<p>সবচেয়ে কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন <strong>সৈয়দ শামসুল হক</strong>। তিনি মাত্র <strong>২৯ বছর</strong> বয়সে এই সম্মানজনক পুরস্কারটি লাভ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>পুরস্কারের নাম:</strong> বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।</li>
<li><strong>পুরস্কার প্রাপ্তির বয়স:</strong> ২৯ বছর।</li>
<li><strong>সাল:</strong> ১৯৬৬ সালে তিনি এই পুরস্কার পান।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের এই কিংবদন্তি লেখক তার অসাধারণ সৃজনশীলতার কারণেই এত অল্প বয়সে এই স্বীকৃতি অর্জন করতে পেরেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাহ্নপা</strong>। চর্যাপদের কবিদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছেন। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদ সংখ্যা ৪৬টি (বা ৪৭টি)।</li>
<li>এর মধ্যে একাই <strong>১৩টি</strong> পদ লিখেছেন কাহ্নপা।</li>
<li>গাণিতিক হিসেবে এটি মোট পদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ, তাই তিনি চর্যাপদের প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের রচয়িতাদের মধ্যে কাহ্নপার পদসংখ্যাই সবচেয়ে বেশি, যা তাকে এই সাহিত্যের সবচেয়ে প্রভাবশালী কবি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাহ্ন পা</strong>। চর্যাপদের রচয়িতাদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে বেশি পদ লিখেছিলেন। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদসংখ্যা ৪৬টি (সাড়ে ৪৬টি)।</li>
<li>এর মধ্যে <strong>কাহ্ন পা</strong> একাই মোট ১৩টি পদ রচনা করেছেন।</li>
<li>অন্যান্য কবিদের তুলনায় তার রচিত পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায় তাকে চর্যাপদের প্রধান কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের বিশাল ভাণ্ডারে সবচেয়ে বড় অবদানটি ছিল কাহ্ন পা-এর, তাই পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি আসলে চোখ বন্ধ করে তার নাম দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
৫৪৯৪
সবার উপরে মানুষ সত্য তার উপরে নেই- কথাগুলি কোন কবির?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবি চণ্ডীদাস</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মানবতাবাদের জয়গান গাইতে গিয়ে তিনি এই কালজয়ী পঙক্তিটি লিখেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য সহজ কিছু পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>চণ্ডীদাস ছিলেন বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি।</li>
<li>তার দর্শনে মানুষের চেয়ে বড় কোনো সত্য বা ধর্ম নেই—এই মানবিক বোধই ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত তার <strong>'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'</strong> বা পদাবলীর ভাবধারার সাথে গভীরভাবে যুক্ত, যা আজও বাংলা সাহিত্যে অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজ মিশনারি <strong>মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও</strong> ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন থেকে প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>বইটির নাম ছিল <em>'Vocabulario em idioma Bengalla, e Portuguez'</em>।</li>
<li>এটি মূলত পর্তুগিজ ভাষাভাষীদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছিল, তাই এটিই বাংলা ভাষার ইতিহাসের প্রথম ব্যাকরণ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ব্যাকরণের আদি রচয়িতা হিসেবে মানোএল দ্য আসসুম্পসাঁও-এর নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>সাপ্তাহিক <strong>‘সুধাকর’</strong> পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন <strong>শেখ আব্দুর রহিম</strong>। উনি উনিশ শতকের শেষ দিকে বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li><strong>‘সুধাকর’</strong> পত্রিকাটি ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই পত্রিকার মূল লক্ষ্য ছিল তৎকালীন মুসলিম সমাজের শিক্ষা ও সামাজিক সংস্কারের বার্তা পৌঁছে দেওয়া।</li>
