<p>হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সঠিক উপাধি হলো <strong>মহামহোপাধ্যায়</strong>। এই উপাধিটি মূলত প্রাচীন ভারতীয় পণ্ডিতদের দেওয়া হতো যারা সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অসাধারণ পাণ্ডিত্য অর্জন করতেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাঙালি ভারততত্ত্ববিদ এবং সংস্কৃত সাহিত্যের গবেষক।</li>
<li>তার পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাকে এই বিশেষ সম্মানসূচক উপাধিতে ভূষিত করেছিল।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি 'চর্যাপদ' আবিষ্কারের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, যা তার গভীর জ্ঞান ও গবেষণারই ফসল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গ্রামবার্তা প্রকাশিকা</strong>। কাঙাল হরিনাথ নামে পরিচিত হরিনাথ মজুমদার ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> কাঙাল হরিনাথ মজুমদার।</li>
<li><strong>মূল উদ্দেশ্য:</strong> তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের অন্যায়, অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি ছিল বাংলার গ্রামীণ সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত সাহসী ও প্রভাবশালী পত্রিকা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গ্রামীণ মানুষের কথা তুলে ধরার জন্য হরিনাথ মজুমদারের এই পত্রিকাটি সেই সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</p>
৫৫২৩
হিন্দি পদুমাবৎ- এর অবলম্বনে পদ্মবতী কাব্যের রচয়িতা-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলাওল</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি আলাওল তাঁর অমর সৃষ্টি 'পদ্মবতী' কাব্যটি রচনা করেছিলেন মূলত মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য 'পদুমাবৎ'-এর কাহিনী অবলম্বনে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>মূল উৎস:</strong> মালিক মুহম্মদ জায়সীর হিন্দি কাব্য 'পদুমাবৎ'।</li>
<li><strong>অনুবাদক ও রচয়িতা:</strong> আরাকান রাজসভার কবি আলাওল।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> তিনি কেবল অনুবাদ করেননি, বরং নিজের কাব্যপ্রতিভা ও পাণ্ডিত্য দিয়ে এটিকে বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য মহাকাব্যে রূপান্তর করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'পদ্মবতী' কাব্যের রচয়িতার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>আলাওল</strong>-এর নামটাই মনে রাখবেন!</p>
<p>হুমায়ুন আজাদের লেখা শিশু-কিশোরদের জন্য অন্যতম জনপ্রিয় ও কালজয়ী গ্রন্থ হলো <strong>লালনীল দীপাবলি</strong>। এটি মূলত বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি অসাধারণ বই।</p>
<ul>
<li>বইটি মূলত কিশোর পাঠকদের জন্য লেখা হয়েছে, যেখানে খুব সহজ ও সাবলীল ভাষায় বাংলা সাহিত্যের বিবর্তন তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>হুমায়ুন আজাদের লেখনশৈলী এমন যে, কঠিন বিষয়গুলোও ছোটদের কাছে গল্পের মতো আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক জ্ঞান অর্জনের জন্য এটি শিশু-কিশোরদের পাঠ্যতালিকায় সবসময়ই শীর্ষে থাকে।</li>
</ul>
৫৫২৫
হুমায়ূন আহমেদের ‘শ্যামল ছায়া’ উপন্যাসের পটভূমি হচ্ছে -।
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিজলী</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি প্রকাশের পর বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা হয়।</p>
<ul>
<li>কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>বিজলী</strong> পত্রিকায়।</li>
<li>প্রকাশের তারিখ: ৬ জানুয়ারি, ১৯২২।</li>
