<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৪২</strong> সাল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলাম ১৯৪২ সালের মাঝামাঝি সময়ে দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন।</li>
<li>এই অসুস্থতার কারণেই তিনি বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন এবং দীর্ঘ সময় জনজীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই বছরটিই তার সাহিত্যিক জীবনের এক বড় বিচ্ছেদের বছর হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯৪২ সাল থেকেই আমাদের জাতীয় কবি চিরতরে নীরব হয়ে যান।</p>
৫৫৩৭
কোন সালে কাজী নজরুল ইসলাম ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তিরহিত হন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৪২</strong> সাল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই সময় থেকেই আমাদের জাতীয় কবির সৃজনশীল জীবনের এক করুণ অধ্যায় শুরু হয়।</p>
<ul>
<li>১৯৪২ সালের মাঝামাঝি সময়ে কাজী নজরুল ইসলাম দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন।</li>
<li>এই অসুস্থতার কারণেই তিনি তার বাকশক্তি হারিয়ে ফেলেন এবং দীর্ঘদিনের জন্য সাহিত্যচর্চা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।</li>
<li>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই সালটি মনে রাখলে পরীক্ষার জন্য বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।</li>
</ul>
৫৫৩৮
কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জম্ম শতবার্ষিকী পালিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শবরপা</strong>। চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন, আর এর পদকর্তারা মূলত সিদ্ধাচার্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট পদকর্তার সংখ্যা ২৪ জন।</li>
<li>এই ২৪ জনের মধ্যে <strong>শবরপা</strong> অন্যতম প্রধান একজন কবি।</li>
<li>তার রচিত পদগুলোর মধ্যে ২ নম্বর ও ৫০ নম্বর পদটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলো (ভারতচন্দ্র, বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস) মধ্যযুগের কবি, তাই তারা চর্যাপদের রচয়িতা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। চর্যাপদ মূলত বৌদ্ধ সহজিয়া মতবাদের ওপর ভিত্তি করে রচিত, আর শবরপা ছিলেন সেই ধারার একজন বিখ্যাত সিদ্ধাচার্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আত্মচরিত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর নিজের জীবনের ঘটনাবলি নিয়ে যে গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন, তার নামই ছিল <strong>আত্মচরিত</strong>।</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই তাঁর জীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা এই বইটিতে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে আত্মজীবনীমূলক রচনার ক্ষেত্রে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই নামটা একটু ভালো করে মনে রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবিতার কথা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি বিখ্যাত <strong>প্রবন্ধগ্রন্থ</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কবিতার কথা</strong> মূলত সাহিত্যের নান্দনিকতা ও কবিতার স্বরূপ নিয়ে লেখা একটি প্রবন্ধের সংকলন।</li>
<li>অন্যদিকে, হাঁসুলি বাঁকের উপকথা, পথের পাঁচালী এবং দিবারাত্রির কাব্য—এই তিনটিই বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় যখনই এমন প্রশ্ন আসবে, মনে রাখবে যে নামের সাথে 'কবিতা' বা 'প্রবন্ধ' জাতীয় শব্দ থাকলে সেটি উপন্যাস হওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কন্যা কুমারী</strong>। এটি প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>আবুল ফজল</strong>-এর লেখা একটি জনপ্রিয় উপন্যাস।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কন্যা কুমারী</strong> একটি সামাজিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য লেখকের নাম এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাসগুলো আলাদা করে একটি তালিকায় লিখে রাখলে খুব দ্রুত মনে রাখা যায়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রক্তাক্ত প্রান্তর</strong>। এটি মুনীর চৌধুরীর লেখা একটি কালজয়ী ঐতিহাসিক নাটক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রক্তাক্ত প্রান্তর</strong> নাটকটি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত।</li>
<li>মুনীর চৌধুরী ইতিহাসের বাস্তব ঘটনাকে নাট্যরূপ দিয়ে একে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই ঐতিহাসিক নাটকের কথা আসবে, তখন মনে রাখবেন এটি মূলত ইতিহাসের কোনো বিশেষ যুদ্ধ বা ঘটনাকে কেন্দ্র করে লেখা হয়, আর এই তালিকার মধ্যে <strong>রক্তাক্ত প্রান্তর</strong>-ই সেই মানদণ্ড পূরণ করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রসুল বিজয়</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কবি জৈনুদ্দিনের নাম বিশেষভাবে পরিচিত তার এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটির জন্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>কবি জৈনুদ্দিন ছিলেন সুলতান ইউসুফ শাহের সভাকবি।</li>
<li>তার রচিত <strong>রসুল বিজয়</strong> কাব্যটি মূলত মহানবী (সা.)-এর যুদ্ধ ও বিজয়ের কাহিনী অবলম্বনে লেখা।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে 'বিজয়' কাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে এটি সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা জরুরি কারণ মধ্যযুগের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম প্রায়ই কাছাকাছি হয়, তাই কবির নামের সাথে কাব্যের নাম মিলিয়ে পড়াটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>নজরুল মূলত কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি তিনটি উপন্যাস লিখেছিলেন।</li>
<li>তার লেখা উপন্যাস তিনটি হলো: <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong>, <strong>বাঁধনহারা</strong> এবং <strong>কুহেলিকা</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই তিনটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামগুলো মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর দেওয়া সম্ভব।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কুহেলিকা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে উপন্যাস খুব একটা বেশি নেই, তাই এটি মনে রাখা বেশ সহজ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো: <strong>বাঁধনহারা</strong>, <strong>মৃত্যুক্ষুধা</strong> এবং <strong>কুহেলিকা</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই তিনটি থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামগুলো আলাদা করে মনে রাখলে অন্য অপশনগুলো নিয়ে আর বিভ্রান্তি হবে না।</li>
<li><strong>কুহেলিকা</strong> উপন্যাসে মূলত বিপ্লবীদের জীবন ও আদর্শের প্রতিফলন ঘটেছে, যা নজরুল সাহিত্যের এক অনন্য দিক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চক্রবাক</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রেমের কাব্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>চক্রবাক</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত রোমান্টিক ও প্রেমমূলক কবিতার সংকলন।</li>
<li>নজরুলের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ যেমন 'সর্বহারা' সাম্যবাদী চেতনার বা 'ছায়ানট' প্রকৃতি ও দেশপ্রেমের হলেও, 'চক্রবাক'-এ কবির হৃদয়ের আবেগ ও প্রেমের বহিঃপ্রকাশ সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়।</li>
<li>তাই প্রেমের কাব্যগ্রন্থ হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বালুচর</strong>। কারণ এটি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো কাব্যগ্রন্থ বা রচনা নয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>বালুচর</strong> মূলত কবি <strong>বন্দে আলী মিয়ার</strong> একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>অন্যদিকে, <em>ছায়ানট</em>, <em>চক্রবাক</em> এবং <em>রুদ্রমঙ্গল</em>—এই তিনটিই কাজী নজরুল ইসলামের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে কবির বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম একবার চোখ বুলিয়ে নিলে খুব সহজেই ভুল অপশনটি আলাদা করা যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রুদ্রমঙ্গল</strong>। এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রুদ্রমঙ্গল</strong> হলো নজরুলের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রবন্ধের একটি অনন্য সংকলন।</li>
<li>নজরুলের গদ্যশৈলী ও বিদ্রোহী চেতনার পরিচয় পাওয়া যায় এই বইটিতে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের প্রশ্ন আসে, তাই নজরুলের কাব্যগ্রন্থের পাশাপাশি তাঁর প্রবন্ধগ্রন্থগুলো আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।