<li>শেখ আব্দুর রহিম ছিলেন এই পত্রিকার প্রাণপুরুষ, যিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আব্দুল জাব্বার</strong>।</p>
<p>এই কালজয়ী গানটি সম্পর্কে কিছু তথ্য মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>দেশাত্মবোধক এই গানটির গীতিকার হলেন ফজল-এ-খোদা এবং সুরকার হলেন আব্দুল জব্বার নিজেই।</li>
<li>১৯৭০ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'ওরা ১১ জন' চলচ্চিত্রে গানটি ব্যবহৃত হয়েছিল, যা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় দারুণ অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।</li>
<li><strong>আব্দুল জাব্বার</strong> তার ভরাট কণ্ঠের জাদুতে গানটিকে বাঙালির হৃদয়ে অমর করে রেখেছেন।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনা ধরা হয় <strong>১৮০১</strong> সাল থেকে। এর পেছনে সহজ একটি ঐতিহাসিক কারণ রয়েছে:</p>
<ul>
<li>১৮০১ সালে কলকাতায় <strong>ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ</strong> প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
<li>এই কলেজকে কেন্দ্র করেই বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু হয় এবং বাংলা ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচনার কাজ গতি পায়।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে এই সময় থেকেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার ছোঁয়া লাগে, তাই একে আধুনিক যুগের শুরুর সময়সীমা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গদ্যের বিকাশ এবং আধুনিক চিন্তাধারার প্রসারের কারণেই <strong>১৮০১</strong> সালকে আধুনিক যুগের সূচনালগ্ন বলা হয়।</p>
৫৪৯৯
সাহিত্যের কোন বিশেষ শাখাটি জীবনের কোন বিশেষ মুহুর্তের রূপায়ণ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ছোটগল্প</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায়—</p>
<ul>
<li><strong>ছোটগল্পের মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> ছোটগল্প হলো জীবনের কোনো একটি বিশেষ মুহূর্ত, ঘটনা বা অনুভূতির শৈল্পিক রূপায়ণ।</li>
<li><strong>কেন এটি সেরা:</strong> উপন্যাসের মতো এখানে জীবনের বিশাল ক্যানভাস বা দীর্ঘ সময়ের বর্ণনা থাকে না। বরং এটি জীবনের একটি নির্দিষ্ট দিক বা খণ্ডাংশকে খুব নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলে।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> ছোটগল্প মানেই হলো 'শেষ হইয়াও হইল না শেষ'—অর্থাৎ জীবনের একটি ছোট অংশকে কেন্দ্র করেই এর পুরো কাঠামো তৈরি হয়।</li>
</ul>
<p>সাহিত্যের প্রধান লক্ষ্য হলো <strong>সৌন্দর্য সৃষ্টি করা</strong>। বিষয়টি আসলে খুব সহজ। সাহিত্য মানেই হলো ভাষার কারুকাজ আর কল্পনার মিশেলে এক নান্দনিক জগত তৈরি করা।</p>
<ul>
<li>সাহিত্য যখন কোনো বিষয়কে শৈল্পিক রূপ দেয়, তখনই তা পাঠকের মনে গভীর অনুভূতির জন্ম দেয়।</li>
<li>লেখকের মূল উদ্দেশ্য থাকে তার লেখনীর মাধ্যমে ভাষার মাধুর্য ফুটিয়ে তোলা, যা পাঠককে এক ধরনের নান্দনিক তৃপ্তি দেয়।</li>
<li>অন্যান্য বিষয় যেমন—সমাজ সংস্কার বা মনোরঞ্জন সাহিত্যের অনুষঙ্গ হতে পারে, কিন্তু শিল্পের মূল ভিত্তি বা প্রাণ হলো সেই <strong>সৌন্দর্য</strong>, যা পাঠককে মুগ্ধ করে রাখে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্য যেখানেই শিল্পের ছোঁয়া পায়, সেখানেই সৌন্দর্য সৃষ্টি হয়—আর এটাই সাহিত্যের আসল সার্থকতা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সমকাল</strong>। সিকান্দার আবু জাফর ছিলেন একজন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক, যিনি ১৯৫৭ সালে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সিকান্দার আবু জাফরের সাহিত্যিক ও সাংবাদিকতা জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো <strong>সমকাল</strong> পত্রিকা।</li>
