে সবসময় একটি মাত্র সংখ্যা বা একক সত্তাকেই চিহ্নিত করা হয়, তাই এগুলো সরাসরি <strong>একবচনের</strong> অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>কবিতার ক্ষেত্রে 'খানি' শব্দটি যুক্ত হলে তা মূলত <strong>নির্দিষ্টার্থে</strong> ব্যবহৃত হয়। বাংলা ব্যাকরণে কোনো বিশেষ্য বা বস্তুর সাথে 'খানি' বা 'খানা' যুক্ত করলে তা ওই বস্তুটিকে নির্দিষ্ট করে বোঝায়। যেমন—'বইখানি' বললে যেকোনো বই নয়, বরং নির্দিষ্ট একটি বইকেই বোঝানো হয়।</p>
<ul>
<li>'খানি' বা 'খানা' হলো এক ধরনের নির্দেশক বা পদাশ্রিত নির্দেশক।</li>
<li>এটি কোনো বস্তুর সংখ্যা বা পরিমাণকে নির্দিষ্ট করে দেয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখনই আমরা কোনো শব্দের শেষে 'খানি' যোগ করি, তখন সেটি সাধারণ থেকে বিশেষ বা নির্দিষ্ট হয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>বচনবাচক শব্দের আগে বসে <strong>গোটা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে বচন বা সংখ্যা বোঝাতে কিছু শব্দ বিশেষ্যের আগে বসে, আবার কিছু পরে বসে।</li>
<li><strong>গোটা</strong> শব্দটি সবসময় বিশেষ্যের আগে বসে পরিমাণ বা বচন নির্দেশ করে। যেমন: 'গোটা পৃথিবী' বা 'গোটা ফল'।</li>
<li>অন্যদিকে, টাকা, টুকু বা খানি—এই শব্দগুলো সাধারণত বিশেষ্যের পরে বসে বচন বা পরিমাণ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>গোটা</strong>, কারণ এটিই একমাত্র শব্দ যা বচনবাচক হিসেবে বিশেষ্যের আগে বসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণে 'খানা' বা 'খানি' হলো এক ধরনের বচনবাচক প্রত্যয় বা নির্দেশক, যা বিশেষ্য পদের সাথে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্টতা বোঝায়।</p>
<ul>
<li>শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে এটি বচন বা পরিমাণ নির্দেশ করে।</li>
<li>যেমন: 'বই' শব্দের সাথে 'খানা' যুক্ত হয়ে হয় <strong>বইখানা</strong>।</li>
<li>যেহেতু এটি মূল শব্দের শেষে বসে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>পরে</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনির্দিষ্টতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, যখন আমরা কোনো শব্দের শেষে 'টা' বা 'টি' যুক্ত করি, তখন সেটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তুকে না বুঝিয়ে বরং সাধারণ কোনো কিছুকে বোঝায়।</p>
<ul>
<li>যেমন: 'বইটা' বললে নির্দিষ্ট কোনো বইকে বোঝায় না, বরং যেকোনো একটি বইকে বোঝায়।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের পদাশ্রিত নির্দেশক যখন অনির্দিষ্টতা প্রকাশ করে, তখন তাকে অনির্দিষ্টতাবাচক বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, নির্দিষ্ট করে কিছু না বুঝিয়ে সাধারণ কোনো কিছু বোঝাতেই আমরা 'টা' বা 'টি' ব্যবহার করি।</li>
</ul>
৫৪৮
যে সকল অব্যয়সূচক শব্দাংশ বা প্রত্যয় পদের আশ্রয়ে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে তাকে কি বলে ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদাশ্রিত নির্দেশক</strong>। বিষয়টি একদম সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো শব্দ বা পদের শেষে <strong>-টা, -টি, -খানা, -খানি, -টা, -গুলা</strong> ইত্যাদি যুক্ত হয়ে কোনো কিছুকে নির্দিষ্ট করে বোঝায়, তখন তাকেই পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।</li>
<li>এগুলো আলাদা কোনো শব্দ নয়, বরং পদের সাথে মিশে গিয়ে নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে। যেমন: 'বইটা' বা 'কলমটি' বললে আমরা নির্দিষ্ট একটি বস্তুকে বুঝি।</li>