<li>কবিতাটি প্রকাশের পরপরই এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় এবং নজরুলকে ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিতি দেয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দোলন চাঁপা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়।</p>
<ul>
<li><strong>দোলন চাঁপা</strong> হলো বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>অন্যদিকে, শেষের কবিতা, সোনার তরী এবং মানসী—এই তিনটিই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রবীন্দ্রনাথের রচনার তালিকা মনে রাখলে নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি আলাদা করা খুব সহজ।</p>
<p>বাংলা ভাষার উৎপত্তির মূল উৎস হলো <strong>মাগধী প্রাকৃত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>প্রাচীনকালে মগধ অঞ্চলে যে প্রাকৃত ভাষা প্রচলিত ছিল, তাকে বলা হয় মাগধী প্রাকৃত।</li>
<li>ভাষাবিদদের মতে, এই মাগধী প্রাকৃত থেকেই কালক্রমে মাগধী অপভ্রংশ এবং পরবর্তীতে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, মাগধী প্রাকৃত হলো বাংলা ভাষার আদি জননী বা মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা ভাষার সঠিক উৎস হিসেবে আমরা সবসময় <strong>মাগধী প্রাকৃত</strong>-কে চিহ্নিত করি।</p>
<p>বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাসটা বেশ মজার। আমাদের বাংলা ভাষার মূল উৎস হলো <strong>মাগবী প্রাকৃত</strong>। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকে বিবর্তিত হয়ে প্রাকৃত ভাষার বিভিন্ন রূপ তৈরি হয়েছিল।</li>
<li>এর মধ্যে মাগধী প্রাকৃত ছিল পূর্ব ভারতের প্রধান ভাষা।</li>
<li>এই মাগধী প্রাকৃত থেকেই কালক্রমে অপভ্রংশ ও অবহট্ঠের হাত ধরে আমাদের আজকের বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি শিকড় খুঁজে পাওয়া যায় মাগধী প্রাকৃতের ভেতরেই। তাই ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>বাংলা ভাষার উৎপত্তির ইতিহাসটা বেশ মজার। আমাদের বাংলা ভাষার মূল ভিত্তি হলো <strong>প্রাকৃত</strong> ভাষা। সহজ কথায় বলতে গেলে, বিবর্তনের ধারায় ভাষাগুলো যেভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, তার ধাপগুলো এমন:</p>
<ul>
<li>সবচেয়ে প্রাচীন রূপ হলো বৈদিক ভাষা।</li>
<li>এরপর আসে সংস্কৃত, যা থেকে জন্ম নেয় প্রাকৃত ভাষা।</li>
<li>এই প্রাকৃত ভাষারই একটি বিশেষ রূপ হলো <strong>মাগধী প্রাকৃত</strong> বা অপভ্রংশ।</li>
<li>এই মাগধী প্রাকৃত থেকেই কালক্রমে আমাদের আজকের এই মিষ্টি বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই ভাষাতাত্ত্বিক বিচারে বাংলা ভাষার সরাসরি জননী বা উৎস হিসেবে <strong>প্রাকৃত</strong> ভাষাকেই ধরা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ময়মনসিংহ গীতিকা</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ—পুঁথি সাহিত্য মূলত মধ্যযুগের একটি বিশেষ ধারার কাব্য, যা সাধারণত ফারসি বা আরবি শব্দবহুল ভাষায় রচিত হতো। অন্যদিকে, ময়মনসিংহ গীতিকা কোনো পুঁথি সাহিত্যের অংশ নয়, বরং এটি লোকসাহিত্যের এক অনন্য নিদর্শন।</p>
<ul>
<li><strong>ময়মনসিংহ গীতিকা</strong> হলো লোকগাথা বা লোকসংগীতের সংকলন, যা সাধারণ মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত ছিল।</li>
<li>পুঁথি সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর ধর্মীয় বা রোমান্টিক আখ্যান, যা পুঁথি আকারে লেখা হতো।</li>
<li>ময়মনসিংহ গীতিকা লোকায়ত জীবন ও গ্রামীণ সংস্কৃতির প্রতিফলন, তাই এটি পুঁথি সাহিত্যের সংজ্ঞায় পড়ে না।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পুঁথি সাহিত্য হলো লিখিত কাব্যধারা, আর ময়মনসিংহ গীতিকা হলো লোকমুখে বেঁচে থাকা লোকসংগীতের অমূল্য ভাণ্ডার।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।</p>