<li>এই পত্রিকাটি তৎকালীন বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন: <strong>সিকান্দার আবু জাফর = সমকাল</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৪৭ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সুকান্ত ভট্টাচার্য মাত্র ২১ বছর বয়সে দুরারোগ্য যক্ষ্মায় আক্রান্ত হয়ে অকালে মৃত্যুবরণ করেন।</p>
<ul>
<li>সুকান্ত ভট্টাচার্য জন্মগ্রহণ করেন: <strong>১৯২৬ সালে</strong>।</li>
<li>তিনি মৃত্যুবরণ করেন: <strong>১৯৪৭ সালের ১৩ মে</strong>।</li>
</ul>
<p>মাত্র ২১ বছরের সংক্ষিপ্ত জীবনে তিনি বাংলা সাহিত্যে যে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন, তার জন্য তিনি আজও 'কিশোর কবি' হিসেবে আমাদের মাঝে বেঁচে আছেন। তাই সালটি মনে রাখার জন্য তার জন্মসাল $1926$ এর সাথে তার বয়স $21$ যোগ করলেই আমরা সহজেই তার মৃত্যুর বছরটি পেয়ে যাই: $$1926 + 21 = 1947$$</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'সূর্য দীঘল বাড়ী'</strong> সম্পর্কে মনে রাখার সহজ উপায়টি হলো:</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসটি ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়, যা গ্রামীণ জীবনের দারিদ্র্য ও কুসংস্কারের এক বাস্তব চিত্র।</li>
<li>এর রচয়িতা <strong>আবু ইসহাক</strong>, যিনি এই একটি উপন্যাসের মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।</li>
<li>পরীক্ষায় অনেক সময় প্রশ্ন আসে যে, এটি কোন ধরনের উপন্যাস—এটি মূলত একটি <strong>সামাজিক ও বাস্তববাদী</strong> উপন্যাস।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'সূর্য দীঘল বাড়ী' নামটা শুনলেই যেন চোখের সামনে ভেসে ওঠে <strong>আবু ইসহাক</strong>-এর নাম। এটি মনে রাখা খুব সহজ কারণ এটি তার সবচেয়ে জনপ্রিয় ও একক শ্রেষ্ঠ কাজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>খোল করতাল</strong>। সেলিনা হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত পরিচিত গল্পগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সেলিনা হোসেন মূলত তার সামাজিক ও রাজনৈতিক সচেতনতামূলক উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও, তিনি বেশ কিছু চমৎকার ছোটগল্পও লিখেছেন।</li>
<li><strong>খোল করতাল</strong> তাঁর অন্যতম উল্লেখযোগ্য গল্প সংকলন, যা বাংলা সাহিত্যে তাঁর সৃজনশীলতার স্বাক্ষর বহন করে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই তাঁর বিভিন্ন রচনার নাম থেকে প্রশ্ন আসে, তাই এই নামটি আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৫৫০৫
সেলিনা হোসেনের কোন গ্রন্থ অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে?
<p>সেলিনা হোসেনের জনপ্রিয় উপন্যাস <strong>'পোকামাকড়ের ঘরবসতি'</strong> অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। এই উপন্যাসটি মূলত গ্রামীণ জনজীবনের সংগ্রাম এবং নারীদের বেঁচে থাকার লড়াই নিয়ে লেখা।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটি ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই উপন্যাসের কাহিনী অবলম্বনে পরিচালক আখতারুজ্জামান চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন।</li>
<li>চলচ্চিত্রটি ১৯৯৬ সালে মুক্তি পায় এবং এটি বেশ প্রশংসিত হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সেলিনা হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটিই চলচ্চিত্রায়িত হওয়ার জন্য সবচেয়ে পরিচিত একটি কাজ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।