<li>সহজ কথায়, পদের আশ্রয়ে থেকে যে শব্দাংশ নির্দিষ্টতা দেয়, সেটাই পদাশ্রিত নির্দেশক।</li>
</ul>
৫৪৯
সারাটি সকাল তোমার আশায় বসে আছি - এ বাক্যের পদাশ্রিত নির্দেশক কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিরর্থকভাবে</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাক্যটিতে 'সারাটি' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে সময় বা ব্যাপ্তি বোঝাতে।</p>
<ul>
<li>এখানে 'টি' পদাশ্রিত নির্দেশকটি কোনো নির্দিষ্ট বস্তু বা ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে না।</li>
<li>বরং এটি পুরো সকাল সময়কালকে জোর দিয়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যার কোনো আলাদা অর্থ বা নির্দিষ্টতা নেই।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো নির্দেশক বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে যুক্ত হয়ে কেবল বাক্যের ভাব বা গুরুত্ব বাড়ায় কিন্তু নির্দিষ্ট কোনো অর্থ প্রকাশ করে না, তখন তাকে <strong>নিরর্থকভাবে</strong> ব্যবহৃত নির্দেশক বলা হয়।</li>
</ul>
৫৫০
ন্যাকামিটা এখন রাখ, বাক্যে ন্যাকামি শব্দের সাথে টা যুক্ত হয়ে কোন অর্থ প্রকাশ করে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিরর্থকতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে অনেক সময় শব্দের শেষে 'টা', 'টি', 'খানা' বা 'খানি' যোগ করা হয় নির্দিষ্ট করে বোঝানোর জন্য।</li>
<li>কিন্তু যখন কোনো বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে 'টা' যুক্ত হয়ে কোনো নেতিবাচক বা তুচ্ছতাচ্ছিল্যমূলক ভাব প্রকাশ করে, তখন তা মূল শব্দের অর্থকে কমিয়ে দেয় বা গুরুত্বহীন করে তোলে।</li>
<li>'ন্যাকামি' একটি নেতিবাচক শব্দ। এর সাথে 'টা' যুক্ত হয়ে এখানে কোনো নির্দিষ্ট বস্তুকে বোঝাচ্ছে না, বরং কথাটিকে গুরুত্বহীন বা অর্থহীন করে তুলেছে।</li>
<li>তাই এই বাক্যে 'ন্যাকামিটা' বলতে কোনো বিশেষ ন্যাকামিকে না বুঝিয়ে বরং সামগ্রিক ন্যাকামির <strong>নিরর্থকতা</strong> বা অপ্রয়োজনীয়তাকে বোঝানো হয়েছে।</li>
</ul>
৫৫১
বাচ্চাটাকে দুধ দাও - এ বাক্যে 'টাক' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্দিষ্টতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ্য পদের সাথে যখন <strong>'টা'</strong>, <strong>'টি'</strong> বা <strong>'টাক'</strong> যুক্ত হয়, তখন সেটি কোনো সাধারণ বস্তুকে বিশেষ কোনো নির্দিষ্ট বস্তুতে রূপান্তর করে।</li>
<li>বাক্যটিতে 'বাচ্চা' শব্দের সাথে 'টা' যুক্ত হয়ে 'বাচ্চাটাকে' হয়েছে। এর মানে হলো, আমরা এখানে যেকোনো বাচ্চার কথা বলছি না, বরং নির্দিষ্ট একটি বাচ্চাকেই দুধ দেওয়ার কথা বলছি।</li>
<li>সহজ কথায়, যখনই কোনো পদের শেষে এমন বিভক্তি বা নির্দেশক যুক্ত হয়, তখন তা ওই বস্তু বা ব্যক্তিকে সবার থেকে আলাদা করে <strong>নির্দিষ্ট</strong> করে দেয়।</li>
</ul>
৫৫২
সবটুকু ওষুধই খেয়ে ফেল - এ বাক্যে 'টুকু' কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্দিষ্টতা</strong>।</p>
<p>বাক্যটিতে 'টুকু' শব্দটি ব্যবহারের পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'টুকু' শব্দটি এখানে ওষুধের পরিমাণের ওপর জোর দিচ্ছে।</li>
<li>যখন আমরা বলি 'সবটুকু', তখন আমরা পুরো পরিমাণটাকে নির্দিষ্ট করে বুঝিয়ে দিচ্ছি যে, এর বাইরে আর কিছু বাকি রাখা যাবে না।</li>
<li>অর্থাৎ, এখানে 'টুকু' শব্দটি কোনো অস্পষ্টতা রাখছে না, বরং ওষুধের পরিমাণকে সুনির্দিষ্টভাবে নির্দিষ্ট করে দিচ্ছে।</li>
</ul>
৫৫৩
বিশেষ অর্থে নিদিষ্টতা জ্ঞাপনে কোনগুলো ব্যবহৃত হয় ?