<p>কেন এটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান, তার সহজ কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>কবি ও প্রেক্ষাপট:</strong> মহাকবি আলাওল রচিত এই কাব্যটি মূলত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবত' অবলম্বনে লেখা।</li>
<li><strong>কাহিনীর ধরন:</strong> এই কাব্যে রাজা রত্নসেনের পদ্মাবতীর প্রতি গভীর প্রেম, বিরহ এবং তাদের মিলনকে কেন্দ্র করে অলৌকিক ও মানবিক অনুভূতির এক অপূর্ব সংমিশ্রণ ঘটেছে।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের মূল শর্ত হলো নায়ক-নায়িকার প্রেম, বাধা-বিপত্তি এবং দীর্ঘ বিরহের পর মিলন—যা এই কাব্যে নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মানবিক প্রেম ও রোমান্টিক আখ্যানের ধারায় <strong>পদ্মাবতী</strong> একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনন্দময়ীর আগমনে</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের এই কবিতাটি ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে লেখা হয়েছিল।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯২২ সালে নজরুল তাঁর <strong>'ধূমকেতু'</strong> পত্রিকায় <strong>'আনন্দময়ীর আগমনে'</strong> কবিতাটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>কবিতাটিতে ব্রিটিশ শাসনের কঠোর সমালোচনা এবং দেশপ্রেমের সুর থাকায় সরকার একে রাজদ্রোহমূলক বলে গণ্য করে।</li>
<li>এর ফলে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্রিটিশদের অন্যায় শাসনের বিরুদ্ধে কলম ধরার কারণেই তাঁকে এই রচনার জন্য জেল খাটতে হয়েছিল।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে <strong>১২০১ থেকে ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দ</strong> পর্যন্ত সময়কালকে ‘অন্ধকার যুগ’ বলা হয়। এই সময়টিকে অন্ধকার যুগ বলার পেছনে মূল কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>এই দেড়শ বছরের মধ্যে বাংলা সাহিত্যের কোনো উল্লেখযোগ্য নিদর্শন বা লিখিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।</li>
<li>তৎকালীন রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং তুর্কি আক্রমণের ফলে জনজীবনে যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তার প্রভাবে সাহিত্যচর্চা প্রায় স্তিমিত হয়ে পড়েছিল।</li>
<li>ইতিহাসবিদদের মতে, এই সময়ে কোনো কবি বা সাহিত্যিকের নাম বা তাদের কোনো সাহিত্যকর্মের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি, তাই একে সাহিত্যের শূন্য বা অন্ধকার সময় হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্যের কোনো উপকরণ বা দলিল না পাওয়ার কারণেই এই সময়কালকে <strong>১২০১ - ১৩৫০ খ্রি.</strong> হিসেবে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।</p>
৫৫৩৫
কোন সংস্কৃত ভাষায় রচিত কাব্য-সংকলনে বাঙালি কবিদের শ্লোক অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাকৃতপৈঙ্গল-এ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই গ্রন্থটি মূলত প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ছন্দের একটি সংকলন।</p>
<ul>
<li><strong>প্রাকৃতপৈঙ্গল</strong> গ্রন্থটি মূলত ছন্দশাস্ত্রের ওপর ভিত্তি করে লেখা।</li>
<li>এই সংকলনে বিভিন্ন সময়ের অনেক কবিদের শ্লোক বা পদ উদ্ধৃত করা হয়েছে।</li>
<li>ঐতিহাসিক ও ভাষাতাত্ত্বিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই গ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত শ্লোকগুলোর মধ্যে বেশ কিছু শ্লোক প্রাচীন ও মধ্যযুগের বাঙালি কবিদের রচিত।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা সাহিত্যের আদি ও মধ্যযুগের নিদর্শন হিসেবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।