<p>বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা বোঝাতে আমরা সাধারণত পদাশ্রিত নির্দেশক ব্যবহার করি। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কেতা, তা, পাটি</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ, কারণ:</p>
<ul>
<li><strong>কেতা:</strong> নির্দিষ্ট কোনো ধরন বা স্টাইল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>তা:</strong> কাগজ বা নির্দিষ্ট বস্তুর পরিমাপ বোঝাতে এটি একটি সুনির্দিষ্ট নির্দেশক।</li>
<li><strong>পাটি:</strong> জুতো বা নির্দিষ্ট জোড়া বস্তুর ক্ষেত্রে এটি নির্দিষ্টতা প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো সাধারণ বিশেষ্য পদের সাথে এই শব্দগুলো যুক্ত হয়, তখন তা সাধারণের পরিবর্তে একটি নির্দিষ্ট বস্তুকে নির্দেশ করে। তাই বিশেষ অর্থে নির্দিষ্টতা জ্ঞাপনে এই শব্দগুলোই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
৫৫৪
আমি আভাগা এনেছি বহিয়া নয়ন জলে ব্যর্থ সাধন খানি - এই বাক্যে খানি পদাশ্রিত নির্দেশকটি কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্দিষ্ট অর্থে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে 'টা', 'টি', 'খানা', 'খানি' ইত্যাদি পদাশ্রিত নির্দেশকগুলো সাধারণত বিশেষ্য বা সর্বনামের সাথে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে নির্দিষ্ট করে বোঝায়।</li>
<li>এই বাক্যে 'সাধন খানি' বলতে একটি বিশেষ বা সুনির্দিষ্ট সাধনকে বোঝানো হয়েছে, যা বক্তার কাছে পরিচিত বা নির্দিষ্ট।</li>
<li>যেহেতু 'খানি' শব্দটি এখানে কোনো অনির্দিষ্ট বস্তুকে না বুঝিয়ে বরং একটি নির্দিষ্ট কাজ বা সাধনকে চিহ্নিত করছে, তাই এটি <strong>নির্দিষ্ট অর্থে</strong> ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
</ul>
৫৫৫
'এক যে ছিল রাজা' এখানে পদাশ্রিত নির্দেশক কি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনির্দিষ্টতা</strong>। কারণটা খুব সহজ!</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে যখন কোনো পদের সাথে 'টা', 'টি', 'খানা', 'খানি' বা 'এক' যুক্ত হয়ে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে না বুঝিয়ে সাধারণ কাউকে বোঝায়, তখন তাকে অনির্দিষ্টতা বলা হয়।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে 'এক' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট রাজাকে বোঝাচ্ছে না।</li>
<li>এটি দিয়ে মূলত কোনো এক অজানা বা কাল্পনিক রাজাকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>তাই এখানে 'এক' পদাশ্রিত নির্দেশকটি <strong>অনির্দিষ্টতা</strong> প্রকাশ করছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।